X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বিনা খরচে এক ক্লিনিকে ১০০৩ শিশুর স্বাভাবিক প্রসব

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:০৯

হাওর ও পাহাড়বেষ্টিত প্রত্যন্ত গ্রামে ছোট একটি কমিউনিটি ক্লিনিক। বিনা পয়সায় এখানে শিশুর জন্ম দিচ্ছেন প্রসূতি মায়েরা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্বেচ্ছাশ্রমে ক্লিনিকে কাজ করছেন জুলেখা বেগম। ২৫২টি প্রসব কাজে সহায়তা করেন তিনি। জুলেখা কাজ ছাড়ার পর দায়িত্ব নেন লিপা খানম। ক্লিনিকে এ পর্যন্ত এক হাজার তিন শিশুর স্বাভাবিক প্রসব করিয়েছেন। এর মধ্যে ছেলে ৪৬৯ ও মেয়ে ৫৪১ জন। এদের মধ্যে সিজারিয়ান অপারেশনে যমজ সাত শিশুর জন্ম হয়।

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের ভোগতেরা গ্রামে এই কমিউনিটি ক্লিনিকের অবস্থান। ২০০০ সালে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এখানে বিনামূল্যে প্রসূতিদের স্বাভাবিক সন্তান প্রসব করানো হয়। কোনও প্রসূতির অবস্থা জটিল মৌলভীবাজার সদরে হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের জরিপে, স্বাভাবিক প্রসবে সিলেট বিভাগে ক্লিনিকটি প্রথম।

স্থানীয় বাসিন্দা মইনুল ইসলাম ক্লিনিকের জন্য ছয় শতাংশ জমি দান করেন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে এটি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ আট বছর পর ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রিভাইটালাইজেশন অব কমিউনিটি হেলথ কেয়ার ইনিশিয়েটিভস ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের মাধ্যমে পুনরায় এর কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১২ সালের ১২ জানুয়ারি ফের স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে প্রথম শিশুর জন্ম হয়।

নিরাপদ, স্বাভাবিক প্রসবের ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ১৯ জুন নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসের অনুষ্ঠানে ক্লিনিকটিকে পুরস্কৃত করেন। একই বছরের ১৬ জুলাই জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ’ কমিউনিটি ক্লিনিক হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি পুরস্কৃত হয়। এছাড়া প্রসূতিসেবায় অবদানের জন্য ২০১৮ সালে জেলা সিভিল সার্জন এবং ২০১৯ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে ক্লিনিকটি পুরস্কার পায়।

ক্লিনিকটিতে সন্তান জন্ম দেন বড়লেখা উপজেলার খাদিজা আক্তার। খাদিজার বিয়ে হয় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় কয়েক মাস আগে বাবার বাড়িতে চলে আসেন তিনি। তার স্বামী থাকেন প্রবাসে। তিনি জানতে পারেন ভোগতেরা কমিউনিটি ক্লিনিকে বিনা খরচে সন্তান প্রসব করানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসা সেবা নিয়ে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসব হওয়ায় খুশি খাদিজা।

একইভাবে কুমিল্লার প্রাইভেটকার চালক আল আমিনের স্ত্রী রিনা বেগম এই ক্লিনিকে স্বাভাবিকভাবে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। রিনা বেগম বলেন, কয়েক মাস আগে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি জুড়ীর জাঙ্গিরাই গ্রামে চলে আসি। প্রসবব্যথা উঠলে ক্লিনিকে যাই। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় আমার ছেলেসন্তান জন্ম নেয়। ওষুধ থেকে শুরু করে সব খরচ বহন করেছে ক্লিনিক। আমার এক টাকাও খরচ হয়নি।

এই ক্লিনিকে স্বাভাবিক প্রসবে কাজ করেন লিপা খানম। তার বাড়ি ক্লিনিকের পাশেই ভোগতেরা গ্রামে। তিনি বলেন, প্রসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে এই ক্লিনিকে যোগ দিই। আমার হাত ধরে এ পর্যন্ত ৭৪৯ শিশুর জন্ম হয়েছে। এ কাজের বিনিময়ে আমি পারিশ্রমিক নিই না।

