X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

জাপানে আঘাত হানতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:২৬

নতুন একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, এটি জাপানে আঘাত হানতে সক্ষম।

সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএ সোমবার জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে চালানো এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি দেড় হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়েছে।

অর্থনৈতিক ও খাদ্য সঙ্কট থাকার পরও উত্তর কোরিয়া অস্ত্র তৈরিতে সক্ষম বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

পিয়ংইয়ং-এর এই পরীক্ষার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি বলছে, ওই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য এটি বড় একটি হুমকি তৈরি করেছে। টোকিও বলছে, এই পরীক্ষা তাদের জন্য উদ্বেগ তৈরি করেছে।

উত্তর কোরিয়ার সংবাদপত্র রোডং সিনমুন যেসব ছবি প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, উৎক্ষেপণ যান থেকে একটি ক্রুজ মিসাইল ছোঁড়া হচ্ছে। অন্য একটি ছবিতে ক্ষেপণাস্ত্রটিকে আকাশে ভেসে যেতে দেখা গেছে।

এই ক্ষেপণাস্ত্রটির কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম বলে বর্ণনা করেছে কেসিএনএ। তাদের খবরে বলা হয়েছে, শনি ও রবিবার ক্ষেপণাস্ত্রটির দুইটি পরীক্ষা চালানো হয়। উভয় পরীক্ষাতেই এটি উত্তর কোরিয়ার পানিসীমার ভেতর লক্ষ্যবস্তু ভেদ করতে সক্ষম হয়।

উত্তর কোরিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ অঙ্কিত পান্ডার মতে, এটি দেশটির প্রথম দীর্ঘ পাল্লার মিসাইল যেটি পরমাণু অস্ত্র বহনের ক্ষমতা রাখে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ উত্তর কোরিয়ার আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু এই ধরনের ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষার ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই।

নিরাপত্তা পরিষদ মনে করে, ব্যালিস্টিক মিসাইল অনেক বড় হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। কারণ এর পাল্লা যেমন দীর্ঘ হয়, তেমনি এটি বড় আকারের এবং শক্তিশালী বোমা বহন করতে পারে।

ব্যালিস্টিক মিসাইল পরিচালিত হয় রকেট দিয়ে, যেটির গতিপথ অর্ধ চন্দ্রাকৃতির হয়। অন্যদিকে, ক্রুজ মিসাইল জেট ইঞ্জিন দিয়ে চালিত হয় এবং এর উচ্চতা তুলনামূলকভাবে কম। সূত্র: বিবিসি।

/এমপি/

সম্পর্কিত

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

ক্যাপিটলে ট্রাম সমর্থকদের মিছিল

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৪৩

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল বা ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ের সামনে মিছিল নিয়ে জড়ো হয়েছেন ট্রাম্প সমর্থকরা। নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয় মেনে নিতে না পেরে গত ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলাকারীদের সমর্থনে শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সেখানে জড়ো হন তারা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা সংখ্যায় ছিলেন ১০০ থেকে ২০০ জন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ কাঁধে ডানপন্থী-গোষ্ঠী থ্রি পার্সেন্টার্সের পতাকা বহন করছিলেন। গত ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে যে হাজার হাজার মানুষ হামলা করেছিল তাদের তুলনায় এ সংখ্যা নিতান্তই কম।

শতশত কর্মকর্তা ক্যাপিটল গ্রাউন্ডে টেহল দিচ্ছেন। পুনরায় হামলার আশঙ্কায় হামলার প্রথম হামলার ছয় মাসের মাথায় আট ফুট উঁচু বেষ্টনি দেওয়া হয়েছে ভবনের চারপাশ দিয়ে। এছাড়া ন্যাশনাল গার্ড বাহিনীর সদস্যও মোতায়েন রয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের একজন বলেন, ক্যাপিটল হিলের মামলার ঘটনা সাজানো। সেদিন সেখানে সংহিংসতা হয়নি। যাদের আটক করা হয়েছে তারা মূলত রাজনৈতিক বন্দি। ম্যাট ব্র্যেনার্ড নামে একজন আন্দোলনকারী জানান, তাদের এ মিছিল ন্যায় বিচারের জন্য।

