X
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

১০ ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৪৩

১০টি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এই চিঠি দিয়ে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে (নিরীক্ষক নিয়োগ দিয়ে) নিরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠান ১০টি হচ্ছে ইভ্যালি, ধামাকা, ই–অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, কিউকুম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, নিড ডটকম ডটবিডি ও আলেশা মার্ট।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইভ্যালি ছাড়া অন্য ৯ প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক লেনদেন ও আর্থিক তথ্য জানতে চেয়ে গত ২৪ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি পাঠিয়েছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বশেষ আর্থিক অবস্থা, ক্রেতা ও মার্চেন্টদের কাছে মোট দায়ের পরিমাণ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর চলতি ও স্থায়ী মূলধনের পরিমাণ জানা দরকার বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক দিক পরিদর্শন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েরই এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুন মাসে ইভ্যালির ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। তাতে উঠে আসে যে গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দেনা ৪০৩ কোটি টাকা আর কোম্পানিটির চলতি সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা।

জানা গেছে, ইভ্যালি সম্প্রতি তিন দফায় সম্পত্তি, দায়, দেনা ইত্যাদির বিবরণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। এগুলোর সত্যতা যাচাই ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে একটি বৈঠক ডেকেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এদিকে অগ্রিম টাকা নিয়েও পণ্য সরবরাহ বা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় গত মাসে ই–অরেঞ্জের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে মামলা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ই–অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমান এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আমানউল্লাহ চৌধুরী গ্রেফতার হয়েছেন।

এ ছাড়া ইনভ্যারিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের নামে নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ধামাকা নামে লোভনীয় অফার ও ভার্চুয়াল সিগনেচার কার্ড বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসা করে আসছিল একটি চক্র। মানুষের কাছ থেকে তারা ৮০৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়, যার একটি অংশ মানি লন্ডারিং; মানে পাচার করা হয়। এজন্য গত ৯ সেপ্টেম্বর ৫ জনের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

/জিএম/এমআর/

সম্পর্কিত

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইভ্যালি থেকে সরে আসার ঘোষণা যমুনা গ্রুপের

জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইভ্যালি থেকে সরে আসার ঘোষণা যমুনা গ্রুপের

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৩০

ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাসেলের মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে তাদের দুজনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় প্রতারণার মামলা দায়ের করেন ইভ্যালির এক গ্রাহক।

জানা গেছে, ইভ্যালির বিরুদ্ধে পাঁচ হাজারেরও বেশি অভিযোগ জমা হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে। এর মধ্যে বেশিরভাগই হলো ‘টাকা পরিশোধ করে দীর্ঘদিন পণ্য না পাওয়া’র অভিযোগ।

প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহকদের কাছ থেকে ইভ্যালির নেওয়া প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকার খোঁজ পাওয়া যায়নি দুদকের অনুসন্ধানে। এই অর্থ অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা আছে বলে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত ইভ্যালির নেওয়া অগ্রিম ৩৩৯ কোটি টাকারও হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এ টাকা আত্মসাৎ বা অবৈধভাবে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে।

জানা গেছে, গত বুধবার মধ্যরাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মো. আরিফ বাকের ইভ্যালি এমডি মোহাম্মদ রাসেলকে এক নম্বর আসামি ও চেয়ারম্যান শামীমাকে দুই নম্বর আসামি করে একটি প্রতারণার মামলা করেন। মামলায় ইভ্যালির আরও কয়েকজন কর্মকর্তাকে ‘অজ্ঞাতনামা’ দেখিয়ে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে আরিফ বাকের উল্লেখ করেছেন, ইভ্যালির অনলাইন প্লাটফর্মে ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকার পণ্য অর্ডার করেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাননি তিনি।

জানা গেছে, ইভ্যালির নিবন্ধিত গ্রাহক ৩৭ লাখের বেশি। এরা নানাভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিলেন ইভ্যালির দেনা আছে দুই লাখ ৮ হাজার গ্রাহকের কাছে। যার পরিমাণ ৩১১ কোটি টাকা।

