X
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

হায়দরাবাদকে হারিয়ে শীর্ষে দিল্লি

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:২৮

বড্ড বিবর্ণ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২০২১ সালের আইপিএলের প্রথম পর্ব ভালো যায়নি। করোনাভাইরাস বিরতির পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরা দ্বিতীয় পর্বেও একই হাল তাদের। আট ম্যাচে সপ্তম হারের মুখ দেখলো কেন উইলিয়ামসনরা! আর তাদের হারিয়ে নবম ম্যাচে সপ্তম জয়ে আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ফিরেছে দিল্লি ক্যাপিটালস।

বুধবার দুবাইয়ের ম্যাচে হায়দরাবাদকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে দিল্লি। কাগিসো রাবাদা (৩/৩৭), আনরিখ নর্কিয়া (২/১২) ও অক্ষর প্যাটেলের (২/২১) চমৎকার বোলিংয়ের সামনে হায়দরাবাদ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে করতে পারে ১৩৪ রান। এই লক্ষ্য পেরোতে কোনও অসুবিধাই হয়নি দিল্লির। ১৩ বল আগে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে ঋষভ পান্তরা। ফলে ৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে গেছে দিল্লি। এক ম্যাচ কম খেলা হায়দরাবাদ মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে।

টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া হায়দরাবাদের শুরুটা একেবারেই ভালো ছিল না। ইনিংসের তৃতীয় বলে রানের খাতা খোলার আগেই নর্কিয়ার শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ডেভিড ওয়ার্নার। ওই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি তারা। এরপর রাবাদার ছোবল। ১৮ রান করা আরেক ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহাকে তুলে নেন প্রোটিয়া পেসার।

দিল্লির বোলারদের সামনে সর্বোচ্চ ২৮ রান করেছেন আব্দুল সামাদ। ২২ রান আসে রশিদ খানের ব্যাট থেকে। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ২৬ বলে ১৮ রান করে অক্ষরের শিকার। মনিশ পান্ডে করেন ১৭ রান।

১৩৫ রানের লক্ষ্যটা সহজেই টপকে যায় দিল্লি। ১১ রান করে পৃথ্বি শ প্যাভিলিয়নে ফিরলেও আরেক ওপেনার শিখর ধাওয়ান বাড়িয়ে নেন দলের রান। ৩৭ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৪২ রান করেন শিখর। তার বিদায়ের পর বাকি কাজ সেরেছেন শ্রেয়াস আইয়ার ও পান্ত। চোট কাটিয়ে আইপিএলে ফিরেই দুর্দান্ত আইয়ার। ৪১ বলে ২ চার ও সমান ছক্কায় খেলেন হার না মানা ৪৭ রানের ইনিংস। অধিনায়ক পান্ত ২১ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৩৫ রানে।

হায়দরাবাদের রশিদ ও খলিল আহমেদ নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

/কেআর/

সম্পর্কিত

ওমানকে হারিয়ে টিকে থাকলো বাংলাদেশ

ওমানকে হারিয়ে টিকে থাকলো বাংলাদেশ

সাকিবের জোড়ায় ওমানকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ

সাকিবের জোড়ায় ওমানকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ

সেই যতীন্দরকে ফেরালেন সাকিব

সেই যতীন্দরকে ফেরালেন সাকিব

মোস্তাফিজের দারুণ ক্যাচে মেহেদীর উইকেট

মোস্তাফিজের দারুণ ক্যাচে মেহেদীর উইকেট

৫ গোলে জিতলো রিয়াল মাদ্রিদ, আতলেতিকোকে হারালো লিভারপুল

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০৮

প্রথমার্ধের শেষ দিকে আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে থেকে শাখতার দোনেস্ক লড়াই করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কোনভাবেই গোল শোধ দিতে পারেনি। বরং বিরতির পর রিয়াল মাদ্রিদ ভয়ংকর ওঠে। তাদের আক্রমণের চাপে দিশেহারা শাখতার! রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছে আনচেলত্তির দল। ভিনিসিয়াস জুনিয়রের জোড়ায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সফল ক্লাবটি ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে শাখতার দোনেস্ককে।

