X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

অক্টোবরে সম্মেলন

রাজনৈতিক কৌশল ও অবস্থানে পরিবর্তন আনছে গণসংহতি!

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪৬

রাজনৈতিক অবস্থানে পরিবর্তন আনছে জোনায়েদ সাকির নেতৃত্বাধীন গণসংহতি আন্দোলন। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাম ও প্রগতিশীল ঘরানার রাজনৈতিক অবস্থান ও নীতিতে থাকলেও এবার সেই কৌশল ও অবস্থানে বদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে দলটি।

নতুন অপরাপর সমমনা সংগঠনের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ পার্টি এবং বৃহত্তর জোট বা যুগপৎ কর্মসূচির বিষয়টি সামনে রেখে দলের মৌলিক অবস্থানে পরিবর্তন আনার বিষয়টি এখন জোর আলোচনায় রয়েছে। আগামী অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য ৪র্থ জাতীয় সম্মেলনে এ সংক্রান্ত আলোচনা গণসংহতি আন্দোলনের নতুন ‘রাজনৈতিক নীতি ও কৌশল’ হিসেবে গৃহীত হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা গণমানুষের রাজনীতি করি। মওলানা ভাসানী এ অঞ্চলে গণমানুষের রাজনীতির যে ঐতিহ্য গড়ে তুলেছিলেন, আমরা তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার হিসেবে দেশের গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, ভোটাধিকারসহ রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের লড়াইকে জনগণের সামনে নিয়ে যেতে চাই। আর এই সংগ্রামে কারা মিত্র হবে তা পার্টির সম্মেলনে নির্ধারিত হবে।’

গণসংহতি আন্দোলনের দফতর থেকে জানানো হয়েছে, ‘ভোটাধিকার ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের লক্ষ্যে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলুন’ শীর্ষক স্লোগানে আগামী ২৯, ৩০ ও ৩১ অক্টোবর চতুর্থ জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেলকে আহ্বায়ক এবং সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মনির উদ্দীন পাপ্পুকে সদস্য সচিব করে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি করা হয়েছে।

গণসংহতির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানায়, আসন্ন সম্মেলনে দলের রাজনৈতিক, আদর্শিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা হবে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংগঠনের নতুন রণনীতি ও রণকৌশলও নির্ধারণ করা হবে।

নতুন সমমনা সংগঠনগুলোর সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ পার্টি ও বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট বা যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়টি সামনে রেখে এই কৌশল নির্ধারণ করা হবে বলে জানান সংহতির কেন্দ্রীয় কমিটির একজন দায়িত্বশীল।

সংগঠনের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আগামী জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি সামনে রেখে আসন্ন সম্মেলনে রাজনৈতিক ফায়সালা করতে চায় গণসংহতি আন্দোলন। এ কারণে সম্মেলনে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো গুরুত্ব দেবেন দলটির নেতারা।

সংগঠনের ঢাকা মহানগর শাখার একজন নেতা জানান, ইতোমধ্যে দফায় দফায় আলোচনা চলছে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। ঐক্যবদ্ধ পার্টি, জোট, নাকি যুগপৎ—এসব বিষয় সামনে রেখে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। একইসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অপেক্ষায় থাকা বিভিন্ন সংগঠনের নেতারাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, গণসংহতি আন্দোলনের বিগত রাজনৈতিক কৌশল ও নীতি নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—দলটি বাম ঘরানার কিনা।

সংহতির এক নেতা বলেন, সম্মেলনে কৌশল ও নীতি নিয়ে অবস্থানে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি বিদ্যমান বাম গণতান্ত্রিক জোটে গণসংহতি থাকবে কিনা, তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। তবে এ প্রসঙ্গে কোনও নেতাই প্রকাশ্যে কিছু বলতে নারাজ।

