X
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৭ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

সেই সেতুর রাস্তার জন্য কাটা হচ্ছে পাহা‌ড়

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:০৯

বান্দরবা‌নের রুমা উপজেলায় চার কো‌টি ১৪ লাখ ১৫ হাজার ২৪১ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির ওপারে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। সেতুর ওপা‌রে থাকা পাহা‌ড়ের একপাশ কে‌টে এই রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে।

স‌রেজ‌মিন দেখা গে‌ছে, রুমা সদর ইউনিয়নের রুমা মুখ থেকে গ্যালা‌ঙ্গিয়া ইউ‌নিয়নে যাওয়ার জন্য নির্মিত সেতুর ওপা‌রে বিশাল পাহাড়‌টির একপা‌শ কে‌টে রাস্তা‌ করা হ‌চ্ছে। রাস্তার কাজ বর্তমা‌নে অ‌নেকটাই দৃশ্যমান।

রুমার মুখ এলাকায় রাস্তা ছাড়াই সেতুটি নির্মাণ ক‌রে‌ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। গত ৪ আগস্ট ‌‘রাস্তা ছাড়াই পাহাড়ে ৪ কো‌টি টাকার সেতু’ শিরোনামে রুমা সদর ইউনিয়নের রুমা মুখ থেকে গ্যালা‌ঙ্গিয়া ইউ‌নিয়নের ওই সেতুটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলা ট্রিবিউন। ৫‌ সে‌প্টেম্বর সেতু পরিদর্শনে আসেন চট্টগ্রামের অ‌তি‌রিক্ত বিভাগীয় ক‌মিশনা‌র মিজানুর রহমান, এল‌জিই‌ডির প্রকল্প প‌রিচালক মো. নুরুন্নবী ও বান্দরবান অ‌তি‌রিক্ত জেলা প্রশাসক মো. লুৎফুর রহমান।

এ সময় মিজানুর রহমান ব‌লেন, শিগগিরই সেতুর রাস্তার কাজ শুরু হ‌বে। যেহেতু সেতু‌ হ‌য়ে গে‌ছে, তাই পাহাড়‌টির কোনও ক্ষ‌তি না ক‌রে একপাশ ঘেঁষে রাস্তা‌ করা হ‌বে।

রাস্তার কাজ বর্তমা‌নে অ‌নেকটাই দৃশ্যমান

স্থানীয়রা জানায়, সেতু‌টি নির্মাণ করার পর বলা হ‌য়ে‌ছিল, পাহা‌ড় কে‌টে মাঝখা‌ন দি‌য়ে রাস্তা করা হবে। এত বড় পাহাড়‌ কে‌টে ফেল‌লে অ‌নেকের বাগানসহ প্রাকৃ‌তিক সৌন্দর্য নষ্ট হবে। 

স্থানীয় সাপ্রু অং মারমা জানান, বান্দরবা‌নের যতগু‌লো রাস্তা হ‌য়ে‌ছে সবগু‌লোই ছোট-বড় পাহাড় কে‌টে করা হ‌য়ে‌ছে। পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় না কাট‌লে কখ‌নোই রাস্তা করা সম্ভব না। এখন যে রাস্তা‌টি করা হ‌চ্ছে সেটাও এর ব্যতিক্রম নয়।

রুমার ৩৫৩ নং কলা‌দিয়া মৌজার হেডম্যান সুই চিং উই মারমা ব‌লেন, সেতুর ওপা‌রে প্রায় তিন থে‌কে চার শতাধিক প‌রিবার র‌য়ে‌ছে। তারা এত‌দিন পাহা‌ড়ের ভেতরের জঙ্গলের দুর্গম পথ বে‌য়ে হেঁটে হেঁটে রুমা সদ‌রে আ‌সতো। সেতুর ওপা‌রে রাস্তা‌র কাজ হ‌চ্ছে। রাস্তা‌টির কাজ শেষ হ‌লে এলাকার মানুষ সহ‌জেই শহ‌রে আস‌তে পার‌বে।