‘ডি’ গ্রুপে তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান ম্যাচে শাখতার দুই হারে আগের এক পয়েন্ট নিয়ে আছে। অথচ সাম্প্রতিক সময়টা ততটা ভালো যাচ্ছে না রিয়াল মাদ্রিদের। আগের ম্যাচে গত মাসে ২-১ গোলে হেরেছে শেরিফের কাছে। এছাড়া লা লিগায় এস্পানিওলের কাছেও হারতে হয়েছে।

প্রতিপক্ষের মাঠে বল দখলে এগিয়ে থেকে ৩৭ মিনিটে ক্রিভসভের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে রিয়াল বিরতির পর আধিপত্য দেখাতে থাকে। ভিনিসিয়াস জুনিয়র ৫ মিনিটের মধ্যে দুটি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। ৫১ ও ৫৬ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করেছেন এই ব্রাজিলিয়ান।

৬৪ মিনিটে রদ্রিগো চতুর্থ গোলটি করে প্রতিপক্ষকে আরও চাপে ফেলেন। যোগ করা সময়ে করিম বেনজেমা লক্ষ্যভেদ করে দলকে বড় জয়ে সহায়তা করেন।

একই দিনে লিভারপুল মোহামেদ সালাহর জোড়ায় ৩-২ গোলে আতলেতিকো মাদ্রিদকে, ম্যান সিটি ৫-১ গোলে ক্লাব বুর্জকে, পোর্তো ১-০ গোলে এসি মিলানকে, ইন্টার মিলান ৩-১ গোলে শেরিফকে, আয়াক্স ৪-০ গোলে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে হারায়।

 

/টিএ/এলকে/

সম্পর্কিত

মেসির জোড়ায় পিএসজির রোমাঞ্চকর জয়

মেসির জোড়ায় পিএসজির রোমাঞ্চকর জয়

কুয়েত নয়, উজবেকিস্তানে খেলবে বাংলাদেশ

কুয়েত নয়, উজবেকিস্তানে খেলবে বাংলাদেশ

চার জাতি ফুটবলে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ সেশেলস

চার জাতি ফুটবলে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ সেশেলস

মেসির জোড়ায় পিএসজির রোমাঞ্চকর জয়

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৯

শুরুতে গোল করে এগিয়ে যায় প্যারিস সেন্ত জার্মেই। কিন্তু লাইপজিগ ম্যাচে ফিরতে সময় নেয়নি। শুধু তাই নয়, একপর্যায়ে লিডও নেয়। তখনও ম্যাচে হাল ছাড়েনি পচেত্তিনোর দল। দারুণ ঝলক দেখালেন লিওনেল মেসি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এই আর্জেন্টাইন তারকার জোড়া লক্ষ্যভেদে পিএসজি ৩-২ গোলে রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে।

পিএসজি ‘এ’ গ্রুপে তিন ম্যাচে দুই জয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। তিন ম্যাচের সবকটিতে হারে লাইপিজিগ তলানিতে।

পার্ক দি প্রিন্সেসে বল নিয়ন্ত্রণে রেখে পিএসজি শুরুর দিকে প্রথমে গোল করে এগিয়ে যায়। ৯ মিনিটে ড্রাক্সলারের এসিস্টে এমবাপ্পে লক্ষ্যভেদ করে স্কোরলাইন ১-০ করেন।

পিছিয়ে থেকে লাইপজিগ গোল শোধ দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। দুবার সুযোগ পেয়ে লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ২৬ ও ২৭ মিনিটে তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন গোলকিপার নাভাস ও ডিফেন্ডাররা। তবে ২৮ মিনিটে ঠিকই ম্যাচে সমতা নিয়ে আসে জার্মান ক্লাবটি। অ্যান্জেলিনোর ক্রসে আন্দ্রে সিলভা গোলকিপার নাভাসকে পরাস্ত করতে ভুল করেননি।

১-১ স্কোরলাইন রেখে দুইদল বিরতিতে গেছে। সেখান থেকে ফিরে লাইপজিগ ব্যবধান বাড়িয়ে নেয়।

৫৭ মিনিটে আবারও এসিস্টের ভূমিকায় অ্যান্জেলিনো। এই মিডফিল্ডারের ক্রসে মুকিয়েলে দারুণ ভলিতে লক্ষ্যভেদ করে লাইপজিগকে এগিয়ে নেন।