তিনি বলেন, বিনা পারিশ্রমিকে আমি সেবা দিয়ে যাচ্ছি। আমার পরিবার থেকেও সহযোগিতা পাচ্ছি। অনেক সময় সংসারের কাজের কারণে ঝামেলায় পড়ে যাই। কারণ যেকোনও সময় রোগী এলে আমাকে ক্লিনিকে আসতে হয়।

স্বাভাবিক প্রসবের কারণে ক্লিনিকের লোকজনের ওপর খুশি রোগী ও স্বজনরা। তারা জানান, ক্লিনিকের লোকজন অনেক ভালো। সিজারিয়ান অপারেশন লাগে না। স্বাভাবিক প্রসবের কারণে মা ও শিশু সুস্থ থাকে। অপারেশন থেকে রক্ষা পান মায়েরা। গরিব লোকেরা টাকা দিয়ে হাসপাতালে গিয়ে যে কাজ করতে পারে না, তা এখানে এলে স্বাভাবিকভাবে হয়ে যায়।

কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা নারীরা ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ফখরুল ইসলাম শামীম বলেন, শুধু জুড়ীর নয়; কুলাউড়া, বড়লেখা থেকে শুরু করে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা থেকেও ক্লিনিকে রোগী আসে। এ পর্যন্ত কোনও শিশু কিংবা মায়ের মৃত্যু হয়নি।

তিনি আরও বলেন, স্বাভাবিক প্রসবের জন্য যেসব ওষুধ প্রয়োজন তা এখানে নেই। তাই সরকারিভাবে দেওয়ার আবেদন করছি। সরকার যে লক্ষ্য নিয়ে ক্লিনিকটি চালু করেছে, যদি সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় তাহলে শতভাগ লক্ষ্যপূরণ সম্ভব বলে জানান তিনি।

কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার হানিফুল ইসলাম বলেন, ক্লিনিকে এক হাজার শিশুর স্বাভাবিক জন্ম নেওয়ার ঘটনা বড় অর্জন। যেসব প্রসূতি চেকআপে আসার পর বিষণ্নতায় থাকেন, নরমাল হবে নাকি সিজার, এমন প্রসূতিদের নিয়ে কাজ করে ৯০ ভাগ সফল হয়েছি আমরা।

জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সমরজিৎ সিংহ বলেন, স্বাভাবিক প্রসবের ক্ষেত্রে ভোগতেরা কমিউনিটি ক্লিনিকের সুনাম দীর্ঘদিন ধরে বয়ে চলছে। সিলেট বিভাগের সব কমিউিনিটি ক্লিনিকের মধ্যে এটির স্থান প্রথম। স্বাভাবিক প্রসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এই ক্লিনিকে।

জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মোঈদ ফারুক বলেন, রেকর্ড সৃষ্টিকারী এ কমিউনিটি ক্লিনিকটি আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত। সাধ্যানুযায়ী ব্যক্তিগত ও সরকারিভাবে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি। 

/টিটি/এএম/

/টিটি/এএম/

সম্পর্কিত

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় কুষ্টিয়ায় গ্রেফতার সিলেটের সাদি  

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় কুষ্টিয়ায় গ্রেফতার সিলেটের সাদি  

ফেরিডুবির ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি

ফেরিডুবির ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি

৪০০ টনের ফেরি উদ্ধারে কাজ করছে ৬০ টন সক্ষমতার হামজা

৪০০ টনের ফেরি উদ্ধারে কাজ করছে ৬০ টন সক্ষমতার হামজা

জামালপুরে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সমাবেশ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৫১

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের নির্দেশে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অসাম্প্রদায়িক, সম্প্রীতি ও শান্তির সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার উদ্যোগে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে শান্তির শোভাযাত্রা বের করা হয়। প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হন নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেন বাদশা সভাপতিত্ব করেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি আ.ফ.ম ডা. শাহান শাহ মোল্লাহ, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম মানিক, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি জেলা শাখার আহ্বায়ক মুক্তা আহমেদ, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র সুত্রধর, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এ কে এম আশরাফুল ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর সাখাওয়াত আলম মুকুল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী শরীফ আহমেদ নীরব প্রমুখ। সমাবেশে আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জামায়াত-বিএনপি গুজব ছড়ালে এবং শান্তি নষ্ট করতে চাইলে তা রোধে সবাইকে একযোগে প্রতিরোধ করতে হবে। এ বিষয়ে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তারা।