সংগঠনের প্রধান জোনায়েদ সাকি বলেন, ভোটাধিকার, রাষ্ট্রের রূপান্তরের ক্ষেত্রে কারা মিত্র শক্তি, বৃহত্তর ঐক্যের রূপরেখা, ফ্রন্ট নাকি যুগপৎ এসব বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা তৈরি করা হবে সম্মেলনে। সমমনা সংগঠনগুলোর সঙ্গেও বৃহত্তর ঐক্যের আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মনির উদ্দিন পাপ্পু জানান, আসন্ন সম্মেলনে ৪২ জেলা থেকে প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন। ১৩০টি উপজেলা ও থানা পর্যায় থেকে প্রতিনিধিরা আসবেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে তৃতীয় সম্মেলনে নিজেদের ‘রাজনৈতিক দল’ হিসেবে ঘোষণা করে গণসংহতি আন্দোলন। ২০১৬ সালের বিশেষ সম্মেলনে নতুন গঠনতন্ত্রের আলোকে কেন্দ্রীয় কমিটি করা হয়। গঠনতন্ত্রে প্রতি তিন বছর পর সম্মেলন করার কথা থাকলেও করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে তা হয়নি। ২০০২ সালে প্রথম প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে “মুক্তিযুদ্ধে জনগণের আকাঙ্ক্ষার সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ে তোলার” আহ্বান নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল গণসংহতি আন্দোলন।

 

/এফএএন/এমওএফ/

সম্পর্কিত

রেজা-নূরের দলে নতুন কী?

রেজা-নূরের দলে নতুন কী?

নুরের গণঅধিকার পরিষদকে নিষিদ্ধের দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের

নুরের গণঅধিকার পরিষদকে নিষিদ্ধের দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের

‘করোনাকালীন শিল্প-বাণিজ্য উন্নয়নে শেখ হাসিনার ভূমিকা’ শীর্ষক সভা বুধবার

‘করোনাকালীন শিল্প-বাণিজ্য উন্নয়নে শেখ হাসিনার ভূমিকা’ শীর্ষক সভা বুধবার

সকল ধর্মের মানুষের জন্য মাদ্রাসা উন্মুক্ত করে দিন: ডা. জাফরুল্লাহ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৭:১২

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, সকল ধর্মের মানুষের জন্য মাদ্রাসাগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক। যেখানে যেকোনও ধর্মের লোক পড়তে পারবে। সমাজের চুরি, সন্ত্রাস, লুটপাট বন্ধ করতে হলে নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ছাড়া কোনও উপায় নাই।

বুধবার (২৭ অক্টোবর)  সকাল ১১টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে  'নৈতিক সমাজ' নামে একটি সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশ থেকে জানানো হয় 'নৈতিক সমাজ' শিগগিরই একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সাম্প্রদায়িক  হামলা হয়েছে তা সরকারের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যর্থতা। এই ধরনের ঘটনা আর ঘটতে দেওয়া যাবে না। এই ঘটনা ঘটার অন্যতম আরেকটি কারণ আমরা নৈতিকতা ধারণ করিনি।

সমাবেশে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ও নৈতিক সমাজের সংগঠক আমসা আমিন বলেন, এই সাম্প্রদায়িক হামলা পাগলদের দিয়ে চালানো হয়েছে ঠিক।  কিন্তু যারা এর পেছনে আছে তারা পাগল নয়। যারা এর পেছনে আছে তারা সাম্প্রদায়িকতাকে ক্যাপিটাল হিসেবে ব্যাবহার করে স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করতে চায়। রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়।

/এমআর/

সম্পর্কিত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগের পরামর্শ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগের পরামর্শ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর

তালেবানকে সমর্থন দিয়ে আফগানিস্তানে দূতাবাস খোলার আহ্বান জাফরুল্লাহর

তালেবানকে সমর্থন দিয়ে আফগানিস্তানে দূতাবাস খোলার আহ্বান জাফরুল্লাহর

শেখ হাসিনার নোবেল না পাওয়ার পেছনে দায়ী ভারত ও আমলারা: জাফরুল্লাহ

শেখ হাসিনার নোবেল না পাওয়ার পেছনে দায়ী ভারত ও আমলারা: জাফরুল্লাহ

পরীমণি সুন্দরী, তার জামিন পাওয়ার অধিকার আছে: জাফরুল্লাহ

পরীমণি সুন্দরী, তার জামিন পাওয়ার অধিকার আছে: জাফরুল্লাহ

জিয়াউর রহমানের অবদান আ.লীগ স্বীকার করবে না: খন্দকার মোশাররফ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৬:২৪