এরপরই মেসি জাঁদু শুরু।

৬৭ মিনিটে পিএসজি ম্যাচে সমতায় ফেরে। এমবাপ্পের সহযোগিতায় লিওনেল মেসি আলতো টোকায় গোল করে দলকে স্বস্তি এনে দেন। ৭৩ মিনিটে এমবাপ্পেকে ফাউল করেন এক ডিফেন্ডার। পেনাল্টি থেকে মেসি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। আর এই গোলেই শেষ পর্যন্ত পিএসজির তিন পয়েন্ট নিশ্চিত হয়েছে।

/টিএ/এলকে/

সম্পর্কিত

৫ গোলে জিতলো রিয়াল মাদ্রিদ, আতলেতিকোকে হারালো লিভারপুল

৫ গোলে জিতলো রিয়াল মাদ্রিদ, আতলেতিকোকে হারালো লিভারপুল

কুয়েত নয়, উজবেকিস্তানে খেলবে বাংলাদেশ

কুয়েত নয়, উজবেকিস্তানে খেলবে বাংলাদেশ

চার জাতি ফুটবলে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ সেশেলস

চার জাতি ফুটবলে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ সেশেলস

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

ঘাম দিয়ে যেন জ্বর ছাড়লো

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ০২:২৯

ওমানের বিপক্ষে হাঁফ ছাড়া জয় পেলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। উদ্বোধনী ম্যাচে আইসিসির সহযোগী সদস্য স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে লজ্জার হার। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) ওমানের বিপক্ষে হারলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হতো মাহমুদউল্লাহর দলকে। সহযোগী দুই সদস্যের বিপক্ষে এই বিদায়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটের 'এপিটাফ' লেখা হয়ে যেতো। শেষ পর্যন্ত তা হতে দেননি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ওমানকে ২৬ রানে হারিয়েই মূল পর্বে খেলার সম্ভবনা বাঁচিয়ে রাখলো টাইগাররা।

১৮৮২ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে 'অ্যাশেজ' হারে ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ড। এরপর ব্রিটিশ সংবাদপত্র ইংল্যান্ডের ক্রিকেটের মৃত্যুর ঘোষণা দিয়ে তাদের কাগজে 'এপিটাফ' ছাপিয়ে দেয়। সেবার ইংল্যান্ডে গিয়ে যেন ইংলিশদের খুন করেছিল অস্ট্রেলিয়া। এবার আইসিসির সহযোগী সদস্য ওমানের মাটিতে খুন হতে বসেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল! কিন্তু দলীয় পারফরম্যান্সে বেঁচে গেলো মাহমুদউল্লাহর দল।

বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরু হচ্ছে ২৩ অক্টোবর। তার আগে ওমান থেকে চারটি দলকে আরব আমিরাতে যাওয়ার টিকিট কাটতে হতো। গ্রুপ ‘এ’ তে থাকা শ্রীলঙ্কা প্রত্যাশিত ভাবেই ম্যাচ জিতছে। কিন্তু গ্রুপ ‘বি’ তে থাকা বাংলাদেশে শুরুতেই স্কটিশেদের কাছে হোঁচট খায়। ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ে আইসিসির সহযোগী সদস্য দেশের সঙ্গে হেরে মূল পর্বে যাওয়ার সমীকরণটাই কঠিন করে ফেলে। সুপার-১২ তে খেলতে হলে ওমান ও পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিলো না বাংলাদেশের সামনে।

এমন সমীকরণ নিয়েই মঙ্গলবার রাতে ভয়, শঙ্কা আর উৎকণ্ঠার মধ্যেই মরুর বুকে ফুল ফুটিয়েছে বাংলাদেশ। ওমান সহযোগী সদস্য দেশ হয়েও বাংলাদেশের স্নায়ুর পরীক্ষা বেশ ভালো করেই নিয়েছে।

