X
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ৩ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

একটি হাত ব্যাগ ও সৌদি আরব প্রবাসীর কান্না-হাসি

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:০৫

বিমানবন্দর এক অদ্ভুত রঙ্গমঞ্চ। কেউ বেড়াতে, কেউ জীবন-জীবিকার তাগিদে দেশ থেকে দেশান্তর হয় এ মঞ্চ থেকে। একদিকে প্রিয়জনকে নিয়ে বাড়ি ফেরার আনন্দ, অন্যদিকে প্রিয়জনকে বিদায় দেওয়ার বেদনা; দুটো চিত্রেরই দেখা মেলে বিমানবন্দরে। এর বাইরে নানা ঘটনায় কত শত গল্প। আজকের গল্প সৌদি আরব প্রবাসী ইউসুফ কবিরকে নিয়ে। সৌদি থেকে দেশে ফিরে স্বজনের কাছে যাওয়ার আনন্দ মুহূর্তেই মলিন হয়ে গেলো তার। তবে সেটাও ক্ষণিকের জন্য। একটি হাত ব্যাগকে ঘিরে তার কান্না-হাসি।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশের অফিসে মলিন মুখে বসে আছেন ইউসুফ কবির। দুচোখ ভেজা তার। কান্না করছেন আর আর্মড পুলিশ সদস্যদের কাছে সাহায্য চাইছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মানুষের পোস্টে তিনি দেখেছেন পুলিশের এই ইউনিট প্রবাসীদের হারানো কিংবা চুরি হওয়া জিনিসপত্র উদ্ধার করে দিচ্ছে। শুধু বিমানবন্দর নয়, ঢাকার বাইরে অন্য জেলা থেকেও উদ্ধার হচ্ছে খোয়া যাওয়া মালামাল। তাই আত্মবিশ্বাস নিয়ে তিনিও এসেছেন আর্মড পুলিশের কাছে। 

২১ বছর ধরে সৌদি আরবে আছেন ইউসুফ। এবার ছুটিতে এসেছেন বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর)। ইমিগ্রেশন ঠিকঠাক মতো করে বেল্টে গিয়ে ব্যাগেজ পেয়েছেন কোনও ঝামেলা ছাড়াই। তারপর এলেন কাস্টম জোনে, সেখানে তার লাগেজগুলো তল্লাশি করা হয়। ইউসুফ কবিরও সহায়তা করলেন কাস্টমস কর্মকর্তাদের। নিজেই নিজের ব্যাগ স্কানিং মেশিনে দিলেন। তল্লাশি শেষে বের হয়ে এলেন টার্মিনাল থেকে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে বাবা, ছেলেসহ স্বজনরা এসেছেন তাকে নিয়ে যেতে। তর আর সইছে না তার।

আর্মড পুলিশের কাছ থেকে হাত ব্যাগ নিচ্ছেন ইউসুফ কবির ইউসুফ কবির বলেন, ‘গাড়ি নিয়ে আমরা রওনা হলাম। পথে দাউদকান্দি এলাকায় আমরা একটি হোটেলে থামলাম নাস্তা করার জন্য। নাস্তা শেষে আবার গাড়িতে উঠে দেখি আমার হাত ব্যাগটি নেই। তখন মনে পড়লো, আমি মনে হয় কাস্টম জোনে ব্যাগটি ফেলে এসেছি।’

এরপরই গাড়ি ঘুরিয়ে আবারও বিমানবন্দরের পথে রওনা দিলেন ইউসুফ কবির। অভিযোগ দিলেন আর্মড পুলিশের কাছে। সেখানে তিনি কাঁদতে থাকেন।

কী আছে এই হাত ব্যাগ, জবাবে ইউসুফ কবির বলেন, ‘ঘড়ি,  মোবাইল ফোন, অলংকারসহ প্রায় ২ লাখ টাকার জিনিসপত্র ছিল।’

বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশের সদস্যরা ইউসুফ কবিরকে বন্দরের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান। অতপর কাস্টম জোনেই পাওয়া যায় তার সেই হাত ব্যাগটি। কিছুক্ষণ আগেও যার চোখ ভেজা ছিল, তার মুখে ফুটলো হাসি। ইউসুফ কবিরকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় তার হাত ব্যাগটি। নিজেই খুলে দেখলেন সব কিছুই ঠিকঠাক আছে ব্যাগের ভেতরে। একটু আগেও যে ব্যাগ হারানোর শোকে বিমর্ষ ছিলেন, মুহূর্তেই তার মুখে হাসি।

বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, ‘কাস্টমস জোনে প্রায় সময় যাত্রীরা নিজের জিনিসপত্র তাড়াহুড়োয় ভুলে ফেলে যান। ইউসুফ কবিরের ক্ষেত্রেও একই রকম ঘটনা ঘটেছে। যখন কাস্টমস জোনে তার ব্যাগ তল্লাশির জন্য স্ক্যানিং করা হয় তখন তিন অন্যসব  ব্যাগ নিলেও হাত ব্যাগটি আর নেননি। লম্বা জার্নি করে বিমানবন্দরে নামার পরও যাত্রীদের মধ্যে দ্রুত বের হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু তখনই অনেকেই মনের ভুলে নিজের মূল্যবান জিনিসপত্র ভুলে ফেলে যান। তাই নিজের জিনিসপত্র খেয়াল করে নিতে সদর্ক থাকা উচিত।’

ছবি: প্রতিবেদক

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

ড্রেনে পড়ে দু’জনের মৃত্যু, কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ

ড্রেনে পড়ে দু’জনের মৃত্যু, কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ

বিবিআইএন মোটর ভেহিকেল চুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিবিআইএন মোটর ভেহিকেল চুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

খুলনায় মন্দির ভাঙচুরের মামলায় তিন আসামির জামিন স্থগিত

খুলনায় মন্দির ভাঙচুরের মামলায় তিন আসামির জামিন স্থগিত

সোনারগাঁয়ে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত

সোনারগাঁয়ে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত

সব সম্প্রদায়ের ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৪৩

বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা মো. ইসমাইল হোসাইন বলেন, এদেশে সব সম্প্রদায়ের ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাড়াও শ্লোগানে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এক কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, মানবতার শত্রুদের প্রতিহত করতে হবে। এজন্য দেশ, অঞ্চল ও বিশ্বের অসাম্প্রদায়িক মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মানুষ ও মানবতার দুষমনদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশে যারা মন্দিরে কোরআন অবমাননা করেছেন, হিন্দুদের পূজামণ্ডপে আক্রমণ করেছে, মূর্তি ভেঙেছে তাদের সবাইকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সব সম্প্রদায়ের ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে কোনও পক্ষের, যে কোনও প্রকার প্রতিক্রিয়া বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রদান এবং ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াত চক্র যে গুজব ছড়াচ্ছে তাদের প্রত্যেককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় এনে যথাযোগ্য শাস্তি প্রদানের দাবি জানায় সংগঠনটি।

এছাড়াও মসজিদ, মন্দির, পূজামণ্ডপ, ঈদগাহসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা বাধ্যতামূলক করাসহ ৭ দফা সুপারিশ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা শাহাদাত হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব কাজী মাওলানা শাহ মো. ওমর ফারুক, কাজী মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, হাফেজ কারী মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাওলানা মো. তাহেরুল ইসলাম প্রমুখ।

/জেডএ/এমএস/

সম্পর্কিত

পুনর্বাসনের দাবিতে ফুলবাড়ীয়া রেলওয়ে কলোনি বস্তিবাসীর বিক্ষোভ

পুনর্বাসনের দাবিতে ফুলবাড়ীয়া রেলওয়ে কলোনি বস্তিবাসীর বিক্ষোভ

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪৭

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪৭

সোনারগাঁয়ে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত

সোনারগাঁয়ে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত

বিদেশ যেতে বিমানবন্দরে এসে না ফেরার দেশে আবু মুসা

বিদেশ যেতে বিমানবন্দরে এসে না ফেরার দেশে আবু মুসা

ড্রেনে পড়ে দু’জনের মৃত্যু, কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৫৬

চট্টগ্রামে ড্রেনে পড়ে সবজি বিক্রেতা সালেহ আহমেদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সেহরীন মাহবুব সাদিয়ার মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তাদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ ১৩ জনকে এই নোটিশ পাঠানো  হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) মানবাধিকার সংগঠন চিলড্রেন চ্যারিটি বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন (সিসিবি) এর পক্ষে ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম ও আইনজীবী ইশরাত হাসান এই নোটিশ পাঠান।

এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের উদ্বৃতি দিয়ে নোটিশে বলা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানতে পারি, সবজি ব্যবসায়ী সালেহ আহমদের পর চট্টগ্রাম নগরীতে নালায় পড়ে সেহেরীন মাহবুব সাদিয়ার মৃত্যুতেও দায় নিতে চাইছে না সিটি করপোরেশন কিংবা সিডিএ।

