X
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ আইনের মেয়াদ বাড়লো 

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:১৪

আগামী পাঁচ বছরের জন্য জাতীয় সংসদে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) বিল-২০২১’ কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সংসদে বিলটি পাস হয়েছে। এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনীর প্রস্তাবগুলো করা নিষ্পত্তি হয়। গতকাল (বুধবার) বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।

এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই আইনের খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

২০০৯ সালের আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পর বিদ্যুৎ সঙ্কট দ্রুত সমাধানের লক্ষে বেশ কয়েকটি ভাড়া ও দ্রুত ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া হয়। আর এটা করার জন্য ২০১০ সালে প্রণয়ন করা হয় ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন’। শুরুতে দুই বছরের জন্য এই আইন করা হলেও পরে কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়। এবার পাঁচ বছর মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন মিললো সংসদে। ২০১০ সালে প্রণীত আইনটির মেয়াদ সর্বশেষ তিন বছর বাড়িয়ে মেয়াদ ২০২১ সাল পর্যন্ত করা হয়।

প্রাথমিকভাবে এসব ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে বৈধতা দিতে ২০১০ সালে প্রণয়ন করা হয় ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন’। শুরুতে দুই বছরের জন্য এ আইন করা হলেও পরে কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়। তবে পরে এই আইনের আওতায় শুধু কুইক রেন্টাল নয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের আরও অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বিলটি সংশোধনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা-২০০৮ অনুযায়ী নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস হতে দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার লক্ষে এখাতে দ্রুত অধিক সংখ্যক প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন।

মন্ত্রী আরও বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন; ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখা অপরিহার্য।

বিলটি পাসের জন্য তোলার পর এর বিরোধিতা করেন জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সংসদ সদস্যরা। তবে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জবাব দিতে গিয়ে বলেছেন, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করতেই এই বিলটি আনা হয়েছে।

তারা বলেন, জনগণের করের টাকা অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য এই আইন করা হচ্ছে। অসৎ উদ্দেশ্যে বিলটি তড়িঘড়ি করে পাস করা হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন আইনটি ‘জঘন্য কালো আইন’।

বিএনপির হারুনুর রশীদ বলেন, আরও পাঁচ বছর কেন বাড়ানো হচ্ছে। আমরা শতভাগ বিদ্যুতের কথা বলছি। রূপপুর, মাতারবাড়িতে বড় প্রকল্প করছি। ঋণের বোঝা বাড়ছে। এভাবে চললে দেশ দেউলিয়া হয়ে যাবে। এই আইন করে আমরা অনিয়ম-দুর্নীতির বৈধতা দিচ্ছি। বিশেষ বিধান রাষ্ট্রের প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে করা হয়েছে। সন্ত্রাস দমনসহ বিভিন্ন সময় করা হয়েছে। কিন্তু বিশেষ বিধান কেন ১৬ বছর ধরে চলবে। বিশেষ বিধান সাময়িক সময়ের জন্য করলেন। আজকে কেন আবার পাঁচ বছর? সর্বোচ্চ এই বছরের মধ্যে কাজ শেষ করেন। এ ছাড়া ঘোর আপত্তি থাকবে। বিশেষ বিধান এভাবে বছরের পর বছর চলতে পারে না।

গণফোরামের মোকাব্বির খান বলেন, এই আইন একটি জঘন্য কালো আইন। এখানে ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে। তড়িঘড়ি করে করা হচ্ছে। জনগণের টাকা অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য এই আইন করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু নিজের এলাকায় বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এলাকায় বিদ্যুৎ পাই না। চৈত্র, বৈশাখ, ভাদ্র মাসে মানুষ ঘুমাতে পারে না। এলাকায় ৪-৫ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকে না। জোরে বৃষ্টি হলে বিদ্যুৎ যায়। বাতাস হলে বিদ্যুৎ যায়। আমাদের বাঁচান। আইনের এক্সটেনশন দরকার নেই। বিদ্যুৎ দেন।

