X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী ট্রাম এখন যেমন

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২১
image

শত বছরের ঐতিহ্যের প্রতীক ট্রাম। অন্তত ভারতের কলকাতা শহরের বেলায় এমনটা বলাই যায়। ১৮৭৩ সাল থেকেই এই পরিবহন ব্যবস্থার সাক্ষী কলকাতা। প্রথম দিকে ঘোড়ার সাহায্যে এটি চালানো হলেও ১৯০২ সালে এশিয়ার প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাম পরিবহন ব্যবস্থা চালু হয় শহরটিতে। এতো বছর পর আজ আধুনিক মেট্রো রেলের যুগে কী হাল শতবর্ষী ট্রামের?

কলেজ স্ট্রিট বরাবর ঝাঁকুনি দিয়ে, কয়েক ডজন বইয়ের স্টল পেরিয়ে বেলের অদ্ভুত আওয়াজে নিজের উপস্থিতির জানান দেয় ট্রাম। খোলা জানালা আর প্রাচীন সিলিং ফ্যানের মৃদু বাতাস যেন গ্রীষ্মের আর্দ্রতাটুকু দূরে সরিয়ে দেয়।  

বাইরের বাতাসের মৃদু ঝাপটা, ফুটপাতে তাজা মাছের গন্ধ আর মসজিদে মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে আজান! গাড়িতে বসেই এসব উপভোগ করেন যাত্রীরা। কখনও বা ঐতিহ্যবাহী কোনও ভবনের পাশ দিয়ে ভ্রমণের সময় ইতিহাসে ডুব দেন যাত্রীরা।

দুই বন্ধুকে নিয়ে একটি ট্রামে উঠেছিলেন মেডিক্যাল শিক্ষার্থী মেঘা রায়। তার ভাষায়, ‘আপনি এখানে কলকাতার যাবতীয় স্বাদ পাবেন। ফলে এটি ভ্রমণের জন্য সেরা উপায়।’

তিন বন্ধু স্বতস্ফূর্তভাবে ট্রামে উঠে পড়েছিলেন। এটি কোথায় যাচ্ছে কিংবা কখন গন্তব্যে পৌঁছাবে সেটি নিয়ে খুব একটা মাথাব্যাথা নেই তাদের। ট্রামে ঘুরছেন; এটিই তাদের কাছে এক দুর্দান্ত বিষয়। শিক্ষার্থী মেঘা রায়ের ভাষায়, ‘এটা রূপকথার মতো।’ ১৯৪০ সালের ছবি  

মেঘা রায়ের কাছে রূপকথা হলেও বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। মেট্রো রেল চালুর পর থেকেই জৌলুস হারাতে শুরু করে ট্রাম। এখন কোনও রকমে নিজের অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে এটি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর কর্তৃপক্ষের অবহেলায় কলকাতা শহরের ট্রাম ব্যবস্থা যেন পরিণত হয়েছে এক নস্টালজিয়ায়।

কর্তৃপক্ষ বলছে, ট্রামগুলো ট্রানজিট মিশ্রণের একটি অংশ হওয়া উচিত। আর ১৫ মিলিয়ন মানুষের শহরে বাস ও মেট্রো ব্যবস্থা অপেক্ষাকৃত ভালো সেবা দিচ্ছে।

কলকাতাকে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহরে পরিণত করার ক্ষেত্রে যে ট্রামের অবদান ছিল সেটি নিজেই আজ রুগ্ন। অরন্দ দাস গুপ্ত নামের একজন ট্রাম নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ফিরে যান তার শৈশবে। তিনি বলেন, ‘ট্রামওয়ের শহরেই আমরা বেড়ে উঠেছি। এটা কলকাতার ঐতিহ্য।’ জানালেন, তার দাদার বইয়ের দোকানের পাশ দিয়েই ছিল ট্রামওয়ে। সেদিনের কথা এখনও স্পষ্ট মনে করতে পারেন তিনি।

নানা কারণে ইদানিং ট্রাম মলিন হতে চললেও এর ঐতিহ্য রক্ষায় কাজ করে চলেছেন কয়েকজন প্রতিশ্রুতিশীল যাত্রী। সান ডিয়াগো থেকে শুরু করে হংকং পর্যন্ত বিভিন্ন শহরের দিকে ইঙ্গিত করে তারা বলছেন, দুনিয়াজুড়ে হালকা রেলকে নতুন করে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। আর দূষণ এবং জনাকীর্ণতার সঙ্গে লড়াই করা কলকাতার মতো একটি শহরে শতবর্ষী পুরনো এই পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্বের বিষয়টি সহজেই বোধগম্য।