নোটিশে আরও বলা হয়, সরকারি দু’টি সংস্থাই একে অপরকে দোষ দিচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন বলছে, দু’দিকে ফুটপাত করলেও খালের মুখটি অরক্ষিত রেখেছে সিডিএ। তাই এর দায় সিডিএ’র। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-সিডিএ বলছে, খালের মালিকানা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের। তাই খালের মুখে সুরক্ষা নিশ্চিতের দায়িত্বও তাদের। নালা ও খালে পড়ে একের পর এক মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ নগরবাসী। তারা বলছেন, দায় এড়ানোর এই প্রবণতা প্রমাণ করে যে, সেবা সংস্থার মধ্যে কোনও সমন্বয় নেই। চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো স্বাচ্ছন্দ্যের পরিবর্তে নগরবাসীর ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

‘গত ২৫ আগস্ট মুরাদপুর এলাকায় খালে পড়ে তলিয়ে যান সালেহ আহমদ। তার খোঁজ আর মেলেনি। তার আগে গত ৩০ জুন ষোলশহর চশমা হিল এলাকাতেও এমন দুর্ঘটনায় মারা যান দু’জন। আবার আগ্রাবাদে নবী টাওয়ারের কাছাকাছি নাছিরছড়া খালে পড়ে তলিয়ে যান বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সাদিয়া। পাঁচ ঘণ্টার চেষ্টায় কয়েক টন আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে ১৯ বছর বয়সী সাদিয়ার লাশ উদ্ধার হয়।’

তাই নোটিশে সালেহ আহমেদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সেহরীন মাহবুব সাদিয়া ড্রেনে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যের ঘটনায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম  উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তা জানাতে বলা হয়েছে। এছাড়া এই ধরনের দুর্ঘটনা রোধে নোটিশগ্রহীতারা কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তার রিপোর্ট প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দু’জনের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণও চাওয়া হয়েছে।

 

/বিআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

বিবিআইএন মোটর ভেহিকেল চুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিবিআইএন মোটর ভেহিকেল চুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

খুলনায় মন্দির ভাঙচুরের মামলায় তিন আসামির জামিন স্থগিত

খুলনায় মন্দির ভাঙচুরের মামলায় তিন আসামির জামিন স্থগিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আবারও মামলা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আবারও মামলা

শনাক্তের হার আবারও ২ শতাংশের ওপরে

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৭:১৬

তিন দিন ধরে করোনা রোগী শনাক্তের দৈনিক হার দুই শতাংশের নিচে থাকলেও গত ২৪ ঘণ্টায় তা আবারও বেড়েছে। এ সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাত জন।

আজ মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টা (১৮ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ১৯ অক্টোবর সকাল ৮টা) পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্তের হার দুই দশমিক ২০ শতাংশ।

এর আগে গত শনিবার চলতি বছরে প্রথম দিনের মতো দৈনিক শনাক্তের হার নেমে আসে দুই শতাংশের নিচে। তারপর থেকে গতকাল (১৮ অক্টোবর) পর্যন্ত শনাক্তের হার টানা তিন দিন ধরে দুইয়ের নিচেই ছিল।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪৬৯ জন আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাত জন।

তাদের নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে করোনায় এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৯৬ জন, আর মারা গেলেন ২৭ হাজার ৭৮৫ জন।

করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬৯৭ জন। এদের নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে উঠলেন মোট ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৬৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২১ হাজার ৫৫৯টি, আর পরীক্ষা হয়েছে ২১ হাজার ৩০৮টি।

দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি এক লাখ ৩৫ হাজার ৪২টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৭৪ লাখ ১১ হাজার ৮৫২টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৭ লাখ ২৩ হাজার ১৯০টি।

দেশে এখন পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬২ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সাত জনের মধ্যে পুরুষ পাঁচ জন আর নারী দুই জন।

দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৭৯৮ জন আর নারী ৯ হাজার ৯৮৭ জন।

তাদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে রয়েছেন দুই জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে একজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে একজন আর ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে দুই জন। আর এই সাত জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন তিন জন, চট্টগ্রাম বিভাগের দুই জন আর খুলনা ও রংপুর বিভাগের আছেন একজন করে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, মারা যাওয়া সাত জনের মধ্যে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে সরকারি হাসপাতালে আর একজন মারা গেছেন বেসরকারি হাসপাতালে।

