X
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

গুলশানের ফু ওয়াং বার এর ভ্যাট ফাঁকি ৪১ কোটি টাকা

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০৫

ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদফতর ফু ওয়াং বোলিং এন্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবসায়িক কার্যক্রম তদন্ত করে প্রায় ৪১ দশমিক ৮ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি উদঘাটন করেছে। ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ভ্যাট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বারের মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার সংক্রান্ত মানিলন্ডারিং অপরাধ অনুসন্ধান করার জন্য শুল্ক গোয়েন্দাকে চিঠি দিয়েছে ভ্যাট গোয়েন্দা। বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদফতর থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর থেকে লাইসেন্স নিয়ে বারে মদ ও মদ জাতীয় দ্রব্য বিক্রয় এবং রেস্টুরেন্টে খাবারের সেবা প্রদান করে।

অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হতে সি.এ. রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট ভ্যাট সার্কেল অফিস থেকে মূসক সংক্রান্ত দলিলাদি সংগ্রহ করা হয়। উক্ত দলিলাদি আড়াআড়ি যাচাই করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, ফু ওয়াং বার বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকির সাথে জড়িত হয়েছে।

অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে বারে ব্যবহারকৃত মদজাতীয় পণ্য সংগ্রহ ও বিক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। এ বিষয়ে অধিকতর অনুসন্ধান করার জন্য এনবিআরের শুল্ক গোয়েন্দাকে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উদঘাটিত মূসকের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানকে বক্তব্য প্রদানের জন্য কয়েক দফায় সময় দেয়া হলেও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য রাখেনি। প্রতিষ্ঠানটিতে একাধিকবার এ সংক্রান্ত নোটিশ ইস্যু করলেও চাহিদা মোতাবেক দলিলাদি দাখিল থেকে বিরত ছিল। নিজের প্রতিশ্রুত সময়সীমা নিজেই ভঙ্গ করে এবং শুধুমাত্র সময় প্রার্থনা করে তদন্তে কালক্ষেপণ করে।

২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত- এই ৫ বছর তদন্ত মেয়াদে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক অডিট রিপোর্টে বিক্রয়মূল্য প্রদর্শন করা হয়েছে ১৬২ কোটি ৭৬ লাখ ৮১ হাজার ৩১৯ টাকা। উক্ত মূল্যকে মূসকসহ বিবেচনা করে ‍মূসক আরোপযোগ্য বিক্রয়মূল্য নির্ণয় করা হয় ১৪১ কোটি ৫৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬০ টাকা। কিন্তু দাখিলপত্রে বিক্রয়মূল্য প্রদর্শন করা হয়েছে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৮ হাজার ৫৮২ টাকা। এক্ষেত্রে ফুওয়াং বারটি বিক্রয় তথ্য গোপন করেছে ১৩ ৯কোটি ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭৮ টাকা। বিক্রয়মূল্য কম প্রদর্শন করায় অপরিশোধিত ভ্যাট বাবদ ২০ কোটি ৮৯ লাখ ১০ হাজার ৪৭২ টাকা উৎঘাটন করা হয়।

এই ফাঁকির উপরও ভ্যাট আইন অনুসারে মাস ভিত্তিক দুই শতাংশ হারে ১৫ কোটি ৭৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৯২ টাকা সুদ টাকা প্রযোজ্য।

এছাড়া, তদন্ত দেখা যায় উক্ত মেয়াদে প্রতিষ্ঠানটি উৎসে কর্তন খাতে কোন ভ্যাট পরিশোধ করেনি। উক্ত সময়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রদেয় ভ্যাটের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ ৩৩ হাজার ২৩১ টাকা। পূর্বে কোন ভ্যাট পরিশোধ না করায় প্রতিষ্ঠানটির নিকট হতে অপরিশোধিত ভ্যাট বাবদ ২ কোটি ৩৮ লাখ ৩৩ হাজার ২৩১ টাকা আদায়যোগ্য।

উৎসে কর্তন বাবদ এই ফাঁকির উপর ভ্যাট আইন অনুসারে মাস ভিত্তিক ২ শতাংশ হারে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৭ হাজার ৯২২ টাকা সুদ টাকা প্রযোজ্য।

অপরদিকে, স্থান-স্থাপনা ভাড়ার বিপরীতে অপরিশোধিত মূসকের পরিমাণ ৪৩ লাখ ১১ হাজার ৫৮ টাকা উৎঘাটন করা হয়।