বান্দরবান এল‌জিই‌ডির নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুস শাহাদাত মো. জিললুর রহমান ব‌লেন, রাস্তা করার উ‌দ্দে‌শ্যে নি‌য়েই সেতু‌টি ক‌রা হ‌য়ে‌ছে। অ‌নে‌কের ধারণা ছিল, বিশাল পাহাড়‌টি আমরা কে‌টে ফেল‌বো। কিন্তু পাহাড়‌টির ক্ষ‌তি না ক‌রে একপাশ দি‌য়ে ইউটার্ন নি‌য়ে রাস্তা‌টি করা হ‌চ্ছে। অ‌ফি‌সের নিজস্ব বরাদ্দ দি‌য়েই আপাতত রাস্তা‌টি করা হ‌চ্ছে। 

তি‌নি আ‌রও ব‌লেন, সেতু‌ করার আ‌গেই আমরা ২২‌ কি‌লো‌মিটার রাস্তার ম্যাপ ক‌রে রে‌খে‌ছিলাম। যে‌হেতু বড় এক‌টি খাল র‌য়ে‌ছে তাই ওপা‌রে মালামাল পাঠা‌নোর সু‌বিধা‌র্থে আ‌গেই সেতু‌টি নির্মাণ ক‌রে‌ছি। টেন্ডা‌রের পরপরই আমরা ১২০০ মিটারের রাস্তার কাজ শুরু করেছি।

এ‌ বিষ‌য়ে বান্দরবান জেলা পরিবেশ অধিদফতরের পরিদর্শক মো. আবদুস সালাম ব‌লেন, পাহা‌ড় কে‌টে জনসাধার‌ণের জন্য সরকারিভা‌বে রাস্তা করা হ‌চ্ছে। খবর পে‌য়ে আ‌মি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সেখানে একপাশ কে‌টে ডান‌দি‌কে রাস্তা করা হ‌চ্ছে। ই‌তোম‌ধ্যে এ বিষ‌য়ে তদন্ত প্রতি‌বেদন চট্টগ্রা‌মের আঞ্চ‌লিক কার্যাল‌য়ে পা‌ঠি‌য়ে‌ছি।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে দিনে ১৫ ডিভোর্সের আবেদন, নেপথ্যে করোনা-ফেসবুক

চট্টগ্রামে দিনে ১৫ ডিভোর্সের আবেদন, নেপথ্যে করোনা-ফেসবুক

দুর্গাপূজার সময় মদের দোকান বন্ধ রাখার অনুরোধ

দুর্গাপূজার সময় মদের দোকান বন্ধ রাখার অনুরোধ

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বারবার ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

বারবার ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

মোংলায় শিক্ষকের করোনা শনাক্ত

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৪৭

খুলনার মোংলার একটি বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন। এ ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে করোনা পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ারুল কুদ্দুস বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মোংলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পুলিন কুমার মন্ডল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তার বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে আছেন। তবে ওই স্কুলটি এখনই বন্ধ ঘোষণা করা হবে না। যদি বাকি শিক্ষকদের ভাইরাসটি শনাক্ত হয় তাহলে বন্ধ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষক পুলিন কুমার মন্ডল গত ২০ সেপ্টেম্বরের অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে দায়িত্ব পালন শেষে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্কুলে যোগ দেন। এরপর শরীরে জ্বর এলে প্রধান শিক্ষকের পরামর্শে হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করালে করোনা শনাক্ত হয়। এর আগের দিন তার স্ত্রী হাসপাতালের নার্স সুচন্দা বলয় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নরেশ হালদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শিক্ষক পুলিন ইউপি নির্বাচন চলাকালীন সুন্দরবন ইউনিয়নের কচুবুনিয়ায় দায়িত্ব পালন শেষে মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্কুলে যোগ দিলে তার শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়। পরে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘তবে ওইদিন ক্লাস নিতে পারেননি। এ জন্য ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে ভাইরাস ছড়ানোর কোনও ভয় নেই। অন্য শিক্ষকদের মাঝে ছড়িয়েছে কি-না সেজন্য বিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষককে বৃহস্পতিবার করোনা পরীক্ষার জন্য বলা হয়েছে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