এ ছাড়া ১৫ জুলাই পর্যন্ত মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দেনার পরিমাণ ছিল প্রায় ২০৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। দেশের প্রায় ২৫ হাজার বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল।

পণ্য কিনলেই অর্থ ফেরতের অস্বাভাবিক অফার দিয়ে ব্যবসা করছিল ইভ্যালি। ১০০ থেকে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক অফার দেওয়া প্রতিষ্ঠানটি থেকে বলা হতো ১০০ টাকার পণ্য কিনলে সমপরিমাণ বা তার চেয়েও বেশি অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ‘সাইক্লোন’, ‘থান্ডারস্টর্ম’, ‘আর্থকোয়াক’সহ নানা ধরনের লোভনীয় অফার দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করা হতো। দেওয়া হতো অস্বাভাবিক মূল্যছাড়। কিছু গ্রাহক লাভ পেলেও বেশিরভাগই আছেন টাকা ফেরতের অনিশ্চয়তায়।

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আট ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে প্রচলিত বিভিন্ন আইনভঙ্গের প্রমাণ পেয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পুলিশ সদর দফতরের একটি তদন্ত টিম অনুসন্ধান করে নানা অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে অর্ডার করা পণ্য নির্ধারিত সময়ে ডেলিভারি না দেওয়া, গ্রাহকদের সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ না রাখা, পণ্য ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হলেও টাকা ফেরত না দেওয়া- ইত্যাদি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া ক্যাশব্যাক অফারের মাধ্যমে পাওনা টাকা নগদ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত না দিয়ে ই-ওয়ালেটে যোগ করা এবং ই-ব্যালেন্স থেকে পণ্য কেনার সময় ১০০ শতাংশ ব্যবহার করতে না দেওয়ার অভিযোগেরও প্রমাণ পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ইভ্যালি থেকে অনেক সময় কমমূল্যের ও মানহীন পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে ইভ্যালি। লোভনীয় ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাকের অফার দিয়ে দ্রুত গ্রাহকদের কাছে পরিচিতি পায় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু সময়মতো পণ্য না দেওয়াসহ নানা অভিযোগে সমালোচনার শীর্ষে চলে আসে।

মাঝে ইভ্যালিতে হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ কর‌বে ব‌লে ঘোষণা দি‌য়ে‌ছিল দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ যমুনা। কিন্তু সম্প্রতি এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে গ্রুপটি।

জানা গেছে, ই-ভ্যালির কার্যক্রম শুরুর দুই বছর পার না হতেই নানা কৌশলের আশ্রয়ে প্রতিষ্ঠানটি দেড় হাজার কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করেছে। অথচ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন মাত্র এক কোটি টাকা।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ইভ্যালির বিরুদ্ধে শুধু প্রতারণা নয়, মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে হবে এবং দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ইভ্যালি যা করেছে তা হলো মাছের তেলে মাছ ভাজা। আবার কিছু তেল সেখান থেকে সরিয়েও ফেলেছে। এই ধরনের ব্যবসা শেষপর্যন্ত টেকে না। ইভ্যালি যেভাবে ব্যবসা করেছে তাতে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের মূলধন ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘ইভ্যালি দুটি ক্ষতি করেছে- প্রথমত, গ্রাহকের ক্ষতি। দ্বিতীয়ত, ইকমার্সের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট। এরপর থেকে দেশি কোনও প্রতিষ্ঠানকে জনগণ বিশ্বাস করবে না। এই সুযোগে বিদেশি কোম্পানি এসে নিয়ম মেনে ব্যবসা করবে। পরে তাদের দাপটে দেশে নতুন কোনও প্রতিষ্ঠান দাঁড়াতেই পারবে না।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

১০ ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি

১০ ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি

জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইভ্যালি থেকে সরে আসার ঘোষণা যমুনা গ্রুপের

জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইভ্যালি থেকে সরে আসার ঘোষণা যমুনা গ্রুপের