অফিস, স্থান-স্থাপনা ভাড়ার বিপরীতে এই ফাঁকির উপর ভ্যাট আইন অনুসারে মাস ভিত্তিক ২% হারে ২৫,৭১,৭৬৫ টাকা সুদ প্রযোজ্য।

প্রতিষ্ঠানটি সর্বমোট অপরিশোধিত ভ্যাটের পরিমাণ ২৩ কোটি ৭০ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬১ টাকা এবং সুদ বাবদ ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ৫৩ হাজার ৪৭৯ টাকাসহ সর্বমোট ৪১ কোটি ৮ লাখ ৮ হাজার ২৪০ টাকা সরকারি রাজস্ব পরিহারের তথ্য উদঘাটিত হয়।

ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফেরদৌসী মাহবুবের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল এই তদন্ত সম্পন্ন করেন।

 

/জিএম/এফএএন/

সম্পর্কিত

পণ্যে ভ্যাটসহ বিক্রয়মূল্য লেখা বাধ্যতামূলক

পণ্যে ভ্যাটসহ বিক্রয়মূল্য লেখা বাধ্যতামূলক

গ্রামীণ ব্যাংকের ৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, একাধিক মামলা

গ্রামীণ ব্যাংকের ৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, একাধিক মামলা

ফেসবুক-গুগলের ভ্যাটের তথ্য জানতে চায় এনবিআর

ফেসবুক-গুগলের ভ্যাটের তথ্য জানতে চায় এনবিআর

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩৭

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেছেন, ‘নিউক্লিয়ার পাওয়ার এলে ক্লিন এনার্জির শেয়ার অনেক বেড়ে যাবে। দীর্ঘমেয়াদে নিউক্লিয়ার বিদ্যুতের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার।’ শনিবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিপিএমআই) আয়োজিত ‘নতুন বিকল্প জ্বালানি ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ চ্যালেঞ্জ শীর্ষক ওয়েবিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

জ্বালানি উপদেষ্টার কথায়, ‘নিউক্লিয়ারে ছোট ছোট মডিউলার রিয়েক্টর আসছে, তেলভিত্তিক ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিউক্লিয়ার দিয়ে রিপ্লেস করা যেতে পারে। আমাদের যেহেতু জমির সংকট রয়েছে, তাই নদী কিংবা জলাশয়ের ওপর সৌর বিদ্যুৎ করতে পারি যদি প্যানেলগুলোর দাম বেশি না হয়। এটা হতে পারে আমাদের জন্য ভালো সমাধান। যানবাহন হয়তো সহজ হতে পারে। আমাদের ১০-২০ থ্রি হুইলারকে আধুনিকায়নের বিষয়ে কাজ করছি।’

ওয়েবিনারে জ্বালানি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব আনিছুর রহমান বলেন, ‘বিশ্বায়নের নতুন পরিস্থিতির মধ্যে পশ্চিমা বিশ্বের চেয়ে আমরা ভালো অবস্থানে রয়েছি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে জ্বালানি বিভাগের চেয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের বেশি কাজের সুযোগ রয়েছে।’

বাংলাদেশ বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের মন্তব্য, ‘আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে কাজ করছি, তবে সেভাবে সফল হতে পারছি না। প্রযুক্তির সঙ্গে থেকে উন্নত দেশের পথে হাঁটতে হবে।

হাইড্রো কার্বন ইউনিটের মহাপরিচালক ড. রফিকুল ইসলাম মনে করেন, একক কোনও এনার্জির ওপর নির্ভরশীলতা সুখকর হতে পারে না। তিনি জানান, সম্ভাব্য সব বিকল্প নিয়ে কাজ চলছে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী গবেষক অধ্যাপক নওশাদ হক। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান, হাইড্রোজেন এনার্জি গবেষণাগার প্রকল্পের পরিচালক ড. আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীন, স্রেডার চেয়ারম্যান ড. আলাউদ্দিন বলেন, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিচালক ড. শৌকত আকবর।

/এসএনএস/জেএইচ/

সম্পর্কিত

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

কার্বন নিয়ন্ত্রণে মানসম্মত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার জরুরি

