X
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

১৪ কোটি টাকার সিরিঞ্জ কিনবে সরকার

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:২০

১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকায় মোট ১১ কোটি অটো ডিজেবল (এডি) সিরিঞ্জ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি জানান, জেএমআই সিরিঞ্জেস অ্যান্ড মেডিক্যাল ডিভাইসেস লিমিটেড সরকারকে এ পণ্য সরবরাহ করবে।

এ ছাড়া সভায় অতিরিক্ত ৮০ হাজার টন জ্বালানি তেল জরুরি বিবেচনায় জি-টু-জি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোটেশন আহ্বানের মাধ্যমে আমদানির প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চতুর্থ লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্রানুলার ইউরিয়া সার প্রায় ১০৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া খনি থেকে কয়লা উত্তোলনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়ামকে। ৬ বছরের জন্য প্রায় ১ হাজার ৫০ কোটি টাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

/এসআই/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৫:২৯

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস স্বীকৃতির জন্য সরকার কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে। মাত্র ৯ মাসে ৩০ লাখ মানুষকে হত্যার মতো ঘটনা পৃথিবীতে আর ঘটেনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও এ পরিমাণ লোক মারা গেছে। কিন্তু আমাদের দেশের মতো এত অল্প সময়ে এত লোক কোথাও মারা যায়নি। তাই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশে যে গণহত্যা হয়েছিল, তাকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের প্রতি অনুরোধ রাখছি।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন মিলনায়তনে ৭৬তম জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ পয়েটস্ ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসেবে মর্যাদা দেওয়ার জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী কুটনৈতিকভাবে অনেক প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। আমরা আশাবাদী, বাংলা অচিরেই জাতিসংঘের অন্যতম দাফতরিক ভাষার স্বীকৃতি লাভ করবে। বঙ্গবন্ধু যখন ছিলেন, তিনি বলেছিলেন‑ আমি আমার মাতৃভাষায় জাতিসংঘে বক্তব্য রাখব, কিন্তু সে রেওয়াজ সেদিন ছিল না। তাঁর সম্মানে জাতিসংঘ বিশেষভাবে এ ব্যবস্থা করেছিল, যাতে তিনি নিজের ভাষায় বক্তব্য রাখতে পারেন।

রোহিঙ্গাদেরকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতিসংঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই,  রোহিঙ্গাদেরকে যেন সসম্মানে তাদের নিজেদের দেশে ফেরত নেওয়ার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে। তাদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য রোহিঙ্গা শিবিরে জাতিসংঘ বেশ উদ্যোগ নিচ্ছে। কিন্তু এটা আমাদের কাম্য নয়। আমাদের দাবি, তাদেরকে তাদের মাতৃভূমিতে ফেরত নিতে জাতিসংঘ যেন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন‑ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পাটওয়ারীসহ  অনেকে।

/জেডএ/এমএস/

সম্পর্কিত

বীর মুক্তিযোদ্ধা সবার সমাধি হবে একই ডিজাইনে: আ ক ম মোজাম্মেল হক

বীর মুক্তিযোদ্ধা সবার সমাধি হবে একই ডিজাইনে: আ ক ম মোজাম্মেল হক

‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের অধিকার সমান’

‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের অধিকার সমান’

জিয়াউর রহমানের লাশের ছবি দেখতে চাই: আ ক ম মোজাম্মেল হক

জিয়াউর রহমানের লাশের ছবি দেখতে চাই: আ ক ম মোজাম্মেল হক

‘এম ভি ইকরামকে’ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে রূপান্তর করা হবে: আ ক ম মোজাম্মেল হক

‘এম ভি ইকরামকে’ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে রূপান্তর করা হবে: আ ক ম মোজাম্মেল হক

