X
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

দুই এলাকায় জরিপ: সবচেয়ে বেশি দূষণ করছে কোকাকোলা ও প্রাণ আরএফএল

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০৮
ঢাকাসহ দেশের ছোট-বড় প্রায় সব শহরেই যত্রতত্র প্লাস্টিক বোতল কিংবা বিভিন্ন পণ্যের প্লাস্টিকের মোড়কে সয়লাব। রাজধানীর ধানমন্ডি লেক এবং ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে এসব প্লাস্টিক বোতল এবং মোড়কের উৎপাদক প্রতিষ্ঠান কোনটি তা নিয়ে একটি জরিপ পরিচালনা করেছে বেসরকারি সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। সংস্থাটি বলছে, দেশের এই দুই এলাকায় জরিপে দেখা গেছে- সবচেয়ে বেশি দূষণকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কোকাকোলা এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। এ ছাড়াও পেপসিকো, ইউনিলিভার, নেসলে, পারটেক্স গ্রুপ, আকিজ গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপসহ আরও বেশ কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠানের পণ্যের প্লাস্টিকের মোড়ক পেয়েছেন তারা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্লাস্টিকের কারণে পরিবেশের দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এই দূষণ বন্ধে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারিভাবে পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলেও অন্যান্য প্লাস্টিকের ব্যবহার চলছে আগের মতোই। এইসব পলিথিনের মতো এইসব প্লাস্টিকের বোতলসহ অন্য পণ্যগুলো পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যবহারের পর নির্দিষ্ট জায়াগায় ফেলার বিষয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতাও জরুরি।
আজ মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানআইজেশনের (ইএসডিও) ‘ব্র‍্যান্ড অডিট-২০২১’ উপস্থাপনের বিষয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। ইএসডিও-এর চেয়ারপার্সন সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে জরিপের তথ্য উপস্থাপন করেন সংগঠনটির প্রোগ্রাম অফিসার হৃদিতা ফেরদৌস।
মূল উপস্থাপনায় হৃদিতা জানান, পরিবেশের ক্ষতিকর পদার্থ বিশেষ করে প্লাস্টিক নিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছেন। তারা দেখেছেন, সবচেয়ে ক্ষতিকর পদার্থ প্লাস্টিকের যথেচ্ছা ব্যবহার হচ্ছে। তিনি বলেন, এর ব্যবহার এখনই ব্যবহার বন্ধ হতেই হবে। যারা প্লাস্টিক কারখানার মালিক, তাদের পরের প্রজন্মও এই ক্ষতির শিকার হবেন। এটা তাদেরও ভাবা উচিৎ।
প্লাস্টিক সহজে ডিকম্পোজ হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্লাস্টিক দীর্ঘদিন ধরেই পরিবেশে থেকে যায়, আর দূষণ ছড়িয়ে যায়। পানি প্রবাহ ব্লক করে দেয়। ঢাকার ধানমণ্ডি লেক ও ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্রের তীরবর্তী এলাকায় তথ্য সংগ্রহ করেছি। তিনদিন ধরে এই  তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি দূষণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয় কোকাকোলা এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপকে।
জরিপে বলা হয়, কোকাকোলা কোম্পানির কিনলের বোতলের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে, শতাংশের হিসাবে মোট প্লাস্টিকের ৩০ ভাগ। এছাড়া আরএফএল-এর অনেক প্লাস্টিকের বোতল, সসের প্যাকেট, অলটাইম প্রোডাক্ট-এর প্লাস্টিকের প্যাকেট পেয়েছেন তারা; যা মোট প্লাস্টিকের প্রায় ২০ ভাগ, দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে পেপসিকো কোম্পানি, ১২ ভাগ। এছাড়া অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে ইউনিলিভার, নেসলে, পারটেক্স গ্রুপ, আকিজ গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপসহ আরও বেশ কিছু গ্রুপের কোম্পানির পণ্যের প্লাস্টিকের প্যাকেট তারা পেয়েছেন। যেটি ওই দুই এলাকার দূষণে বড় ভূমিকা রাখছে।