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:১৬

জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে কার্বন দূষণ নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্য অর্জনে মানসম্মত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার কোনও বিকল্প নেই। কেননা কেবলমাত্র আবাসিক খাতেই ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় যার বড় অংশ সাশ্রয় করা সম্ভব এর দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত এনার্জি এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড প্রোডাক্টস লেবেলিং শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

স্রেডা ও জিআইজেডের সহায়তায় আয়োজন এই ওয়েবিনার সঞ্চালনা করেন ম্যাগাজিনের সম্পাদক মোল্লাহ আমজাদ হোসেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন সাসটেনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (স্রেডা) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম ও বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনিস্টিটিউটের (বিএসটিআই) স্ট্যান্ডার্ড বিভাগের উপ-পরিচালক রহিমা তালুকদার। আরও বক্তব্য রাখেন এনার্জিপ্যাক ইলেক্টনিক্স-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার নূরুল আকতার, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চিফ বিজনেস অফিসার আনিসুর রহমান মল্লিক, ইস্টার্ন টিউবস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মোহাম্মদ সাহেরুল আজম এবং জিআইজেড এর আইইইপি ২ প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার আল মুদাবির বিন আনাম।
 
মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার অর্জন দ্বিগুণ করার জন্য স্রেডা এনার্জি এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড কনজারভেশন রোডম্যাপ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। সরকার কার্বন দূষণ রোধে যে নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে তা অর্জনে এর পুরোপুরি বাস্তবায়নের কোনও বিকল্প নেই। এজন্য বাতি, ফ্যান, এসি, ফ্রিজ এর মতো পণ্যের মান নির্ধারণ এবং লেবেলিং এর মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা দরকার। স্রেডা এটার জন্য প্রবিধানের খসড়া চূড়ান্ত করেছে এবং তা বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। ইতোমধ্যে বিএসটিআই তাদের মান নির্ধারণ করা পণ্যে লেবেলে কিউআর কোড চালু করতে যাচ্ছে। 

জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম  বলেন, জ্বালানির দক্ষ ব্যবহারের জন্য পণ্যমান নিশ্চিত করতে হলে কেবলমাত্র ভোক্তাদের সচেতন করলে হবে না। নীতি নির্ধারক ও বাস্তবায়নকারী সকলকে সচেতন করতে হবে। তিনি মনে করেন, স্রেডাকে কেবল দায়িত্ব দিলেই হবে না কাজের জন্য আইন প্রণয়ন করে স্রেডাকে স্বাধীন রেগুলেটর বানাতে হবে।

/এসএনএস/এমআর/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

‘কম দামে’ বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি করবে কাস্টমস, নিতে পারবেন যে কেউ

‘কম দামে’ বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি করবে কাস্টমস, নিতে পারবেন যে কেউ

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

‘কম দামে’ বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি করবে কাস্টমস, নিতে পারবেন যে কেউ

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১৫:১৭

কারনেট সুবিধায় আসা ১১০টি বিলাসবহুল গাড়ি নিলামে বিক্রি করবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। ইলেকট্রনিক নিলামের (ই-অকশন) মাধ্যমে ওই গাড়িগুলো বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে কাস্টম হাউস। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১ থেকে ৩ কোটি টাকা মূল্যের এসব গাড়ি নিলামে কম দামে পাওয়া যাবে।

গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে- মিৎশুবিশি ২৬টি, মার্সিডিজ বেঞ্চ ২৫টি, বিএমডব্লিউ ২৫টি, ল্যান্ডরোভার ৭টি, ল্যান্ডক্রুজার ৭টি, একটি সিআরভি, লেক্সস ৬টি, ফোর্ড ৫টি, জাগুয়ার ৩টি, একটি দাইয়ু ও একিট হোন্ডাসহ বিশ্বের নামিদামী ব্রান্ডের গাড়ি। 

শনিবার (১৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার মো. ফখরুল আলম নিলামের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্র জানায়, পর্যটক সুবিধায় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এক দশক আগে এসব গাড়ি এনেছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ পর্যটকেরা। শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারের কারণে গাড়িগুলো আটকে যায়। ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে খালাসের শর্ত আরোপ করা হলেও খালাস না করায় বন্দরে পড়ে থাকে দিনের পর দিন।

