X
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

প্রাপ্তির আনন্দে ভারতের কোচের দায়িত্ব ছাড়ছেন শাস্ত্রী

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:১০

তাহলে কি পালাবদলের ডাক চলছে ভারতীয় ক্রিকেটে? তা নয়তো কী। দিনকয়েক আগে বিরাট কোহলি টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সেই রেশ না কাটতেই প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রীর স্পষ্ট ইঙ্গিত, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আর ভারতের দায়িত্বে থাকছেন না তিনি।

গুঞ্জনটা বেশ কয়েকদিন ধরে বাতাসে ভাসছে। প্রথমে শোনা যায় কোহলি সব ফরম্যাটের নেতৃত্ব ছাড়ছেন। এরপর আলোচনার আসে শাস্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার। গুঞ্জনের আংশিক সত্য করে কোহলি জানিয়ে দিয়েছেন, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টিতে আর ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন না তিনি। আর এখন শাস্ত্রী একরকম জানিয়েই দিলেন, কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপের পর তিনিও থাকছেন না ভারতের কোচ।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রীর ইঙ্গিত স্পষ্ট। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই আপনার শেষ কাজ হতে যাচ্ছে কিনা, সংবাদপত্রটি এমন প্রশ্নে ভারতের কোচ বলেছেন, ‘আমার মনে হয় সেটাই (টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই শেষ)। কারণ আমার চাওয়ার সব কিছু আমি অর্জন করেছি।’

২০১৭ সাল থেকে ভারতের প্রধান কোচের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন শাস্ত্রী। অনিল কুম্বলে ও কোহলির সম্পর্কের টানাপোড়েনের পর তার কাঁধে ওঠে ভারতের কোচের দায়িত্ব। এর আগে ভারতের টিম ডিরেক্টর হিসেবেও কাজ করেছেন সাবেক এই অধিনায়ক।

বিদায় বলার জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকেই বেছে নিতে চান শাস্ত্রী। তাছাড়া তার চুক্তির মেয়াদও শেষ হবে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশ্বকাপ শেষে। প্রাপ্তির আনন্দ নিয়ে ছাড়তে চান দায়িত্ব। আর সেখানে যদি বিশ্বকাপ শিরোপা উৎসব করে শেষ করা যায়, তাহলে শাস্ত্রীর জন্য সেটা হবে ‘সোনায় সোহাগা’ ব্যাপার।

তৃপ্তির ঢেকুর তুলে শাস্ত্রী বলেছেন, “পাঁচ বছর (টেস্ট ক্রিকেটে) এক নম্বর, অস্ট্রেলিয়ায় দুইবার জয়, সঙ্গে ইংল্যান্ডের মাটিতে জয়। আমি মাইকেল আথারটনকে (সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার) এবারের গ্রীষ্মের শুরুতে বলেছিলাম, ‘আমার কাছে এটাই চূড়ান্ত- অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো ও কোভিডের সময় ইংল্যান্ডে জয়।’ আমরা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলাম এবং লর্ডস ও ওভালে আমাদের পারফরম্যান্স ছিল বিশেষ কিছু।’

এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে এই ভ্রমণটা আরও রাঙিয়ে নেওয়া আকাঙ্ক্ষা তার, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়টা হবে সোনায় সোহাগা। এর চেয়ে বেশি কিছু আর হতে পারে না। আমি সবসময় বিশ্বাস করি, অনাকাঙ্ক্ষিত হয়ে ওঠার আগেই সরে যাওয়া উচিত। আমি বলবো, এই দল নিয়ে আমি যা চেয়েছি, তার চেয়ে বেশি পেয়েছি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো ও কোভিডের বছরে ইংল্যান্ডে গিয়ে সিরিজে লিড নেওয়া, আমার চার দশকের ক্রিকেটে সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক মুহূর্ত।’

/কেআর/

সম্পর্কিত

টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি পিএনজি অধিনায়কের 

টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি পিএনজি অধিনায়কের 

বাংলাদেশ জিতবে, তবে...

বাংলাদেশ জিতবে, তবে...