প্রথম চালানে ভারতে গেলো ৭৮.৮৪০ টন ইলিশ

প্রথম চালানে ভারতে গেলো ৭৮.৮৪০ টন ইলিশ

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আহত ৩, ইউপি সদস্য গ্রেফতার

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আহত ৩, ইউপি সদস্য গ্রেফতার

চট্টগ্রামে দিনে ১৫ ডিভোর্সের আবেদন, নেপথ্যে করোনা-ফেসবুক

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫৯

প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সমাজে একান্নবর্তী পরিবার ব্যবস্থা ভেঙে গেছে অনেক আগেই। নানা কারণে প্রতিনিয়ত ভাঙছে সংসার। সারাদেশে বাড়ছে বিয়ে-বিচ্ছেদের ঘটনা। যার প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামে। গড়ে প্রতিদিন ১৫টি বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন জমা পড়ছে সিটি করপোরেশনের সালিশি আদালতে। এর মধ্যে দু’একটি ছাড়া সবই বিচ্ছেদে নিষ্পত্তি হয়। এসব বিয়ে-বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে মূলত করোনায় ঘরবন্দি ও ফেসবুক আসক্তিকে দায়ী করছেন সমাজবিজ্ঞানী ও সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আট মাসে তিন হাজার ৫৭২টি বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন জমা পড়েছে। হিসাবে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১৫টি আবেদন জমা পড়ছে। এর বাইরে জেলা লিগ্যাল এইড কার্যালয়ে গড়ে প্রতি মাসে ৫০-৬০টি বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন জমা পড়ছে। দু’একটি ছাড়া সব আবেদন বিচ্ছেদে নিষ্পত্তি হচ্ছে।

দুই জায়গায় নারীদের দিক থেকে বিয়ে-বিচ্ছেদের নোটিশ বেশি আসছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যৌতুকের জন্য নির্যাতন, স্বামীর মাদকাসক্তি, অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্ক, দ্বিতীয় বিয়ে, বনিবনা না হওয়াসহ নানা কারণে নারীরা বেশি বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন করছেন। পুরুষরাও পিছিয়ে নেই। তাদের কাছ থেকেও বিবাহ-বিচ্ছেদের নোটিশ আসছে। তবে নারীদের তুলনায় কম। অন্য পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক, সন্তান না হওয়া, স্বামীর কথা না শোনা, যৌথ পরিবারে থাকতে না চাওয়াসহ নানা কারণে বিয়ে-বিচ্ছেদের পথ বেছে নিচ্ছেন পুরুষরা।

সম্প্রতি করোনার কারণে বিচ্ছেদের হার বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে ঘরবন্দি হয়ে পড়ায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য বাড়ছে। একে-অন্যের দোষ-ত্রুটি খুঁজতে গিয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছেন। একপর্যায়ে স্বামী-স্ত্রীর কেউ একজন বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের অপব্যবহারের কারণে এখন সমাজে বিয়ে-বিচ্ছেদের ঘটনা বাড়ছে। সম্প্রতি করোনার কারণে ঘরবন্দি থাকতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব বাড়ছে। যে কারণে এখন বিচ্ছেদের ঘটনাও বাড়ছে। পাশাপাশি করোনায় সংসারে অভাব-অনটনের কারণে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফেসবুকের কারণে নারীরা অনেক বেশি ফ্যাশনেবল হচ্ছে। এতে তাদের চাহিদা ও ভোগ বাড়ছে। স্বামীরা তাদের চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হচ্ছে। একজনের মধ্যে না পাওয়ার হতাশা অন্যজনের মধ্যে মানসিক যাতনা কাজ করছে। ফলে ছেলেমেয়ে দুই পক্ষ থেকে বিচ্ছেদের পথে হাঁটছে।’