কাস্টমসের নিলাম শর্ত অনুযায়ী, যে কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। টেন্ডারে অংশ নেওয়ার সময় শিডিউলের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন সনদ অথবা টিআইএন সার্টিফিকেটের কপি জমা দিতে হবে। আর ব্যক্তির ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও টিআইএন সার্টিফিকেটের কপি জমা দিতে হবে।

জানা গেছে, আগ্রহী কেউ গাড়ি কিনতে চাইলে টেন্ডার জমা দিতে হবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও মোংলায় কাস্টমস অফিসে রাখা টেন্ডার বাক্সে টেন্ডার আবেদন খামবন্ধ অবস্থায় জমা দিতে হবে। এছাড়া আগ্রহী কেউ গাড়ি দেখতে চাইলে জাতীয় পরিচয় কিংবা পাসপোর্টের ছবিসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করে আগে থেকে পাস নিতে হবে।

গাড়ি পরিদর্শনের তিনদিন আগে পাসের আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বলা হয়েছে, গাড়ি পরিদর্শনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ থেকে ২৮ অক্টোবর এবং ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর। অনলাইনে নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য প্রশিক্ষণেও অংশ নিতে পারবেন ক্রেতারা। আগামী ১৮ অক্টোবর সশরীরের বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। 

আগ্রহী দরদাতাদের আগামী ৩ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে ৪ নভেম্বর দুপুর ১টা পর্যন্ত কাস্টম হাউসের ওয়েবসাইট www.chc.gov.bd অথবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের www.nbr.gov.bd ওয়েবসাইটের ই-অকশন লিংকে প্রবেশ করে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন।

/জিএম/ইউএস/

সম্পর্কিত

দেশের রাস্তায় চলবে বৈদ্যুতিক গাড়ি

দেশের রাস্তায় চলবে বৈদ্যুতিক গাড়ি

কঠোর লকডাউনেও খোলা থাকবে সব শুল্ক স্টেশন

কঠোর লকডাউনেও খোলা থাকবে সব শুল্ক স্টেশন

রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিতে ৪৫ শতাংশ অবচয় সুবিধা চায় বারভিডা

রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিতে ৪৫ শতাংশ অবচয় সুবিধা চায় বারভিডা

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৩৭

হঠাৎ করেই ছন্দ পতন ঘটেছে শেয়ার বাজারে। সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) বিক্রেতার তুলনায় ক্রেতা কম থাকায় পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। সব ধরনের সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। বৃহস্পতিবার দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন দেড় হাজার কোটি টাকার নিচে নেমে আসে, যা গত আড়াই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

তথ্য বলছে, দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসই’র প্রধান সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ শেয়ারের দামও। এর মধ্য দিয়ে টানা চার দিন পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, গেলো সপ্তাহে কিছুটা মন্দার মধ্যে দিয়ে পার করেছে দেশের শেয়ার বাজার। এতে প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন দুই হাজার কোটি টাকা কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে সবক’টি মূল্যসূচক ও লেনদেন। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসই’র বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮০ হাজার ১১২ কোটি টাকা, যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৫ লাখ ৮২ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেলো সপ্তাহে ডিএসই’র বাজার মূলধন কমেছে ২ হাজার ১২ কোটি টাকা।

অবশ্য এর আগে টানা তিন সপ্তাহ ডিএসই’র বাজার মূলধন বেড়েছে। আগের তিন সপ্তাহে ডিএসই’র বাজার মূলধন বাড়ে ৭ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এই হিসাবে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা বাজার মূলধন বাড়ার পর দুই হাজার কোটি টাকা কমলো। তথ্য বলছে,

বাজার মূলধন কমার পাশাপাশি গেলো সপ্তাহে ডিএসইতে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে প্রায় তার দ্বিগুণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১২৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ২৩১টির। আর ২৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এর ফলে গত সপ্তাহে ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৯৯ দশমিক ৭০ পয়েন্ট।  আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ১৩ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট।

বাজারের তথ্য বলছে,  প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি গেলো সপ্তাহে কমেছে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও। গত সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ২৮ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ৩ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকটি কমেছে ৪৮ দশমিক ২৫ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ৫৬ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট।

ডিএসইতে গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৮১২ কোটি ৪২ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৫৪৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৯ হাজার ৬২ কোটি ১১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১২ হাজার ৭২৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। সেই হিসাবে মোট লেনদেন বেড়েছে ৩ হাজার ৬৬২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