/জেএ/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

করোনার বেড নিয়ে হ-য-ব-র-ল অবস্থা

করোনার বেড নিয়ে হ-য-ব-র-ল অবস্থা

দ্বিতীয় ডোজের আওতায় এক কোটি ৯৪ লাখ মানুষ

দ্বিতীয় ডোজের আওতায় এক কোটি ৯৪ লাখ মানুষ

বিবিআইএন মোটর ভেহিকেল চুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৫৫

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে বিবিআইএন (বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া, নেপাল) মোটর ভেহিকেল চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টাবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ড. বংশীধর মিশ্র সোমবার ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এলে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে ড. মোমেন বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে জলবিদ্যুৎ, জ্বালানি খাতে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থে ব্যবসা-বাণিজ্যে সহযোগিতার ওপর জোর দেন।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে  সন্তোষ প্রকাশ করেন।

নেপালি রাষ্ট্রদূত মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি প্রিফারেন্সিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উভয় পক্ষ থেকে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার অঙ্গীকার করে বৈঠকটি শেষ হয়।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ২০২১ সালের ২১ অক্টোবর ড. বংশীধর মিশ্র তার দেশে ফিরে যাবেন। খবর: বাসস

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

ড্রেনে পড়ে দু’জনের মৃত্যু, কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ

ড্রেনে পড়ে দু’জনের মৃত্যু, কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ

খুলনায় মন্দির ভাঙচুরের মামলায় তিন আসামির জামিন স্থগিত

খুলনায় মন্দির ভাঙচুরের মামলায় তিন আসামির জামিন স্থগিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আবারও মামলা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আবারও মামলা

পুনর্বাসনের দাবিতে ফুলবাড়ীয়া রেলওয়ে কলোনি বস্তিবাসীর বিক্ষোভ

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৫০

পুনর্বাসন ছাড়া কোনও বস্তি উচ্ছেদ না করার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেছে ফুলবাড়ীয়া রেলওয়ে কলোনি বস্তিবাসীরা।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ করেন তারা।

সমাবেশে জরিনা বলেন, পুনর্বাসন ছাড়াই আমাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। গত তিন-চার মাস ধরে আমাদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। সামনে আমাদের সন্তানদের পরীক্ষা এই অবস্থায় আমরা কোথায় যাবো।

তিনি আরও বলেন, দুই বছর আগে মেয়র পুনর্বাসনের কথা দিলেও এখন পর্যন্ত আমাদের পুনর্বাসন হয়নি। এখন আগামী ২৪ তারিখ আমাদের বস্তি ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের পুনর্বাসনের আবেদন জানাচ্ছি। পুনর্বাসিত হলে আমাদের বস্তি ছাড়তে আপত্তি নেই।

/জেডএ/এমএস/

সম্পর্কিত

সব সম্প্রদায়ের ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি

সব সম্প্রদায়ের ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪৭

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪৭

সোনারগাঁয়ে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত

সোনারগাঁয়ে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত

বিদেশ যেতে বিমানবন্দরে এসে না ফেরার দেশে আবু মুসা

বিদেশ যেতে বিমানবন্দরে এসে না ফেরার দেশে আবু মুসা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ড্রেনে পড়ে দু’জনের মৃত্যু, কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ

ড্রেনে পড়ে দু’জনের মৃত্যু, কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ

বিবিআইএন মোটর ভেহিকেল চুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিবিআইএন মোটর ভেহিকেল চুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

খুলনায় মন্দির ভাঙচুরের মামলায় তিন আসামির জামিন স্থগিত

খুলনায় মন্দির ভাঙচুরের মামলায় তিন আসামির জামিন স্থগিত

সোনারগাঁয়ে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত

সোনারগাঁয়ে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আবারও মামলা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আবারও মামলা

শেখ রাসেল হত্যার বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান চিরদিন: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ রাসেল হত্যার বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান চিরদিন: বাণিজ্যমন্ত্রী

রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের বিচার শুরু

এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতিরাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের বিচার শুরু

‘পরিবেশের উন্নয়নে সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে’

‘পরিবেশের উন্নয়নে সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে’

‘শেখ রাসেল শিশু-কিশোরদের কাছে ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণার নাম’

‘শেখ রাসেল শিশু-কিশোরদের কাছে ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণার নাম’

সর্বশেষ

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

পেঁয়াজের ক্রেতা সংকট, আরেক দফা কমেছে দাম

পেঁয়াজের ক্রেতা সংকট, আরেক দফা কমেছে দাম

সব সম্প্রদায়ের ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি

সব সম্প্রদায়ের ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি

খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৫ লাখ টনে উন্নীত হবে: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৫ লাখ টনে উন্নীত হবে: খাদ্যমন্ত্রী

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

© 2021 Bangla Tribune