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, এই সরকার জিয়াউর রহমানের সব অবদানের বিরোধিতা করছে। জিয়াউর রহমান জাতীয় স্বার্থের যে বিষয়গুলো নিয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন, অনেক ক্ষেত্রে তারা সেগুলোকে ধামাচাপা দিয়ে অন্য নামে ওই কাজগুলোই করে যাচ্ছেন।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির হল রুমে জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি আজকে মৌলিক যে তিনটি বিষয়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছে ‑ তার একটি হলো কৃষি। কৃষি আজকে স্বনির্ভর বলে আমরা অর্থনীতিতে অগ্রসর হচ্ছি। এটা শুরু কে করেছিলেন,  শহীদ জিয়াউর রহমান। কৃষির পরে বৈদেশিক রেমিট্যান্স হলো আরেকটি অর্থনৈতিক স্তম্ভ। জিয়াউর রহমান প্রথম সংঘবদ্ধভাবে বিদেশে শ্রমিক রফতানি করার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ঠিক একইভাবে গার্মেন্টস ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করেছিলেন। গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠায় তিনি সহজ ঋণের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন ‑ এখন এগুলো যদি আওয়ামী লীগ স্বীকার করে তাহলে তাদের অস্তিত্ব থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, এ দেশের অর্থনীতির আরেকটি স্তম্ভ হলো ভ্যাট, এটা চালু করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। এর বিরোধিতা করে আওয়ামী সে সময় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বেরিয়ে গিয়েছিলো, হরতাল করেছিল। আজকে এই ভ্যাটকে বর্তমান সরকার এমনভাবে সম্প্রসারিত করেছে যে ‑ গরিব, কৃষক, ভিক্ষুক, রিকশাচালক সবাইকে ভ্যাট দিতে হচ্ছে। কিন্তু এই সরকারই স্বীকার করবে না কোথা থেকে এর শুরু।

তিনি আরও বলেন, এই সরকার ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় টিকে আছে। তারা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নির্যাতন, দুর্নীতির পাশাপাশি বিরোধী দলের প্রতি কী আচরণ করছে কোনও সভ্য দেশ এটা কল্পনাও করতে পারে না। এটা বেশিদিন চলতে পারে না। কোনও দেশে স্বৈরাচার সরকার টিকে থাকতে পারেনি।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জম হোসেন আলাল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম মারুফ হোসাইনসহ আরও অনেকে।

/জেডএ/এমএস/

সম্পর্কিত

সকল ধর্মের মানুষের জন্য মাদ্রাসা উন্মুক্ত করে দিন: ডা. জাফরুল্লাহ

সকল ধর্মের মানুষের জন্য মাদ্রাসা উন্মুক্ত করে দিন: ডা. জাফরুল্লাহ

নির্বাচন নিয়ে চিন্তাই করছে না বিএনপি

নির্বাচন নিয়ে চিন্তাই করছে না বিএনপি

পুলিশকে অযথা কষ্ট করানো হচ্ছে: মির্জা আব্বাস

পুলিশকে অযথা কষ্ট করানো হচ্ছে: মির্জা আব্বাস

রেজা-নূরের দলে নতুন কী?

রেজা-নূরের দলে নতুন কী?

নির্বাচন নিয়ে চিন্তাই করছে না বিএনপি

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০৮

বিএনপি নির্বাচন নিয়ে চিন্তাই করছে না বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দুদের ওপর হামলা ও উপাসনালয়ে আক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি নেতাদের অভিযুক্ত করার প্রসঙ্গে দলের অবস্থান তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা নির্বাচন নিয়ে চিন্তাই করছি না। আমরা আগে চাই সরকারের পতন। এই সরকারকে যেতে হবে। ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পর নির্বাচন কমিশন গঠনের পর নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যেতে হবে। দ্যাটস অল, ফাইনাল।’

এ সময় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, ঢাকা মহানগর বিএনপির (উত্তর) আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

 

/এসটিএস/আইএ/

সম্পর্কিত

‘সম্প্রীতির স্বার্থে’ বিক্ষোভ মিছিল করেনি বিএনপি

‘সম্প্রীতির স্বার্থে’ বিক্ষোভ মিছিল করেনি বিএনপি

খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়ার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়ার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন মির্জা ফখরুল