জরিপের ফলাফলের বিষয়ে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের সবার রিফিল ও রিসাইকেল সিস্টেম থাকা দরকার, প্লাস্টিক পণ্য পুনরায় ব্যবহারের সিস্টেম থাকা দরকার। তা না হলে পরিবেশের ক্ষতি হতেই থালবে। অন্যথায় এইগুলো এখনই ব্যান করা দরকার সরকারের। এখনই ব্যবস্থা না নিলে দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
হৃদিতা ফেরদৌস বলেন, সাধারণ মানুষ বলছে- প্লাস্টিক ভাল না; কিন্তু তারা ব্যবহারও করছেন। কারণ বাজারে প্লাস্টিকই ব্যবহার হয়। ফলে যদি অল্টারনেটিভ কিছু দেওয়া যায় তাহলে তারা সেটি অবশ্যই ব্যবহার করবে।
প্লাস্টিক গুড এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন প্রেসিডেন্ট শামিম আহমেদ বলেন, আমরাও চাই না প্লাস্টিক থেকে পরিবেশের দূষণ হোক। আমরাও চেষ্টা করছি। আমরা তর্ক করতে আসিনি। আমরা একটা সমাধান করতে এসেছি। জাপান, সিঙ্গাপুরের তুলনায় আমাদের ব্যবহার অনেক কম। ওরা কন্ট্রোল করছে। আমর কন্ট্রোল করতে পারছি না। ২০০২ সালে প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যান করা হয়েছে। কিন্তু এখনও তা বন্ধ হয়নি। ১৯৫০ অনেক কম ছিল, ভবিষ্যতে ৭০০ মিলিয়ন মেট্রিক টনে গিয়ে দাঁড়াবে। আমরা সরকারকে বলেছি। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে, সচেতনতাই অনেক বড় সমাধান।
বাংলাদেশ পেটফ্ল্যাক্স মেনুফেকচারাস অ্যান্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান বলেন, সারা বিশ্বে প্লাস্টিক ছড়িয়ে পড়ার সময়গুলোতে দূষণের কথা বলা হতো না, রিসাইকেলের বিষয়ে চিন্তা করা হয়নি। এ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ব্যবহার জিরো অবস্থায় আছে। কোনো সচেতনতা নেই। সরকার অনেক জিনিস বন্ধ করে দিলো, কিন্তু মালিকরা যে বিনিয়োগ করেছেন- তার কি হবে তাও চিন্তা করা দরকার। যারা এই ম্যাটারিয়ালগুলো কারা উৎপাদন করে তা বের করার চেয়ে ডিকম্পোজ কীভাবে করার ব্যাপারে চিন্তা করা বেশি জরুরি। রিসাইকেলে টাকা কম হওয়ায় মানুষের আগ্রহ কম, ফলে তারা যেখানে-সেখানে ফেলছে, পরে তা মাটিতে গিয়ে জমা হচ্ছে। তাই এমন প্লাস্টিক আনা দরকার যাতে সহজে ডিকম্পোজ হবে, মাটিতে সহজে মিশে যাবে, এমন উপকরণ দিয়ে বানানো উচিৎ। সচেতনতা বাড়াতে ক্যাম্পেইন করা দরকার।
অধ্যাপক আবু হাসেম বলেন, আমরা বহুবার প্লাস্টিক কারখানার মালিকদের সাথে বসেছি। নদীগুলো ভরে যাচ্ছে, আমরা দেখতে পাচ্ছি। সচেতনতা বাড়ানো, এলাকাভিত্তিক প্রচারণা,  বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাউন্সিলিং করা- এসব কিছুতে সরকারের সহযোগিতা দরকার। সাধারণ মানুষকে এরমধ্যে আনতেই হবে, সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার ব্যান করলেও কাজ হবে না। কারণ ব্যান করলে কদিন বানানো বন্ধ করলেও আবার বানাবে, তাদের ভেতরেও সচেতনতা আনতে হবে। আমরা যদি একই জিনিস বার বার ব্যবহার করতে পারি তাহলে দূষণ অনেক কমে আসবে। বেশি সময় বার বার ব্যবহার করলে কাজ হবে। বাসাবাড়িতে ব্যবহার করা প্লাস্টিক একসাথেই ফেলে দিচ্ছে বিদেশে কিন্তু তা হচ্ছে না। আলাদাই কালেকশন হচ্ছে। বাংলাদেশেও তাই করতে হবে। সরকারকেই এই উদ্যোগ নিতে হবে। এতে সহজেই সরকারিভাবে এই প্লাস্টিক সংগ্রহ করা সম্ভব। ভালভাবে রি-কালেকশন করা জরুরি, শুধু ব্যান করে লাভ হবে না।
অধ্যাপক আবু জাফর মাহমুদ বলেন, ইএসডিও পরিবেশের দূষণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছে। মালিকরা বলছেন, কারখানা বন্ধ করলে কলকারখানার কী হবে। আর সাধারণ মানুষ চাইছেন বিকল্প চাইছেন। এখন আসলে কী করতে হবে, আমাদের আসলেই বিকল্প ভাবতে হবে।
ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, আগে আমরা প্লাস্টিক ছাড়াই জীবন শুরু হয়েছিল। তখন কোনও সমস্যা হতো না। চারাগুলো প্লাস্টিক ছাড়াই হতো। এখনও চটের ব্যাগেই করা সম্ভব। প্লাস্টিকের বিকল্প সমাধান আমাদের ভাবতেই হবে। আন্তরিকতা এখানে একটি বড় বিষয়। আমরা আমাদের ইকোসিস্টেম ধ্বংস করতে চাই না। সারাবিশ্বে এখন আন্দোলন হচ্ছে। আমাদেরও সেখানে সামিল হতে হবে।
অন্যদের মধ্যে ইএসডিও'র মহাসচিব মো. শামীম, ড. শাহরিয়ার হোসেন, নির্বাহী পরিচালক সিদ্দিকা সুলতানা বক্তব্য রাখেন।

/এসএনএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি

৭ তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

৭ তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

‘২০২২ সালে কোনও সাম্প্রদায়িক হামলা দেখতে চাই না’

‘২০২২ সালে কোনও সাম্প্রদায়িক হামলা দেখতে চাই না’

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৪০

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্ত করাসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে ফিড অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানায়।

তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ক্যাবল টিভি খাতকে প্রযুক্তি ভিত্তিক শিল্প ঘোষণা করতে হবে; ক্লিন ফিড বাস্তবায়নে স্থানীয় পরিবেশককে নির্দেশ দিতে হবে; ফিড অপারেটরদের ব্যবসা পরিচালনায় ক্যাবল অপারেটদের সঙ্গে চুক্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে; ডিজিটালকরণের আগে পে-চ্যানেলের মূল্য সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করতে হবে; আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল বরাদ্ধে এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল্য নির্ধারণসহ বরাদ্দ নিশ্চিতে উদ্যোগ নেওয়াসহ ক্যবল অপারেটর ফিড অপারেটরদের জন্য ব্যাংক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের সুবিধা দিতে হবে।

সংগঠনটি থেকে বক্তারা বলেন, আমাদের ন্যায্য দাবিসমূহ আলোচনা করে কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করে আত্মকর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ খাতটিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করি।

 

 

/জেডএ/আইএ/

সম্পর্কিত

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি

৭ তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

৭ তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

‘২০২২ সালে কোনও সাম্প্রদায়িক হামলা দেখতে চাই না’

‘২০২২ সালে কোনও সাম্প্রদায়িক হামলা দেখতে চাই না’

বাড়ছে বায়ুদূষণ, ডিসেম্বরে ঢাকায় ‘স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা’র শঙ্কা

বাড়ছে বায়ুদূষণ, ডিসেম্বরে ঢাকায় ‘স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা’র শঙ্কা

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩৮

জলবায়ু পরিবর্তনে উপকূলের ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে (কপ-২৬) কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন’ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা -‘পিভার্স ও ফেইস ইন অ্যাকশন’ আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এ দাবি করেন।