/এএম/

সম্পর্কিত

খুঁটির বদলে গাছ ও বাঁশে বিদ্যুতের লাইন

খুঁটির বদলে গাছ ও বাঁশে বিদ্যুতের লাইন

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

একটি সেতুর জন্য পাঁচ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

একটি সেতুর জন্য পাঁচ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪৯

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধনীর প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন জাসদ সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেছেন, ‘যাতে করে মূলধারার গণমাধ্যমকর্মীরা আইনের অপপ্রয়োগ থেকে রক্ষা পায়।’

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা জাসদের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে সার্কিট হাউজে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে ইনু বলেন, ‘দেশের ৫০টি জায়গায় সশস্ত্র সাম্প্রদায়িক হামলা হয়েছে। এই হামলার দায় প্রশাসনের ওপর বর্তায়। দেশে কখনও মন্দিরে, কখনও আহমদিয়া সম্প্রদায়ের ওপর আবার কখনও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে। এটা দেশের জন্য শুভ লক্ষণ নয়। আগামীতে আর কোথাও সাম্প্রদায়িক হামলা হবে না, এর গ্যারান্টি দেওয়ায় হচ্ছে রাজনৈতিক দল বা সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।’

সাম্প্রদায়িক কর্মচারীদের নিষ্ক্রিয়তা ও অসাম্প্রদায়িক দলে সাম্প্রদায়িক শয়তানদের অনুপ্রবেশের ফলে ধর্মের নামে দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঘটছে বলেও জানান তিনি। তিনি সাম্প্রদায়িক সহিংসতা রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। 

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে ইনু বলেন, ‘বিএনপি নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় নাকি সরকার বদল করতে চায় এ প্রশ্ন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। তারা সাংবিধানিক সরকারকে হটিয়ে একটা অস্বাভাবিক ভূতের সরকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে। পূজায় হামলা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ঘোলা করার ষড়যন্ত্র।’

তিনি বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিস্তারের মাধ্যমে একটি ডিজিটাল জগৎ তৈরি হয়েছে। সেই ডিজিটাল জগৎ সাম্প্রদায়িক শক্তি ও সাইবার অপরাধীদের আক্রমণের মুখে। নারীর চরিত্র হনন করা হচ্ছে এর মাধ্যমে। সুতরাং সাইবার নিরাপত্তা এখন মানবাধিকার রক্ষার মৌলিক কাজ। তবে এর অপপ্রয়োগ হচ্ছে। এই অপপ্রয়োগ রোধে কিছু সংশোধনী আনা দরকার।’

১৪ দলীয় জোটের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ইনু বলেন, ‘জঙ্গিদের ধ্বংস, ঘর কাটা ইঁদুর এবং দুর্নীতিবাজদের ধ্বংস করতে ১৪ দলের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

বিয়ে দিতে বাবার অসম্মতির কারণে ছেলের আত্মহত্যার অভিযোগ

বিয়ে দিতে বাবার অসম্মতির কারণে ছেলের আত্মহত্যার অভিযোগ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ১৫টি ঘোড়া উপহার দিলো ভারত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ১৫টি ঘোড়া উপহার দিলো ভারত