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০২

দেশে সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠিত সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে কিছু কিছু ঘটনা মাঝে মধ্যে ঘটছে। এগুলো যে ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হচ্ছে তা আপনারা নিজেরাই টের পান। একইসঙ্গে অপপ্রচারও চালানো হয়।’ রবিবার (২৪ অক্টোবর) বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে পায়রা নদীর ওপর সেতুর উদ্বোধন করতে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এসব মন্তব্য করেন তিনি। একইসঙ্গে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-তামাবিল উভয় মহাসড়কে পৃথক এসএমভিটি লেনসহ ৬-লেন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সরকার প্রধান। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আর কখনও কেউ পেছনে টানতে পারবে না। কিন্তু আমরা যতই উন্নতি করি আর ভালো কাজ করি, একটা শ্রেণি আছে যারা বাংলাদেশের বদনাম করতে ব্যস্ত। তারা কী চায়? এ দেশের স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকুক সেটা চায় না তারা। একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হলে তাদের একটু কদর বাড়ে। সেজন্য তারা সবসময় উন্নয়নটা আর দেখে না। বরং তারা ধ্বংসই করতে চায়। এটাই বাস্তবতা। এ ব্যাপারে দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা করোনা মহামারি মোকাবিলা করেছি। টিকা দিচ্ছি। দেশের কোনও মানুষই টিকা থেকে বাদ থাকবে না। সবাইকে টিকা দিয়ে যাতে নিরাপদ থাকতে পারে সেই ব্যবস্থাও করবো। স্কুল-কলেজ ধীরে ধীরে খুলে দিচ্ছি, যাতে আমাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ায় কোনও প্রতিবন্ধকতা তৈরি না হয়।’

সশরীরে উপস্থিত থেকে পায়রা সেতু উদ্বোধন না করতে পারায় মন খারাপ হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যার। তার কথায়, ‘আমি নিজে উপস্থিত থেকে এই সেতুর ওপর দিয়ে যদি গাড়ি চালিয়ে যেতে পারতাম বা সেতুতে নেমে একটু দাঁড়াতে পারতাম বা একটু হাঁটতে পারতাম তাহলে সত্যি খুব ভালো লাগতো। পায়রা নদীটা যদি দেখতে পারতাম, এই নদীতে সবসময় স্পিডবোটে চড়েছি। কিন্তু করোনার কারণে বলতে গেলে বন্দি জীবন কাটছে। সেজন্য আর সেটা হলো না। তবে আমার আকাঙ্ক্ষা আছে, একদিন গাড়ি চালিয়ে এই সেতুতে অবশ্যই যাবো।’

সবশেষে সিলেট ও পটুয়াখালী প্রান্তে উপস্থিত উপকারভোগী, জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

গণভবন প্রান্ত থেকে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম। এছাড়াও ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ। 

/পিএইচসি/জেএইচ/

সম্পর্কিত

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০৭

আকাশপথে চলাচলে নতুন নিয়ম জারি করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করে শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে বেবিচকের সদস্য (ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশনস) গ্রুপ ক্যাপ্টেন চৌধুরী মো. জিয়াউল কবীর স্বাক্ষরিত নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে।

জানা গেছে, ১৩টি দেশ ছাড়া অন্য যেকোনও জায়গা থেকে করোনা প্রতিরোধক টিকা নিয়ে দেশে এলে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না। তবে টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ১৪ দিন বাড়িতে কোয়ারেন্টিন করা বাধ্যতামূলক।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ১৩টি দেশ থেকে করোনা প্রতিরোধক টিকা নিয়ে এলে সাতদিন বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। দেশগুলো হলো- আর্মেনিয়া, বুলগেরিয়া, এস্টোনিয়া, জর্জিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মালদোভা, মঙ্গোলিয়া, ফিলিস্তিন, রোমানিয়া, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া এবং ইউক্রেন। এসব দেশ থেকে টিকা না নিয়ে এলে একসপ্তাহ নিজ খরচে বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত হোটেলে কোয়ারেন্টিন করতে হবে। 

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসা যাত্রীরা

বেবিচক জানিয়েছে, বাংলাদেশে আসতে আগ্রহীদের অবশ্যই আরটি-পিসিআর পদ্ধতিতে করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকা চাই। ফ্লাইটে ভ্রমণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নমুনা পরীক্ষা করাতে হবে। তবে ১২ বছরের নিচে শিশুদের ক্ষেত্রে করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক নয়। ১৮ বছরের কম বয়সী যাত্রীরা টিকা না নিলেও টিকা নেওয়া পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশে আসতে পারবেন।

নতুন নিয়ম চালুর ফলে গত ১৬ আগস্ট জারি করা নির্দেশনা বাতিল হয়েছে।

/সিএ/জেএইচ/

সম্পর্কিত

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দুশ্চিন্তায় উপসচিবরা!