মানববন্ধনে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করে উপকূলের জীবন-জীবিকা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগামী নভেম্বরে গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে বার্ষিক তহবিল বাড়ানোর দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। প্রতিবছর বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ নির্মাণ এবং উপকূলের মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আগামীতে পদক্ষেপ নিতে হবে। আগামীতে সরকারের প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সমন্বয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

এছাড়া সমাবেশে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি উপকূলজুড়ে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অভিযোজন প্রক্রিয়া বাড়াতে হবে। সুপেয় পানির স্থায়ী সমাধান করতে হবে। এ জন্য বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ বুঝিয়ে দিতে হবে। এই ক্ষতিপূরণ আদায়ে সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলকে যথাযথ ভূমিকা রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তারা।

সমাবেশে উত্থাপিত দাবিনামায় বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগকে মাথায় রেখে স্থায়ী ও মজবুত বেড়িবাঁধ পুনর্নির্মাণ করতে হবে। পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেন্টারসহ প্রতিরোধক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণে জরুরি তহবিল গঠন ও বাঁধ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করাসহ উপকূলীয় সব মানুষের খাবার পানির টেকসই ও স্থায়ী সমাধান করতে হবে।

তারা আরও দাবি জানান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্ব জলবায়ু তহবিল থেকে প্রাপ্ত অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। গণসচেতনতা বৃদ্ধিতে বছরব্যাপী বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম শুরু করতে হবে। ঝড়-ঝঞ্ঝা ও ভূমিক্ষয় রোধে উপকূলে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ এবং সবুজবেষ্টনি গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) মিহির বিশ্বাস, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্টের আমিনুর রসুল বাবুল, নৌ সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে, স্ক্যান সাধারণ সম্পাদক মনিরজ্জামান মুকুল, ফেইথ ইন অ্যাকশনের নির্বাহী পরিচালক নৃপেন বৈদ্য, সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস) চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা, সচেতন সংস্থার সাকিলা পারভীন, লিডার্সের পরিতোষ কুমার বৈদ্য, উন্নয়নকর্মী সানজিদুল ইসলাম প্রমুখ।

 

 

/জেডএ/আইএ/

সম্পর্কিত

৭ তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

৭ তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

‘২০২২ সালে কোনও সাম্প্রদায়িক হামলা দেখতে চাই না’

‘২০২২ সালে কোনও সাম্প্রদায়িক হামলা দেখতে চাই না’

বাড়ছে বায়ুদূষণ, ডিসেম্বরে ঢাকায় ‘স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা’র শঙ্কা

বাড়ছে বায়ুদূষণ, ডিসেম্বরে ঢাকায় ‘স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা’র শঙ্কা

চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য এলাকার আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে

চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য এলাকার আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে

রাজারবাগ পীর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুদক, সিআইডি ও সিটিটিসির তদন্ত চলবে

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৩

রাজারবাগ পীর ও দরবারের বিরুদ্ধে দুদক, সিআইডি ও সিটিটিসিকে তদন্ত করতে বলা হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকায় তাদের বিরুদ্ধে তিনটি সংস্থার তদন্তে আর কোনও বাধা রইলো না।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে পীরদের আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মুরাদ রেজা। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর রাজারবাগ দরবার শরিফের সব সম্পদের তথ্য খুঁজতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), তাদের জঙ্গি সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা তদন্ত করতে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) এবং উচ্চ আদালতে রিটকারী ৮ জনের বিরুদ্ধে করা হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

পরে ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন জানানো হয়েছিল। গত ১১ অক্টোবর চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত না করে আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাজারবাগ দরবার শরিফের পীর দিল্লুরসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ৮ জন ব্যক্তির পক্ষে অ্যাডভোকেট শিশির মনির হাইকোর্টে এ রিট দায়ের করেন।

রিটকারীদের মধ্যে শিশু, মহিলা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, মাদ্রাসার শিক্ষক ও ব্যবসায়ী রয়েছেন। তাদের প্রত্যেকে রাজারবাগ দরবার শরিফের পীর ও তাদের মুরিদদের হয়রানিমূলক মামলার শিকার।

রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ও আইজিপিসহ মোট ২০ জনকে বিবাদী করা হয়।

 

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

আগের শর্তেই পরীমণিসহ তিন জনের জামিন

আগের শর্তেই পরীমণিসহ তিন জনের জামিন

আত্মসমর্পণ করে পরীমণির আবারও জামিনের আবেদন

আত্মসমর্পণ করে পরীমণির আবারও জামিনের আবেদন

আদালতে পরীমণি

আদালতে পরীমণি

পরীমণির বিরুদ্ধে মাদক মামলায় চার্জশিট গ্রহণ আজ

পরীমণির বিরুদ্ধে মাদক মামলায় চার্জশিট গ্রহণ আজ

আগের শর্তেই পরীমণিসহ তিন জনের জামিন

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩২

বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আগের শর্তেই জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমণিসহ তিন জন। আদালত পরিবর্তন হওয়ায় নতুন করে আবারও জামিন নিতে হলো তাদের। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. রবিউল আলম তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী বলেন, বর্তমানে তিনি স্থায়ীভাবে জামিনে আছেন। কিন্তু আদালত পরিবর্তন হওয়ায় একটা নিয়ম আছে। সেটা হচ্ছে- এই আদালতে এসেও তাকে জামিন নিতে হবে। তাই আবার নতুন করে জামিন নিতে হচ্ছে।

জামিন আবেদনে তিনি বলেন, আমরা আগে জামিন পেয়ে কোনও শর্ত ভঙ্গ করিনি। আসামিরা জামিন পাওয়ার পর থেকে নিয়মিত আদালতের দেওয়া শর্তগুলো মেনে চলছেন। নিয়ম অনুযায়ী, আবারও আত্মসমর্পণ করে আপনার কাছে জামিনের আবেদন করছি।

এরপর বিচারক আদশে বলেন, পূর্বশর্ত অনুযায়ী আসামিদের জামিন দেওয়া হল। কিন্তু আমাদের স্যার যেহেতু ছুটিতে আছে তাই চার্জশিট গ্রহণের জন্য আগামী ১৫ নভেম্বর দিন ধার্য রয়েছে।

মামলাটিতে অপর দুই আসামি হলেন- আশরাফুল ইসলাম দিপু ও কবির হোসেন।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী মোস্তফা কামাল নায়িকা পরীমণিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে গত ১০ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদারের আদালত মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন। এরপর আদালত মামলাটির পরবর্তী বিচার কাজের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন।

/এমএইচজে/ইউএস/
টাইমলাইন: পরীমণি
২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫৮
আগের শর্তেই পরীমণিসহ তিন জনের জামিন
২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৫৭
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:১০
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৮
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১০
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:১৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:২৬
০১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১৭
০১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩২
০১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৮
৩১ আগস্ট ২০২১, ১৯:২৯
৩১ আগস্ট ২০২১, ০৮:০০

সম্পর্কিত

রাজারবাগ পীর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুদক, সিআইডি ও সিটিটিসির তদন্ত চলবে

রাজারবাগ পীর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুদক, সিআইডি ও সিটিটিসির তদন্ত চলবে

আত্মসমর্পণ করে পরীমণির আবারও জামিনের আবেদন

আত্মসমর্পণ করে পরীমণির আবারও জামিনের আবেদন

আদালতে পরীমণি

আদালতে পরীমণি

আত্মসমর্পণ করে পরীমণির আবারও জামিনের আবেদন

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৩

বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আত্মসমর্পণ করে আবারও জামিনের জন্য আবেদন করেছেন চিত্রনায়িকা পরীমণিসহ তিন জন। মামলাটিতে অপর দুই আসামি হলেন- আশরাফুল ইসলাম দিপু ও কবির হোসেন।