প্রথম পাওয়ার প্লেতে স্ট্রাইক রোটেট করতে পারেনি লিটন—নাঈম। প্রথম ৬ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৯। এখানেই মূলত পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ দল। ১১ ওভারের পর টানা তিন ওভারে নাঈম শেখ ও সাকিব আল  হাসান রানের গতি বাড়ালেও স্কোরবোর্ড বড় করতে সেটি যথেষ্ট ছিল না। তারপরও মনে হচ্ছিলো ১৭০- এর বেশি রান হবে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ রানের ইনিংস খেলা নাঈমের ব্যাটিং নিয়েও প্রশ্ন আছে। শুরুতে দলকে চাপে ফেলতে তারও দায় আছে। শেষ তিন ওভারে বাংলাদেশের ব্যাটাররা ১৬ রান তুলতেই হারান চার উইকেট। ফলে ১৫৩ রানের পুঁজি নিয়েই লড়াই করতে হয় ওমানের বিপক্ষে।

২০ ওভারের ক্রিকেটে ১৫৪ রান সহজ লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে দারুণ শুরু পায় ওমান। মাহমুদউল্লাহরা যেটি পারেননি সেটিই করে দেখিয়েছেন ওমানের ব্যাটাররা। প্রথম পাওয়ার প্লে ব্যবহার করে এক উইকেট হারিয়ে ওমান ৪৭ রান তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ১৩ তম ওভারের শেষ বলে জাতিন্দারকে ফেরানোর পর ম্যাচ বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা চলে আসে। কিন্তু ভয় ছিল তাসকিন তার কোটা পূরণ করতে পারবেন কিনা। প্রথম তিন ওভারে ভালো বল করতে পারেননি এই পেসার। তবে নিজের শেষ ওভারে স্লোয়ার মেরে মাত্র চার রান খরচ করেন তিনি। বাকি কাজটুকু দারুণ ভাবে শেষ করেন মোস্তাফিজ ও সাইফউদ্দিন। এদিন মোস্তাফিজ বেশ খরুচে বোলিং করলেও ওমানের ব্যাটিংলাইনআপ ভেঙ্গে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তারই।

ব্যাটে-বলে অলরাউন্ডস পারফরম্যান্সে ম্যাচ সেরার পুরষ্কার জিতে নিয়েছেন সাকিব। যদিও এখানে সবচেয়ে বড় অবদান মেহেদী ও সাইফউদ্দিনের। অফস্পিনার মেহেদী নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৪ রান খরচ করে একটি উইকেট নিয়েছেন। অন্যদিকে সাইফউদ্দিন ১৬ রান খরচায় নিয়েছেন একটি উইকেট। শুরুতে মাহমুদউল্লাহ-মোস্তাফিজের হাত ফসকে দুটি ক্যাচ মিস হলেও পুরো সময়টাতেই লড়াই করেই জিততে হয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলকে।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ওমানকে হারিয়ে টিকে থাকলো বাংলাদেশ

ওমানকে হারিয়ে টিকে থাকলো বাংলাদেশ

সাকিবের জোড়ায় ওমানকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ

সাকিবের জোড়ায় ওমানকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ

সেই যতীন্দরকে ফেরালেন সাকিব

সেই যতীন্দরকে ফেরালেন সাকিব

মোস্তাফিজের দারুণ ক্যাচে মেহেদীর উইকেট

মোস্তাফিজের দারুণ ক্যাচে মেহেদীর উইকেট

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

ওমানকে হারিয়ে টিকে থাকলো বাংলাদেশ

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ০০:৫১

একটা ম্যাচ হেরেই সব এলোমেলো! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘মূল মঞ্চ’ সুপার টুয়েলভে খেলতে পারবে তো বাংলাদেশ? সংশয়ের সঙ্গে প্রশ্নের দানা বাঁধতে থাকে। বিদায়ের শঙ্কাও তো চোখ রাঙাচ্ছিল। ওমানের কাছে হারলেই যে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় লজ্জায় ডুবতে হবে। সব মিলিয়ে চাপের বোঝা মাথায় নিয়ে নামা বাঁচা-মরার লড়াইয়ে উতরে গেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ওমানকে ২৬ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিকে থাকলো মাহমুদউল্লাহরা।

মঙ্গলবার ওমানের আল আমিরাত স্টেডিয়ামে জয়ের এই ব্যবধানে অবশ্য বোঝা যাবে না কতটা চাপে ও অস্বস্তিতে ছিল বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানের জোড়া আঘাতের আগে উল্টো ওমানই চাপে রেখেছিল। যদিও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে আটকে দিয়েছে ওমানকে। ২০ ওভারে বাংলাদেশের করা ১৫৩ রানের জবাবে ওমান ৯ উইকেটে করতে পারে ১২৭ রান।