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

স্বপ্ন মশাল যাদের হাতে, তাদের স্বপ্ন কী

স্বপ্ন মশাল যাদের হাতে, তাদের স্বপ্ন কী

ভারতের আইএসএল থেকে ডাক পেলেন তপু বর্মণ

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:২১

বাংলাদেশের রক্ষণে আস্থার প্রতীক তপু বর্মণ। মালদ্বীপের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গোলও করেছেন ২৬ বছর বয়সী তারকা। এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশি লিগে খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারতীয় ফুটবল লিগ ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (আইএসএল) দল নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির হয়ে খেলার আমন্ত্রণ এসেছে। আগামী ১৯ নভেম্বর শুরু হতে যাচ্ছে ভারতের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফুটবল লিগটি।

মালদ্বীপে এএফসি কাপ ও সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তপুর পারফরম্যান্স ছিল দেখার মতো। তা দেখেই মূলত তপুকে পছন্দ করেছেন নর্থইস্ট ক্লাবের কোচ খালিদ জামিল।

এ প্রসঙ্গে তপু সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘প্রস্তাব পেয়েছি সরাসরি কোচের কাছ থেকে। প্রস্তাবটা আকর্ষণীয়। (নর্থইস্ট) কোচ বলেছেন, বাংলাদেশে খেলে যা পাই তার চেয়ে বেশি পারিশ্রমিক দেওয়া হবে। আমি তাকে বলেছি, আমি বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে মৌখিকভাবে চুক্তিবদ্ধ। তিনি সময় নিয়ে চিন্তা করে জানাতে বলেছেন।’

সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘এছাড়া বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গেও প্রথমে আমার কথা বলতে হবে। কারণ আমি তাদের কথা দিয়েছি, আগামী মৌসুম তাদের হয়ে খেলবো।’

/টিএ/কেআর/

সম্পর্কিত

আবারও বাংলাদেশে ফিরছেন সেই আর্জেন্টাইন কোচ

আবারও বাংলাদেশে ফিরছেন সেই আর্জেন্টাইন কোচ

নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

ভারত না নেপাল, সাফের শ্রেষ্ঠত্ব কার?

ভারত না নেপাল, সাফের শ্রেষ্ঠত্ব কার?

চাকরি হারালেন প্যারাগুয়ের আর্জেন্টাইন কোচ

চাকরি হারালেন প্যারাগুয়ের আর্জেন্টাইন কোচ

টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি পিএনজি অধিনায়কের 

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:১১

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে এসেছে পাপুয়া নিউ গিনি (পিএনজি)। প্রথম পর্বে (বি গ্রুপ) উদ্বোধনী ম্যাচে খেলতে নেমে আরও এক প্রথমে নাম জড়ালেন দলটির অধিনায়ক আসাদ ভালা। এবারের টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি তুলে নিয়েছেন পাপুয়া নিউ গিনি অধিনায়ক আসাদ ভালা। 

টস হেরে ব্যাট করতে নামলেও আসাদ ভালো বলেছিলেন, শুরুতে ওমানকে চাপে ফেলতে চায় তারা। উল্টো স্বাগতিক ওমানই দুই ওভারে দুই উইকেট তুলে তাদের বিপদে ফেলে দিয়েছিল। পাপুয়া নিউ গিনি মূলত এর পর ছুটেছে আসাদ ভালা ও চার্লস আমিনির দ্রুত গতির ব্যাটিংয়ে। ৮১ রানের এই জুটি ভাঙে আমিনির রান আউটে। ২৬ বলে ৩৭ রানে ফিরেছেন আমিনি। তাতে ছিল ৪টি চার ও ১টি ছয়। আসাদ ভালা অবশ্য টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি তুলেই সাজঘরে ফিরেছেন। পিএনজি অধিনায়ক ৪০ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন। ভালা ৪৩ বলে করেন ৫৬ রান। তাতে ছিল ৪টি চার ও ৩ ছয়। এর পর আর কেউ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। সেসে বাউয়ের ১৩ রানই ছিল সর্বোচ্চ। তারা ৯ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে ১২৯ রান। 

প্রতিপক্ষকে আটকে রাখতে বড় ভূমিকা ছিল ওমান অধিনায়ক জিশান মাকসুদের। ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন। দুটি করে নিয়েছেন বিলাল খান ও কলিমুল্লাহ। 
 

/এফআইআর/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ জিতবে, তবে...

বাংলাদেশ জিতবে, তবে...

