X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

টেস্টকে বিদায় বললেও ক্রিকেট খেলে যেতে চান মঈন 

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:২৭

আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষাতেই ছিল সবাই। সোমবার মঈন আলী জানিয়ে দিলেন, সাদা পোশাকের ক্রিকেটে আর খেলবেন না তিনি। তবে টেস্টকে বিদায় বললেও সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেট উপভোগ করে যেতে চান ইংলিশ এই অলরাউন্ডার। 

মূলত জৈব বলয়ে পরিবার থেকে দূরে থাকা ও মানসিক প্রভাবের কথা ভেবেই টেস্ট না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে টেস্ট ক্রিকেটকে ভিন্নভাবেই দেখেন ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার, ‘টেস্ট ক্রিকেট সত্যিকার অর্থে চমৎকার একটি ফরম্যাট। যখন দিনটা আপনার, তখন অন্য কোন ফরম্যাটের চেয়েও এটি উপভোগ্য। তখন মনে হয় এটা ফলদায়ী আর আপনি সেটা অর্জন করে নিয়েছেন।’

তবে টেস্ট ছাড়লেও এখনই ক্রিকেটকে বিদায় বলছেন না মঈন। ৩৪ বয়সী ক্রিকেটার খেলে যেতে চান আরও কিছুদিন, ‘আমার বয়স এখন ৩৪, কিন্তু ক্রিকেটটা যতদিন পারি খেলে যেতে চাই। আমি শুধু ক্রিকেটটা উপভোগ করতে চাই। আমার মনে হয়েছে টেস্ট ক্রিকেটে যা করার করে ফেলেছি। আমি তাতেই সন্তুষ্ট।’

২০১৪ সালে মঈনের টেস্ট অভিষেক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। মাত্র দ্বিতীয় টেস্টে সেঞ্চুরির দেখা পেলেও ব্যাট হাতে গড় ২৮.২৯। তবে ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা কাটিয়েছেন ২০১৬ সালে। এই সময়েই সেঞ্চুরি হাঁকান চারটি। 

এর পর ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে না পারলেও বল হাতে ধারাবাহিক ছিলেন। ২০১৭ সালে হোম সিরিজে হ্যাটট্রিক পান প্রোটিয়াদের বিপক্ষে। ২৫ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরাও হন তখন। এর পর টেস্ট থেকে সাময়িক বিরতি নিলে ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েন। 

১৮ মাস পর আবারও টেস্ট দলে ফেরেন ভারতের বিপক্ষে চেন্নাই টেস্টে। ইংল্যান্ড ওই ম্যাচ হারলেও বল হাতে সফল ছিলেন। তার ঝুলিতে ছিল ৮ উইকেট। এর পরেও ওয়ার্কলোডের কারণে মঈনকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ইংল্যান্ডের হয়ে তার সর্বশেষ টেস্টটি ছিল এই মাসের শুরুতে ভারতের বিপক্ষে।      
  

/এফআইআর/

সম্পর্কিত

সমালোচনা জীবনের অংশ, এটা সহ্য করাও আর্ট: মাশরাফি

সমালোচনা জীবনের অংশ, এটা সহ্য করাও আর্ট: মাশরাফি

শান্তর ২০তম সেঞ্চুরি

শান্তর ২০তম সেঞ্চুরি

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

আমার অলিম্পিক পদক বাংলাদেশিদের অনুপ্রাণিত করবে: মার্গারিটা মামুন

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৬

২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে রিদমিক জিমন্যাস্টিকসে সোনার পদক জিতেছিলেন মার্গারিটা মামুন। রাশিয়ার হয়ে পদক জিতলেও সেখানে আছে বাংলাদেশের ছোঁয়া! কেননা মার্গারিটার বাবা যে বাংলাদেশি। সেই মার্গারিটা বঙ্গবন্ধু পঞ্চম সেন্ট্রাল এশিয়ান আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে শুভেচ্ছা দূত হিসেবে বাংলাদেশে এসেছেন। নিজের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাশিয়ান অনুপ্রাণিত করেছেন স্বাগতিক জিমন্যাস্টদের।

মঙ্গলবার মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে নিজের পাওয়া সোনার পদক দেখতে দিয়েছেন। এছাড়া কসরতও করে দেখিয়েছেন। আজ (বুধবার) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মার্গারিটা বলেছেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) আমি বাংলাদেশি জিমন্যাস্টদের সঙ্গে দেখা করেছি। তাদের দেখে আমি আসলেই বিস্মিত হয়েছি। তারা খুবই সুন্দর। এই আয়োজন দেখতে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের মতো। আমি আসলেই খুশি এখানে আসতে পেরে। অনেক জিমন্যাস্টদের দেখে খুশি। কিছু মুভ দেখেছি, যেটা ছিল চমৎকার।’