অভ্যন্তরীণ সমস্যা ভুলে একসঙ্গে সংগ্রামের অনুরোধ মির্জা ফখরুলের

অভ্যন্তরীণ সমস্যা ভুলে একসঙ্গে সংগ্রামের অনুরোধ মির্জা ফখরুলের

পুলিশকে অযথা কষ্ট করানো হচ্ছে: মির্জা আব্বাস

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৪

‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী-পুলিশ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকগুলোকে অযথা কষ্ট দেওয়া ও পরিশ্রম করানো হচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে জাতীয়তাবাদী যুবদল এর ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যুবদল একটি বড় সংগঠন। নব্বইয়ের গণআন্দোলনে এই সংগঠনের ভূমিকা অনেক। আজকে শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতাকর্মীদের এখানে (মাজারে) আসতে দেওয়া হয়নি।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এখানে দায়িত্বরত গণমাধ্যমকর্মী ও অনুষ্ঠানে আগত জমায়েতের চেয়ে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য  দ্বিগুণ। এটা কী হচ্ছে; আমাদের টাকার অপচয় হচ্ছে, লোকগুলোকে পরিশ্রম করানো হচ্ছে।’

‘পুলিশের লোকগুলোকে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকগুলোকে খামোখা কষ্ট করানো হচ্ছে। বিএনপিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে,’—যোগ করেন বিএনপির এই নেতা।

কেন ভয় দেখাবে সরকার, এমন প্রশ্নের জবাবে স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘সরকার মনে করে আওয়ামী লীগকে তাড়ানোর জন্য বিএনপিই যথেষ্ট।’

‘তিন কারণে দেশে দাঙ্গার চেষ্টা হচ্ছে’

দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপসনালয়ে হামলার প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এই যে মন্দিরে হামলা বা সাম্প্রদায়িক হামলা সৃষ্টি করা; আসলে এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ওদের যে উদ্দেশ্য সেটা ওরা পূরণ করার চেষ্টা করছে।’

কী উদ্দেশ্য, এ প্রসঙ্গে আব্বাসের মন্তব্য, ‘বিএনপিকে একটি সাম্প্রদায়িক দল হিসেবে জাতির সামনে তুলে ধরা। দ্বিতীয়ত, ভারতে নির্বাচন চলছে, সে নির্বাচনকে প্রভাবিত করা। তৃতীয়ত, বাংলাদেশে নির্বাচন আসছে, সেই নির্বাচনেও প্রভাব ফেলা।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এটা মোটেই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নয়, বাংলাদেশে অন্তত না। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হচ্ছে ভারতে, এখন যেটা হচ্ছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে। অন্যায়ভাবে বিএনপিকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি আগেই আশঙ্কা করেছিলাম, বিএনপিকে জড়াবে এবং সেটাই হলো।’

এ সময় যুবদলনেতা সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।

 

/এসটিএস/আইএ/

সম্পর্কিত

সকল ধর্মের মানুষের জন্য মাদ্রাসা উন্মুক্ত করে দিন: ডা. জাফরুল্লাহ

সকল ধর্মের মানুষের জন্য মাদ্রাসা উন্মুক্ত করে দিন: ডা. জাফরুল্লাহ

জিয়াউর রহমানের অবদান আ.লীগ স্বীকার করবে না: খন্দকার মোশাররফ

জিয়াউর রহমানের অবদান আ.লীগ স্বীকার করবে না: খন্দকার মোশাররফ

নির্বাচন নিয়ে চিন্তাই করছে না বিএনপি

নির্বাচন নিয়ে চিন্তাই করছে না বিএনপি

রেজা-নূরের দলে নতুন কী?

রেজা-নূরের দলে নতুন কী?

রেজা-নূরের দলে নতুন কী?

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৫:০৯

অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ হয়েছে ‘বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদ’ নামে একটি নতুন দলের। গত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে দলটির আত্মপ্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও দফায়-দফায় তা পিছিয়ে শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) পুরানা পল্টনের প্রিতম-জামান ভবনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সামনে এসেছে প্রায় দুই বছরের এই উদ্যোগটি।

নতুন এই দলের খসড়া কর্মসূচিতে ২১ দফা যুক্ত করা হয়েছে। যার প্রত্যেকটি প্রায় কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির সঙ্গে প্রায় সমধর্মী। খসড়া কর্মসূচিতে ব্যতিক্রম কেবল ৫ নম্বর দফার দ্বিতীয় অংশটি। এই অংশে বলা হয়েছে— ‘রাষ্ট্রপতি কিংবা সরকার প্রধান একইসঙ্গে দলীয় প্রধান হতে পারবেন না; কোনও ব্যক্তি দুই মেয়াদের (১০ বছর) অধিক সরকার প্রধান কিংবা পাঁচ মেয়াদের (১০ বছর) বেশি দলীয় প্রধান বা অন্য কোনও পদ বা একাধিক পদে মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।’