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

বাংলাদেশ জিতবে, তবে...

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:২০

শক্তি-সামর্থ্য-ঐতিহ্য সবদিক থেকেই স্কটল্যান্ড থেকে যোজন যোজন এগিয়ে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিম, মোস্তাফিজুর রহমান শুধু বাংলাদেশের ক্রিকেটেরই বড় নাম নয়, বিশ্ব ক্রিকেটেরও বিজ্ঞাপন। সেই অর্থে স্কটল্যান্ডের ওই মাপের কোনও তারকা নেই। সারা বছর আইসিসি সহযোগী দলগুলোর বিপক্ষে খেলে বেড়াতে হয় স্কটিশদের। তবু আজ (রবিবার) রাতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ বলেই তাদের নিয়ে এত আলোচনা।

হ্যাঁ, টি-টোয়েন্টি পরিসংখ্যানে এগিয়ে স্কটিশরা। মুখোমুখি একমাত্র কুড়ি ওভারের ম্যাচে জিতেছিল তারা। ২০১২ সালের ওই ম্যাচের পরিসংখ্যান তাদের পক্ষে থাকলেও স্কিল, অভিজ্ঞতা কিংবা সামর্থ্য- সবদিক দিয়েই এগিয়ে বাংলাদেশ। এখন শুধু মাঠে সেরাটা দিতে পারলেই বিশ্বকাপের শুরুটা জয়ে রাঙানো সম্ভব হবে।

তারপরও টি-টোয়েন্টিতে আগে থেকে কোনও কিছু অনুমান করা যায় না। একে ক্রিকেট ‘গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা’, তার ওপর আবার কুড়ি ওভারের ক্রিকেট সবার জন্য ‘ওপেন’। এখানে ছোট দল, বড় দলের পার্থক্য খুব একটা নেই।

এই ফরম্যাটটা কতটা ‘জটিল’ অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে বোঝা যাবে। অস্ট্রেলিয়ার মতো প্রভাব বিস্তারকারী দল এখনও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপার স্বাদ নিতে পারেনি। আধুনিক ক্রিকেটে টেস্ট ও ওয়ানডে শাসন করা অস্ট্রেলিয়া সর্বাধিক পাঁচবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতলেও পারেনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে। অথচ ওদের ছিল ম্যাথু হেইডেন, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, রিকি পন্টিং, অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস, ব্রেট লি, মাইকেল ক্লার্কের মতো দুনিয়া কাঁপানো টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার। এখনকার ডেভিড ওয়ার্নার-স্টিভেন স্মিথ-গ্লেন ম্যাক্সওয়েলরাও ভাঙতে পারেননি বৃত্ত।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অবস্থাও সুবিধার নয়। বারবারই আশাভঙ্গে হতাশায় পুড়তে হয়েছে। ২০০৭ বিশ্বকাপে অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে এই ফরম্যাটে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। যদিও সেই ইঙ্গিত বাস্তবে রূপ নেয়নি। বাংলাদেশ দল প্রতিনিয়ত এই ফরম্যাটে নাকানি-চুবানি খাচ্ছে প্রতিপক্ষের কাছে, সেটি ছোট হোক আর বড় দল হোক! এই তো শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ার্মআপ ম্যাচে কোনও প্রতিরোধই গড়তে পারেনি লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

তাছাড়া স্কটিশদের বিপক্ষে পরিসংখ্যানও সুখকর নয়। ২০১২ সালে একমাত্র টি-টোয়েন্টিই খেলেছে বাংলাদেশ। তাতে ৩৪ রানে হেরেছিল মুশফিকুর রহিমের দল। টস জিতে রিচি বেরিংটনের সেঞ্চুরিতে ১৬২ রান তুলেছিল স্কটল্যান্ড। জবাবে ১২৮ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল টাইগাররা। জন ডেভি ও মজিদ হক নিয়েছিলেন ৩টি করে উইকেট। ৯ বছর আগের স্কোয়াডের ব্যাটে-বলের দুই নায়ক বেরিংটন ও ডেভি আছেন বর্তমান স্কোয়াডেও।

ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার জোনাথন ট্রট আছেন স্কটল্যান্ডের কোচিং স্টাফে। ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব সামলানো সাবেক এই ব্যাটার মনে করছেন, এবারের বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত স্কটিশ দলে ম্যাচ উইনারে ভরা। অধিনায়ক কেলি কোয়েটজারের ২০০৯ ও ২০১৬ বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। রিচি বেরিংটন, ক্যালাম ম্যাকলিওড, স্যাফিয়ান শেরিফ, ম্যাথু ক্রস, এলাসডিয়ার ইভান্স, জশ ডেভি, মিচেল লিয়াস্ক, জর্জ মুন্সি ও মার্ক ওয়াটরা অভিজ্ঞ এবং বড় দলের বিপক্ষে ম্যাচ জেতাতে সক্ষম।

শক্তি-সামর্থ্যে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও তাই নির্ভার থাকার সুযোগ নেই। তাছাড়া ওয়ার্মআপের দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সও দুশ্চিন্তার মেঘ জমিয়েছে। দলের কাউকেই দেখা যায়নি দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচ এগিয়ে নিতে। ওই ধাক্কা কাটিয়ে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সিরিজের বাংলাদেশকে দেখার আশায় ক্রিকেটপ্রেমীরা। আর এজন্য বিশ্বকাপের স্পোর্টিং উইকেটে ব্যাটিংয়ে দায়িত্ব নিতে হবে অভিজ্ঞ তিন ক্রিকেটার- সাকিব, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহকে।

চিন্তার বিষয় হলো, সাকিব-মুশফিকের কেউই রানে নেই। মাহমুদউল্লাহর ফর্ম থাকলেও কয়েক সপ্তাহ ধরে ইনজুরিতে ভুগছেন তিনি। অবশ্য বড় মঞ্চেই যে সাকিব ও মুশফিক তাদের সেরাটা নিয়ে হাজির হন, অতীতে অনেকবার দেখা গেছে। তাদের সঙ্গে তরুণ লিটন দাস-সৌম্য সরকার-আফিফ হোসেন-নুরুল হাসান সোহানরা জ্বলে উঠলে তো কথাই নেই।

ব্যাটিংয়ের তুলনায় বাংলাদেশের বোলিং বরাবরই ভালো। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ছিল মোস্তাফিজুর রহমান-নাসুম আহমেদদের। তাদের সঙ্গে শরিফুল ইসলাম, শেখ মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন কিংবা তাসকিন আহমেদ নিজেদের মেলে ধরতে পারলে স্কটিশদের চেপে ধরতে অসুবিধা হওয়ার কথা ‍নয়।

/কেআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি পিএনজি অধিনায়কের 

টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি পিএনজি অধিনায়কের 

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৪২

ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট। তবে উত্তেজনায় সম্ভবত সব থেকে এগিয়ে টি-টোয়েন্টি। সেই ফরম্যাটেরই বিশ্বকাপ, তাহলে বুঝুন কতটা উন্মাদনা আর উত্তেজনার ডালি সাজানো আছে! এবারের আসরটি আরও একটি কারণে ‘বিশেষ’। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর হচ্ছে কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপ। অনেক অপেক্ষা শেষে অবশেষে আজ (রবিবার) পর্দা উঠেছে ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের।

মাসকাটে ওমান ও পাপুয়া নিউগিনি ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে এবারের বিশ্বকাপ। এই ম্যাচের আগে ছোট্ট পরিসরের এক অনুষ্ঠান দিয়ে মূলত শুরু হয়েছে কুড়ি ওভারের বিশ্ব আসরের পথচলা। সম্পূর্ণ মেয়েদের একটি ব্র্যান্ড দল নিয়ে গড়া পারফরম্যান্স ছিল মূল অনুষ্ঠানের আকর্ষণ।

এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ১৬ দল। আগেই দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেছে ৮ দল, সেখানে আরও ৪ দল যোগ দিলে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব বা সুপার-১২। সেই চারটি জায়গায় জন্য প্রথম পর্বে লড়বে ৮ দল। বাংলাদেশকেও খেলতে হবে প্রাথমিক পর্ব। আজ রাতে (রবিবার) স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হচ্ছে মাহমুদউল্লাহদের মিশন।

এবারের বিশ্বকাপ হচ্ছে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে। যদিও এই আসর হওয়ার কথা ছিল আসলে ভারতে। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে প্রতিযোগিতাটি ভারত থেকে সরে চলে আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুটিতে। সেখানকার চার ভেন্যুতে লড়াই হবে দলগুলোর।

উদ্বোধনী ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাগতিক ওমান। ব্যাটিংয়ে নামা পাপুয়া নিউগিনির শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না। কোনও রান যোগ না হতেই ২ উইকেট হারায় তারা! ওই জায়গা থেকে শুরু তাদের লড়াই। এবারই প্রথম কোনও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় খেলছে পিএনজি।

/কেআর/

সম্পর্কিত

টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি পিএনজি অধিনায়কের 

টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি পিএনজি অধিনায়কের 

বাংলাদেশ জিতবে, তবে...

