X
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

‘বিএনপি নেতারা চোখ থাকতে অন্ধ কান থাকতে বধির’

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩৮

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সমগ্র বিশ্ব আজ শেখ হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ, জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রীকে পুরস্কৃত করেছে, আর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলছেন ভিন্ন কথা। কারণ, তারা আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সাফল্য দেখেও দেখেন না। তারা চোখ থাকতে অন্ধ, কান থাকতেও বধির। তারা শুনেও শোনেন না, বুঝেও বোঝেন না, দেখেও দেখেন না।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, কয়েক দিন ধরে বিএনপি বলছে, সর্বশক্তি নিয়োগ করে সরকারের পতন ঘটাতে হবে। ২০১৮ সালের আগেও তারা ডান, বাম, অতিবাম সবাইকে নিয়ে ঐক্য করেছিল। সেই ঐক্যের শক্তি হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। দেখা গেছে বিএনপি যাদের নিয়ে ঐক্য করে, তাদের মধ্যে প্রচণ্ড অনৈক্য। এখনও তারা যে ঐক্যের কথা বলছেন, এই ঐক্য আগে যেমন করেছিলেন, হয়তো সে রকমই একটা কাগুজে ঐক্য করলেও করতে পারেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালি কলসি যেমন বাজে বেশি, বিএনপিও ঠিক সে রকম বেশি বাজে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব বাজে, কয়দিন বিরতি দিয়ে এখন রিজভী সাহেব বাজে, গয়েশ্বর বাবু তালে-বেতালে বাজে। এ নিয়ে জনগণের মধ্যে হাস্যরস সৃষ্টি হয়েছে। 

তিনি বলেন, নির্বাচনের খুব বেশি দিন বাকি নেই। দুই বছরের একটু বেশি সময় পরেই বাংলাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে আমরা যদি সাংগঠনিক পুরো শক্তি দিয়ে অংশগ্রহণ করি, তাহলে ২০১৮ সালের মতোই ধস নামানো বিজয় আমাদের হবে। 

উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল মোনাফ সিকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদারের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা জহির আহমদ চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, আবুল কাশেম চিশতি প্রমুখ।

/এসএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

রোহিঙ্গাদের অভিযোগে আরসা, পুলিশ বললো অস্তিত্ব নেই

রোহিঙ্গাদের অভিযোগে আরসা, পুলিশ বললো অস্তিত্ব নেই

পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা: যুব পরিষদের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে 

পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা: যুব পরিষদের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে 

‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিতে’ কুমিল্লার ঘটনা লাইভে প্রচারের স্বীকারোক্তি

‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিতে’ কুমিল্লার ঘটনা লাইভে প্রচারের স্বীকারোক্তি

কুমিল্লার সহিংসতার ঘটনায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

কুমিল্লার সহিংসতার ঘটনায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

চুল কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসায় ফের অনশন 

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৮

সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের স্থায়ী বহিষ্কার চেয়ে আবারও আমরণ অনশনে বসেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ফের অনশনে ক্যাম্পাস আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। 

শিক্ষার্থীরা ​বলছেন, বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকালে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সিন্ডিকেট সভা বসে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এমনটাই জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।  

অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা ফের অনশন শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া আবু জাফর হোসাইন। 

শিক্ষার্থী আবু জাফর বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে আমাদেরকে ফোন দিয়ে জানানো হয় কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা মুলতবি করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর আমরা ভারপ্রাপ্ত ভিসি স্যারকে ফোন দেই। তখন তিনি বলেন, আজ এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। তোমরা ক্লাস-পরীক্ষাতে ফেরো। আমরা আবার সিন্ডিকেট সভায় বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। তখন আমরা আগামীকালকেই সিন্ডিকেট সভা বসবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপাতত একমাসের মধ্যে এই সভা বসার সম্ভাবনা নেই। 

ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, আমরা শিক্ষকদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সব ধরনের আন্দোলন স্থগিত করেছিলাম। কিন্তু যেহেতু আমরা সমাধান পাচ্ছি না, তাই গতকাল শুক্রবার রাত ৮টা থেকে আবারও আমরণ অনশন শুরু করেছি। 

তবে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফকে একাধিকবার মোবাইলফোনে কল দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি। 

এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় এ ঘটনায় গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সোহরাব আলীর কাছে প্রতিবেদন জমা দেন। শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকার ধানমন্ডিস্থ আবাসিক ভবন অফিসে সিন্ডিকেট বৈঠক শুরু হয়। টানা ৩ ঘণ্টা বৈঠক চলার পর কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই রাত সাড়ে ৭টার দিকে এ বৈঠক শেষ হয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বিজিবি সদস্যের আত্মহত্যা