রাজনৈতিক দলগুলোর সূত্র বলছে, দলীয় প্রধানের পদে থাকার বিষয়ে এ ধরনের কর্মসূচি এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক সংগঠন দিয়েছে। এ বিষয়ে গণ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর বলেন, ‘আমরা এই চর্চা শুরু করেছি। অন্য দলগুলোও যদি গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে যেতে চায়, তারাও এটা ফলো করতে পারে। আমরা গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হিসেবেই এই বিষয়টিকে কর্মসূচি আকারে যুক্ত করেছি।’

ঘোষণাপত্রে গণ অধিকার পরিষদ উল্লেখ করেছে, ‘বাংলাদেশ রাষ্ট্র এক দীর্ঘস্থায়ী বিপদে পড়েছে। জনপ্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার বিভাগ, সশস্ত্র বাহিনীর মতো প্রতিষ্ঠানের দলনিরপেক্ষ বলে যে অবস্থান নেওয়ার কথা ছিল, তা আজ নেই।’

গণ অধিকার পরিষদের ২১ দফা খসড়া কর্মসূচি

আত্মপ্রকাশকালে বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদ ২১ দফা খসড়া কর্মসূচি ঘোষণা করে।  এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ হচ্ছে— গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার। সংগঠনটির খসড়া কর্মসূচিতে এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে— ‘গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার’ গঠনের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।

দলের নতুন আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যদি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন না হয়, আমরা সেই নির্বাচনে যাবো না।’

খসড়া কর্মসূচিতে আরও  বাকি যে বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— ন্যায়বিচার ও সুশাসন, নারী অধিকার, সংখ্যালঘু জাতিসত্ত্বা ও ধর্মাবলম্বী। সংখ্যালঘু জাতিসত্ত্বা ও ধর্মাবলম্বী পর্বে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে— সহনশীলতার নীতি ও সংস্কৃতিকে সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হবে। খসড়া কর্মসূচিতে রয়েছে— ক্ষমতার ভারসাম্য, দুর্নীতি প্রতিরোধ, গণমাধ্যম ও বাক স্বাধীনতা। 

আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ড. রেজা কিবরিয়া, ছবি: সাদ্দিফ অভি

খসড়ার পররাষ্ট্রনীতি পর্বে বলা হয়েছে, বাংলাদেশবিরোধী ঘৃণা প্রচার ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।

খসড়া কর্মসূচিতে আরও রয়েছে— জনস্বাস্থ্য সেবা, দখল ও দূষণ প্রতিরোধ, খাদ্য ও পুষ্টি ও জ্বালানি, খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদের বিষয়গুলো।

বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদের দায়িত্বশীলসূত্র জানায়, খসড়া কর্মসূচি কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত করা হবে। এর আগে আরও সংযোজন ও বিয়োজন হবে। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সূত্রগুলো বলছে, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোসহ অন্যান্য ডান-বাম ও ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মতো প্রায় সমধর্মী কর্মসূচি দিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ। সেক্ষেত্রে নতুনত্ব বা ভিন্ন প্রায় কম।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক অধ্যাপক বদিউল আলম মজুমদারের ভাষ্য— দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলো অনেকটাই দেওলিয়া হয়ে গেছে। এই দলগুলো গণতান্ত্রিক নয়, কাজে স্বচ্ছতা নেই। কারও প্রতি তাদের কোনও দায়বদ্ধতাও নেই। যে কারণে এই দলগুলোর মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র, সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’

অধ্যাপক মজুমদার বলেন, ‘সেদিক থেকে নতুন দল— বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদ যদি গণতান্ত্রিক হয়, দলের ভেতরে স্বচ্ছতা সৃষ্টি করতে পারে, মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে, আদর্শিক ও সুনির্দিষ্ট কর্মসূচির ভিত্তিতে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারে— তাহলে নিশ্চয়ই স্বাগত জানাবো। আর যদি না হয়— তাহলে আরেকটা রাজনৈতিক দল হবে, তাতে দেশ ও দেশের মানুষের কিছু আসে যাবে না।’

অধ্যাপক বদিউল আলম মজুমদারের মন্তব্য— রাজনৈতিক দল ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে না। সে কারণে আগে দলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

নতুন দলের ঘোষণাকালে দলটির ২১ দফা খসড়া কর্মসূচি পাঠ করেন যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান। নতুন সংগঠনের চারটি মূলনীতির কথা জানান তিনি। এগুলো হচ্ছে— গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থ।