বাংলাদেশ জিতবে, তবে...

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

স্বপ্ন মশাল যাদের হাতে, তাদের স্বপ্ন কী

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৪২

ক্রিকেট বিশ্বকে উন্মাদনায় ভাসাতে পর্দা উঠছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। ধুম-ধারাক্কা লড়াইয়ের এবারের মঞ্চ ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। কয়েক ঘণ্টার পর শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে আজই (রবিবার) মাঠে নামছে বাংলাদেশ। ওমানে প্রাথমিক রাউন্ডে মাহমুদউল্লাহদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ওমান, স্কটল্যান্ড ও পাপুয়া নিউগিনি। শুরুটা হচ্ছে স্কটল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে। এই মিশন শুরুর আগে নিজেদের স্বপ্ন ও লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের ১৫ ক্রিকেট যোদ্ধা-

মাহমুদউল্লাহ: আমাদের সফল হতে হলে অবশ্যই ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে। অবশ্যই ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হয়। টি-টোয়েন্টিতে দ্রুত ম্যাচের মোমেন্টাম পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। ফলে প্রতিটি বলেই সতর্ক থাকতে হবে। সবকিছু ছাপিয়ে আমাদের নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে। আর অধিনায়ক হিসেবে আমি চাই বিশ্বকাপে বিশেষ কিছু করতে। আগের ছয় বিশ্বকাপে যা পারিনি, আমি চেষ্টা করবো সেটি অর্জন করতে।

সাকিব আল হাসান: ওমান ও আরব আমিরাতে আমাদের ভালো করা উচিত। কন্ডিশনটা আমাদের কাছে অপরিচিত না। আরব আমিরাতে এশিয়া কাপে ভালো করেছি আমরা। আমার কাছে মনে হয়, কন্ডিশন নিয়ে আমাদের চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। যেটা হচ্ছে, দল হিসেবে ভালো করতে হবে। বিশ্বকাপ ঘিরে পরিকল্পনা তো আছেই। তবে দলগত পরিকল্পনা আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কী হলে দল ভালো করতে পারবে, সেটা নিয়েই বেশি ফোকাস।

মুশফিকুর রহিম: আমরা যতবারই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলি না কেন, এটা আমাদের জন্য অনেক বড় একটা সুযোগ। কারণ আমরা ধারাবাহিক ভালো করছি টি-টোয়েন্টিতে। অবশ্যই এটা সহজ নয়। তবে আমি মনে করি যে, এটা সঠিক সময় এবং সেরা সময়। যেহেতু শেষ তিনটা সিরিজে আমরা জিতেছি। দুটো হোমে এবং একটা অ্যাওয়েতে। এটা অনেক বড় একটা আত্মবিশ্বাস আমাদের দল হিসেবে।

লিটন দাস: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মানেই চ্যালেঞ্জ। এখানে নির্ভার থাকার কোনও সময় নেই। প্রত্যাশার জায়গা থেকে যেটা বলবো দলের ভালোর চেয়ে বড় কিছু নেই। দলকে জেতানোর মতো জায়গায় নিতে ভূমিকা রাখার চেয়ে বড় কিছু নেই। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভালো দল হতে গেলে ওপেনিংয়ে শুরুটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পাওয়ার প্লে-তে। আমি চেষ্টা করি, পাওয়ার প্লে-তে ভালো একটা স্ট্রাইক রেট নিয়ে শেষ করতে, যাতে দলের উপকারে আসে।

