X
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

কাবুল বিমানবন্দরের কাজে ফিরলেন পুলিশ সদস্যরা

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৪২

আফগানিস্তানের কাবুল বিমানবন্দরের পুলিশ সদস্যরা কাজে যোগ দিয়েছেন। কর্মকর্তারা রবিবার জানান, কট্টর ইসলামি গোষ্ঠীটি দেশটি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এই প্রথম তালেবান যোদ্ধাদের সঙ্গে বিমানবন্দরটি কাজ করছেন পুলিশ সদস্যরা। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এখবর জানিয়েছে।

গত মাসে কাবুল দখল করার পর তালেবানের ভয়ে বিমানবন্দরের পুলিশ সদস্যরা নিজেদের দায়িত্ব পালন বাদ দিয়েছিল। দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তালেবান কমান্ডারদের কাছ থেকে ফোন পাওয়ার পর তারা কাজে ফিরেছেন।

কাবুল থেকে এএফপি প্রতিনিধি জানান, তিনি বিমানবন্দরের একাধিক চেকপয়েন্টে পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন ও কাজ করতে দেখেছেন।

এক পুলিশ সদস্য বলেন, দুই সপ্তাহের বেশি সময় বাড়িতে থাকার পর গতকাল কাজে যোগ দিয়েছি। এক সিনিয়র তালেবান কমান্ডার আমাকে ফোনে কাজে আসতে বলেছেন। গতকাল দারুণ ছিল, কাজে ফিরতে পেরে অনেক খুশি।

কাবুল দখলের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তালেবান আগের সরকারের কর্মীদের সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা দেয়। এর আওতায় ছিল সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা।

/এএ/

সম্পর্কিত

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩২

আফগানিস্তানে কৈশোর পার করায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করে রাবিয়া বালখি। সমকামী সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা দেশটিতে জন্ম নেওয়ার পরও তার পরিবার লেসবিয়ান হিসেবে তাকে মেনে নিয়েছে। কিন্তু এখন বালখি বলছেন, এই বিরল মেনে নেওয়ার ঘটনাই তার জীবন হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। কারণ আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া তালেবান গোষ্ঠী দেশটির গে, লেসবিয়ান ও রূপান্তরকামীদের বিরুদ্ধে শারীরিক সহিংসতা ও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

তালেবান ক্ষমতা দখলের পরই বালখি ও তার পরিবার আত্মগোপনে চলে যান। দেশটি ছাড়তে বাইরের সহযোগিতা চাওয়া কয়েকশ’ সমকামী মানুষদের একজন তিনি।

অজ্ঞাত স্থান থেকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে তিনি বলেন, পরিস্থিতি প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে। গ্রেফতার হওয়ার আতঙ্ক এখন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। এতই উদ্বিগ্ন যে এখন আমি রাতে ঘুমাতে পারি না।

বালখি জানান, তালেবান আমার পরিবার সম্পর্কে সব জানে। তিনি আশঙ্কা করছেন, তার পরিবার হামলার শিকার হতে পারে কিংবা সমকামী হওয়ায় তাকে হত্যা করা হতে পারে। তিনি আতঙ্কে রয়েছে, তালেবান তাকে খুঁজে পেলে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করবে।

যদিও আফগানিস্তানের এলজিবিটিকিউ নাগরিকদের বিরুদ্ধে তালেবান কঠোর ধর্মীয় আইন জারি করবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জুলাই মাসে একটি জার্মান সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক তালেবান বিচারক বলেছিলেন, সমকামিতার মাত্র দুই ধরনের শাস্তি রয়েছে। একটি হলো পাথর নিক্ষেপ, অপরটি হলো দেয়ালে পিষে হত্যা করা।

এই বিষয়ে এক তালেবান মুখপাত্রের মন্তব্য চাইলে তিনি জানান, এই সম্প্রদায় নিয়ে সরকারিভাবে কোনও পরিকল্পনা এখনও নাই। কিছু অগ্রগতি ঘটলে জানানো হবে।

তালেবানের মতে, শরিয়াহ আইন অনুসারে সমকামিতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের কয়েকজন সিএনএনকে জানান, তারা জানতে পেরেছেন তাদের বন্ধু, পার্টনার ও এই সম্প্রদায়ের মানুষ হামলা ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। তালেবান শাসকরাও তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করতে পারে বলে তারা আতঙ্কিত।

কয়েকজন জানান, তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি বেজমেন্টের একটি রুমে দেয়াল বা ফোনের স্ক্রিনের দিকে অনির্দিষ্টকাল তাকিয়ে থাকছেন। যদি বাইরে বের হওয়ার কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়। অনেকে বন্ধুদের সহযোগিতায় লুকিয়ে আছেন। অনেকেই আছেন একা, ফুরিয়ে গেছে খাবার।

তবে সবাই বলছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের পরিত্যাগ করেছে বলে অনুভব করছেন তারা। সূত্র: সিএনএন