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের এই যুগে ওভারহেড বৈদ্যুতিক লাইন দ্বারা চালিত নির্গমনমুক্ত ট্রাম ডিজেল-জ্বালানি চালিত বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির চেয়ে একটি ভালো বিকল্প।

কলকাতা ট্রাম ইউজার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেবাশীষ ভট্টাচার্য বলেন, ‘বৈজ্ঞানিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে, পরিবেশগতভাবে ট্রামওয়েকে বাসের রাস্তায় পরিণত করার কোনও কারণ নেই।’

কলকাতার বহু ল্যান্ডমার্ক; সিনেমা হল, বইয়ের দোকান থেকে শুরু করে জাদুঘর কিংবা হাসপাতাল; এমন অনেক কিছু নির্মিত হয়েছিল ট্রাম চলাচলের রাস্তাকে ঘিরে। এসব স্থাপনার একটি ১৮৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত দাস গুপ্ত বুকস।

দোকানের চতুর্থ প্রজন্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরন্দ দাস গুপ্ত ট্রামযাত্রাকে একটি চমৎকার জার্নি হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে তার মতে, এতে অনেক বেশি সময় লাগে। আর আজকাল মানুষ দ্রুত চলাচল করতে চায়।

/এমপি/

সম্পর্কিত

ডব্লিউএইচও’র অনুমোদনের অপেক্ষায় কোভ্যাক্সিন নেওয়া ভারতীয়রা

ডব্লিউএইচও’র অনুমোদনের অপেক্ষায় কোভ্যাক্সিন নেওয়া ভারতীয়রা

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

প্রথমবারের মতো জান্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সু চি: এএফপি

প্রথমবারের মতো জান্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সু চি: এএফপি

মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনলেন ট্রুডো

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২৩:৫১

মন্ত্রিসভায় বড় পরিবর্তন এনেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের আনা হয়েছে। গত মাসের আগাম নির্বাচনে লিবারেল পার্টি একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠনের পর এই বদল এসেছে।

৩৮ জন মন্ত্রী মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন। এর মধ্যে মাত্র দশজনেরও কম মন্ত্রী আগের মন্ত্রণালয়ে বহাল রয়েছেন। বদলের অংশ হিসেবে এসেছেন নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেয়েছে কানাডা। সেনাবাহিনী যখন যৌন অসদাচরণের অভিযোগের মুখোমুখি তখন ছয় বছর দায়িত্ব শেষ করেছেন সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর হরজিৎ সাজ্জান।

নতুন জাতীয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন অনিতা আনন্দ। এই পদে দ্বায়িত্ব পালন করা দ্বিতীয় নারী তিনি। সাবেক এই অ্যাকাডেমিক মহামারির সময়ে কানাডার টিকা কেনার নেতৃত্ব দেওয়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো জলবায়ু আন্দোলন থেকে রাজনীতিতে আসা স্টিভেন গিলবেল্টকে জলবায়ুমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছে কানাডা। যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে কানাডার প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।

এছাড়া ২০১৫ সালে প্রথম সরকার গঠনের পর পঞ্চমবারের মতো পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদলেছে কানাডার লিবারেল সরকার। সাবেক সরকারি ভাষা বিষয়কমন্ত্রী মেলানি জোলি ওই পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

আগের অবস্থান ধরে রাখা মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন ক্রিস্টিনা ফ্রিল্যান্ড। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন তিনি।

/জেজে/

সম্পর্কিত

কানাডা উপকূলে ছড়াচ্ছে বিষাক্ত গ্যাস

কানাডা উপকূলে ছড়াচ্ছে বিষাক্ত গ্যাস

তাইওয়ান প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যুদ্ধজাহাজ

তাইওয়ান প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যুদ্ধজাহাজ

ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন নারী

ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন নারী

টিকাগ্রহীতাদের জন্য কানাডা সীমান্ত খুলে দেবে যুক্তরাষ্ট্র

টিকাগ্রহীতাদের জন্য কানাডা সীমান্ত খুলে দেবে যুক্তরাষ্ট্র

গৃহযুদ্ধ এড়াতে ক্ষমতা দখল করেছে সুদানের সেনাবাহিনী: অভ্যুত্থানের নেতা

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:৩৮

সুদানের অভ্যুত্থানের নেতা জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান বলেছেন গৃহযুদ্ধ এড়াতে সোমবার ক্ষমতা দখল করেছে সেনাবাহিনী। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদাককে নিরাপত্তা কারণে নিজের বাড়িতে এনে রেখেছেন বলে দাবি করেন তিনি। শিগগিরই তাকে নিজের বাড়িতে যেতে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ হয়েছে। সড়ক, সেতু এবং দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। ফোন আর ইন্টারনেট সেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে অন্তত দশ জন নিহতের কথা জানা গেছে।