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দাদের বিয়ে-বিচ্ছেদের জন্য স্বামী কিংবা স্ত্রীকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা লিখিতভাবে (তালাক নোটিশ) প্রথমে সিটি করপোরেশনের মেয়রকে জানাতে হয়। যাকে তালাক দিতে ইচ্ছুক তাকেও ওই নোটিশ পাঠাতে হয়। কারও কাছ থেকে আবেদন পাওয়ার পর মেয়র নোটিশটি সালিসি আদালতে পাঠিয়ে দেন। আদালতে মেয়রের পক্ষে নিযুক্ত থাকেন স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ)।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট জাহানারা ফেরদৌস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের কাছে তালাকের নোটিশ দেওয়ার পর বিচ্ছেদ কার্যকরের আগে স্বামী-স্ত্রী দুই পক্ষকে আমরা তিন মাসে তিনবার নোটিশ দিই। দুই পক্ষের কোনও পক্ষ কিংবা দুই পক্ষই হাজির হলে সমঝোতার চেষ্টা করি। কিন্তু সমঝোতা না হলে আইন অনুযায়ী ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিচ্ছেদের আবেদনকারীদের বেশিরভাগ নারী। আবার তাদের মধ্যে পোশাকশ্রমিকের সংখ্যা বেশি। তারা যে টাকা আয় করেন, সেটি পাওয়ার জন্য স্বামীরা অত্যাচার করেন। না হয় স্বামী আরেক বিয়ে করেছেন, যে কারণে এসব নারী বিচ্ছেদে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। অন্যদিকে, উচ্চবিত্তদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দূরত্বের কারণে বেশিরভাগ সংসার ভাঙছে। এর বাইরে স্বামীর মাদকাসক্তির কারণেও উচ্চবিত্ত পরিবারের নারীরা বিচ্ছেদে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।’

সিটি করপোরেশন থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৪ সালে যেখানে তিন হাজার ২৬৮টি বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন জমা পড়েছিল। সেখানে চলতি বছর আট মাসেই সেই পরিমাণ বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন জমা পড়েছে। চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন জমা পড়েছে তিন হাজার ৫৭২টি। ২০২০ সালে চার হাজার ৮৫৪, ২০১৯ সালে চার হাজার ৫৫০, ২০১৮ সালে চার হাজার ৩৩১, ২০১৭ সালে তিন হাজার ৯২৮ জন বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন। 

সিটি করপোরেশন সালিশি আদালতে জমা পড়া আবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিয়ে-বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নিম্নবিত্ত পরিবারে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে নির্যাতন ও যৌতুক দাবির কারণে বিচ্ছেদ চান বলে উল্লেখ করেন। নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারে পরকীয়া, মাদকাসক্ত ও নেশার কারণে বিয়ে-বিচ্ছেদের কথা উল্লেখ করেন। উচ্চবিত্ত পরিবারে ব্যক্তিত্ববোধ ও মতপার্থক্য বিয়ে-বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। 

একই অবস্থা চট্টগ্রাম লিগ্যাল এইড কার্যালয়ে। সেখানে প্রতি বছর গড়ে ৫০০-৬০০ বিয়ে-বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন। উচ্চবিত্ত হোক আর নিম্নবিত্ত হোক, বিয়ে বিচ্ছেদের সব আবেদনের ভাষা প্রায় এক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা লিগ্যাল এইডের সহকারী এরশাদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পুরুষের তুলনায় নারীরা বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন বেশি করছেন। বেশিরভাগ পারিবারিক অশান্তির কারণে বিচ্ছেদের আবেদনে উল্লেখ করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন পাওয়ার পর আমরা বিকল্পভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সংসার ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করি। এক্ষেত্রে হয়তো দু’একজনের সংসার টিকে যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদই হয়।’

/এএম/

সম্পর্কিত

দুর্গাপূজার সময় মদের দোকান বন্ধ রাখার অনুরোধ

দুর্গাপূজার সময় মদের দোকান বন্ধ রাখার অনুরোধ

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বারবার ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

বারবার ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

টেকনাফে ১০ কোটি টাকার আইস উদ্ধার

টেকনাফে ১০ কোটি টাকার আইস উদ্ধার

দুর্গাপূজার সময় মদের দোকান বন্ধ রাখার অনুরোধ

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪০

চাঁদপুরে শারদীয় দুর্গাপূজার সময় মদের দোকান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট রনজিত রায় চৌধুরী। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভায় এই অনুরোধ জানান তিনি।

রনজিত রায় চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি আছে। তাই আমরা এক ধর্মের লোকজন অপর ধর্মের উৎসবে যাই। দেখা যায়, উৎসবের সময় এক শ্রেণির উঠতি বয়সের যুবক মদ্যপান করে বিশৃঙ্খলা করে। তাছাড়া মদের সঙ্গে পূজার কোনও সম্পর্ক নেই। তাই পূজার সময় মদের দোকানগুলো যদি বন্ধ রাখা যায়, তাহলে ভালো হবে।’