দুশ্চিন্তায় উপসচিবরা!

সর্বাধিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু

সর্বাধিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৩৪

পটুয়াখালীতে পায়রা নদীর ওপর নির্মিত সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (২৪ অক্টোবর) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি। একইসঙ্গে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-তামাবিল উভয় সড়কে পৃথক এসএমভিটি লেনসহ ৬-লেন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সরকার প্রধান।

পায়রা সেতু চালুর মাধ্যমে বরিশাল থেকে কুয়াকাটা যেতে আর ফেরির দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। আগে যেখানে বরিশাল থেকে কুয়াকাটা যেতে লাগতো ৬-৮ ঘণ্টা। এখন পায়রা সেতু চালুর ফলে লাগবে মাত্র ৩-৪ ঘণ্টা। আশা করা হচ্ছে, ফেরিবিহীন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হলে কুয়াকাটা সমুদ্রবন্দর ও এখানকার পর্যটনের আকর্ষণ বাড়বে। 

পটুয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কের লেবুখালী পয়েন্টে পায়রা সেতুর নির্মাণ প্রকল্প ২০১২ সালে অনুমোদন পায় একনেকে। ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লংজিয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ কনস্ট্রাকশনের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ কাজটি শুরু হয় ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই। কার্যাদেশে সেতু নির্মাণে ৩৩ মাস সময় বেঁধে দেওয়া হলেও দুই দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয় ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের আগেই যানচলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো।

প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৮২ ভাগ অর্থায়ন করেছে কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট এবং এপেক ফান্ড।

১ হাজার ৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৯ দশমিক ৭৬ মিটার প্রস্থের পায়রা সেতুর নকশা কিছুটা ব্যতিক্রম। চার লেনবিশিষ্ট এই স্থাপনা তৈরিতে ব্যবহার হয়েছে এক্সট্রাডোজড ক্যাবল স্টেইন্ড প্রযুক্তি। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর ওপর শাহ আমানত সেতু একই প্রযুক্তিতে নির্মিত।

পায়রা সেতুর দুই পাশ ক্যাবল­ দিয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। নদীর মাঝখানে রয়েছে কেবল একটি পিলার। ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ অব্যাহত থাকবে। সেতুটি নদীর ১৮ দশমিক ৩০ মিটার ওপরে। এখানে বাতি জ্বলবে সৌরবিদ্যুতের সহায়তায়।

/পিএইচসি/জেএইচ/

সম্পর্কিত

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

দুশ্চিন্তায় উপসচিবরা!

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৫:২৬

উপসচিব থেকে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এই পদোন্নতিকে ঘিরে দেখা দিয়েছে মেরুকরণ। পদোন্নতি প্রত্যাশী কর্মকর্তাদের অনেকের মধ্যে দুশ্চিন্তা থাকলেও ফুরফুরে মেজাজে আছেন প্রভাবশালীরা। তাদের ধারণা পদোন্নতি তাদের হবেই। কারণ তারা ‘সরকার সমর্থিত’। দুশ্চিন্তায় থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, রাজনৈতিক বিবেচনা করা হলে তাদের পদোন্নতি না-ও হতে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পদোন্নতি হবে যোগ্যদের।