নতুন ঘোষিত দলের নতুনত্ব কী, এ প্রশ্ন ছিল গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়ার কাছে। তিনি জানান, নতুন দলের চারটি বিষয়ই নতুন।

রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘দেশটাকে গত ৫০ বছর যারা পরিচালনা করেছেন, আমরা সেই পরিচালনা নীতিতে পরিবর্তন আনবো। এই পরিবর্তন আসবে প্রশাসনিক, বৈষম্য বেড়েছে; আমরা বৈষম্য নির্মূল করবো। দেশের স্বার্থকে সামনে রেখে প্রাধান্য দিয়ে রাজনীতি করবো। গত ১২ বছর ধরে মানুষের অধিকারকে নষ্ট করা হয়েছে, আমরা মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার রাজনীতি করবো।’

নতুন দলের কর্মসূচি ঠিক হবে আরও কিছুদিন পর

মঙ্গলবার নতুন দলের ঘোষণার পর রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন মহল থেকে অভিনন্দন, শুভেচ্ছাবার্তা পাচ্ছেন নুরুল হক নুর। ২০১৮ সালে কোটাবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আলোচনায় আসা এই নেতা দেশের রাজনীতিকদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছেন বলে জানান। নুর বলেন, ‘নতুন দলের ঘোষণার পর সাড়া পাচ্ছি। অনেকেই ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।’

নতুন দলের প্রথম কর্মসূচি কবে আসছে— এমন প্রশ্নের জবাবে নুর বলেন, ‘আমরা কেবল আত্মপ্রকাশ করেছি। কী কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা সক্রিয় হবো, এটা নিয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি আলোচনা করে ঠিক করবে।’

প্রসঙ্গত, নতুন দল গঠনের দিনই মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সংগঠনের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়ার গুলশানের বাসভবনে সাংগঠনিক জরুরি বৈঠক সেরে নিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতারা।

 

 

 

 

 

/এসটিএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

নুরের গণঅধিকার পরিষদকে নিষিদ্ধের দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের

নুরের গণঅধিকার পরিষদকে নিষিদ্ধের দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের

‘করোনাকালীন শিল্প-বাণিজ্য উন্নয়নে শেখ হাসিনার ভূমিকা’ শীর্ষক সভা বুধবার

‘করোনাকালীন শিল্প-বাণিজ্য উন্নয়নে শেখ হাসিনার ভূমিকা’ শীর্ষক সভা বুধবার

‘২০ দলীয় জোটকে বসিয়ে রাখলে বিকল্প পথে সক্রিয় হবে এলডিপি’

‘২০ দলীয় জোটকে বসিয়ে রাখলে বিকল্প পথে সক্রিয় হবে এলডিপি’

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

রেজা-নূরের দলে নতুন কী?

রেজা-নূরের দলে নতুন কী?

নুরের গণঅধিকার পরিষদকে নিষিদ্ধের দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের

নুরের গণঅধিকার পরিষদকে নিষিদ্ধের দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের

‘করোনাকালীন শিল্প-বাণিজ্য উন্নয়নে শেখ হাসিনার ভূমিকা’ শীর্ষক সভা বুধবার

‘করোনাকালীন শিল্প-বাণিজ্য উন্নয়নে শেখ হাসিনার ভূমিকা’ শীর্ষক সভা বুধবার

‘২০ দলীয় জোটকে বসিয়ে রাখলে বিকল্প পথে সক্রিয় হবে এলডিপি’

‘২০ দলীয় জোটকে বসিয়ে রাখলে বিকল্প পথে সক্রিয় হবে এলডিপি’

আরবি পড়লে কর্মসংস্থান হবে: জাফরুল্লাহ

আরবি পড়লে কর্মসংস্থান হবে: জাফরুল্লাহ

রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য কারও অনুমতি নেবেন না নুর

রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য কারও অনুমতি নেবেন না নুর

সর্বশেষ

সুদানের সদস্যপদ স্থগিত করলো আফ্রিকান ইউনিয়ন

সুদানের সদস্যপদ স্থগিত করলো আফ্রিকান ইউনিয়ন

জামালপুরে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সমাবেশ

জামালপুরে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সমাবেশ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যেও সুসম্পর্ক চায় রাশিয়া

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যেও সুসম্পর্ক চায় রাশিয়া

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

© 2021 Bangla Tribune