‌‘আপনারা বলছেন ২৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। অর্ধেক ব্যবহার হয়। সঞ্চালন লাইন নেই। পায়রার কয়লাভিত্তিক কিনতে পারছেন না। সঞ্চালন লাইন নেই বলে। ওইগুলো কেনেন। প্রকল্প বসে আছে। ক্যাপাসিটি চার্জ কত দিয়েছেন? করতেছেন, করেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। আরও কিছু লোকের জন্য এই আইনের দরকার নেই। সঞ্চালন লাইন করেন।’

জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, এলাকায় বিদ্যুৎ আসে না যায় বোঝা যায় না। আমাদের জবাবদিহি করতে হচ্ছে। আপনি অল্প জনবল দিয়ে সেবা দিচ্ছেন। একটা লাইন দিয়ে ৬০-৭০ কিলোমিটার লাইন চালাচ্ছেন। আমরা শতভাগ বিদ্যুৎ চাই না। আগের অবস্থায় ফিরতে চাই।

বিএনপির রুমিন ফারহানা বলেন, মন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। এই আইনে কিছু মানুষের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। জনগণের টাকা কিছু মানুষের হাতে টাকা তুলে দেওয়া হবে কিন্তু তা নিয়ে কথা বলা যাবে না। বড় বড় কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পরিকল্পিতভাবে অচল করা করে রাখা হচ্ছে।

জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিলটি নতুন করে আনা হয়নি। সময় বাড়ানো হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ যাতে দিতে পারি সেজন্য এই আইন। ছয় মাসের মধ্যে যাতে কাজ করতে করতে পারি সেজন্য এই আইন। শতভাগ বিদ্যুতায়ন করেছি। এখন নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে চাই। সঞ্চালন লাইন করতে গেলে সময় লাগবে। এটা কুইক রেন্টালের জন্য না। দ্রুত সরবরাহের জন্য এই আইন। আমাদের দ্রুত সঞ্চালন করতে হবে। মাটির নিচে যেতে হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে ঢাকা আন্ডারগ্রাউন্ডে যাবে। সিলেট যাবে, খুলনা যাবে।

আরও পড়ুন: সংকট নেই, বিদ্যুৎ-জ্বালানির বিশেষ আইন লাগবে কেন?

/ইএইচএস/এনএইচ/

সম্পর্কিত

করোনা টিকা দিতে ৯ কোটি সিরিঞ্জ কিনছে সরকার

করোনা টিকা দিতে ৯ কোটি সিরিঞ্জ কিনছে সরকার

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ২০ অক্টোবর

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ২০ অক্টোবর

করোনা টিকা দিতে ৯ কোটি সিরিঞ্জ কিনছে সরকার

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:২৪

জরুরি ভিত্তিতে ৯ কোটি ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ কিনছে সরকার। করোনাভাইরাসের (কোভিড-৯) টিকা দিতে চীন থেকে এসব সিরিঞ্জ আনা হবে। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ক্রয়ের নীতি অনুসরণ করে এসব সিরিঞ্জ সরবরাহ করবে ‘চায়না ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালস ফরেন ট্রেড করপোরেশন’।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে অনলাইনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আরেফিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বৈঠকে করোনার টিকা দিতে জরুরি ভিত্তিতে চীন থেকে ৯ কোটি ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) কেনার সিদ্ধান্ত হয়। চীন ছাড়া এই মুহূর্তে এই বিপুল সংখ্যক সিরিঞ্জ সরবরাহের ক্যাপাসিটি কারও নেই।’

তিনি বলেন, ‘সময় যত সংক্ষিপ্ত করা যায়। করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। টিকা চলে এলে সিরিঞ্জ না থাকলে টিকা দেওয়া যাবে না। এ জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে নিয়ে আসা হচ্ছে।’

ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ক্রয় সংক্রান্ত প্রস্তাবনায় বলা হয়, কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ১৩ কোটি ৮২ লাখ মানুষকে ২৭ কোটি ৬৪ লাখ ডোজ টিকা দিতে সমপরিমাণ সিরিঞ্জ প্রয়োজন। প্রতি মাসে দুই কোটি মানুষকে টিকা দিতে ৯ কোটি ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ জরুরি ভিত্তিতে ক্রয় করতে হবে। এমতাবস্থায় রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে পিপিএ ২০০৬-এর ধারা ৬৮ (১) ও পিপিআর, ২০০৮-এর বিধি ৭৬ (২) অনুযায়ী, সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) প্রস্তাবিত ৯ কোটি ও ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ক্রয়ের নীতিগত অনুমোদনে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলো।