রিওতে নিজের পাওয়া সোনার পদক বাংলাদেশের জিমন্যাস্টদের দেখানোর পর মার্গারিটার উপলব্ধি, ‘জিমন্যাস্টরা আমার অলিম্পিক মেডেল দেখেছে, সেটা ছুঁয়ে দেখেছে, অনেকে চুমো খেয়েছে। আমি মনে করি, এটা তাদেরকে (বাংলাদেশিদের) অনুপ্রাণিত করবে। আগামীকালও (বৃহস্পতিবার) আমি এখানে থাকবো। তাদেরকে আরও কিছু পরামর্শ দেবো। চমৎকার কিছু শেখানোর চেষ্টা করবো।’

নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মার্গারিটা বলেছেন, ‘এটা লম্বা পথ চলা ছিল। ছোট একটা মেয়ের অনেকটা পথ পেরিয়ে অলিম্পিকে চ্যাম্পিয়ন হওয়া- এটা অবশ্যই দীর্ঘ ও কঠিন পথ চলা ছিল।’

১৫ বছর আগে সবশেষ ঢাকায় এসেছিলেন এই জিমন্যাস্ট। এতদিন পর এসে দেখলেন বদলে গেছে অনেক কিছু, ‘বাংলাদেশ অনেক বদলেছে। এই ১৫ বছরে বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে বলে মা আমাকে বলেছেন।’

জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সভাপতি শেখ বশির আহমেদ মামুন জানালেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা, ‘এবার সে (মার্গারিটা) দূত হিসেবে এখানে এসেছে। ১৫ বছর পর বাংলাদেশে এসেছে। এখানকার অনেক কিছু সম্পর্কেই সে জানে না। কিন্তু পরেরবার আমরা যখন তাকে নিয়ে আসবো, তখন তাকে নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা থাকবে।’

সেন্ট্রাল এশিয়ান আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ছাড়াও অংশ নিচ্ছে নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভারত, উজবেকিস্তান ও পকিস্তান।

/টিএ/কেআর/

সম্পর্কিত

সমালোচনা জীবনের অংশ, এটা সহ্য করাও আর্ট: মাশরাফি

সমালোচনা জীবনের অংশ, এটা সহ্য করাও আর্ট: মাশরাফি

শান্তর ২০তম সেঞ্চুরি

শান্তর ২০তম সেঞ্চুরি

কুয়েতের কাছে হারলো বাংলাদেশ

কুয়েতের কাছে হারলো বাংলাদেশ

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

সমালোচনা জীবনের অংশ, এটা সহ্য করাও আর্ট: মাশরাফি

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:০৬

টানা হারের বৃত্তে আটকে বাংলাদেশ। সুপার টুয়েলভে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের পর ইংল্যান্ডের সামনে তো পাত্তাই পায়নি। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ইংলিশদের বিপক্ষে ১২৪ রানে অলআউট হওয়ার পর বোলিংয়ে ব্যর্থ হয়েছেন সাকিব-মোস্তাফিজরা। ফলে ইংলিশরা ৩৫ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে। বাজে হারের পরও মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকদের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজা। আজ (বুধবার) ম্যাচ শেষে নিজের ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তেমনটাই জানিয়েছেন এই পেসার।

পোস্টের শুরুতেই সবার সমালোচনা ক্রিকেটারদের সহজভাবে নেওয়ার আহ্বান তার, ‘সমালোচনা জীবনের একটা অংশ, এটা সহ্য করাও একটা আর্ট। যে যত সমালোচনা নিতে পারে সে তত ভালো থাকে। ঠিক এই মুহূর্তে তোমাদের সমালোচনা সবাই করবে, এমনকি আমিও, তাতে তোমাদের কিছু যায়-আসার কথা নয়। শুধু তোমাদের চিন্তা করা উচিত তোমরা কী করতে চেয়েছিলে আর তা কেন করতে পারোনি। পরের ম্যাচে যেন সেরাটা দিতে পারো সেই চিন্তা করা শুরু করো। কারণ, পরের ম্যাচটাও তোমরা বাংলাদেশের জন্যই খেলবে আর দেশের সবাই আবার নতুন কোনও আশা নিয়ে খেলা দেখতে বসবে। মাঝখান দিয়ে হয়তো কেউ গঠনমূলক সমালোচনা অথবা আরও বেশি নেতিবাচক কথা বলবে।’