/এপিএইচ/

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ১৫:২৪

ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানির পর এলপিজির দর নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সবাই আশা করেছিল, এবার অন্তত বিইআরসি ঘোষণা কার্যকর হবে। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্ধারিত দরের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এখনও এলপিজি বিক্রি হচ্ছে। দর নিয়ন্ত্রণে বার বার হস্তক্ষেপের ঘোষণা দিলেও বিইআরসি এবং সরকার কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি।

কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল এলপিজির দরের আদেশের সংবাদ সম্মেলনেই জানিয়েছিলেন, কমিশনের জনবল মাত্র ৩৫ জন। এত স্বল্প জনবল দিয়ে তাদের পক্ষে সারাদেশে দর নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এরপরও সীমিত আকারে হলেও তারা এবার মাঠে নামবেন।

একইসঙ্গে তিনি জানান, দর কার্যকরে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিতে হবে সরকারকে। জেলা প্রশাসন যদি এ বিষয়ে সহায়তা করে তাহলে সারাদেশে কমিশনের ঘোষণা বাস্তবায়ন সম্ভব। কমিশন আদালতের আদেশে সারাদেশে এলপিজির দর নির্ধারণ করছে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা যে আদেশ মানছেন না —সে বিষয়টি এখনও আদালতের নজরে আনেনি কমিশন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেহেতু আদালত দর নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছিল তাই বিষয়টি আদালতকে জানানো উচিত ছিল। এক্ষেত্রে আদালত কোনও নির্দেশনা দিলে তা মানা সবার জন্য বাধ্যতামূলক হতো। এক্ষেত্রে আদালত সরকারকেও কমিশনের আদেশ বাস্তবায়নের কার্যকর নির্দেশ দিতে পারতো। অতীতে দেখা গেছে বিভিন্ন সময়ে আদেশ অমান্যকারীদের আদালত ডেকে পাঠিয়েছে। এক্ষেত্রে তেমন কিছু হলে মাঠ পর্যায়ে সাধারণ জনগণ উপকৃত হতো।

গত ১০ অক্টোবর কমিশন এক সংবাদ সম্মেলন করে বেসরকারি এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৯ টাকা নির্ধারণ করে। একইভাবে বাজারে বিক্রি হওয়া নানা ওজনের যেমন সাড়ে ৫ থেকে শুরু করে ৩৫ কেজি সিলিন্ডারের নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। এর আগে প্রথমবার ১২ এপ্রিল এই দাম ঘোষণার উদ্যোগ নেয় তারা। এরপর ধাপে ধাপে পাঁচ বার দাম ঘোষণা করেছে। এরমধ্যে বেসরকারি ব্যবসায়ীরা তাদের বোতলজাতকরণ, মজুতকরণসহ চার্জগুলো ঠিক হয়নি বলে এতদিন কমিশনের নির্ধারিত দাম মানেনি।

সর্বশেষ গত ১০ অক্টোবর অপারেটরদের দাবিতে নতুন করে শুনানি করে তাদের এসব চার্জের টাকাও বাড়িয়েছে কমিশন। একইসঙ্গে সরকারি এলপিজির দামও ঘোষণা করেছে, আমদানি করা হয় না বলে একই দাম রেখেছে। কিন্তু বৃহস্পতিবারও (১৪ অক্টোবর) বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আগেরই মতো ‘যার যা ইচ্ছা’ দামে এলপিজি বিক্রি করছেন। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কোথাও সরকারি নির্দেশিত দরে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না।

কাঁঠালবাগান বাজারের একজন খুচরা এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রেতা জানান, ১২ কেজি এলপিজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। কেন সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, দামতো ১ হাজার ২৫৯ টাকা করেছেন। আমাদের তো কিছু লাভ রাখতেই হয়। খুব বেশি তো আমরা রাখছি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বসুন্ধরা এলপিজির সেলস অব হেড জাকারিয়া জালাল বলেন, আমরা যা দাবি করেছিলাম তার পুরোটা কমিশন রাখেনি। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে যে হারে দাম বাড়ছে তাতে করে ভবিষ্যতে এলপিজি গ্রাহকই আমরা হারাতে পারি। তাই এর চেয়ে বেশি দামে এলপিজি আমরা বিক্রি করতেও চাই না। বাজারে এখনও আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।’