তিনি বলেন, ‘যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আমরা পূজা পালন করতে পারি, তার জন্যই বলেছি।’

এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ চাঁদপুরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপ-পরিচালকের কাছে জেলায় কতগুলো মদের দোকান রয়েছে সে বিষয়ে জানতে চান।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. দিদারুল আলম বলেন, ‘চাঁদপুর জেলায় সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত চারটি মদের দোকান রয়েছে। এর মধ্যে সদরে তিনটি এবং হাজীগঞ্জে একটি। এই দোকানগুলো থেকে ডোম, মুচি, মেথরসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর মানুষ প্রতিনিয়ত মদ কিনে খান। পাশাপাশি মুসলিমসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীর কেউ কেউ সরকারি নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট পরিমাণে মদ কিনে থাকেন। তারা একদিন মদ্যপান না করলে পাগল হয়ে যাবে। তাই মদের দোকান একেবারে বন্ধ রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায় বলেন, ‘পূজার সময় অবশ্যই গানবাজনা হবে। তবে সেটি যেন ধর্মীয় হয়। গানের কথায় যেন পূজার আমেজ থাকে। উগ্রতা যেন না হয়। সে দিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।’

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘পূজামণ্ডপে ধর্মীয় সঙ্গীত বাজাবেন। বাংলা ভাষায় অনেক ভালো ভালো গান আছে। সেগুলো বাজাবেন। উচ্চ আওয়াজ পরিহার করবেন। মদ্যপান করে উগ্রতা করা যাবে না। আজানের সময় গানবাজনা বন্ধ রাখবেন। এতে আমাদের সম্প্রীতি আরও মজবুত হবে।’

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমতিয়াজ হোসেনের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ, পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, এনএসআই চাঁদপুরের উপ-পরিচালক শাহ আরমান আহমেদ, এডিএম নাসির উদ্দিন সারোয়ার, জেলা স্কাউট কমিশনার ও হরিভোলা সমিতির সভাপতি অজয় কুমার ভৌমিক, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা প্রমুখ।

/এফআর/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে দিনে ১৫ ডিভোর্সের আবেদন, নেপথ্যে করোনা-ফেসবুক

চট্টগ্রামে দিনে ১৫ ডিভোর্সের আবেদন, নেপথ্যে করোনা-ফেসবুক

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সাবেক প্রধান শিক্ষককে হত্যার আসামি গ্রেফতার

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৩

রাজশাহীতে নিজ বাড়িতে সাবেক প্রধান শিক্ষক মায়া রাণী ঘোষকে (৬৮) হত্যার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে নগরীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। তার কাছ থেকে মায়া রাণীর ব্যবহৃত স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতার ব্যক্তির নাম মিলন শেখ (৪০)। নগরীর ফুদকিপাড়া এলাকায় তার বাড়ি। তার বাবার নাম কালু শেখ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ জানান, মায়া রাণীকে হত্যা করে তার গলার চেইন, হাতের বালা ও কানের দুল নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন মিলন। এ জন্য কয়েকদিন থেকেই তিনি বাড়ি ভাড়া নেওয়ার নাম করে মায়ার বাড়ি যান। মঙ্গলবারও তিনি সেখানে যান। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে মিলন তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন নিয়ে যান।

ওসি জানান, ঘটনার পর থেকেই এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে খুঁজতে কাজ করছিল পুলিশ। মঙ্গলবার রাতেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি মার্কেটের ছাদে তার দেখানো জায়গা থেকে মায়া রাণীর মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়। মিলনকে মায়া রাণী হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

মঙ্গলবার সকালে নগরীর কুমারপাড়া ঘোষপাড়া মহল্লার নিজ বাড়িতে শ্বাসরোধ করে মায়া রাণী ঘোষকে হত্যা করা হয়। স্বামী-সন্তানহীন মায়া টিনশেডের নিজের বাড়িতে একাই থাকতেন। তিনি নগরীর মন্নুজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ২০১০ সালে তিনি চাকরি থেকে অবসর নেন।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