মিছিলে জনসমাগম কম হলেও মাঝে মাঝে জোরে স্লোগান হচ্ছিল। মিছিলকারীদের সঙ্গে বিরোধীরা তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতি সামলাতে বাইসাইকেলে টহল দিচ্ছিল পুলিশ। এ সময় পুলিশ অস্ত্রসহ একজনসহ মোট চার জনকে আটক করে।

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে উগ্রবাদী সমর্থকদের ৬ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে জড়ো করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশন চলাকালে ক্যাপিটল হিলে হামলা চালান উগ্রবাদীরা। ভাইস প্রেসিডেন্ট, স্পিকারসহ অন্য আইনপ্রণেতাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন তারা । এলোপাতাড়ি হামলায় একজন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জন নিহত হন।

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

সবচেয়ে সাদা রঙ আবিষ্কার, হবে এসির বিকল্প!

সবচেয়ে সাদা রঙ আবিষ্কার, হবে এসির বিকল্প!

করোনা পরিস্থিতিতে নিউ ইয়র্কে জড়ো হচ্ছেন বিশ্বনেতারা

করোনা পরিস্থিতিতে নিউ ইয়র্কে জড়ো হচ্ছেন বিশ্বনেতারা

৬৫ ঊর্ধ্বদের বুস্টার ডোজের সুপারিশ এফডিএ’র

৬৫ ঊর্ধ্বদের বুস্টার ডোজের সুপারিশ এফডিএ’র

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠালো ফ্রান্স

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠালো ফ্রান্স

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৫৬

কাবুলে মার্কিন ড্রোন হামলায় শিশুসহ ১০ বেসামরিক নগরিক নিহতের কথা স্বীকার করে এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে নিহতদের স্বজন ও আহতরা বলছেন, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রকে শুধু ‘দুঃখ প্রকাশ’ বা ‘ক্ষমা চাইলেই’ হবে না, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

গত ২৯ আগস্ট চালানো ওই ড্রোন হামলায় আইম্যাল আমাদি তার তিন বছরের কন্যাকে হারান। শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরাকে তিনি বলেন, ‘এই হামলা কারা চালিয়েছে তা ওয়াশিংটনের তদন্ত করা উচিত এবং যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’

‘আমি পরিবরে ১০ সদস্যকে হারিয়েছি। যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য সংস্থার কাছে ন্যায় বিচার চাই। আমরা নিরীহ, আমাদের তো কোনও ভুল ছিল না’, বলেন আইম্যাল আমাদি।

আলজাজিরার ওসামা বিন জাভাইদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি খেলনাসহ শিশুদের স্মৃতিচিহ্ন ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখেছেন। তিনি বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা আমাদের জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ চান। তারা হতাহতদের জন্য ন্যায় বিচার চেয়েছেন এবং সম্ভব হলে তারা আফগানিস্তান ছাড়তে চান।’

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তদন্তে জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস-কের হামলাকারীর গাড়ি লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলায় এক ত্রাণ সহায়তা কর্মীসহ তার পরিবারের ৯ সদস্য প্রাণ হারান। এর মধ্যে ৭ শিশু ছিল।

এর আগে ২৬ আগস্ট কাবুল বিমানবন্দর দিয়ে যখন উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল তখন আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায় আফগান আইএস। এতে ১৭০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারান। এর মধ্যে ১৩ মার্কিন সেনা রয়েছে। এরপরই হামলাকারীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন অভিযান পরিচালনায় বেসামরিক মানুষ নিহত হন।

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৪৫

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ শনিবার থেকে তালেবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তানে স্কুল পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, আফগান মেয়েদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা উচিত না। এক বিবৃতিতে ইউনিসেফ প্রধান হেনরিয়েটা ফোর বলেন, আমরা গভীর উদ্বিগ্ন। এই সময়ে অনেক মেয়ে স্কুলে ফেরার অনুমতি পাবে না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক মানবিক সংকটের আগেও আফগানিস্তানের ৪২ লাখ শিশু স্কুলে ভর্তি হয়নি। এদের প্রায় ৬০ শতাংশ মেয়ে। শিক্ষা বঞ্চিত প্রতিটি দিন তাদের জন্য, তাদের পরিবার ও সমাজের জন্য একেকটি সুযোগের হাতছাড়া হওয়া।