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বিজিবি সদস্যের আত্মহত্যা

সিরাজগঞ্জে মনসুর আলীর নাতির ওপর হামলা

সিরাজগঞ্জে মনসুর আলীর নাতির ওপর হামলা

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বিজিবি সদস্যের আত্মহত্যা

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৯:২২

ময়মনসিংহে নিজের কাছে থাকা অস্ত্রের গুলিতে এক বিজিবি সিপাহী আত্মহত্যা করেছেন। নিহতের নাম সোহরাব হোসাইন চৌধুরী (২৩)। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পর রাত ৯টায় ময়মনসিংহের খাগডহর এলাকায় অবস্থিত ৩৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পে তিনি আত্মহত্যা করেন। 
 
ওই বিজিবি সদস্য ফেনীর পরশুরাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তবে এ বিষয়ে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিজিবি ৩৯ ব্যাটালিয়নের সিইও লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌফিকুর রহমান।

জানা যায়, নিজ বেতনের টাকায় সংসার চালানো কষ্টসাধ্য হওয়ায় ক্ষোভে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার জন্য সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে লিখেন, ‘সাতটা বছর মানসিক যন্ত্রণা আর অভাবের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে সত্যি বড় ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। এইবার একটু রেস্ট দরকার। আমার পরিবার, সহকর্মী সিনিয়র-জুনিয়র, আমার বন্ধুদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এই নিকৃষ্ট কাজের জন্য পারলে ক্ষমা করবেন, এছাড়া বিকল্প কোনও পথ আমার ছিল না।’  

/টিটি/

সম্পর্কিত

চুল কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসায় ফের অনশন 

চুল কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসায় ফের অনশন 

ময়মনসিংহে আরও ৩ রাজাকার গ্রেফতার 

ময়মনসিংহে আরও ৩ রাজাকার গ্রেফতার 

‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক-অস্ত্র ব্যবসা বন্ধে গুলি ছুড়তে হবে’

‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক-অস্ত্র ব্যবসা বন্ধে গুলি ছুড়তে হবে’

মাদারীপুর অঞ্চলে ৯ মাসে সড়কে ঝরেছে ২১৩ প্রাণ

মাদারীপুর অঞ্চলে ৯ মাসে সড়কে ঝরেছে ২১৩ প্রাণ

রোহিঙ্গাদের অভিযোগে আরসা, পুলিশ বললো অস্তিত্ব নেই

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:১৭

রাত তখন ৩টা। কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকে সুনসান নীরবতা। কেউ ঘুমের ঘোরে, কেউ তাহাজ্জুদের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক একই অবস্থা ক্যাম্পের দারুল উলুম নাদওয়াতুল উলামা আল ইসলামিয়া মাদ্রাসায়ও। রাত পোহালে শুক্রবার। ছুটির দিন হওয়ায় অনেক ছাত্র বাড়িতে চলে গেছেন। হেফজ বিভাগের ২০/২৫ ছাত্র এবং সাত শিক্ষক রাতে মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন। শিক্ষকদের কয়েকজন তখন মসজিদে তাহাজ্জুদের নামাজে দাঁড়িয়েছিলেন। এমন সময় ঘটে আকস্মিক সশস্ত্র হামলা। প্রায় সাড়ে ৩০০ সন্ত্রাসী দা, কিরিচসহ নানান দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষক ও ছাত্রদের ওপর হামলা চালায়। এতে নিহত হয়েছেন ছয় জন। এর মধ্যে তিন শিক্ষক, এক ছাত্র ও দুই সাধারণ রোহিঙ্গা রয়েছেন। এই ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও সাধারণ রোহিঙ্গারা সরাসরি আরাকানের সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা’কে দায়ী করেছেন।

নিহতরা হলেন- শিক্ষক হাফেজ মো. ইদ্রিস, মসজিদের ইমাম নুর হালিম, হামিদ উল্লাহ, ছাত্র নুর কায়সার, স্থানীয় রোহিঙ্গা আজিজুল হক (১৬) ও মোহাম্মদ আমিন (৬৩)। এ ঘটনায় মাদ্রাসা পরিচালক দিল মোহাম্মদসহ আরও ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গাদের শীর্ষস্থানীয় নেতা মো. মুহিবুল্লাহকে (৫০) হত্যার ঘটনায় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সন্ত্রাসীরা জড়িত বলে অভিযোগ তুলেছিল তার পরিবার।