পুঁজিবাজার থেকে ওটিসি মার্কেট বাদ

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:২৫

দেশের দুই পুঁজিবাজার থেকে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) প্ল্যাটফর্মকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ওটিসিতে থাকা ৭০টি কোম্পানির মধ্যে ২৯টিকে পুঁজিবাজার থেকে তালিকাচ্যুত করা হবে। বাকি কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৩টি কোম্পানিকে এসএমই বোর্ডে এবং ১৮টিকে অলটারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে পাঠানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিএসইসি’র কমিশনার অধ্যাপক শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের রক্ষার্থে পুঁজিবাজার থেকে ওটিসি মার্কেট আউট করে দিচ্ছি। এ মার্কেটটিতে খারাপ কোম্পানিগুলো অবস্থান করছে। যেসব কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দেবে না, উৎপাদনে যাবে না—এগুলোকে একেবারে মার্কেট থেকে আউট করে দেবো। বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্য মিটিয়ে দিয়ে কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করে দেবো।’

যেসব কোম্পানি উৎপাদনে যাবে, তাদের আগামী এক মাসের মধ্যে এটিবি ও এসএমই বোর্ডে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

 

/জিএম/আইএ/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশে পঞ্চম বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দক্ষিণ কোরিয়া

বাংলাদেশে পঞ্চম বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দক্ষিণ কোরিয়া

পাটজাত পণ্য রফতানির বিপরীতে ভর্তুকি পেতে সমিতির সনদ বাধ্যতামূলক

পাটজাত পণ্য রফতানির বিপরীতে ভর্তুকি পেতে সমিতির সনদ বাধ্যতামূলক

৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন সংগ্রহ করতে পারবেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা

৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন সংগ্রহ করতে পারবেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা

আগস্টে পণ্য রফতানি বেড়েছে ১৪ শতাংশ

আগস্টে পণ্য রফতানি বেড়েছে ১৪ শতাংশ

পদত্যাগে বাধ্য ব্যাংককর্মীদের চাকরি ফেরত দিতে নির্দেশ

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০৩

যেসব ব্যাংককর্মী গত দেড় বছরে (২০২০ সালের ১ এপ্রিল-১৫ সেপ্টেম্বর  পর্যন্ত) চাকরিচ্যুত হয়েছেন বা পদত্যাগ করেছেন তাদের  পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে ব্যাংকগুলোর কাছে এইসব কর্মীদের তথ্য জানতে চেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবৃদ্ধি ও নীতি বিভাগে পাঠানোর জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণিত কোনওঅভিযোগ না থাকলে কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে না। শুধু তাই নয়, কোভিডকালীন শুধুমাত্র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা বা অদক্ষতার কারণ প্রদর্শন করে কর্মীদের বরখাস্ত বা পদত্যাগ করতে বাধ্য করা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও বলেছে,  গত ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে ব্যাংকের যেসব কর্মী সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণিত কোনও অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও চাকরিচ্যুত হয়েছে বা পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে তাদেরকে (আবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে) বিধি মোতাবেক চাকরিতে বহাল করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণিত কোনও অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও কোভিডকালীন শুধুমাত্র লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না করা বা অদক্ষতার অজুহাতে কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে ও চাকরি হতে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে পদত্যাগ করার পর কর্মীদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধাও প্রদান করা হচ্ছে না।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, দেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিতকরণে সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে বিপুল অংকের আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে যা তফসিলি ব্যাংকসমূহের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ সব প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নসহ দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ফ্রন্টলাইনার হিসেবে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ নিরবচ্ছিন্নভাবে সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন। ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে গিয়ে অনেকে মৃত্যুবরণ করেছেন। কোভিড-১৯ এর কারণে সৃষ্ট সংকটময় পরিস্থিতিতে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে চাকুরীচ্যূত করা হলে ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে আতংকের সৃষ্টি হবে এবং তাদের মনোবল ও কর্মস্পৃহা হ্রাস পাবে। ফলে, ভবিষ্যতে মেধাবী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা ব্যাংকে যোগদানে অনীহা প্রকাশ করবে যা দীর্ঘ মেয়াদে ব্যাংকিং খাতের জন্য ক্ষতিকর হবে মর্মে আশংকা করা হচ্ছে।