 

/এসআই/আইএ/

সম্পর্কিত

পিছিয়ে যাচ্ছে সরকারিভাবে করোনা টিকা উৎপাদন

পিছিয়ে যাচ্ছে সরকারিভাবে করোনা টিকা উৎপাদন

৬ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

৬ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশকে ২ লাখ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উপহার দেবে রোমানিয়া

বাংলাদেশকে ২ লাখ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উপহার দেবে রোমানিয়া

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৫০

দেশে চলতি বছরের জুলাই মাসে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। পরের আগস্ট মাসে রোগী কমেছিল, সেপ্টেম্বরে সেটা আরও কমেছে। চলতি মাসেও কমতির দিকে। সর্বোপরি গত একমাস ধরেই করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম। রবিবার (১৭ অক্টোবর) ভার্চুয়াল বুলেটিনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিবেশী ভারতে গত সপ্তাহে এক হাজার ৬৮৭ জন করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। প্রতি এক লাখে মৃত্যুহার ৩২ দশমিক ৭৪ শতাংশ। ইন্দোনেশিয়ায় এ সময় মারা গেছেন ২৮৮ জন, প্রতি লাখে মৃত্যুহার ৫২ শতাংশের কিছুটা বেশি। সেখানে বাংলাদেশে গত সাত দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮৩ জন, প্রতি লাখে মৃত্যুহার ১৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ।’

গত সাত দিনে মৃতের সংখ্যা এর আগের সাত দিনের তুলনায় ৩৪ শতাংশের বেশি কমে এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গত সাত দিনে সংক্রমণ পাঁচ শতাংশের নিচে, গত তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সংক্রমণের হার কমা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল (১৬ অক্টোবর) শনাক্তের হার নেমে আসে এক দশমিক ৮৮ শতাংশে।’

নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে গত ৩০ দিনের করোনা পরিস্থিতি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক। জুলাই মাসে সবচেয়ে বেশি রোগী- তিন লাখ ৩৬ হাজার ২২৬ জন, আগস্টে এসে সেটি কমেছিল, সেপ্টেম্বরে আরও কমেছে। আজ পর্যন্ত (১৭ অক্টোবর) ৯ হাজার ২৬৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।’

জেলাভিত্তিক শীর্ষ ১০ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকায়, পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ১৪৩ জন এবং পর পরই চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৩৮০ জন। প্রথম ১০ জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম রোগী শনাক্ত হয়েছেন কক্সবাজারে।

 

 

/জেএ/আইএ/

সম্পর্কিত

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার চালুর আশা

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার চালুর আশা

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৩০

দেশে করোনা সংক্রমণের নিম্নগতি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল (১৬ অক্টোবর) চলতি বছরে প্রথম দিনের মতো দৈনিক শনাক্তের হার নেমে আসে দুইয়ের নিচে। সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে আজও; গতকালের চেয়েও কমে এসেছে শনাক্তের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় (১৬ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ১৭ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনায় দৈনিক শনাক্তের হার এক দশমিক ৭৪ শতাংশ, গতকাল যা ছিল এক দশমিক ৮৮ শতাংশ।

তবে গতকালের তুলনার আজ শনাক্ত এবং মৃত্যু বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩১৪ জন এবং মারা গেছেন ১৬ জন। যেখানে গতকাল শনাক্ত ২৯৩ এবং মৃত্যু ছিল ছয় জন।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হওয়া ৩১৪ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৪৮৮ জন এবং ১৬ জনকে নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেলেন ২৭ হাজার ৭৬৮ জন।

করোনা থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫২৯ জন। এদের নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হয়ে উঠলেন ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন।

দেশে এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫১ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ১৮ হাজার ৩০০টি, আর পরীক্ষা করা হয়েছে ১৮ হাজার ৯৭টি। দেশে এখন পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক লাখ ৯৪ হাজার ৯২২টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৩১টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৭ লাখ পাঁচ হাজার ৪৯১টি। 