কৃষকের ঘর ভেঙে ডোবায় ফেলে দিলেন মেম্বার

কৃষকের ঘর ভেঙে ডোবায় ফেলে দিলেন মেম্বার

‘শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দেওয়া অর্থনৈতিক সামর্থ্যের প্রমাণ’

‘শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দেওয়া অর্থনৈতিক সামর্থ্যের প্রমাণ’

বাউল শিল্পীর মাথা ন্যাড়া করে গ্রাম ছাড়ার হুমকি, গ্রেফতার ৩

বাউল শিল্পীর মাথা ন্যাড়া করে গ্রাম ছাড়ার হুমকি, গ্রেফতার ৩

মাত্রাতিরিক্ত ভারী যান উঠলেই সিগন্যাল দেবে লেবুখালী সেতু

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২১

আগামী অক্টোবর মাসের যেকোনও দিন যানচলাচলে উন্মুক্ত করে দেওয়া হতে পারে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের লেবুখালী পয়েন্টে পায়রা নদীর ওপর নির্মিত নান্দনিক পায়রা সেতু। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের মধ্য দিয়েই যানচলাচলের জন্য উন্মুক্ত হবে। এটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে এক হাজার ১১৮ কোটি টাকা।

দেশে প্রথমবারের মতো এ সেতুতে যুক্ত করা হয়েছে হেলথ মনিটরিং ও পিয়ার প্রটেকশন সিস্টেম। এর মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মাত্রাতিরিক্ত ভারী যানবাহনের সংকেত পাওয়া যাবে।

প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হালিম বলেন, ‘এ সেতুর একটি বিশেষত্ব হচ্ছে, যেকোনও দুর্ঘটনায় সিগন্যাল দেবে। দেশে প্রথমবারের মতো পায়রা সেতুতে যুক্ত করা হয়েছে হেলথ মনিটরিং ও পিয়ার প্রটেকশন সিস্টেম। এর ফলে যেকোনও ধরনের ওভারলোডেড (মাত্রাতিরিক্ত ভারী) যান সেতুতে উঠলে সঙ্গে সঙ্গে হেলথ মনিটরিং সিস্টেম থেকে সিগন্যাল পাওয়া যাবে। একইভাবে উচ্চমাত্রার ভূমিকম্প ও বজ্রপাতসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেগুলোতে সেতুর ক্ষতি হতে পারে এ ধরনের আশঙ্কা থাকলেও সিস্টেম সিগন্যাল দেবে।’

তার আশা, ‘প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর নির্ধারণ হবে সেতু উদ্বোধনের তারিখ ও সময়। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে খুলে দেওয়া হবে সেতুটি।’

প্রকল্প পরিচালক বলেন,  বলেন, ‘পায়রা নদীর ওপর প্রায় দেড় কিলোমিটার সেতুর ৯৯ ভাগ এবং পুরো প্রকল্পের ৯৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি নদী শাসনের কাজ সম্পন্নে ফেরি চলাচল বন্ধ করতে হবে। সেতুতে যানবাহন চলাচল শুরু হলে ফেরি চলাচল বন্ধ করে এ কাজ সম্পন্ন করা হবে। এতে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।’

আব্দুল হালিম আরও বলেন, ‘কর্ণফুলী দ্বিতীয় সেতুর আদলেই নির্মাণ করা হয়েছে চার লেনের লেবুখালী সেতু। পায়রা নদীর মূল অংশের ৬৩০ মিটারে বক্স গার্ডার চারটি স্প্যানের ওপর নির্মিত হয়েছে। লেবুখালী সেতুর ৩২টি স্প্যান দাঁড়িয়ে আছে ৩১টি পিয়ারের ওপর। সেতুটির ২৮টি স্প্যানের ১২টি বরিশাল প্রান্তে এবং ১৬টি পটুয়াখালী প্রান্তে। এছাড়া ১৬৭টি বক্স গার্ডার সেগমেন্ট রয়েছে সেতুতে। যার ফলে দূর থেকে সেতুটিকে মনে হবে ঝুলে আছে। বিদ্যুতের আলোতে আলোকিত করা হয়েছে সেতুটি। এক্সট্রা ডোজ ক্যাবল স্ট্রেট নকশায় নির্মিত সেতুর দৈর্ঘ্য এক হাজার ৪৭০ এবং প্রস্থ ১৯.৭৬ মিটার। নদীর উভয়প্রান্তে সংযোগ সড়ক রয়েছে এক হাজার ২৬৮ মিটার।’