পাবজি খেলতে ডেকে ৫ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

পাবজি খেলতে ডেকে ৫ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

বাবা-মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামি অজ্ঞাত

বাবা-মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামি অজ্ঞাত

কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন ভ্যানচালক

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৬

দিনাজপুরের হিলিতে সড়কে কুড়িয়ে পাওয়া দুই লাখ টাকা পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন হাফিজার রহমান (৫৭) নামের এক ভ্যানচালক। পরে পুলিশ টাকার প্রকৃত মালিক আবুল বাশারের কাছে সেই টাকা তুলে দিয়েছেন। হারানো টাকা ফেরত পেয়ে খুশি হয়ে মালিক হাফিজার রহমানকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেন। টাকার প্রকৃত মালিক টাকা ফিরে পাওয়ায় খুশি ওই ভ্যানচালকও।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে হিলি স্থলবন্দরের চারমাথা মোড়ে ভ্যান চালিয়ে যাওয়ার সময় তিনি সড়কে এ টাকা কুড়িয়ে পান। হাফিজার রহমান হিলির বড় জালালপর গ্রামের মৃত মোজাফ্ফর রহমানের ছেলে।

হাফিজার রহমান বাংলা তিনি ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি টেম্পু স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নামিয়ে ভ্যান নিয়ে হিলি স্থলবন্দরের চারমাথার দিকে আসছিলাম। এ সময় চারমাথা মোড়ে আর্মি হোটেলের সামনে এক হাজার টাকার নোটের দুই বান্ডিল টাকা পাই। পরে আশপাশের দোকানদারকে টাকা পাওয়ার বিষয়টি জানাই, কিন্তু তারাও মালিকের সন্ধান দিতে পারেননি। পরে আমি বিষয়টি পুলিশকে জানাই। পুলিশ সেই টাকা মালিককে ফেরত দিয়ে দেয়।’

হারিয়ে যাওয়া টাকা বুঝে নিচ্ছেন প্রকৃত মালিক

টাকার মালিক সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী আবুল বাশার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমদানি করা পণ্যের ডিউটি দিতে অফিস থেকে ব্যাগে করে ১৪ লাখ টাকা নিয়ে সোনালি ব্যাংকে জমা দেওয়ার উদ্দেশে যাচ্ছিলাম। ব্যাংকে টাকা জমা দিতে গিয়ে দেখি টাকার দুইটি বান্ডিল অর্থাৎ দুই লাখ টাকা নেই। তখন ধরেই নিয়েছিলাম, টাকা আর পাবো না। এর পর পথে কোথাও হয়তো ব্যাগ থেকে টাকা পড়ে গেছে যা আমি বুঝতে পারিনি। এই ভেবে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় টাকার খোঁজ করতে থাকি কিন্তু কোথাও পাইনি। পরে শুনি এক ভ্যানচালক টাকা পেয়ে থানায় জমা দিয়েছে। থানা থেকে উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে টাকাগুলো ফেরত নিয়েছি। সেই সঙ্গে খুশি হয়ে সেই ভ্যানচালককে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার হিসেবে দিয়েছি।’

হাকিমপুর থানার ওসি খায়রুল বাশার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হাফিজার রহমান নামের এক ভ্যানচালক টাকা কুড়িয়ে পেয়ে পুলিশকে জানান। পরে এসআই বেলালসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে টাকার বান্ডিলসহ হাফিজার রহমানকে সসম্মানে থানায় নিয়ে আসেন। টাকার বান্ডিল দুইটিতে এক লাখ টাকা করে দুই লাখ টাকা ছিল। পরে আমরা প্রকৃত মালিকের সন্ধান করতে থাকি। এরপর প্রকৃত মালিক আবুল বাশারের হাতে প্রমাণ সাপেক্ষে টাকা তুলে দেওয়া হয়। টাকাগুলো ফেরত দিয়ে হাফিজার রহমান সততার নজির স্থাপন করেছেন যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।’ 

/এফআর/

সম্পর্কিত

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণা

বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণা

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শ্রীনগর থানার ওসি প্রত্যাহার

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শ্রীনগর থানার ওসি প্রত্যাহার

আমদানি বাড়ায় কমেছে পেঁয়াজের দাম

আমদানি বাড়ায় কমেছে পেঁয়াজের দাম

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৩

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সুমাইয়া আক্তার নামে এক স্কুলছাত্রীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের পাশ থেকে মনির মিয়া (১৭) নামে এক কিশোরকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সুমাইয়ার সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ করছে পুলিশ।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার শামসুল হক কলেজের সামনের একটি ভবন থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।  