 

/জিএম/এফএএন/

সম্পর্কিত

কৃষকের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা

কৃষকের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা

ব্যাংকের কর্মী ছাঁটাই না করার নির্দেশ

ব্যাংকের কর্মী ছাঁটাই না করার নির্দেশ

সহজে ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

সহজে ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

ঋণ পুনঃতফসিলে আরও ২ মাস ছাড় পাচ্ছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা

ঋণ পুনঃতফসিলে আরও ২ মাস ছাড় পাচ্ছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা

জাহাজ নির্মাণখাতে আর্থিক সহায়তা দিতে আগ্রহী স্পেন

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৫৫

বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণখাতে আর্থিক সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে স্পেন। নদীর দূষণরোধ ও আবর্জনা পরিষ্কার করতে ‘রিভার ক্লিন ভেসেল’ সংগ্রহেও বিনিয়োগ করতে চায় দেশটি।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিসকো দ্যা আসিস বেনিতেজ সালাস দেখা করতে এসে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সাক্ষাতে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশ ও স্পেন আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অরগানাইজেশনে (আইএমও) যথাক্রমে ‘সি’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরিতে নির্বাচন করবে। নির্বাচনে প্রতিমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রদূত নিজ নিজ দেশের পক্ষে সমর্থন দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাহাজ নির্মাণ এবং মেরিটাইম খাতে স্পেনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সরকার ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের লক্ষ্যে ড্রেজার সংগ্রহ করেছে এবং আরও করবে। অত্যাধুনিক কোপার ও হোপার ড্রেজার সংগ্রহে স্পেনের সহায়তা পাওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।

 

/এসএস/এফএ/

সম্পর্কিত

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

পুঁজিবাজার থেকে ওটিসি মার্কেট বাদ

পুঁজিবাজার থেকে ওটিসি মার্কেট বাদ

পদত্যাগে বাধ্য ব্যাংককর্মীদের চাকরি ফেরত দিতে নির্দেশ

পদত্যাগে বাধ্য ব্যাংককর্মীদের চাকরি ফেরত দিতে নির্দেশ

আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বাড়ায় বিপাকে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বাড়ায় বিপাকে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বাড়ায় বিপাকে বাংলাদেশ

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪৫

আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। দেশের অব্যাহত এলএনজি সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পেট্রোবাংলা। এরমধ্যে দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সিএনজি স্টেশনে রেশনিংয়ের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

পেট্রোবাংলা বলছে, এলএনজির দাম বৃদ্ধির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের স্পট মার্কেট থেকে আপাতত এলএনজি কিনবে না সরকার। এরপর দাম কমে এলে আবারও এলএনজি কেনা হবে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এখন প্রতি এমএমবিটিউ (প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট) এলএনজি বিক্রি হচ্ছে ২০ ডলারে। গত কয়েক বছরের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ দাম। এখন এই দামে এলএনজি আমদানি করা হলে বিরাট অঙ্কের টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। তবে দামের এই ঊর্ধ্বমুখী অবস্থা বেশি দিন থাকবে না। এটি কমে যাবে বলে তিনি আশা করেন। ফলে তখন আবার এলএনজি আমদানি করা হবে।

দেশে দৈনিক উৎপাদিত গ্যাসের সঙ্গে এলএনজি আমদানি করে চাহিদা সামাল দেয়া হয়। মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে প্রতিদিন এলএনজি রূপান্তর করে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব। চাহিদা বাড়লে ৮৫০ থেকে ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট আমদানি করা এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু আজ ১৫ সেপ্টেম্বর ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