এদিকে, বাংলাদেশে আরসা নামের কোনও সংগঠনের অস্তিত্ব নেই দাবি করে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্বৃত্তের গুলিতে ছয় রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে নিশ্চিত না হয়ে বলা যাচ্ছে না এ ঘটনায় কারা জড়িত।’

রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ে কাজ করা একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যরা বলেন, ‘এ ধরনের হামলা হতে পারে, সে বিষয়ে আমরা আগে থেকেই আঁচ করেছিলাম। এ নিয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিতও করেছি। কিন্তু আমরা পদক্ষেপ নিতে পারেনি। মূলত মুহিবুল্লাহ হত্যার পরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ কিছু অপরাধী ধরা পড়েছে। সেখানে এ হামলাকারীদের অনেক সদস্য ছিল। ফলে তারা আরও বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠে। এ ধরনের হামলা আরও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মাদ্রাসাটির দাওরা বিভাগের (উচ্চতর শ্রেণি) ছাত্র রহিমুল্লাহ বলেন, ‘শুক্রবার ছুটি থাকায় রাতে তেমন পড়াশোনা ছিল না। তাই এশার নামাজের পর সামান্য পড়ে শুয়ে পড়েছিলাম। রাত ৩টার দিকে হঠাৎ পশ্চিম দিক থেকে ৩০০/৪০০ সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসা ঘিরে ফেলে। এর মধ্যে দেড় শতাধিক ক্যাম্পাসে ঢুকে টিনশেডে দা কিরিচ দিয়ে কোপাতে থাকে। পরে তারা নামাজরত অবস্থায় শিক্ষকদের ওপর হামলা করে, গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করে। পরে ছাত্রদের কক্ষে ঢুকে ভাঙচুর করে তাদের ওপরও হামলা চালায়। সেখানে বেশিরভাগ ছিল হেফজ বিভাগের ১০ থেকে ১২ বছর বয়সী ছাত্র। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের অনেকে তাদের সন্তানদের উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করে আরসার সন্ত্রাসীরা। তবে এত বেশি সংখ্যক সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে সাহস করেনি কেউ।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান প্রশাসনের কর্মকর্তারা

শুক্রবার সকালে উখিয়ার বালুখালীর ওই ক্যাম্পে গিয়ে দেখা যায়, মাদ্রাসাটি ঘিরে রেখেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা। মাদ্রাসার বাইরে সড়কে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলার সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। এলাকার মানুষের মুখে কোনও সাড়া শব্দ নেই। তবে নিহত পরিবারগুলোতে স্বজনদের আহাজারি শোনা গেছে।

রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, আরসা পুরো ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার করছে। তাদের আলেমদের নিয়ে গঠিত সংগঠন ‘উলামা কাউন্সিল’ ক্যাম্পের প্রত্যেক মসজিদ-মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিল। ইতোমধ্যে ক্যাম্পের শতাধিক মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণও তাদের হাতে। যেসব মাদ্রাসা তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সেখানে তারা সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে। একাধিকবার তারা এ মাদ্রাসাটি নিয়ন্ত্রণে নিতে চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আরসার একাধিক প্রস্তাবেও কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় রোহিঙ্গারা প্রতিষ্ঠানটি তাদের হাতে তুলে দিতে রাজি হননি। এতে ওই ব্লকের রোহিঙ্গা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ওপর ভীষণ খেপেছিল আরসার নেতার।

এইচ ব্লকের নুর আমিন জানান, যে মাদরাসাটিতে হামলা হয়েছিল, সেটি পরিচালনা করতেন ইসলামিক মাহাজ নামের একটি রোহিঙ্গা সংগঠন। তবে সংগঠনটি রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়সহ, মিয়ানমার ফেরাতে উৎসাহিত করার কাজ করছে। এছাড়া সংগঠনটি রোহিঙ্গাদের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। কিন্তু সন্ত্রাসী সংগঠনটি (আরসা) এটি মেনে নিতে পারেনি। তাই মাহাজকে পিছু হটাতে সংগঠনটির মূল কেন্দ্র মাদ্রাসাটিতে হামলা চালানো হয়।

নিহত আজিজুল হকের মা সাজেদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে আজিজ মাদ্রাসায় হামলার ঘটনার খবর শুনে হেফজ বিভাগে পড়ুয়া ভাই নুর কদরকে উদ্ধার করতে ছুটে গিয়েছিলেন। সেখানে আরসার সদস্যরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে।’