ইউনিসেফ প্রধান বলেন, মেয়েদের অবশ্যই বাদ দেওয়া উচিত না। কোনও বিলম্ব ছাড়া বয়স্কসহ সব মেয়ের শিক্ষাগ্রহণ পুনরায় শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আফগানিস্তানে নারী শিক্ষকদের শিক্ষাদান আমাদের জারি রাখতে হবে।

আফগানিস্তানের সব শিশুর শিক্ষাকে সহযোগিতার জন্য ইউনিসেফ প্রধান উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।  তিনি বলেন, ইউনিসেফ সব ছেলে ও মেয়ে যাতে শিক্ষার সমান সুযোগ পায়, দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারে এবং শান্তিপূর্ণ ও উৎপাদনশীল আফগানিস্তান গড়ে তুলতে পারে সেজন্য কাজ করে যাবে।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তালেবান সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা জানিয়েছে, সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম চালু হচ্ছে। পুরুষ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। তবে নারী শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা ফিরতে পারবেন কিনা, এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। এতে আপাতত মেয়েদের জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা নিষিদ্ধ করা হলো। তালেবান সরকারের এই আদেশে বহু শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গত সপ্তাহে তালেবান ঘোষণা দেয়, নারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করতে পারবেন। কিন্তু পুরুষ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বসতে পারবে না এবং নতুন পোশাকবিধি মেনে চলতে হবে। অনেকেই মনে করছেন, এর মধ্য দিয়ে নারীদের শিক্ষা থেকে বাদ দেওয়া হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পৃথক ক্লাস নেওয়ার মতো সক্ষমতা ও সামর্থ্য নেই। মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের শিক্ষা নিষিদ্ধ করার অর্থ হলো তারা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে না।

তালেবানের অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকর্তারা বলেছেন, এবারের তালেবান শাসনামল ১৯৯৬-২০০১ সালের সময়ের মতো হবে না। ওই সময় নারী শিক্ষা নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু এবার তালেবান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, মেয়েদেরকে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হবে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ দিলেও ক্লাসে ছেলে-মেয়েদের আলাদা বসার আদেশ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আফগানিস্তান অ্যানালিটিস নেটওয়ার্কের সহ-পরিচালক কেট ক্লার্ক বলেন, তালেবান ক্ষমতা দখলের পর নারীদের শিক্ষা ও কাজের সুযোগ দেওয়ার কথা বললেও তা থেকে সরে আসছে। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে না গোষ্ঠীটি। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

/এএ/

সম্পর্কিত

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৪০

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান। এ মাসের শেষ দিকে রাশিয়ার সোচি শহরে দুই নেতার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তুর্কি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই নেতা মূলত সিরিয়ার বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন। বিশেষ করে দেশটির উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব এলাকা নিয়ে কথা বলবেন তারা। অঞ্চলটিতে পরস্পরবিরোধী পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে আঙ্কারা ও মস্কো।

পুরো সিরিয়ায় আসাদ বাহিনীর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় মরিয়া রাশিয়া। অন্যদিকে নিজ দেশের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় আসাদবিরোধী বিদ্রোহীদের সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক।

রাশিয়ার সামরিক সহায়তা নিয়ে এরইমধ্যে প্রায় পুরো দেশে নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সমর্থ হয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। দেশটিতে এখন একমাত্র ইদলিবই বিদ্রোহীদের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে অবশিষ্ট রয়েছে।

সিরিয়ার বাইরে লিবিয়া ইস্যুতেও তুরস্কের সঙ্গে জোরালো মতবিরোধ রয়েছে রাশিয়ার। তবে এসব মতবিরোধ সত্ত্বেও প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও পর্যটনের মতো খাতগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে।

/এমপি/

সম্পর্কিত

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০৩

আফগানিস্তানে মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে মেয়েদের অধ্যয়ন নিষিদ্ধ করেছে তালেবান। শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে শুধু ছেলে ও পুরুষদের শ্রেণিকক্ষে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কট্টরপন্থী তালেবানের এমন ঘোষণায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন দেশটির কিশোরিরা। স্কুলে ফিরতে না পারা এক কিশোরী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসকে জানায়, তার কাছে এখন সবকিছু অন্ধকার লাগছে।