বাংলাদেশ জিতলেও ‘বি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানেই রয়েছে। দুই ম্যাচে ২ পয়েন্ট (+০.৫০) মাহমুদউল্লাহদের। সমান ম্যাচে ওমানের পয়েন্টও ২। তবে নেট রানরেটে এগিয়ে ওমান (+০.৬১৩)। আর এই গ্রুপে টানা দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে স্কটল্যান্ড। অন্যদিকে দুই ম্যাচে কোনও পয়েন্ট না পেয়ে পাপুয়া নিউগিনির বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে।

১২ ওভার পর্যন্ত ম্যাচ জমিয়ে রেখেছিল ওমান। বলা ভালো, জয়ের পাল্লা তাদের দিকেই ছিল হেলে। ১২.৫ ওভারে সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৯০ রান। এরপরই শুরু সাকিব ও মোস্তাফিজের দাপট। তাদের সামনে পরের ব্যাটারদের শুধু আসা-যাওয়া। বিশেষ করে, যতীন্দর সিংয়ের বিদায়ের পর ধসে পড়ে ওমানের ব্যাটিং লাইনআপ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার মোস্তাফিজ। ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে তার শিকার ৪ উইকেট। আর ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা সাকিব ৪ ওভারে ২৮ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। আর একটি করে উইকেট পেয়েছেন ‍মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও শেখ মেহেদী হাসান।

মোস্তাফিজে শুরু...

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে জিততেই হবে। বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ওমানকে ১৫৪ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ। স্কোরটা খুব একটা বড় করতে না পারায় বোলিংয়ে দারুণ শুরুর প্রয়োজন ছিল। সেই শুরুটাই এনে দিলেন মোস্তাফিজ। এই পেসার বাংলাদেশকে এনে দেন প্রথম উইকেট।

বল হাতে তুলে নিয়ে প্রথম ডেলিভারি ওয়াইড দিলেন মোস্তাফিজ। তবে দ্বিতীয় ডেলিভারি, মানে প্রথম সঠিক ডেলিভারিতেই উইকেট তুলে নিলেন বাঁহাতি পেসার। আকিব ইলিয়াসকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান। এই ব্যাটার রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। ৬ বলে ৬ রান করে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে।

মোস্তাফিজের উইকেট উৎসব চলমান ছিল। যদিও মাঝে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ মিসে হতাশ হতে হয়। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে যতীন্দর সিংকে ফেরাতে পারতো বাংলাদেশ। মোস্তাফিজের স্লোয়ারে বিগ হিট খেলতে চেয়েছিলেন ওমান ব্যাটার। কিন্তু বল তার ব্যাটের ওপরের দিকে লেগে উঠে যায়। পিচের কাছাকাছি জায়গায় অনেক উঁচুতে উঠেছিল বল। ক্যাচ নেওয়ার সুযোগ ছিল অন্তত তিনজনের। যদিও মাহমুদউল্লাহ নিজেই দায়িত্ব নিতে চাইলেন, কিন্তু পারলেন না। ছাড়লেন ক্যাচ।

তবে ওই ওভারের চতুর্থ বলেই উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজ। যদিও যতীন্দরের নয়, বাঁহাতি পেসার তুলে নেন কাশ্যপ প্রজাপতির উইকেট। উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসে ধরা পড়ার প্রজাপতি ১৮ বলে ১ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় করেন ২১ রান।

এরপর চলেছে ওমানের দাপট। তাই প্রয়োজন ছিল একটি ব্রেক থ্রুর। শেখ মেহেদী হাসানের সৌজন্যে সেটি পেয়ে যায় বাংলাদেশ। তবে তার উইকেট উদযাপনে আছে মোস্তাফিজুর রহমানের দারুণ ভূমিকা। এই পেসারের চমৎকার ক্যাচে বিদায় নিয়েছেন ওমান অধিনায়ক জিসান মাকসুদ।