এরপরই মাশরাফি মাঠের পারফরম্যান্সকে পেছনে ফেলে মাহমুদউল্লাহদের সঙ্গে থাকার ঘোষণা দেন, ‘তোমাদের ভালোবাসে বলেই এত কথা বলে, নেক্সট ম্যাচেই সেরাটা দিয়ে জিতে আসলে, দেখবা সবাই আনন্দে পেছনের জিনিস ভুলে যাবে। একমাত্র ইতিবাচক মানসিকতাই সেরাটা বের করে আনতে পারবে আমার বিশ্বাস। মাঠে যা কিছুই ঘটুক না কেন, তোমাদের পাশেই আছি। মনপ্রাণ দিয়েই থাকবো। সবাই বিশ্বাস করে তোমরাই আনন্দের উপলক্ষ।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাজে দিন ভুলে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন সাবেক এই অধিনায়ক, ‘বাজে দিন ভুলে যাওয়াই উত্তম, তবে বাজে দিন যে শিক্ষা দিয়ে যাবে তা মনে রাখা আরও উত্তম। গুডলাক বাংলাদেশ ক্রিকেট। আল্লাহ ভরসা।’

/আরআই/কেআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শান্তর ২০তম সেঞ্চুরি

শান্তর ২০তম সেঞ্চুরি

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

শান্তর ২০তম সেঞ্চুরি

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২০:২০

বৃষ্টির প্রভাবে কক্সবাজারে জাতীয় ক্রিকেট লিগের দুটি ম্যাচই নিষ্প্রাণ ড্রতে শেষ হয়েছে। প্রথম রাউন্ডের মতো দ্বিতীয় রাউন্ডে ঢাকা মেট্রো ও রাজশাহী বিভাগের ম্যাচেরও একই পরিণতি। আজ (বুধবার) নিষ্প্রাণ ড্রয়ের ম্যাচে সেঞ্চুরি পেয়েছেন রাজশাহীর নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে শান্তর ব্যাটে রান নিশ্চিতভাবেই আত্মবিশ্বাস জোগাবে।

বাঁহাতি ব্যাটার ১৯৯ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ১০৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। এই ইনিংসের মাধ্যমে শান্ত তুলে নেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ২০তম সেঞ্চুরি। এর আগে প্রথম ইনিংসে ৬৭ রান করেছিলেন তিনি। এছাড়া জুনায়েদ সিদ্দিকী ১২৫ বলে পেয়েছেন ৫০ রান।

অফ স্পিনার শরিফউল্লাহ আগের দিনের ১ উইকেটের সঙ্গে আজ তৌহিদ হৃদয়ের উইকেট নেন। সব মিলিয়ে ম্যাচে হ্যাটট্রিকসহ ৭ উইকেট ও ব্যাট হাতে হাফসেঞ্চুরি পাওয়ায় ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

জাতীয় লিগের অন্য ম্যাচে জয়ের জন্য স্বাগতিক সিলেটের প্রয়োজন ছিল ৯১ রান। খুলনার ৭ উইকেট। এই লড়াই জিতে যায় সিলেট। অধিনায়ক জাকির হাসান ৩৭ ও জাকের আলী ৪১ রানে দলের জয় নিশ্চিত হয়।

বল হাতে আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ ২টি করে উইকেট পেয়েছেন। একটি করে উইকেট নেন জিয়াউর রহমান ও নাহিদুল ইসলাম। ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়ে সিলেটের জয়ের নায়ক রেজাউর রহমান রাজা।

/আরআই/কেআর/

সম্পর্কিত

সমালোচনা জীবনের অংশ, এটা সহ্য করাও আর্ট: মাশরাফি

সমালোচনা জীবনের অংশ, এটা সহ্য করাও আর্ট: মাশরাফি

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি নাসুম

বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি নাসুম

এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল

কুয়েতের কাছে হারলো বাংলাদেশ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২০:০১

আত্মবিশ্বাসী ছিলেন কোচ মারুফুল হক। কুয়েতের বিপক্ষে জয়ের প্রত্যাশা করেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রত্যাশা মতো দল খেলতে পারেনি। এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবলের বাছাই পর্বে ‘ডি’ গ্রুপে প্রথম ম্যাচটি তাই হার দিয়ে শুরু করতে হয়েছে। আজ (বুধবার) উজবেকিস্তানের তাসখন্দে জার একাডেমি মাঠে কুয়েতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ।