পায়রা সেতু প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপক কামরুল হাসান বলেন, ‘এখন সংযোগ সড়কের রোড মার্কিং, সড়ক বাতি, ওয়েট ব্রিজ (স্কেল) এবং টোল সিস্টেমের কাজ শেষের দিকে।’

প্রসঙ্গত, কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভলপমেন্ট (কেএফএইডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্টের (ওএফআইডি) যৌথ অর্থায়নে ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই এই সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয়। চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লংজিয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ কোম্পানি লিমিটেড সেতুটি নির্মাণে কাজ করছে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

৬ মাসেই ভেঙে পড়ছে সাড়ে তিন কোটি টাকার সড়ক

৬ মাসেই ভেঙে পড়ছে সাড়ে তিন কোটি টাকার সড়ক

ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০০ টাকা

ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০০ টাকা

এহসানের এমডি রাগীব ও তার ৩ ভাই শ্যোন অ্যারেস্ট

এহসানের এমডি রাগীব ও তার ৩ ভাই শ্যোন অ্যারেস্ট

পিটুনিতে জেলের মৃত্যু, ৪ নৌপুলিশকে প্রত্যাহার

পিটুনিতে জেলের মৃত্যু, ৪ নৌপুলিশকে প্রত্যাহার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

চট্টগ্রামে দিনে ১৫ ডিভোর্সের আবেদন, নেপথ্যে করোনা-ফেসবুক

চট্টগ্রামে দিনে ১৫ ডিভোর্সের আবেদন, নেপথ্যে করোনা-ফেসবুক

দুর্গাপূজার সময় মদের দোকান বন্ধ রাখার অনুরোধ

দুর্গাপূজার সময় মদের দোকান বন্ধ রাখার অনুরোধ

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বারবার ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

বারবার ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

টেকনাফে ১০ কোটি টাকার আইস উদ্ধার

টেকনাফে ১০ কোটি টাকার আইস উদ্ধার

এক জালেই ১৫ মণ লাল কোরাল

এক জালেই ১৫ মণ লাল কোরাল

কুমিল্লায় হচ্ছে ১১০০ উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়

কুমিল্লায় হচ্ছে ১১০০ উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়

ফেনীতে ব্যবসায়ীর সোনা লুট: ডিবির এসআই ফিরোজ কারাগারে

ফেনীতে ব্যবসায়ীর সোনা লুট: ডিবির এসআই ফিরোজ কারাগারে

সিনহা হত্যা: গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন চায় আসামিপক্ষ

সিনহা হত্যা: গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন চায় আসামিপক্ষ

মাদক মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩ ভাই গ্রেফতার

মাদক মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩ ভাই গ্রেফতার

সর্বশেষ

ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধির সঙ্গে ডিজিটাল অপরাধও বেড়েছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধির সঙ্গে ডিজিটাল অপরাধও বেড়েছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

কক্সবাজারের সাথে রেল যোগাযোগ চালু হবে ২০২২ সালে: রেলমন্ত্রী

কক্সবাজারের সাথে রেল যোগাযোগ চালু হবে ২০২২ সালে: রেলমন্ত্রী

রোনালদোবিহীন ম্যান ইউর বিপক্ষে ‘প্রতিশোধ’ নিলো ওয়েস্ট হাম

রোনালদোবিহীন ম্যান ইউর বিপক্ষে ‘প্রতিশোধ’ নিলো ওয়েস্ট হাম

পিএসজিকে শেষ মুহূর্তে জেতালেন হাকিমি

পিএসজিকে শেষ মুহূর্তে জেতালেন হাকিমি

করোনার টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনস্বার্থ সামগ্রী’ ঘোষণার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনার টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনস্বার্থ সামগ্রী’ ঘোষণার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

© 2021 Bangla Tribune