অভ্যুত্থানকারী নেতা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘গত সপ্তাহে যে বিপদ আমরা দেখেছি তাতে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারতো।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তার বাড়িতে ছিলেন কিন্তু আমরা তার ক্ষতির আশঙ্কা করছি আর তিনি এখন আমার বাড়িতে রয়েছেন। গত রাতে তার সঙ্গে ছিলাম... এবং তিনি স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন...হুমকি শেষ হয়ে গেলে শিগগিরই তিনি বাড়ি যেতে পারবেন।’

জেনারেল বুরহান বলেন, রাজনৈতিক গ্রুপগুলো জনগণকে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে উস্কে দিতে থাকায় তাকে বেসামরিক শাসনের অবসান ঘটাতে হয়েছে, রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করতে হয়েছে এবং জরুরি অবস্থা জারি করতে হয়েছে।

বিশ্ব জুড়ে ওই অভ্যুত্থানের নিন্দা জানানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাতিসংঘ এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন গ্রেফতারকৃতদের নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে। এসব নেতাদের মধ্যে আবদাল্লাহ হামদাকের মন্ত্রিসভার সদস্যরাও রয়েছেন।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, সুদানও সেই সব দেশের মধ্যে একটি যেখানে এশিয়া ও আফ্রিকায় সেনা অভুত্থানের মহামারি চলছে। তিনি নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে সেনা অভুত্থান নিষিদ্ধ করার ব্যবস্থা নিতে বিশ্বের বড় শক্তিগুলোকে আহ্বান জানান।

 

/জেজে/

সম্পর্কিত

নাইজেরিয়ায় মসজিদে ১৮ জনকে গুলি করে হত্যা

নাইজেরিয়ায় মসজিদে ১৮ জনকে গুলি করে হত্যা

সুদানে ৭০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের

সুদানে ৭০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের

সুদানে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৭

সুদানে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৭

ডব্লিউএইচও’র অনুমোদনের অপেক্ষায় কোভ্যাক্সিন নেওয়া ভারতীয়রা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:১৪

৯ মাস ধরে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে আটকে পড়া এবং সৌদি আরবে কাজে ফিরতে না পারা না সুগাথান পিআর আশা করছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ভারতে উদ্ভাবিত করোনার টিকা কোভ্যাক্সিনকে অনুমতি দিবে। এতে করে তার সৌদি আরব যাওয়ার পথ উন্মুক্ত হবে।

সুগাথানের মতো লাখো ভারতীয় কোভ্যাক্সিন টিকা নিয়েছেন। এদের অনেকেই অভিযোগ করছেন, আন্তর্জাতিকভাবে টিকাটি স্বীকৃতি না পাওয়ায় তারা বিভিন্ন দেশে যেতে পারছেন না।

৫৭ বছর বয়সী সুগাথান জানুয়ারিতে কেরালার পান্দালাম গ্রামে এসেছিলেন। তিনি বলেন, আর অলসভাবে বসে থাকতে পারছি না। সৌদি আরবে যাওয়ার ও সেখানে যাওয়ার চার দিন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের পর অতিরিক্ত ডোজ কোভিশিল্ড নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আমি নিশ্চিত আমার শরীরের জন্য তা উপযুক্ত কিনা।

তিনি আরও বলেন, যদি কোভ্যাক্সিন অনুমোদন না পায়, তাহলে আমাকে সৌদি আরব যাওয়ার এবং সেখানে অনুমোদিত টিকা নেওয়ার ঝুঁকি নিতে হবে।

মঙ্গলবার ডব্লিউএইচও জানায়, কোভ্যাক্সিন টিকার তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে অনুমোদন শিগগিরই জরুরি ব্যবহারের জন্য অণুমোদন পাবে।

জুলাই মাসের শুরুতে ভারত বায়োটেকের সরবরাহ করা তথ্য সতর্কতার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পর্যালোচনা করছে ডব্লিউএইচও। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর্যায়ে এখনও আসতে পারেনি সংস্থাটি।