ওমান অধিনায়ককে খুব বেশি বাড়তে দেননি মেহেদী। এমনিতেই একটু চাপে ছিলেন ওমান অধিনায়ক। বাংলাদেশি স্পিনারের বলে বাউন্ডারির আশায় শটস খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ডিপ স্কয়ার লেগে মোস্তাফিজের চমৎকার ক্যাচের শিকার হন। ফেরার আগে ১৬ বলে ১২ রান করেন মাকসুদ।

সাকিবের জাদু

১০ রানে ফিরতে পারতেন যতীন্দর সিং। অথচ তিনি যোগ করে গেলেন আরও ৩০ রান। মাহমুদউল্লাহর ‘সৌজন্যে’ দ্বিতীয় জীবন পেয়ে ওমানকে এগিয়ে নেওয়া এই ব্যাটারকে অবশেষে থামালেন সাকিব আল হাসান। এই স্পিনারের বলে ৪০ রান করে ফেরেন যতীন্দর।

বোলিংয়ে খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না সাকিব। তবে ওমানের সবচেয়ে ‍গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটিই নিয়েছেন তিনি। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বেঁচে যাওয়া যতীন্দর একটু একটু করে বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন দলের রান। চাপ তৈরি করা এই ব্যাটারকে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে ফিরিয়েছেন সাকিব। ডিপ স্কয়ার লেগে লিটনের হাতে ধরা পড়ার আগে যতীন্দর ৩৩ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় খেলেন ৪০ রানের ইনিংস।

পরের গল্পটাও সাকিবময়। ওমানের টপ অর্ডার ব্যাটাররা ভীষণ চাপে রেখেছিল বাংলাদেশকে। ক্যাচ মিস কিংবা উইকেট না আসায় অস্বস্তিতে ছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। তবে সাকিবের জোড়া আঘাতে উল্টো ওমানকে চেপে ধরে বাংলাদেশ।

নিজের আগের ওভারে যতীন্দর সিংকে আউট করেছিলেন সাকিব। এরপর তুলে নেন ২ উইকেট। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগিয়েছিলেন তিনি। তা না হলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশ ক্যাম্পে স্বস্তি ফেরান এই স্পিনার। পরপর দুই বলে ফেরান আয়ান খান (৯) ও নাসিম খুশিকে (৪)।

এরপর ওমানের টেল এন্ডারদের বাড়তে দেননি মোস্তাফিজ। তিন বলের মধ্যে দুই ব্যাটারকে ফিরিয়ে বাঁহাতি পেসার নিশ্চিত করেন দলের জয়।

বাংলাদেশের ১৫৩

নাঈম শেখ ও সাকিব আল হাসানের ইনিংস দুটি বাদ দিলে আবারও হতাশার ছবি বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। নাঈম হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে খেলেছেন ৬৪ রানের ইনিংস। আর সাকিব করেন ৪২ রান। এ দুজন ছাড়া কেবল মাহমুদউল্লাহই যেতে পেরেছেন দুই অঙ্কের ঘরে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষেও তাই সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে করেছে ১৫৩ রান।

দারুণ এক হাফসেঞ্চুরি করে ফিরেছেন নাঈম। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‍ওমানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ পেয়ে ৫০ বলে করেছেন ৬৪ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪২ রান সাকিবের। রান আউট হওয়ার আগে ২৯ বলে ৬ বাউন্ডারিতে করেন ৪২ রান। আর শেষ দিকে ১০ বলে ১৭ রান করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। এছাড়া বাকি সবাই ব্যর্থ। কিছুই করতে পারেননি লিটন দাস (৬), শেখ মেহেদী হাসান (০), নুরুল হাসান সোহান (৩) ও আফিফ হোসেন (১)। আবারও ব্যর্থ হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। ৪ বলে মাত্র ৬ রান করে ফিরে যান। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন তো প্রথম বলেই ফিরে যান খালি হাতে। শেষ ব্যাটার হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান আউট হন ২ রানে। আর তাসকিন আহমেদ অপরাজিত ১ রানে।

ওমানের সবচেয়ে সফল বোলার বিলাল খান। এই পেসার ৪ ‍ওভারে মাত্র ১৮ রানে নেন ৩ উইকেট। ফায়াজ বাটও পেয়েছেন ৩ উইকেট, তবে ৪ ওভারে তার খরচ ৩০। এছাড়া কলিমউল্লাহ ৪ ওভারে ৩০ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।