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৬ জনের মধ্যে পুরুষ ১০ জন এবং নারী ছয় জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৭৮৯ জন এবং নারী ৯ হাজার ৯৭৯ জন।

১৬ জনের মধ্যে বয়স বিবেচনায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, পাঁচ জন। এরপর ৪১ থেকে ৫০ এবং ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন চার জন করে, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে আছেন দুই জন এবং ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে রয়েছেন একজন।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন সর্বোচ্চ সাত জন, চট্টগ্রাম বিভাগের তিন জন এবং রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন দুই জন করে।

১৬ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১২ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে চার জন।

 

 

 

/জেএ/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার চালুর আশা

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার চালুর আশা

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ২০ অক্টোবর

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩০

সরকার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) ছুটি ১৯ অক্টোবরের পরিবর্তে আগামী ২০ অক্টোবর (বুধবার) পুনর্নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। রবিবার (১৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামং দ্য ডিফারেন্স মিনিস্ট্রিস অ্যান্ড ডিভিশন্স-এর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অংশে ৩৭ নম্বর ক্রমিকের বিধানে দেওয়া ক্ষমতাবলে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সরকারি ছুটি আগামী ১৯ অক্টোবরের পরিবর্তে ২০ অক্টোবর পুনর্নির্ধারণ করা হলো।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও সফর মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সেই হিসাবে ২০ অক্টোবর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব অফিসের সময়সূচি ও ছুটি তাদের নিজস্ব আইন-কানুন দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয় বা যেসব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের চাকরি সরকারের অত্যাবশ্যক চাকরি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইন-কানুন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে এই ছুটি পুনর্নির্ধারণ করবে।

মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা ১২ রবিউল আউয়াল মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও মৃত্যু (ওফাত) দিবস হিসেবে পালন করেন। কারণ, এই দিনে রাসুল (সা.) ইন্তেকালও করেন। সেই হিসাবে আগামী ২০ অক্টোবর হবে ১২ রবিউল আউয়াল।

২০২১ সালের ছুটির বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর রবিউল আউয়াল মাস শুরু ধরে ১৯ অক্টোবর (মঙ্গলবার) ঈদে মিলাদুন্নবীর সরকারি ছুটি নির্ধারিত ছিল। কিন্তু এবার আরবি সফর মাস ৩০ দিনে শেষ হয় এবং রবিউল আউয়াল মাস শুরু হয় গত ৯ অক্টোবর। সেই হিসাবে এবার ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২০ অক্টোবর।

/এসআই/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

করোনা টিকা দিতে ৯ কোটি সিরিঞ্জ কিনছে সরকার

করোনা টিকা দিতে ৯ কোটি সিরিঞ্জ কিনছে সরকার

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার চালুর আশা

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার চালুর আশা

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার চালুর আশা

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৩৭

চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে রাজধানীর হযরত শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দরের পাশে প্রবাসী কর্মীদের জন্য একটি সাপোর্ট সেন্টার চালু করতে চায় সরকার। একইসঙ্গে প্রবাসীদের জন্য কম খরচে চিকিৎসা প্রদানের জন্য ভাটারায় একটি মেডিক্যাল সেন্টার করার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে প্রবাসী কর্মীদের জন্য ওয়েজ কল্যাণ বোর্ড কর্তৃক ‘প্রতিবন্ধী ভাতা’ প্রদান অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ।

প্রবাসী কর্মীদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার করা প্রসঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী জানান, যারা বিদেশে যেতে ইচ্ছুক এবং যারা বিদেশে যাবেন তাদের সহায়তা দেওয়ার জন্য এই সাপোর্ট সেন্টারটি করা হবে। আশা করি এটা ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করতে পারবো।

প্রবাসীদের জন্য যা কিছু করা দরকার এক এক করে সরকার সব করবে আশ্বাস দিয়ে ইমরান আহমদ বলেন, ‘আমরা প্রবাসীদের কল্যাণে একটা মেডিক্যাল সেন্টারও করবো। যেখানে প্রবাসীরা কম খরচে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন। এটার কাজ এখনও শুরু হয়নি।’