জানা গেছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সুপেরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) বৈঠকে উপসচিব থেকে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। শিগগিরই পদোন্নতির তালিকা চূড়ান্ত হবে। এরইমধ্যে কর্মকর্তারা বিভিন্নভাবে নিজেদের পদোন্নতি নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছেন। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের তোড়জোড়। নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণে স্থানীয় সংসদ সদস্য বা মন্ত্রীর লিখিত ডিও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে জমা দিচ্ছেন কেউ কেউ। কেউ সরাসরি জনপ্রশাসনমন্ত্রী বা সচিবকে ফোনও করাচ্ছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবার যুগ্মসচিব পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিসিএস ২০তম ব্যাচ পর্যন্ত কর্মকর্তাদের বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ব্যাচে যোগদান করা কর্মকর্তা ২৯৭ জন। এর মধ্যে ২৬৮ জন উপসচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। ২০তম ব্যাচে যুগ্মসচিব হওয়ার যোগ্য ২৪৮ জন। সূত্র জানায়, এবারের পদোন্নতিতে উপসচিব পদমর্যাদার ৫৫৩ জন কর্মকর্তাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০তম ব্যাচ পর্যন্ত (লেফট আউটসহ) ৩২৪ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। ইকোনমিক ক্যাডার কর্মকর্তা রয়েছেন ৩৮ জন এবং অন্যান্য ক্যাডারের ১৯১ জন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রত্যেক কর্মকর্তার কর্মজীবনের সমস্ত নথি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় নম্বর, চাকরিজীবনের শৃঙ্খলা, দুর্নীতির বিষয়সহ সামগ্রিক বিষয় পর্যালোচনায় আসছে।

এসএসবির আরও বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানা গেছে। ওই বৈঠক শেষেই এসএসবিকে যুগ্মসচিব পদের জন্য তিন শতাধিক কর্মকর্তার নামের তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মেধার ভিত্তিতে যোগ্যদের পদোন্নতির জন্য বাছাই করলে কোনও দুশ্চিন্তার কথা উঠতো না। অতীতে সরকারের উচ্চপর্যায়ে পরিচিতি ও সম্পর্ক না থাকার কারণে দক্ষদের অনেকেই পদোন্নতি পাননি। মাঠ পর্যায়ে নেতিবাচক পারফরম্যান্স নিয়েও অনেকে রাজনৈতিক বিবেচনায় পদোন্নতি পেয়েছেন।

এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় পদোন্নতিবঞ্চিত করার অভিযোগ তো সব সরকারের সময়ই ছিল। এ ছাড়াও বিভিন্ন সংস্থার ত্রুটিপূর্ণ ও অসত্য প্রতিবেদনের কারণে অনেক মেধাবী কর্মকর্তাকে পদোন্নতিবঞ্চিত হতে হয় এমন অভিযোগও রয়েছে। তবে যারা মন্ত্রিপরিষদ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে কাজ করেন তাদের পদোন্নতিতে সমস্যা হয় না। কারণ দেশের সেরা অফিসারদের বাছাই করে এখানে পদায়ন করা হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, জনপ্রতিনিধিরা ডিও লেটার দিতেই পারেন। তবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পদোন্নতির একটা মাপকাঠি রয়েছে। যেকোনও পদোন্নতিতেই যোগ্যতা প্রধান বিবেচ্য। এ ক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় হওয়ার কথা নয়।

 

 

 
 
/এফএ/

সম্পর্কিত

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সর্বাধিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু

সর্বাধিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পায়রা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দুশ্চিন্তায় উপসচিবরা!

দুশ্চিন্তায় উপসচিবরা!

সর্বাধিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু

সর্বাধিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু

ক্যাম্পের দুষ্কৃতকারীরা রোহিঙ্গাদেরই অংশ

ক্যাম্পের দুষ্কৃতকারীরা রোহিঙ্গাদেরই অংশ

ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বে নাম্বার ওয়ান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বে নাম্বার ওয়ান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতিসংঘ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতিসংঘ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বশেষ

২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ

২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ

৬০ বছরে ৬ বন্ড, সেরা কে

৬০ বছরে ৬ বন্ড, সেরা কে

আট মাসেও রুলের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টের অসন্তোষ

অর্থপাচার মামলাআট মাসেও রুলের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টের অসন্তোষ

জনবল নিচ্ছে জেমকন গ্রুপ

জনবল নিচ্ছে জেমকন গ্রুপ

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপশ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

© 2021 Bangla Tribune