হামলার শিকার মাদ্রাসাটি

নিহত নুর হালিমের স্ত্রী উম্মে হাবিবা বলেন, ‘আমার স্বামী মাদ্রাসাটির শিক্ষক ছিলেন এবং মসজিদের ইমামতি করতেন। ঘটনার রাতে তিনি মাদরাসায় ছিলেন। সন্ত্রাসীরা আমার স্বামীকে মাদরাসায় ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় হামলার পর হত্যা করে। সন্ত্রাসীরা সবাই আরসার লোক ছিলেন। এর আগেও একাধিকবার তারা আমার স্বামীকে হুমকি দিয়েছিল।’

এইচ ব্লকের রোহিঙ্গা নেতা মো. ইউসুফ বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারে রাখাইনদের হাতে মার খেয়ে আশ্রয়ের জন্য এ দেশে পালিয়ে এসেছিলাম। এখন এখানে এসে রোহিঙ্গাদের মার খেতে হচ্ছে। সন্ধ্যার পর ক্যাম্পে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আজ সন্ধ্যার পর কী ঘটবে তাও আমাদের অজানা। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এখানে বিশেষ করে রাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা দরকার।’

এদিকে, শুক্রবার সকাল ১১টায় ক্যাম্পের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার সামছু দৌজা চৌধুরী নয়ন, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিজাম উদ্দিন আহমেদ, ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক নাঈমুল হক, ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক শিহাব কায়সার খান।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য ক্যাম্প প্রশাসন আরও কঠোর অবস্থানে থাকবে। ঘটনা তদন্তের পর বিস্তারিত কারণ জানা যাবে। অনুমান করে কিছু বলতে চাচ্ছি না।’

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার সামছু দৌজা নয়ন বলেন, ‘একদল দুর্বৃত্তের হামলায় ছয় জন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। ক্যাম্পে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা কাজ করছি।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা: যুব পরিষদের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে 

পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা: যুব পরিষদের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে 

‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিতে’ কুমিল্লার ঘটনা লাইভে প্রচারের স্বীকারোক্তি

‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিতে’ কুমিল্লার ঘটনা লাইভে প্রচারের স্বীকারোক্তি

কুমিল্লার সহিংসতার ঘটনায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

কুমিল্লার সহিংসতার ঘটনায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার কথা ‘স্বীকার করেছেন’ ইকবাল

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার কথা ‘স্বীকার করেছেন’ ইকবাল

সিরাজগঞ্জে মনসুর আলীর নাতির ওপর হামলা

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৩

দাদা শহীদ এম. মনসুর আলীর স্মৃতিবিজড়িত কুড়িপাড়ার বাড়িতে বেড়াতে এসে হামলার শিকার হলেন ব্যারিস্টার শেহরিন সেলিম রিপন। তার গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত ক্যামেরাম্যানকে মেরে ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের কুড়িপাড়া গ্রামের ঘটনা এটি।

ব্যারিস্টার শেহরিন সেলিম রিপন হলেন আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে। তার ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল মমিন জানান, শুক্রবার বিকালে কুড়িপাড়ায় দাদার বাড়িতে যান তিনি। তার সঙ্গে শহীদ এম. মনসুর আলীর ছোট ছেলে মোহাম্মদ রেজাউল করিমসহ ব্যক্তিগত ক্যামেরাম্যান সুমন ছিলেন। হঠাৎ বেশ কয়েকজন যুবক এসে অতর্কিতে ক্যামেরাম্যানকে মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া বাড়ির বাইরে তারা গাড়িচালককেও মেরে আহত করেছে।

কাজিপুর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাজু আহম্মেদের বিরুদ্ধে হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলেছেন ব্যারিস্টার শেহরিন সেলিম রিপন। তিনি বলেন, ‘দাদার স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে এসে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে কথাবার্তা বলছিলাম। এ সময় কাজিপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। তার বাহিনী আমার ক্যামেরাম্যান ও গাড়িচালককে মারধর করেছে। গুরুতর অবস্থায় দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

এ ঘটনায় সংসদ সদস্য তানভীর শাকিল জয়কে দায়ী করে শহীদ এম. মনসুর আলীর ছোট ছেলে মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘ব্যারিস্টার রিপন হলেন মনসুর আলীর নাতি। তিনি দাদার বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আসেননি। তাহলে তার ওপর এই হামলা কেন?’