প্রতিবার গ্রীষ্মেই দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে সর্বোচ্চ গ্যাস সরবরাহ করে সরকার। কিন্তু এবার গ্রীষ্মে সেটি উল্টো কমাতে হচ্ছে। এখন দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ২ হাজার ২৫২ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে পেট্রোবাংলা ১৩০০ মিলিয়ন থেকে ১৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করে। কিন্তু আজ এই সরবরাহের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৮৭ মিলিয়ন ঘনফুট।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার এখন চিন্তা করছে পিক আওয়ারে সিএনজি স্টেশন বন্ধ করে বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করবে। দেশে এলএনজি আসার পর থেকে সিএনজি স্টেশনের গ্যাস রেশনিং তুলে দেওয়া হয়েছিল। বিপরীতে দেশের শিল্প কারখানাতে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন আবার এসে রেশনিং করতে হচ্ছে সরকারকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জ্বালানি সচিব আনিছুর রহমান বলেন, একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বেড়েছে, অন্যদিকে বিদ্যুতের চাহিদাও অনেক বেড়ে গেছে। তাই দেশীয় গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে চাই। এজন্য গ্যাস রেশনিং করার চিন্তা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এ সমস্যা সাময়িক। স্থলভাগে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ শুরু হবে। ফলে আগামী বছর এ সংকট কেটে যাবে।

/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

জ্বালানি সংকটে পড়বে এলএনজিচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র!

জ্বালানি সংকটে পড়বে এলএনজিচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র!

প্রায় দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনছে সরকার

প্রায় দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনছে সরকার

এলএনজি আমদানিতে তিন বছরে সর্বোচ্চ ভর্তুকি

এলএনজি আমদানিতে তিন বছরে সর্বোচ্চ ভর্তুকি

সাগর উত্তাল: এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় গ্যাসের সংকট

সাগর উত্তাল: এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় গ্যাসের সংকট

সম্পর্কিত

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

ইভ্যালির গ্রাহকরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে: টিক্যাব

ইভ্যালির গ্রাহকরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে: টিক্যাব

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ই-কমার্সে প্রতারিতদের পাওনা বুঝিয়ে দিক সরকার, দাবি সংসদে

ই-কমার্সে প্রতারিতদের পাওনা বুঝিয়ে দিক সরকার, দাবি সংসদে

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

সোহেল রানাকে ফেরতের বিষয়ে এখনও সাড়া দেয়নি ভারত

সোহেল রানাকে ফেরতের বিষয়ে এখনও সাড়া দেয়নি ভারত

জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইভ্যালি থেকে সরে আসার ঘোষণা যমুনা গ্রুপের

জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইভ্যালি থেকে সরে আসার ঘোষণা যমুনা গ্রুপের

সর্বশেষ

তিন মাস পর ফের মৃত্যুহীন চট্টগ্রাম 

তিন মাস পর ফের মৃত্যুহীন চট্টগ্রাম 

১৩০ কোটি ডলারের সফটওয়্যার রফতানি করেছে বাংলাদেশ

১৩০ কোটি ডলারের সফটওয়্যার রফতানি করেছে বাংলাদেশ

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

জ্বরে কোনও শিশুর মৃত্যু হয়নি: মমতা

জ্বরে কোনও শিশুর মৃত্যু হয়নি: মমতা

লেবাননে ইরানি তেল ট্যাংকারের বহর

লেবাননে ইরানি তেল ট্যাংকারের বহর

মোদির ঘুম কেড়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি এসএফজে-র

মোদির ঘুম কেড়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি এসএফজে-র

তালেবানকে হটাতে মার্কিন অস্ত্র চান মাসুদ

তালেবানকে হটাতে মার্কিন অস্ত্র চান মাসুদ

কাবুলে রকেট হামলা

কাবুলে রকেট হামলা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইভ্যালি থেকে সরে আসার ঘোষণা যমুনা গ্রুপের

জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইভ্যালি থেকে সরে আসার ঘোষণা যমুনা গ্রুপের

ইভ্যালির বিষয়ে তথ্য চেয়ে বিভিন্ন সংস্থাকে দুদকের চিঠি

ইভ্যালির বিষয়ে তথ্য চেয়ে বিভিন্ন সংস্থাকে দুদকের চিঠি

© 2021 Bangla Tribune