/কেআর/

সম্পর্কিত

ঘাম দিয়ে যেন জ্বর ছাড়লো

ঘাম দিয়ে যেন জ্বর ছাড়লো

সাকিবের জোড়ায় ওমানকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ

সাকিবের জোড়ায় ওমানকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ

সেই যতীন্দরকে ফেরালেন সাকিব

সেই যতীন্দরকে ফেরালেন সাকিব

সাকিবের জোড়ায় ওমানকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২৩:৫০

ওমানের টপ অর্ডার ব্যাটাররা ভীষণ চাপে রেখেছিল বাংলাদেশকে। ক্যাচ মিস কিংবা উইকেট না আসায় অস্বস্তিতে ছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। তবে সাকিব আল হাসানের জোড়া আঘাতে উল্টো ওমানকে এখন চেপে ধরেছে বাংলাদেশ।

আজ (মঙ্গলবার) ওমানের আল আমিরাত স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-ওমান। সাকিবের জোড়া ধাক্কায় ওমান হারিয়েছে সপ্তম উইকেট। ১৫৪ রানের লক্ষ্যে তাদের স্কোর ১৭ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৫ রান।

নিজের আগের ওভারে যতীন্দর সিংকে আউট করেছিলেন সাকিব। এরপর তুলে নেন ২ উইকেট। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগিয়েছিলেন তিনি। তা না হলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশ ক্যাম্পে স্বস্তি ফেরান এই স্পিনার। পরপর দুই বলে ফেরান আয়ান খান (৯) ও নাসিম খুশিকে (৪)।

সেই যতীন্দরকে ফেরালেন সাকিব

১০ রানে ফিরতে পারতেন যতীন্দর সিং। অথচ তিনি যোগ করে গেলেন আরও ৩০ রান। মাহমুদউল্লাহর ‘সৌজন্যে’ দ্বিতীয় জীবন পেয়ে ওমানকে এগিয়ে নেওয়া এই ব্যাটারকে অবশেষে থামালেন সাকিব আল হাসান। এই স্পিনারের বলে ৪০ রান করে ফিরেছেন যতীন্দর।

বোলিংয়ে খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না সাকিব। তবে ওমানের সবচেয়ে ‍গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটিই নিয়েছেন তিনি। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বেঁচে যাওয়া যতীন্দর একটু একটু করে বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন দলের রান। চাপ তৈরি করা এই ব্যাটারকে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে ফিরিয়েছেন সাকিব।

ডিপ স্কয়ার লেগে লিটনের হাতে ধরা পড়ার আগে যতীন্দর ৩৩ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় খেলেন ৪০ রানের ইনিংস।

মোস্তাফিজের দারুণ ক্যাচে মেহেদীর উইকেট

প্রয়োজন ছিল একটি ব্রেক থ্রুর। শেখ মেহেদী হাসানের সৌজন্যে সেটি পেয়ে গেলো বাংলাদেশ। তবে তার উইকেট উদযাপনে আছে মোস্তাফিজুর রহমানের দারুণ ভূমিকা। এই পেসারের চমৎকার ক্যাচে বিদায় নিয়েছেন ওমান অধিনায়ক জিসান মাকসুদ।

মাকসুদকে খুব বেশি বাড়তে দেননি মেহেদী। এমনিতেই একটু চাপে ছিলেন ওমান অধিনায়ক। বাংলাদেশি স্পিনারের বলে বাউন্ডারির আশায় শটস খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ডিপ স্কয়ার লেগে মোস্তাফিজের চমৎকার ক্যাচের শিকার হন। ফেরার আগে ১৬ বলে ১২ রান করেন ওমান অধিনায়ক।

মাহমুদউল্লাহ ক্যাচ ছাড়লেও দমে যাননি মোস্তাফিজদুই বল আগেই উইকেট উৎসব করতে পারতেন মোস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ ক্যাচ ছাড়লেন। হতাশা স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছিল মোস্তাফিজের চোখেমুখে। তবে দমে যাননি। ওই ওভারেই উইকেট তুলে নিয়েছেন বাঁহাতি পেসার।

ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে যতীন্দর সিংকে ফেরাতে পারতো বাংলাদেশ। মোস্তাফিজের স্লোয়ারে বিগ হিট খেলতে চেয়েছিলেন ওমান ব্যাটার। কিন্তু বল তার ব্যাটের ওপরের দিকে লেগে উঠে যায়। পিচের কাছাকাছি জায়গায় অনেক উঁচুতে উঠেছিল বল। ক্যাচ নেওয়ার সুযোগ ছিল অন্তত তিনজনের। যদিও মাহমুদউল্লাহ নিজেই দায়িত্ব নিতে চাইলেন, কিন্তু পারলেন না। ছাড়লেন ক্যাচ।

তবে ওই ওভারের চতুর্থ বলেই উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজ। যদিও যতীন্দরের নয়, বাঁহাতি পেসার তুলে নেন কাশ্যপ প্রজাপতির উইকেট। উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসে ধরা পড়ার প্রজাপতি ১৮ বলে ১ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় করেন ২১ রান।

মোস্তাফিজ এনে দিলেন প্রথম উইকেট

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে জিততেই হবে। বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ওমানকে ১৫৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। স্কোরটা খুব একটা বড় করতে না পারায় বোলিংয়ে দারুণ শুরুর প্রয়োজন ছিল। সেই শুরুটাই এনে দিলেন মোস্তাফিজ ‍রহমান। এই পেসার বাংলাদেশকে এনে দিয়েছেন প্রথম উইকেট।

বল হাতে তুলে নিয়ে প্রথম ডেলিভারি ওয়াইড দিলেন মোস্তাফিজ। তবে দ্বিতীয় ডেলিভারি, মানে প্রথম সঠিক ডেলিভারিতেই উইকেট তুলে নিলেন বাঁহাতি পেসার। আকিব ইলিয়াসকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান। এই ব্যাটার রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। ৬ বলে ৬ রান করে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে।

বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৫৩

নাঈম শেখ ও সাকিব আল হাসানের ইনিংস দুটি বাদ দিলে আবারও হতাশার ছবি বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। নাঈম হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে খেলেছেন ৬৪ রানের ইনিংস। আর সাকিব করেন ৪২ রান। এ দুজন ছাড়া কেবল মাহমুদউল্লাহই যেতে পেরেছেন দুই অঙ্কের ঘরে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষেও তাই সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে করেছে ১৫৩ রান।

দারুণ এক হাফসেঞ্চুরি করে ফিরেছেন নাঈম। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‍ওমানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ পেয়ে ৫০ বলে করেছেন ৬৪ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪২ রান সাকিবের। রান আউট হওয়ার আগে ২৯ বলে ৬ বাউন্ডারিতে করেন ৪২ রান। আর শেষ দিকে ১০ বলে ১৭ রান করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। এছাড়া বাকি সবাই ব্যর্থ। কিছুই করতে পারেননি লিটন দাস (৬), শেখ মেহেদী হাসান (০), নুরুল হাসান সোহান (৩) ও আফিফ হোসেন (১)। আবারও ব্যর্থ হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। ৪ বলে মাত্র ৬ রান করে ফিরে যান। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন তো প্রথম বলেই ফিরে যান খালি হাতে। শেষ ব্যাটার হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান আউট হন ২ রানে। আর তাসকিন আহমেদ অপরাজিত ১ রানে।

ওমানের সবচেয়ে সফল বোলার বিলাল খান। এই পেসার ৪ ‍ওভারে মাত্র ১৮ রানে নেন ৩ উইকেট। ফায়াজ বাটও পেয়েছেন ৩ উইকেট, তবে ৪ ওভারে তার খরচ ৩০। এছাড়া কলিমউল্লাহ ৪ ওভারে ৩০ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।

/কেআর/

সম্পর্কিত

ঘাম দিয়ে যেন জ্বর ছাড়লো

ঘাম দিয়ে যেন জ্বর ছাড়লো

ওমানকে হারিয়ে টিকে থাকলো বাংলাদেশ

ওমানকে হারিয়ে টিকে থাকলো বাংলাদেশ

সেই যতীন্দরকে ফেরালেন সাকিব

সেই যতীন্দরকে ফেরালেন সাকিব

সর্বশেষসর্বাধিক
© 2021 Bangla Tribune