ডব্লিউএইচও’র অনুমোদন ছাড়া বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পাবে না কোভ্যাক্সিন এবং ভ্রমণ জটিলতায় পড়তে পারেন টিকাটি নেওয়া ভারতীয়রা।  

দুই দশক ধরে কুয়েতে কাজ করার পর গত বছর ভারতে ফিরেছেন ৫৯ বছর বয়সী রাজন। কুয়েতে কোভ্যাক্সিন স্বীকৃতি না পাওয়াতে তিনিও কাজে ফিরতে পারছেন না। মুরগি বিক্রি করে ২০ হাজার ডলারের ব্যাংক ঋণ শোধ করতে পারছেন না। প্রতিদিন মাত্র ৪ ডলারের মতো ইনকাম হচ্ছে তার।

তিনি বলেন, আমি যদি কুয়েত যেতে না পারি তাহলে ঋণ শোধ করতে পারব না, আমার সন্তানদের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে যাবে। কুয়েত সরকারের অ্যাপ-এ সবুজ সংকেত পেলেই কেবল আমি বিমান টিকিট কিনতে পারব।

/এএ/

/এএ/

সম্পর্কিত

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

প্রথমবারের মতো জান্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সু চি: এএফপি

প্রথমবারের মতো জান্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সু চি: এএফপি

‘ফেক নিউজ’ ভারতে বেশি

‘ফেক নিউজ’ ভারতে বেশি

সাইবার হামলার অভিযোগ ইরানের, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫০

সাইবার হামলার মুখে ইরানের প্রচুর ভর্তুকি পাওয়া জ্বালানি সার্ভিস বিঘ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। এর কারণে দেশজুড়ে গ্যাস স্টেশনগুলোর সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভের দুই বছর পূর্তির মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ইরান বলছে, অনলাইন হামলা সম্পর্কে অতি সতর্কতায় রয়েছে তারা। অতীতে এসব হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে দোষারোপ করা হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্য পশ্চিমা শক্তিগুলো প্রায়ই অভিযোগ করে ইরান তাদের নেটওয়ার্ক ভাঙার চেষ্টা করছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি বলেছেন, ‘গত কয়েক ঘণ্টায় গ্যাস স্টেশনের রিফুয়েলিং সিস্টেমে বিঘ্নের কারণ সাইবার হামলা। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সমস্যাটি ঠিক করার চেষ্টা করছে আর শিগগিরই রিফুয়েলিং প্রক্রিয়া... স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

ইরানের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বার্তা সংস্থা শানা জানিয়েছে, কেবল মন্ত্রণালয়ের ভর্তুকি পাওয়া সস্তা রেশনের জ্বালানি কিনতে ব্যবহৃত স্মার্টকার্ডের বিক্রি বিঘ্নিত হয়েছে। তবে ক্রেতারা এখনও উচ্চ মূল্যের জ্বালানি কিনতে পারছেন।

এই বিঘ্নের মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই ২০১৯ সালের নভেম্বরের বিক্ষোভের দুই বছর পূর্তি হবে। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সেবার দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে শত শত মানুষ নিহত হয় বলে জানিয়েছে দাবি করে থাকে বেশ কিছু পশ্চিমা মানবাধিকার সংস্থা।

/জেজে/

সম্পর্কিত

ওমরাহ পালনের নিয়ম শিথিল করলো সৌদি আরব

ওমরাহ পালনের নিয়ম শিথিল করলো সৌদি আরব

নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের ইঙ্গিত দিলেন কাতারের আমির

নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের ইঙ্গিত দিলেন কাতারের আমির

পশ্চিমা রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কার ইস্যুতে এরদোয়ানের ইউটার্ন

পশ্চিমা রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কার ইস্যুতে এরদোয়ানের ইউটার্ন

পশ্চিম তীরে নতুন ১৩০০ বাড়ি বানাবে ইসরায়েল

পশ্চিম তীরে নতুন ১৩০০ বাড়ি বানাবে ইসরায়েল

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২১:০৩

অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যের উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন ও মার্কিন সরকারের আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। চীনের ভাইস প্রিমিয়ার লিউ হি ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন চার মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার ফোনালাপ করেছেন। এই ফোনালাপের পর বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে একথা বলা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এখবর জানিয়েছে।

মঙ্গলবার বেইজিংয়ের বিবৃতিতে এই আলোচনাকে ‘বাস্তববাদী, অকপট এবং গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই পক্ষ যোগাযোগ জোরদার ও ক্ষুদ্র অর্থনীতির নীতির বিষয়ে সমন্বয়ের একমত হয়েছে।

গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ফোনালাপের পর ওয়াশিংটন-বেইজিংয়ের সম্পর্কের উন্নতি হতে শুরু করে। জলবায়ু আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত অগ্রগতি নিয়ে বেইজিংয়ের ওপর বাইডেন প্রশাসনের হতাশার পর ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর কিছুদিনের মধ্যে হুয়াওয়ে টেকনোলজি কোম্পানির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মেং ওয়াঝুকে মুক্তি দিতে এক সমঝোতায় পৌঁছায় দুই দেশ।

ওই ঘটনার পর থেকেই বিশ্বের বড় দুটি অর্থনীতি ট্রাম্প শাসনামলে নীরব থাকা যোগাযোগ লাইন পুনরায় গঠনে এগিয়ে যায়। তারিখ নির্ধারিত না হলেও বাইডেন ও শি জিনপিং ভার্চুয়ালি প্রথম সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ব্লুমবার্গের খবরে বলা হয়েছে, জুনে প্রথম ফোনালাপের চেয়ে এবার চীনা বিবৃতিতে ইতিবাচক সুর ছিল। যদিও বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি কম হয়েছে।

চীনের পক্ষ থেকে মার্কিন শুল্ক ও চীনা কোম্পানির সঙ্গে মার্কিন আচরণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। তবে চীনা বা মার্কিন বিবৃতিতে এসব বিষয়ে মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রীর কোনও প্রতিক্রিয়া ও বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।

 

/এএ/

সম্পর্কিত

ডব্লিউএইচও’র অনুমোদনের অপেক্ষায় কোভ্যাক্সিন নেওয়া ভারতীয়রা

ডব্লিউএইচও’র অনুমোদনের অপেক্ষায় কোভ্যাক্সিন নেওয়া ভারতীয়রা

প্রথমবারের মতো জান্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সু চি: এএফপি

প্রথমবারের মতো জান্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সু চি: এএফপি

‘ফেক নিউজ’ ভারতে বেশি

‘ফেক নিউজ’ ভারতে বেশি

আফগান নারী বিচারকরা আত্মগোপনে, অপরাধীরা রাস্তায়

আফগান নারী বিচারকরা আত্মগোপনে, অপরাধীরা রাস্তায়

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ডব্লিউএইচও’র অনুমোদনের অপেক্ষায় কোভ্যাক্সিন নেওয়া ভারতীয়রা

ডব্লিউএইচও’র অনুমোদনের অপেক্ষায় কোভ্যাক্সিন নেওয়া ভারতীয়রা

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

প্রথমবারের মতো জান্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সু চি: এএফপি

প্রথমবারের মতো জান্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সু চি: এএফপি

‘ফেক নিউজ’ ভারতে বেশি

‘ফেক নিউজ’ ভারতে বেশি

আফগান নারী বিচারকরা আত্মগোপনে, অপরাধীরা রাস্তায়

আফগান নারী বিচারকরা আত্মগোপনে, অপরাধীরা রাস্তায়

পশ্চিমা রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কার ইস্যুতে এরদোয়ানের ইউটার্ন

পশ্চিমা রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কার ইস্যুতে এরদোয়ানের ইউটার্ন

জান্তা স্বীকৃতি পেলেও মিয়ানমারে সহিংসতা থামবে না: জাতিসংঘ দূত

জান্তা স্বীকৃতি পেলেও মিয়ানমারে সহিংসতা থামবে না: জাতিসংঘ দূত

জাতিসংঘের প্রতিবেদন বিদ্বেষপূর্ণ: দাবি উত্তর কোরিয়ার

জাতিসংঘের প্রতিবেদন বিদ্বেষপূর্ণ: দাবি উত্তর কোরিয়ার

সর্বশেষ

রাঙামাটিতে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ গেলো ইউপি সদস্যের

রাঙামাটিতে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ গেলো ইউপি সদস্যের

সাতক্ষীরায় ১০ সাংবাদিক পেলেন মিডিয়া ফেলোশিপ

সাতক্ষীরায় ১০ সাংবাদিক পেলেন মিডিয়া ফেলোশিপ

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বিশ্বকাপ শেষ সাইফউদ্দিনের, মূল দলে রুবেল

বিশ্বকাপ শেষ সাইফউদ্দিনের, মূল দলে রুবেল

আর কত সুযোগ পাবেন লিটন?

আর কত সুযোগ পাবেন লিটন?

© 2021 Bangla Tribune