ঘটনার দায় অস্বীকার করে কাজিপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাজু আহম্মেদ বলেন, ‘হামলার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা বাইরে ছিলাম। ব্যারিস্টার রিপন তিন গাড়ি ডিবি ও পুলিশ সদস্য নিয়ে এসেছেন। আমরা ভেতরে যাইনি।’

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পঞ্চানন্দ সরকার বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ব্যারিস্টার শেহরিন সেলিম রিপন গাড়ি নিয়ে চলে গেছেন। তার ক্যামেরাম্যানকে মারধর করা হয়েছে বলে শুনেছি।’

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, ‘সীমান্ত বাজার এলাকায় কিছু উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল বলে শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।’

/জেএইচ/

সম্পর্কিত

চুল কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসায় ফের অনশন 

চুল কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসায় ফের অনশন 

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

আবার শজিমেক হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে মারধরের অভিযোগ

আবার শজিমেক হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে মারধরের অভিযোগ

এক মোটরসাইকেলে ৪ জন, ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২২:১৩

টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় মোটরসাইকেলে থাকা মা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ওই নিহত নারীর স্বামী ও আরেক ছেলে। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার হাতিলা রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল স্টেশন মাস্টার সোহেল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- সারামণি (২৫) ও তার আড়াই বছরের ছেলে আব্দুর রহমান আইয়ান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সারামণির স্বামী আজগর আলী ও তার পাঁচ বছরের ছেলে আব্দুল্লাহ। তারা জেলার বাসাইল উপজেলার ময়থা উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। সম্প্রতি তারা সদর উপজেলার করটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় বসবাস করেছেন।

নিহত সারামণির উকিল বাবা আশরাফ আলী বলেন, ‘সারামণি ও আজগর আলী দুই সন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে হাতিলা এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে তারা হাতিলা রেলক্রসিং পার হচ্ছিল। এ সময় একটি ট্রেন এসে তাদের ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় সারামণি ও তার ছোট ছেলে আব্দুর রহমান আইয়ান ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আর আজগর আলী ও তার বড় ছেলে আব্দুল্লাহ আহত হয়। আজগর আলীকে বর্তমানে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। আব্দুল্লাহ ভালো আছে।’

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাজিব পাল চৌধুরী বলেন, ‘হাসপাতালে দুই জনকে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে আজগর আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা স্টেশনের মাস্টার সোহেল খান বলেন, ‘কুড়িগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। শুনেছি ওই ট্রেনে কাটা পড়ে দুই জন মারা গেছে। লাশ তাদের স্বজনরা নিয়ে গেছেন।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

বোয়ালমারীতে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী

বোয়ালমারীতে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী

ভ্রাম্যমাণ আদালত ছেড়ে আহতকে হাসপাতালে নিলেন ইউএনও

ভ্রাম্যমাণ আদালত ছেড়ে আহতকে হাসপাতালে নিলেন ইউএনও

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

রোহিঙ্গাদের অভিযোগে আরসা, পুলিশ বললো অস্তিত্ব নেই

রোহিঙ্গাদের অভিযোগে আরসা, পুলিশ বললো অস্তিত্ব নেই

পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা: যুব পরিষদের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে 

পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা: যুব পরিষদের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে 

‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিতে’ কুমিল্লার ঘটনা লাইভে প্রচারের স্বীকারোক্তি

‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিতে’ কুমিল্লার ঘটনা লাইভে প্রচারের স্বীকারোক্তি

কুমিল্লার সহিংসতার ঘটনায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

কুমিল্লার সহিংসতার ঘটনায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার কথা ‘স্বীকার করেছেন’ ইকবাল

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার কথা ‘স্বীকার করেছেন’ ইকবাল

যেভাবে ধরা পড়লো ইকবাল

যেভাবে ধরা পড়লো ইকবাল

মণ্ডপে হামলা: নুরের যুব সংগঠনের চার নেতাসহ গ্রেফতার ৯

মণ্ডপে হামলা: নুরের যুব সংগঠনের চার নেতাসহ গ্রেফতার ৯

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে পিকআপভ্যানের ধাক্কা, নিহত ৩

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে পিকআপভ্যানের ধাক্কা, নিহত ৩

কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে অভিযুক্ত ইকবাল  

কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে অভিযুক্ত ইকবাল  

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদ্রাসায় হয়েছিল হামলা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদ্রাসায় হয়েছিল হামলা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

সর্বশেষ

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে সুইডেন : রাষ্ট্রদূত

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে সুইডেন : রাষ্ট্রদূত

তুষারপাত ও বৈরী আবহাওয়ায় ভারতে ১১ পর্বতারোহীর মৃত্যু

তুষারপাত ও বৈরী আবহাওয়ায় ভারতে ১১ পর্বতারোহীর মৃত্যু

সাস্ট ক্লাবের নতুন কমিটির শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণ 

সাস্ট ক্লাবের নতুন কমিটির শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণ 

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

© 2021 Bangla Tribune