আজ মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমণিসহ তিন জন উপস্থিত হয়ে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে আবারো জামিনের জন্য আবেদন করেন। জামিন শুনানি এবং চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী বলেন, বর্তমানে তিনি স্থায়ীভাবে জামিনে আছেন। কিন্তু আদালত পরিবর্তন হওয়ার কারণে একটা নিয়ম আছে। সেটা হচ্ছে এই আদালতে এসেও তাকে জামিন নিতে হবে। তাই আমরা এই আদালতে জামিন আবেদন করেছি। এ বিষয়ে শুনানি কিছুক্ষণের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী মোস্তফা কামাল নায়িকা পরীমণিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে গত ১০ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদারের আদালত মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন। এরপর আদালত মামলাটির পরবর্তী বিচার কাজের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন।

ওই দিন পরীমনির আইনজীবী তার স্থায়ী জামিনের আবেদন জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক পরীমণিসহ অপর দুই আসামির জামিন মঞ্জুর করেন।

গত ১৪ জুন দুপুরে সাভার থানায় নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ছয় জনের নামে মামলা দায়ের করেন নায়িকা পরীমণি। মামলায় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদকে প্রধান আসামি করা হয়। এরপর বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ পেলে বিতর্কিত হয়ে ওঠেন পরী। ওই মামলার আসামিরা বর্তমানে জামিনে আছেন। 

ব্যাপক আলোচনার মধ্যেই গেল ৪ আগস্ট রাতে প্রায় ৪ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে বনানীর বাসা থেকে পরীমণি ও তার সহযোগীকে আটক করে র‍্যাব। এসময় তার বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয় বলে জানানো হয়। আটকের পর তাদের নেওয়া হয় র‍্যাব সদর দফতরে। পরে র‍্যাব-১ বাদী হয়ে মাদক আইনে পরীমণির বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে।

মামলাটিতে পরীমণিকে তিন দফায় মোট সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে; একাধিকবার এই রিমান্ড নিয়েও আছে সমালোচনা। অবশ্য ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত ৫০ হাজার টাকার মুচলেকায় পরীমণির জামিন মঞ্জুর করেন।

/এমএইচজে/ইউএস/

সম্পর্কিত

রাজারবাগ পীর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুদক, সিআইডি ও সিটিটিসির তদন্ত চলবে

রাজারবাগ পীর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুদক, সিআইডি ও সিটিটিসির তদন্ত চলবে

আগের শর্তেই পরীমণিসহ তিন জনের জামিন

আগের শর্তেই পরীমণিসহ তিন জনের জামিন

আদালতে পরীমণি

আদালতে পরীমণি

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি

৭ তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

৭ তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

‘২০২২ সালে কোনও সাম্প্রদায়িক হামলা দেখতে চাই না’

‘২০২২ সালে কোনও সাম্প্রদায়িক হামলা দেখতে চাই না’

বাড়ছে বায়ুদূষণ, ডিসেম্বরে ঢাকায় ‘স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা’র শঙ্কা

বাড়ছে বায়ুদূষণ, ডিসেম্বরে ঢাকায় ‘স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা’র শঙ্কা

চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য এলাকার আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে

চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য এলাকার আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে

রাজধানীতে দুই শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার, অভিযুক্তরা গ্রেফতার

রাজধানীতে দুই শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার, অভিযুক্তরা গ্রেফতার

কলকাতা প্রেসক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার’র উদ্বোধন ২৮ অক্টোবর

কলকাতা প্রেসক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার’র উদ্বোধন ২৮ অক্টোবর

বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন: গুতেরেস

বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন: গুতেরেস

বাড্ডার আগুন নিয়ন্ত্রণে

বাড্ডার আগুন নিয়ন্ত্রণে

সর্বশেষ

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

‘যেকোনও ইস্যুকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে বিতর্কিত করাই বিএনপির কাজ’

‘যেকোনও ইস্যুকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে বিতর্কিত করাই বিএনপির কাজ’

ভালোবাসার মানুষের জন্য রাজপ্রাসাদ ছাড়লেন জাপানের রাজকন্যা

ভালোবাসার মানুষের জন্য রাজপ্রাসাদ ছাড়লেন জাপানের রাজকন্যা

দুবলার চরে যাচ্ছেন জেলেরা 

দুবলার চরে যাচ্ছেন জেলেরা 

© 2021 Bangla Tribune