আপনারা কোনও নির্দেশনা দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপনারা (গ্রাহক) এমন কিছু পেলে মামলা করে দেন। আমরা কোনও নির্দেশনা দেইনি। আমরা চাই না এর (নির্ধারিত দর) চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করতে।’

বাজারে যে নির্দেশনা মানা হচ্ছে না এ বিষয়ে কমিশনের কি করার আছে জানতে চাইলে কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল বলেন, আমরা অভিযোগ পেলেই বিইআরসির আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো। জনবল না থাকায় সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি জেলা প্রশাসনসহ সবাইকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলছি আমরা।

ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা শামসুল আলম বলেন, এবার কমিশন যে দাম নির্ধারণ করেছে তা একেবারেই ব্যবসায়ীদের পক্ষে। এই দাম ভোক্তা স্বার্থে করা হয়নি। আমরা পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সবাইকে জানানো হবে।

/এমআর/ইউএস/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

সম্পর্কিত

পণ্যে ভ্যাটসহ বিক্রয়মূল্য লেখা বাধ্যতামূলক

পণ্যে ভ্যাটসহ বিক্রয়মূল্য লেখা বাধ্যতামূলক

গ্রামীণ ব্যাংকের ৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, একাধিক মামলা

গ্রামীণ ব্যাংকের ৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, একাধিক মামলা

ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগে ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা

ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগে ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা

ফেসবুক-গুগলের ভ্যাটের তথ্য জানতে চায় এনবিআর

ফেসবুক-গুগলের ভ্যাটের তথ্য জানতে চায় এনবিআর

দুই কোটি ৪৪ লাখ টাকা ভ্যাট দিলো ফেসবুক

দুই কোটি ৪৪ লাখ টাকা ভ্যাট দিলো ফেসবুক

অনলাইনে ভ্যাট দিতে চায় ফেসবুক

অনলাইনে ভ্যাট দিতে চায় ফেসবুক

সর্বশেষ

রাষ্ট্রীয় সেন্সরশিপ, চীনে বন্ধ হচ্ছে মাইক্রোসফটের লিঙ্কডইন

রাষ্ট্রীয় সেন্সরশিপ, চীনে বন্ধ হচ্ছে মাইক্রোসফটের লিঙ্কডইন

‘মোস্তফা’ পুরস্কার নিতে ইরান যাচ্ছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী

‘মোস্তফা’ পুরস্কার নিতে ইরান যাচ্ছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী

নির্বাচনে প্রার্থী হতে গিয়ে জানলেন তিনি মৃত

নির্বাচনে প্রার্থী হতে গিয়ে জানলেন তিনি মৃত

শঙ্কা কেটে গেছে, মাহমুদউল্লাহকে নিয়েই শুরু বিশ্বকাপ

শঙ্কা কেটে গেছে, মাহমুদউল্লাহকে নিয়েই শুরু বিশ্বকাপ

কাশ্মিরে নিখোঁজ ২ ভারতীয় জওয়ানের মরদেহ উদ্ধার

কাশ্মিরে নিখোঁজ ২ ভারতীয় জওয়ানের মরদেহ উদ্ধার

কৃষক লীগ নেতার মনোনয়নপত্র ছিঁড়ে মারধরের অভিযোগ

কৃষক লীগ নেতার মনোনয়নপত্র ছিঁড়ে মারধরের অভিযোগ

ত্রিপুরায় কবর দেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ত্রিপুরায় কবর দেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের কাছে জান্তা সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর আত্মসমর্পণ

মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের কাছে জান্তা সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর আত্মসমর্পণ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

পণ্যে ভ্যাটসহ বিক্রয়মূল্য লেখা বাধ্যতামূলক

পণ্যে ভ্যাটসহ বিক্রয়মূল্য লেখা বাধ্যতামূলক

গ্রামীণ ব্যাংকের ৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, একাধিক মামলা

গ্রামীণ ব্যাংকের ৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, একাধিক মামলা

ফেসবুক-গুগলের ভ্যাটের তথ্য জানতে চায় এনবিআর

ফেসবুক-গুগলের ভ্যাটের তথ্য জানতে চায় এনবিআর

অনলাইনে ভ্যাট দিতে চায় ফেসবুক

অনলাইনে ভ্যাট দিতে চায় ফেসবুক

© 2021 Bangla Tribune