অবশ্য এক তালেবান মুখপাত্র বলেছেন, শিগগিরই মেয়েদের স্কুল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আফগানরা তালেবানের ১৯৯০ দশকের কঠোর শাসন ফিরে আসার আশঙ্কা করছেন। ওই সময় মেয়েদের স্কুলে পড়া নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

কেবল ছেলেদের স্কুলে ফিরতে বলার নির্দেশের পরে তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদকে উদ্ধৃত স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বাখতার বার্তা সংস্থা জানায়, মেয়েদের স্কুল শিগগিরই চালু হবে। এজন্য শিক্ষকদের বিভক্ত করাসহ বিভিন্ন ‘প্রক্রিয়া’ নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তারা।

কিন্তু স্কুলগামী মেয়ে ও তাদের অভিভাবকরা বলছেন, এমনটি ঘটার সম্ভাবনা খুব কম।

আইনজীবী হতে চাওয়া এক আফগান মেয়ের কথায়, আমি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন। সবকিছুই মনে হচ্ছে অন্ধকার। প্রতিদিন ঘুম থেকে জেগে উঠি এবং নিজেকে প্রশ্ন করি আমি কেন বেঁচে আছি? আমার কী বাড়িতে বসে কারও অপেক্ষায় থাকা উচিত যে দরজার নক করে বলবে আমাকে বিয়ে করতে চায়? নারী হওয়ার এটাই কি উদ্দেশ্য?

এই কিশোরীরা বাবা বলেন, আমার মা ছিলেন অশিক্ষিত। আমার বাবা তাকে নিয়মিত নির্যাতন করতেন এবং গর্দভ বলতেন। আমি চাই না মায়ের মতো হোক আমার মেয়ে।

কাবুলের ১৬ বছর বয়সী আরেক স্কুলছাত্রী ভাষায়, এটি ছিল তার দুঃখজনক দিন। আমি চিকিৎসক হতে চাই! আমার স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে। আমার মনে হয় না আমি আর স্কুলে ফিরতে পারব। এমনকি যদি তারা আবার হাই স্কুল চালু করেও, তারা চায় না নারীরা শিক্ষিত হোক।

গত সপ্তাহে তালেবান ঘোষণা দেয়, নারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করতে পারবেন। কিন্তু পুরুষ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বসতে পারবে না এবং নতুন পোশাকবিধি মেনে চলতে হবে। অনেকেই মনে করছেন, এর মধ্য দিয়ে নারীদের শিক্ষা থেকে বাদ দেওয়া হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পৃথক ক্লাস নেওয়ার মতো সক্ষমতা ও সামর্থ্য নেই। মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের শিক্ষা নিষিদ্ধ করার অর্থ হলো তারা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে না।

২০০১ সালে তালেবান ক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়ার পর আফগানিস্তানের শিক্ষা ও সাক্ষরতা হারের প্রভূত উন্নতি হয়। বিশেষ করে মেয়ে ও নারীদের। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়েদের সংখ্যা শূন্য থেকে ২৫ লাখে পৌঁছায়। এক দশকে নারীদের সাক্ষরতার হার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়ায় ৩০ শতাংশে। যদিও এই অগ্রগতির বেশিরভাগ শহুরে অঞ্চলে হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক এক মুখপাত্র নোরোরিয়া নিজহাত বলেন, এটি আফগানিস্তানে নারী ও মেয়েদের শিক্ষার জন্য অবনতি। এটি তালেবানের ৯০ দশকের কথা সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। যার ফলে তখন আমরা নিরক্ষর ও অশিক্ষিত নারীদের একটি প্রজন্ম পেয়েছিলাম।

 

/এএ/

সম্পর্কিত

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

তালেবানের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ ইমরান খানের

তালেবানের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ ইমরান খানের

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা সম্প্রসারণ করছে উত্তর কোরিয়া

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা সম্প্রসারণ করছে উত্তর কোরিয়া

সর্বশেষ

ক্যাপিটলে ট্রাম সমর্থকদের মিছিল

ক্যাপিটলে ট্রাম সমর্থকদের মিছিল

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

আগারগাঁওয়ে ছয়তলা ভবন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

আগারগাঁওয়ে ছয়তলা ভবন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

© 2021 Bangla Tribune