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সুমাইয়ার সঙ্গে মনিরসহ দুই কিশোরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আগের প্রেমিককে বাদ দিয়ে মনিরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সুমাইয়ার। এরই জেরে সুমাইয়ার সাবেক প্রেমিক এ হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে। 

সুমাইয়া আক্তার এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে উপজেলার পালিমা গ্রামের ফেরদৌসের মেয়ে। তারা এলেঙ্গা কলেজ মোড় এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিল। আহত মনির উপজেলার মশাজান গ্রামের মেহের আলীর ছেলে। মনির বাসের হেলপার।

পুলিশ ও নিহত ছাত্রীর স্বজনরা জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে স্থানীয় প্রাইম কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয় সুমাইয়া। স্থানীয়রা এলেঙ্গা সরকারি শামসুল হক কলেজের বিপরীত পাশে খোকন মিয়ার ভবনের সিঁড়িতে সুমাইয়া ও মনিরকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। খবর পেয়ে সুমাইয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

গুরুতর আহত মনিরকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। এদিকে, নিহত সুমাইয়ার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।

পৌরসভার শামসুল হক কলেজের সামনের একটি ভবন থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়

সুমাইয়ার চাচা ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘আমার ভাই স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এলেঙ্গায় ভাড়া বাসায় থাকেন। বখাটেদের অত্যাচারে কিছুদিন আগে তারা বাসা বদল করে এই বাসায় উঠেছেন। কি কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বুঝতে পারছি না। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুমাইয়ার মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’

টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিহাতী সার্কেল) শরিফুল হক বলেন, ‘আহত মনিরসহ দুই জনের সঙ্গে সুমাইয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সুমাইয়ার সাবেক প্রেমিক ক্ষোভে এ হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। খুব দ্রুত আমরা রহস্য উদঘাটন করতে পারবো। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা রাজিব পাল চৌধুরী বলেন, ‘মনিরের গলায়, ঘাড়ে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরি দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

/এএম/

সম্পর্কিত

কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন ভ্যানচালক

কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন ভ্যানচালক

প্রকাশ্যে হকার হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

প্রকাশ্যে হকার হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শ্রীনগর থানার ওসি প্রত্যাহার

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শ্রীনগর থানার ওসি প্রত্যাহার

খুঁটির বদলে গাছ ও বাঁশে বিদ্যুতের লাইন

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৯

ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটির পরিবর্তে বাঁশ এবং জীবন্ত গাছ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। বাঁশ ও গাছ ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে বিদ্যুতের সংযোগ নেওয়ায় বিভিন্ন সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। বিদ্যুতায়িত হয়ে অনেকে আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে আতংকে দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ময়মনসিংহের গ্রাহকরা। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সদর উপজেলার গোপালনগর গ্রামের কামারপাড়া মোড়ে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে সরবরাহ লাইন নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে জীবন্ত গাছ ও নড়বড়ে বাঁশের খুঁটি। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে ব্যবহৃত বাঁশের খুঁটি ভেঙে রাস্তায় পড়ে থাকতেও দেখা যায়। রাস্তায় পড়ে থাকা ছেঁড়া তারে অনেক সময় স্থানীয়রা বিদ্যুতায়িত হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। 

স্থানীয় তালেব উদ্দিন বলেন, সরকারের আইন অমান্য করে বিদ্যুৎ অফিস কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে জীবন্ত গাছ ও বাঁশের খুঁটি ব্যবহার করে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন নেওয়া হয়েছে। নড়বড়ে বাঁশের খুঁটি ভেঙে প্রায়ই সরবরাহ লাইনের তার রাস্তায় এবং কৃষিজমিতে পড়ে থাকে। অনেকেই ছেঁড়া তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে আহতও হয়েছেন। বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করেও এর প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি। 

এদিকে পাড়াইল গ্রামের আমির আলীর মিলের কাছ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য হাজীবাড়ি এলাকায় সাত-আট বছর আগে পাঁচটি বিদ্যুতের খুঁটি বসায় পিডিবি। কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের খুশি করতে না পারায় এখনও সেই খুঁটিতে সরবরাহ লাইন যুক্ত হয়নি বলে অভিযোগ করেন তালেব উদ্দিন। এ কারণে বাঁশের খুঁটি ও জীবন্ত গাছ ব্যবহার করে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছে। 

বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে ব্যবহার হয়েছে বাঁশের খুঁটি তিনি আরও জানান, বিদ্যুতের খুঁটি থেকে সর্বোচ্চ ৩৩ মিটার পর্যন্ত দূরত্বের বাড়িঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বিদ্যুৎ অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে জীবন্ত গাছ ও বাঁশের খুঁটি ব্যবহার করে ৫০০ মিটার পর্যন্ত দূরত্বের বাড়িঘর ও দোকানপাটেও বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছে। 

পাড়াইল এলাকায় চুরখাই দাপুনিয়া রোডে জীবন্ত গাছ ব্যবহার করে বিদ্যুতের সরবরাহ লাইন নেওয়ার দৃশ্যও দেখা গেছে। 

পাড়াইল গ্রামের বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, জীবন্ত গাছ ও বাঁশের খুঁটির পরিবর্তে পিডিবির নির্ধারিত খুঁটি বসানোর জন্য একাধিকবার আবেদন করেও কোনও কাজ হয়নি। টাকা ছাড়া বিদ্যুৎ অফিসে কোনও কাজ হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। 

ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ইন্দ্রজিৎ সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে কিছু জায়গায় অনিয়ম হতে পারে। তবে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে এসব নড়বড়ে এসব অস্থায়ী খুঁটি সরিয়ে নেওয়া হবে। নির্দিষ্ট কোনও স্থানের অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

একটি সেতুর জন্য পাঁচ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

একটি সেতুর জন্য পাঁচ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন গ্রেফতার

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় কুষ্টিয়ায় গ্রেফতার সিলেটের সাদি  

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় কুষ্টিয়ায় গ্রেফতার সিলেটের সাদি  

ফেরিডুবির ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি

ফেরিডুবির ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি

৪০০ টনের ফেরি উদ্ধারে কাজ করছে ৬০ টন সক্ষমতার হামজা

৪০০ টনের ফেরি উদ্ধারে কাজ করছে ৬০ টন সক্ষমতার হামজা

করোনায় আক্রান্ত শের-ই বাংলা মেডিক্যালের ৪২৬ নার্স, প্রণোদনা পাননি একজনও

করোনায় আক্রান্ত শের-ই বাংলা মেডিক্যালের ৪২৬ নার্স, প্রণোদনা পাননি একজনও

ফ্লাইওভারের পিলারে ফাটল নাকি ‘ফলস কাস্টিং’

ফ্লাইওভারের পিলারে ফাটল নাকি ‘ফলস কাস্টিং’

সিনহা হত্যা মামলা: আজ সাক্ষ্য দিচ্ছেন দুই ম্যাজিস্ট্রেট

সিনহা হত্যা মামলা: আজ সাক্ষ্য দিচ্ছেন দুই ম্যাজিস্ট্রেট

পাটুরিয়ায় ১৭ ট্রাক নিয়ে ফেরিডুবি

পাটুরিয়ায় ১৭ ট্রাক নিয়ে ফেরিডুবি

স্কুলছাত্রীর লাশের পাশে পড়েছিল আহত কিশোর

স্কুলছাত্রীর লাশের পাশে পড়েছিল আহত কিশোর

হেফাজতের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী হাসপাতালে

হেফাজতের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী হাসপাতালে

সর্বশেষ

দেশের চার বিভাগে মৃত্যু নেই  

দেশের চার বিভাগে মৃত্যু নেই  

সুদানের সদস্যপদ স্থগিত করলো আফ্রিকান ইউনিয়ন

সুদানের সদস্যপদ স্থগিত করলো আফ্রিকান ইউনিয়ন

জামালপুরে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সমাবেশ

জামালপুরে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সমাবেশ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যেও সুসম্পর্ক চায় রাশিয়া

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যেও সুসম্পর্ক চায় রাশিয়া

© 2021 Bangla Tribune