/এএ/

সম্পর্কিত

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

অস্ট্রেলিয়া বড় ধরনের ভুল করেছে: ফ্রান্স

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৬

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সমঝোতার পর ফ্রান্সের সঙ্গে কয়েকশ’ কোটি ডলারের সাবমেরিন নির্মাণ চুক্তি বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে দেশটি বড় ধরনের কূটনৈতিক ভুল করেছে। শনিবার নিজ দেশের এমন মনোভাবের কথা জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত জঁ-পিয়েরো থেবোল্ট। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

ফ্রান্সের সঙ্গে সাবমেরিন নির্মাণ চুক্তি বাতিলের পরপরই ক্যানবেরা থেকে রাষ্ট্রদূত থিবোল্টকে ডেকে পাঠায় প্যারিস। দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ নিয়ে কথা বলেন।

জঁ-পিয়েরো থেবোল্ট বলেন, এটি সেভাবে কোনও চুক্তি ছিল না, ছিল অংশীদারিত্ব। আস্থা, পারস্পরিক সমঝোতা ও আন্তরিকতার ওপরই এ ধরনের সম্পর্কের স্থায়িত্ব নির্ভর করে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, এটি বড় ধরনের একটি ভুল। অংশীদারের সঙ্গে বাজে আচরণ করা হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকেও নিজ দেশের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফ্রান্স।

মিত্র দেশ থেকে রাষ্ট্রদূত ডেকে পাঠানোর ঘটনা ফ্রান্সের ক্ষেত্রে বিরল। তবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ ইভে ল দ্রিঁয়া জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর নির্দেশেই রাষ্ট্রদূতদের ডাকা হয়েছে।

গত বুধবার অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগাভাগি করে চীনকে মোকাবিলায় বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ত্রিদেশীয় চুক্তির ফলে ফ্রান্সের কাছ থেকে আর সাবমেরিন নেবে না ক্যানবেরা। আর এতেই ক্ষুব্ধ ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর প্রশাসন।

মিত্র দেশের কাছ থেকে এমন চুক্তিকে অপ্রত্যাশিত আচরণ উল্লেখ করেছেন ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ত্রিদেশীয় পারমাণবিক সাবমেনি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্যারিসের পিঠে ছুরিকাঘাত করেছেন।

/এমপি/

সম্পর্কিত

অস্ট্রেলিয়ায় লকডাউনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, আটক ২৬৭

অস্ট্রেলিয়ায় লকডাউনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, আটক ২৬৭

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠালো ফ্রান্স

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠালো ফ্রান্স

ফ্রান্সের ২৪টি পুরাতন বিমান কিনতে যাচ্ছে ভারত

ফ্রান্সের ২৪টি পুরাতন বিমান কিনতে যাচ্ছে ভারত

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১২

তালেবানের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চার দশক আগে সন্ধান পাওয়া ব্যাকট্রিয়ান সোনার অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সাংস্কৃতিক কমিশনের উপ-প্রধান জানান, ব্যাকট্রিয়ান সম্পদের খোঁজ করতে সংশ্লিষ্ট দফতরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের তথ্য অনুসারে, ব্যাকট্রিয়ান সম্পদের মধ্যে রয়েছে প্রাচীন বিশ্বের কয়েক হাজার সোনার টুকরো। ছয়টি সমাধির ভেতরে এগুলো পাওয়া গেছে। এর মধ্যে খ্রিস্টপূর্ব শতাব্দী থেকে শুরু করে প্রথম খ্রিস্টাব্দের সোনা রয়েছে।

সাময়িকীটির এক প্রতিবেদন অনুসারে, এই সম্পদে ২০ হাজারের বেশি বস্তু রয়েছে। আছে সোনার আংটি, মুদ্রা, অস্ত্র, কানের দুল, ব্রেসলেট ইত্যাদি।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই সমাধিগুলো ছয় বিত্তশালী এশীয় যাযাবরের, এদের মধ্যে পাঁচ নারী ও এক পুরুষ রয়েছে। এসব সম্পদ ২ হাজার বছর পুরনো।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আফগান প্রেসিডেন্ট প্যালেসে এগুলো আনা হয়। পরে জনগণের জন্য এগুলো প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু আশরাফ গণির সরকারের পতনের পর এগুলো নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজ জানিয়েছে, ওয়াসিক বলেছেন প্রাচীন ও ঐতিহাসিক ভাস্কর্যের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি বহাল থাকবে।

২০২০ সালের ডিসেম্বর একই সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ব্যাকট্রিয়ান সম্পদ গত ১৩ বছরে ১৩ বার প্রদর্শন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে সাড়ে চার মিলিয়ন ডলার যুক্ত হয়েছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

 

/এএ/

সম্পর্কিত

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:০৮

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে তালেবান সরকার। চিঠিতে আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তালেবানের কাছ থেকে চিঠিটি পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন গুতেরেস।