সৌম্য সরকার: ভালো করবো নাকি খারাপ করবো— সেটা এখনই বলতে পারবো না। আমি চাই প্রসেস ঠিক রেখে ব্যাটিং করতে। আশা করছি, বিশ্বকাপের আগে নিজেকে পারফেক্টভাবে প্রস্তুত করে মাঠে নামার সুযোগ পাবো। হয়তো পুরনো বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগতে পারে। তবে এটা সত্য, পুরনো ম্যাচের পরিসংখ্যান বা ইতিহাস নতুন ম্যাচে কোনও ভূমিকা রাখে না। যেহেতু আমার দ্বিতীয় (টি-টোয়েন্টি) বিশ্বকাপ, আমি চাইবো এবার যেন ভালো হয়। আমি যেন আমার স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারি। স্বপ্নও দেখি ভালো ভালো ইনিংস খেলার। অন্তত কিছু ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলতে চাই।

নাঈম শেখ: আমার লক্ষ্য একটাই- যত ম্যাচ খেলবো, সব ম্যাচেই দলকে জেতাতে অবদান রাখবো। ম্যাচ খেললে যেহেতু আমি টপ অর্ডারে ব্যাটিং করবো, আমাকে তাই ভালো শুরু এনে দিতে হবে। আমার ভাবনা তাই পরিষ্কার, ভালো শুরুর মাধ্যমে দল যেন উপকৃত হয়। স্ট্রাইক রেট নিয়ে সমালোচনা নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না। আমি স্বাভাবিক খেলার চেষ্টাই করি। আগেও বলেছি, মিরপুরের কন্ডিশনে কোনও ব্যাটারকে জাজমেন্ট করা ঠিক হবে না। এই মুহূর্তে এতটুকুই বলতে পারি, আমার স্ট্রাইক রেট নিয়ে বিশ্বকাপের পর কথা বলবো।

নুরুল হাসান সোহান: শেষ কয়েক বছর বাইরে থাকার পর একটা জিনিস অনুভব করেছি- ভবিষ্যৎ ও অতীত নিয়ে চিন্তা করে লাভ নেই। এখন আমি অতীতে কী করেছি কিংবা ভবিষ্যতে কী করবো- এইসব নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবি না। দুটো জিনিস অনেক গুরুত্বপূর্ণ— একটি হচ্ছে প্রসেস, অন্যটি হার্ডওয়ার্ক। ‘ওটা হবে নাকি ওটা হবে’ আমি এভাবে চিন্তা করতে চাই না। জাতীয় দলে খেলি কিংবা ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলি— আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রসেসগুলো ঠিক হচ্ছে কিনা সেগুলো মেইনটেইন করা। আমি বিশ্বকাপে কাপে তাই ওটা করবো সেটা করবো এইসব নিয়ে ভাবছি না। প্রসেসগুলো ঠিক রাখাই আমার লক্ষ্য।

মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন: আইপিএলে মিডিয়াম পেসাররা খুব ভালো করেছে। উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে তারা সাফল্য পাচ্ছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কম্পিউটার অ্যানালিস্ট শ্রীনিবাসের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। উনি তো আমাদেরও অ্যানালিস্ট। তার থেকে আইডিয়া নিয়ে আমার মতো করে অনুশীলন করছি। সফল হবো কী হবো না, সেটি নিয়ে ভাবছি না। আমি আমার মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে যেহেতু আরব আমিরাতে খেলা হবে, পুরোপুরি মিরপুরের মতো উইকেট না হলেও কাছকাছি মানের উইকেটের দেখা পাবো বলে মনে হয়।

শামীম হোসেন: প্রথম বিশ্বকাপে অনুভূতিতো ভিন্নরকম হবেই। তবে রোমাঞ্চিত না হয়ে আমি আমার কাজটা ঠিকমতো করতে চাই। সাধারণত আমি ব্যাটিংয়ে নেমে সুযোগ পাবো কম। বেশিরভাগ সময় ব্যাটিংয়ে যেতে হয় ১৫ ওভারের পর। ব্যাট হাতে ইনিংস শেষ করে আসার লক্ষ্য থাকে আমার।

শেখ মেহেদী হাসান: না খেলেও যদি দূর থেকে কিছু করতে হয়, সেটাও দেশের জন্য করতে হবে। এটা আমার জন্য বাড়তি চাপ না, তো আমি যদি এ জায়গায় মানসিকভাবে শক্ত থাকি, নিজের কাছে শক্ত মনে করে জিনিসটা সাবলীলভাবে করতে পারি, তাহলে আমার জন্য ভালো হবে। এটা করে আমি যদি টিমকে কিছু দিতে পারি, টিম লাভবান হবে।