বলের নিয়ন্ত্রণে শুরু থেকে এগিয়ে ছিল কুয়েত। প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করে মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণে উঠেছে দল, কিন্তু সুফিল-ফাহিমরা লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি।

ম্যাচের ১৭ মিনিটে ফ্রি কিক আটকাতে গিয়ে অনেক লাফিয়ে ওঠা টুটুল হোসেন বাদশার হাতে বল লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ইদ আল রাশিদির দুর্বল স্পট কিক তালুবন্দি করে বাংলাদেশের ত্রাতা গোলকিপার পাপ্পু হোসেন।

কিন্তু একটু পরই গোল হজম করে বসে বাংলাদেশ। এ গোলে কিছুটা দায় আছে পাপ্পুরও। সতীর্থের লংস পাস ধরে ডান দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা ইউসুফ আল রাশেদিকে আটকাতে পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে যান গোলকিপার। কুয়েতের ফরোয়ার্ড নিখুঁত চিপে পাপ্পুর মাথার ওপর দিয়ে জাল খুঁজে নেন।

৩২ মিনিটে ইউসুফ আল রাশেদির শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়নি।

বিরতির পরও কুয়েতের দাপট চলতে থাকে। যদিও ৫৮ মিনিটে বাংলাদেশ গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পায়। রহমত মিয়ার কর্নার থেকে মাথা ছোঁয়াতে না পারায় পেনাল্টির দাবি ওঠে। কিন্তু রেফারি তাতে সায় দেননি।

৭২ মিনিটে কুয়েতের ইউসুফের শট গোলকিপার পাপ্পু প্রতিহত করে হারের ব্যবধান বাড়তে দেননি। শেষ পর্যন্ত স্কোরলাইন ১-০ রেখে মাঠ ছেড়েছে কুয়েত।

/টিএ/কেআর/

সম্পর্কিত

ম্যারাডোনা কাপে খেলবে বার্সা-বোকা

ম্যারাডোনা কাপে খেলবে বার্সা-বোকা

বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়ে রোমাঞ্চিত পর্তুগিজ কোচ

বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়ে রোমাঞ্চিত পর্তুগিজ কোচ

বাংলাদেশ দলে জায়গা পেলেন কাতার প্রবাসী নবাব

বাংলাদেশ দলে জায়গা পেলেন কাতার প্রবাসী নবাব

১০ জন নিয়ে ড্র করলো পিএসজি

১০ জন নিয়ে ড্র করলো পিএসজি

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২০:৫৮

রান ১০০ পেরোবে কিনা, এই সংশয়ও জন্মেছিল। নাসুম আহমেদের ‘ক্যামিও’ পারফরম্যান্সে মোটামুটি একটা স্কোর তবু হলো। ১২৪ রানের পুঁজি নিয়ে অন্তত লড়াই তো করা সম্ভব। কিন্তু কীসের কী, কোনও সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ। ইংলিশ ব্যাটারদের কাছে, বিশেষ করে জেসন রয়ের দাপটে অসহায় আত্মসমর্পণ মাহমুদউল্লাহদের। হেসেখেলে ম্যাচটি ৮ উইকেটে জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ড।

আজ (বুধবার) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৪ রান করে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রয়ের ঝড়ো হাফসেঞ্চু্রিতে ২ উইকেট হারিয়ে ১৪.১ ওভারেই জয় নিশ্চিত ইংলিশদের। ফলে সুপার টুয়েলভে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ হারলো বাংলাদেশ। তাতে সেমিফাইনালের আশা কমে গেলো আরেকটু।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় স্কোর গড়েও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। ক্যাচ মিসে হাতছাড়া হয়েছে ম্যাচ। ইংল্যান্ড ম্যাচ ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চে, অথচ সামান্য প্রতিরোধও গড়া যায়নি। প্রথমে ব্যাটিং ব্যর্থতা, এরপর বোলারদের হতাশা। অল্প পুঁজি নিয়ে বোলিংয়ে দুর্দান্ত কিছুর প্রয়োজন থাকলেও কিছুই করতে পারেননি সাকিব-মোস্তাফিজরা। তাদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়ে রয় খেলেন ৩৮ বলে ৬১ রানের ইনিংস। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা এই ওপেনার ঝড়ো ইনিংসটি সাজান ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায়। শরিফুল ইসলামের বলে নাসুম আহমেদের হাতে যখন তিনি ধরা পড়লেন, ইংল্যান্ডের জয় তখন সময়ের ব্যাপার।