এতে সংস্থাটির কর্মীদের সুরক্ষার পাশাপাশি নারী অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলোও সুরাহার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি আফগানিস্তানে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তা নিয়ে তালেবানের সঙ্গে জাতিসংঘের আলোচনা হয়েছে বলেও জানান গুতেরেস।

তিনি জানান, আফগানিস্তানে বৈষম্যহীন মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানো, দেশটিতে কর্মরত জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নারী অধিকারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে দলটির সঙ্গে কথা হয়েছে।

এ মাসের গোড়ার দিকে কাবুল সফরে যান জাতিসংঘের দূত মার্টিন গ্রিফিতস। এ সময় তিনি তালেবানের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সফরের বিষয়ে গুতেরেস বলেন, গঠনমূলক ও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তালেবানের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আফগানিস্তানে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠায় তালেবানের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আফগানিস্তানের প্রতিবেশী তাজিকিস্তানে দুই দিনের সফরে দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ইমরান খান নিজেই তার এমন প্রচেষ্টার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৪০ বছরের সংঘাতের পর এই অন্তর্ভুক্তি একটি স্থিতিশীল আফগানিস্তান নিশ্চিত করবে। আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতা শুধু তার নিজের জন্যই নয়, বরং পুরো অঞ্চলের জন্যই জরুরি। সূত্র: এনডিটিভি।

/এমপি/

সম্পর্কিত

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

দীর্ঘ কর্মঘণ্টার ফলে বছরে প্রাণ যাচ্ছে ২০ লাখ শ্রমিকের: জাতিসংঘ

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪৬

কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত অসুস্থতা এবং আঘাতে বছরে প্রায় ২০ লাখ লোকের মৃত্যু হচ্ছে। মূলত দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে এই প্রাণহানি ঘটছে। এমনটাই উঠে এসেছে জাতিসংঘের স্বাস্থ্য ও শ্রম সংস্থার এক যৌথ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে।

মহামারি পরিস্থিতির মধ্যে এই মৃত্যু ঝুঁকি আরও খারাপ হবে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে ২০০০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক রোগব্যাধি, আঘাত ও কর্মক্ষেত্রে চাপের ফলে মৃত্যুর হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। তবে করোনা মহামারির ফলে কর্মক্ষেত্রে কাজের পরিবেশের নাটকীয় পরিবর্তনের প্রভাব এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য ও শ্রম সংস্থার যৌথ মূল্যায়ন বলছে, ২০১৬ সালে দুনিয়াজুড়ে কাজের সঙ্গে জড়িত এমন প্রায় ১৯ লাখ লোকের মৃত্যু হয়েছে।

সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টার অধিক সময় কাজ করা দীর্ঘ কর্মঘণ্টা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এটি একটি প্রধান ঝুঁকি। ২০১৬ সালে এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টাজনিত কারণে সাড়ে সাত লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯টি পেশাগত ঝুঁকির কারণে এসব প্রাণহানি ঘটছে। এর মধ্যে দীর্ঘ সময় আসনে বসে থাকার মতো বিষয়গুলো রয়েছে। এ ছাড়া কর্মক্ষেত্রে গ্যাস, ধোঁয়া ও বাতাসের অন্যান্য দুষণের সংস্পর্শে আসায় স্বাস্থ্য বিপর্যয় ঘটছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গ্যাব্রিয়েসাস এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এটা খুবই মর্মান্তিক যে চাকুরি ও কর্মক্ষেত্রে পরিবেশের কারণে অনেক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।’

মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত কারণে মৃতদের মধ্যে ৮২ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে।

/এমপি/

সম্পর্কিত

করোনা পরিস্থিতিতে নিউ ইয়র্কে জড়ো হচ্ছেন বিশ্বনেতারা

করোনা পরিস্থিতিতে নিউ ইয়র্কে জড়ো হচ্ছেন বিশ্বনেতারা

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

আফগানিস্তানের জন্য ১০০ কোটি ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি

আফগানিস্তানের জন্য ১০০ কোটি ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি

আফগানদের প্রতি সংহতি জানাতে বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ

আফগানদের প্রতি সংহতি জানাতে বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

তালেবানের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ ইমরান খানের

তালেবানের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ ইমরান খানের

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা সম্প্রসারণ করছে উত্তর কোরিয়া

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা সম্প্রসারণ করছে উত্তর কোরিয়া

মন্ত্রিসভা নিয়ে পদত্যাগ করলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর

মন্ত্রিসভা নিয়ে পদত্যাগ করলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর

সর্বশেষ

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

মোটরসাইকেলে ৩ জন, ট্রাকের ধাক্কায় রাজস্ব কর্মকর্তা নিহত

মোটরসাইকেলে ৩ জন, ট্রাকের ধাক্কায় রাজস্ব কর্মকর্তা নিহত

ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

৫ লাখেরও বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে আজ 

৫ লাখেরও বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে আজ 

© 2021 Bangla Tribune