আফিফ হোসেন: বিশ্বকাপ নিয়ে সেভাবে কিছু ভাবিনি। সহজ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামবো, চেষ্টা করবো দলে অবদান রাখতে।

তাসকিন আহমেদ: ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৬ ও ২০১৯ বিশ্বকাপে দুঃখজনক অভিজ্ঞতা হয়েছে। ঠিক আছে, ওগুলো তো সবই অতীত। বর্তমানটাই ফোকাস করতে চাই। যেগুলো হাতে আছে, সেসব ঠিক রেখে এগিয়ে যেতে চাই। এটাই আমার পরিকল্পনা। প্রসেসের বাইরে একদমই যেতে চাই না। আমার জন্য ওমান ও দুবাইতে খেলাটা একদম নতুন হবে। তাই আমি দারুণ রোমাঞ্চিত। যদি সুযোগ পাই, ভেতরে যা আছে সব উজাড় করে পারফরম্যান্স করবো। এটা তো টি-টোয়েন্টি, এখানে গ্যারান্টি দেওয়া কঠিন। কিন্তু আমি যে সেরাটা ডেলিভারি করবো, তার নিশ্চয়তা দিতে পারি।

মোস্তাফিজুর রহমান: খেলা তো আর মুখে হয় না, মাঠেই খেলতে হয়। আমি মুখ দিয়ে বলে ফেললাম, অধিনায়কের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবো আর সেটি হয়ে গেলো! বিষয়টি তো তেমন নয়। আমাকে অবশ্যই প্রসেস অনুযায়ী যেতে হবে। সবকিছু ঠিকমতো হলেই কেবল আমি সফল হবো। আমি আমার সামর্থ্য-অভিজ্ঞতা দিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। জানি না কতটুকু করতে পারবো। আমাকে নিয়ে আমার দেশের মানুষ অনেক আশা করে আছে। অবশ্যই আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। অবশ্যই চাইবো দেশের জার্সিতে এমন কিছু করতে, যেটাতে দল সাফল্য পায়।

শরিফুল ইসলাম: বিশ্বকাপ খেলাটা আমার জন্য দারুণ রোমাঞ্চের ব্যাপার। দুই বছরের মাথায় আমি বড়দের বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছি। আমার কাছে এটা অন্যরকম অনুভূতি। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আর বড়দের বিশ্বকাপে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। এখানে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ। আশা করি, চ্যালেঞ্জগুলো নিতে পারবো। বিশ্বকাপে অনেক বড় বড় ব্যাটারদের বিপক্ষে আমাকে বোলিং করতে হবে। তো ভালো বোলিং না করলেও উইকেট নেওয়া কঠিন হবে। আমার ড্রিম উইকেট বিরাট কোহলি। ভারতের বিপক্ষে সুযোগ পেলে তার উইকেটটি নিতে চাই।

নাসুম আহমেদ: সাকিব ভাই আর আমি যদি একসঙ্গে খেলার সুযোগ পাই, সেটি হবে আমার জন্য দারুণ ব্যাপার। আমরা যদি দুজন একসঙ্গে খেলি, প্রতিপক্ষ আমাদের মধ্যে যেকোনও একজনকে নিয়ে পরিকল্পনা করবে। বেশিরভাগ সময় সাকিব ভাইকে নিয়েই তাদের মাথাব্যথা থাকে। শেষ সিরিজগুলোতে দেখেন সাকিব ভাই খেলেছে, কিন্তু উইকেট আমি পেয়ে গেছি। সাকিব ভাই তো বিশ্বের এক নম্বর স্পিনার। তাকে পরিকল্পনা করে খেলতে গিয়েই আমাকে উইকেট দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। আমরা দুজন যদি খেলি, এটা আমার জন্য একটা প্লাস পয়েন্ট।

/কেআর/

সম্পর্কিত

টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি পিএনজি অধিনায়কের 

টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটি পিএনজি অধিনায়কের 

বাংলাদেশ জিতবে, তবে...

বাংলাদেশ জিতবে, তবে...

সর্বশেষসর্বাধিক
© 2021 Bangla Tribune