সহজ লক্ষ্যে ইংল্যান্ডকে দারুণ শুরু এনে দেন রয় ও জস বাটলার। অস্বস্তি বাড়তে থাকা বাংলাদেশ দলে খানিক সময়ের জন্য স্বস্তি ফেরে নাসুমের বলে। বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি বাঁহাতি স্পিনার। তার বলেই ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে বাংলাদেশ।

সাকিব আল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম সাফল্য পাচ্ছিলেন না। ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটিও এগিয়ে চলছিল। এরপর বোলিংয়ে এলেন নাসুম। এসেই ফেরালেন বাটলারকে। এই ইংলিশ হার্ডহিটার ব্যাটারকে এক্সটা কাভারে নাঈম শেখের হাতে ক্যাচ বানান বাঁহাতি স্পিনার। ফেরার আগে ১৮ বলে ১ চার ও সমান ছক্কায় ১৮ রান করে যান বাটলার।

ইংলিশ উইকেটকিপার আউট হলেন বটে কিন্তু অস্বস্তি কাটলো না। ইংল্যান্ডের অন্য ব্যাটাররা সুযোগই দিচ্ছিলেন না। তাই জয়ের পথে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলে ইংলিশরা। এরই এক ফাঁকে রয় ফিরে যান। তাতে অবশ্য কোনও প্রভাব পড়ে না ইংল্যান্ড ক্যাম্পে। দলের সহজ জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছেড়ে যান ডেভিড মালান ও জনি বেয়ারস্টো। মালান ২৫ বলে ৩ বাউন্ডারিতে অপরাজিত ২৮ রানে। আর বেয়ারস্টো ৪ বলে ১ বাউন্ডারিতে অপরাজিত থাকেন ৮ রানে।

ইংল্যান্ডের হারানো ২ উইকেট ভাগ করে নিয়েছেন নাসুম ও শরিফুল। নাসুম ৩ ওভারে খরচ করেন ২৬ রান। শরিফুল ৩.৩ ওভারে দেন ২৬ রান। উইকেটহীন সাকিব ৩ ওভারে দিয়েছেন ২৪ রান। মোস্তাফিজ ৩ ওভারে ২৩ রানে উইকেটশূন্য। আর মেহেদী হাসান ২ ওভারেই খরচ করেছেন ২১ রান।

টি-টোয়েন্টিতে আগে কখনোই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেনি বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এই ম্যাচ দিয়েই প্রথমবার সাক্ষাৎ। আবুধাবির ম্যাচটিতে ব্যাটারদের টানা ব্যর্থতায় লড়াই করার মতো স্কোর পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে নাসুমের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে মোটামুটি একটা লক্ষ্য দাঁড় করায় মাহমুদউল্লাহরা।

টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় পরিস্থিতি এমন ছিল যে, ৯৮ রানেই পড়ে যায় ৭ উইকেট! সেখান থেকে স্কোর ১২৪ পর্যন্ত গিয়েছে আদিল রশিদের ১৯তম ওভারে নাসুম ১৭ রান নিলে। তার মাঝে ছিল দুটি ছয় ও এক চার। আবুধাবিতে ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে সর্বোচ্চ রান ছিল কেবল মুশফিকের। ৩০ বলে করেন ২৯ রান। মাহমুদউল্লাহ ২৪ বলে করেছেন ১৯ রান।

নাসুমও করেছেন ১৯*। ৯ বলে অপরাজিত ইনিংসটি তিনি সাজান ১ চার ও ২ ছক্কায়। নুরুল হাসান সোহান ১৬ ও মেহেদীর ১৯ ছাড়া বাকিরা দুই অঙ্কের ঘরে যেতে ব্যর্থ। আবারও হতাশায় ডুবিয়েছেন লিটন দাস (৯)। রান পাননি নাঈম (৫), সাকিব (৪) ও আফিফ হোসেন (৫)।

/কেআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

সমালোচনা জীবনের অংশ, এটা সহ্য করাও আর্ট: মাশরাফি

সমালোচনা জীবনের অংশ, এটা সহ্য করাও আর্ট: মাশরাফি

শান্তর ২০তম সেঞ্চুরি

শান্তর ২০তম সেঞ্চুরি

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

quiz
সর্বশেষসর্বাধিক
© 2021 Bangla Tribune