প্রবাসীদের সেবা দেওয়ার জন্য সরকার নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মন্ত্রণালয় থেকে ওয়েজ কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য ৩৩২ কোটি টাকা প্রবাসীদের সহায়তায় খরচ করেছি। সৌদিগামীদের কোয়ারেন্টাইনে ২৫ হাজার টাকা করে দিয়েছি। আমিরাত প্রবাসীদের জন্য পিসিআর টেস্টের জন্য ১ হাজার ৬০০ টাকা করে দিচ্ছি। বিদেশ ফেরত ৯২০ জন নারী কর্মীকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।’

এ সময় মন্ত্রী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালককে উদ্দেশ করে বলেন, ‘প্রবাসীদের যেসব সন্তাদের ভাতা প্রদান করা হচ্ছে, তাদের মধ্যে যেসব প্রতিবন্ধী চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরতে আসতে পারবে তাদের স্থায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।’ প্রবাসীদের কল্যাণে সব সেবা অনলাইনভিত্তিক করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী ইমরান।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, ‘যারা বৈধভাবে বিদেশ যায়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় তাদের জন্য কাজ করছে। আজ যাদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে, তারা পাঁচ বছরে মোট ৬০ হাজার টাকা পাবেন। সবার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা চলে যাবে। বর্তমানে আগের বাংলাদেশ নেই। উন্নয়নের ছোঁয়া গ্রামেও চলে গেছে, এতে প্রবাসীদের অবদান বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. শহীদুল আলম প্রমুখ।

/এসও/ইউএস/

সম্পর্কিত

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

‘বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা চলছে’

‘বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা চলছে’

এজেন্ডায় থাকতে পারে ‘অপপ্রচারকারীদের’ ফিরিয়ে আনার ইস্যু

এজেন্ডায় থাকতে পারে ‘অপপ্রচারকারীদের’ ফিরিয়ে আনার ইস্যু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

করোনা টিকা দিতে ৯ কোটি সিরিঞ্জ কিনছে সরকার

করোনা টিকা দিতে ৯ কোটি সিরিঞ্জ কিনছে সরকার

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ২০ অক্টোবর

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ২০ অক্টোবর

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার চালুর আশা

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার চালুর আশা

‘বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা চলছে’

‘বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা চলছে’

এজেন্ডায় থাকতে পারে ‘অপপ্রচারকারীদের’ ফিরিয়ে আনার ইস্যু

হাসিনা- জনসন বৈঠকএজেন্ডায় থাকতে পারে ‘অপপ্রচারকারীদের’ ফিরিয়ে আনার ইস্যু

বাঙালিদের শুভেচ্ছা নিয়ে জাপানে রওয়ানা দেন বঙ্গবন্ধু

বাঙালিদের শুভেচ্ছা নিয়ে জাপানে রওয়ানা দেন বঙ্গবন্ধু

বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জলবায়ু ইস্যু গুরুত্ব পাবে

প্যারিসে হাসিনা-ম্যাক্রোঁর বৈঠকবাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জলবায়ু ইস্যু গুরুত্ব পাবে

ত্রিপুরায় কবর দেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ত্রিপুরায় কবর দেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বশেষ

নতুন জাতের আমন উদ্ভাবন, কম সময়ে বেশি ফলন

নতুন জাতের আমন উদ্ভাবন, কম সময়ে বেশি ফলন

দেশে ফিরেও বাজে রেফারিং ভুলতে পারছে না বাংলাদেশ

দেশে ফিরেও বাজে রেফারিং ভুলতে পারছে না বাংলাদেশ

পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত মারমা নারীরা

পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত মারমা নারীরা

সম্প্রীতি বিনষ্টের জন্য ষড়যন্ত্র চলছে: জিএম কাদের

সম্প্রীতি বিনষ্টের জন্য ষড়যন্ত্র চলছে: জিএম কাদের

গরুকে ধাক্কা দেওয়ার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

গরুকে ধাক্কা দেওয়ার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

© 2021 Bangla Tribune