X
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

টিকা কেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীকে থাপ্পড়, সাংবাদিক গ্রেফতার

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৫

গণটিকা কেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীকে মারধর এবং কেন্দ্র ভাঙচুরের অভিযোগে দৈনিক মানবজমিনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ইয়ারব হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদরের ঝাউডাঙা হাইস্কুলের অস্থায়ী টিকা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টিকা কেন্দ্রে ভাঙচুরের এক ঘণ্টা পর ইয়ারব হোসেনকে তুজলপুর গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যকর্মীকে মারধর এবং কেন্দ্র ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়। ২০১৩ সালে জামায়াতের সহিংস তাণ্ডব চলাকালে সন্ত্রাসীদের হাতে মারধরের শিকার হন ইয়ারব। তখন তার হাত-পা ভেঙে দেয় সন্ত্রাসীরা। 

জেলা সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়েত বলেন, ‘খবরটি শুনেছি। টিকা কেন্দ্রে ভাঙচুরের ঘটনা জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছিল। তবে ওই সাংবাদিককে গ্রেফতারের বিষয়টি জানা নেই। এক টিকা পাঁচজনকে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এটি অনিয়ম নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘৭৮ ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার নয় ওয়ার্ডে এক লাখ ২১ হাজার করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে। প্রতি ইউনিয়নে এক হাজার ৫০০ ও পৌরসভার প্রতি ওয়ার্ডে ৫০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। মঙ্গলবার ও বুধবার, দুই দিন ক্যাম্পেইন চলবে। যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন তারাই কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে পারবেন।’

সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বাবুল আক্তার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ঝাউডাঙা অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে গণটিকা কার্যক্রম চলছিল। এ সময় সাংবাদিক ইয়ারব সেখানে গিয়ে এক টিকা পাঁচ জনকে পুশ করার আপত্তি জানান। এ নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। তিনি স্বাস্থ্যকর্মী মনিরুল ইসলামকে থাপ্পড় মারেন এবং কেন্দ্র ভাঙচুর করেন। এ জন্য তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা হয়েছে।’

সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন বলেন, ‘ঝাউডাঙা হাইস্কুল কেন্দ্রে টিকা দেওয়া নিয়ে অব্যবস্থাপনার খবর পাই। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যকর্মী মনিরুল ইসলাম আমাকে বলেন, ‘তুই কে রে? তুই কথা বলার কে’ বলে আমাকে ধাক্কা দেন। তখন আমি তাকে থাপ্পড় দিই। কেন্দ্রে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। কেন্দ্র ভাঙচুরের নাটক সাজিয়ে আমাকে পুলিশ দিয়ে বাড়ি থেকে তুলে আনা হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে জেলায় এক লাখ ২১ হাজার টিকা দেওয়া হচ্ছে। টিকা কেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীকে মারধর এবং কেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনা দুঃখজনক। বিষয়টি তদন্ত করে স্বাস্থ্য বিভাগকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।’

/এএম/

সম্পর্কিত

ভেজাল সার জব্দ, দোকানিকে লাখ টাকা জরিমানা

ভেজাল সার জব্দ, দোকানিকে লাখ টাকা জরিমানা

স্বর্ণ চোরাচালান মামলায় একজনের ১৪ বছর কারাদণ্ড

স্বর্ণ চোরাচালান মামলায় একজনের ১৪ বছর কারাদণ্ড

লালনের তিরোধান দিবস আজ, বসেনি সাধুর হাট

লালনের তিরোধান দিবস আজ, বসেনি সাধুর হাট

হট্টগোলে কালিয়ায় আ.লীগের বর্ধিত সভা পণ্ড 

হট্টগোলে কালিয়ায় আ.লীগের বর্ধিত সভা পণ্ড 

মনোনয়ন ফরম তোলার আগে জানলেন তারা ‌মারা গেছেন

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৯:১৯

বগুড়ার সোনাতলা পৌরসভার নির্বাচন আগামী ২ নভেম্বর। গত ৪ অক্টোবর মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে। ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হতে দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন চরমগাছা গ্রামের মৃত আবদুল কুদ্দুসের ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আবুল কাশেম শেখ।

কিন্তু উপজেলা নির্বাচন অফিসে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে গিয়ে জানতে পারেন, ডাটাবেজে তার নাম নেই। অনেক খোঁজাখুঁজির পর জানলেন, ১০ বছর আগেই তিনি মারা গেছেন।

একই ঘটনা ঘটেছে শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বর) প্রার্থী আবদুল মোতালেব ফেরদৌসের সঙ্গে। তিনি ওই ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। তৃতীয় ধাপে আগামী ২৮ নভেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। মেম্বার পদে এবারও নির্বাচন করতে চান তিনি। এর প্রস্তুতি হিসেবে করোনা টিকা নিতে অনলাইন নিবন্ধন ও ভোটার তালিকায় খোঁজ করে দেখেন, তার নাম নেই। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তিনি মারা গেছেন।

নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, ভুলে এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আবেদন করলে এটা সংশোধন করা হবে। তবে তারা এবার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

আবুল কাশেম শেখ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখি, ডাটাবেজে নাম নেই। আমি নাকি ১০ বছর, অর্থাৎ ২০১১ সালে মারা গেছি! নির্বাচন অফিস মৃত বানিয়েছে। ফলে এবারের নির্বাচন অংশ নিতে পারছি। কবে জীবিত দেখানো হবে সেটাও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।’

সোনাতলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন জানান, সংশোধনের আবেদন করলে এটার সমাধান হবে। তবে এবার ভোটে অংশ নিতে ও ভোট দিতে পারবেন না আবুল কাশেম।

আবদুল মোতালেব ফেরদৌস শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মানিকদিবা বিন্নাচাপড় গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে। গত নির্বাচনে বর্তমান সদস্য আবদুর রহমানের কাছে ১৪৫ ভোটে পরাজিত হন তিনি। এবার আবদুর রহমান, আবদুল বাসেদ রঞ্জু ও ফেরদৌস প্রার্থী হওয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। 

ফেরদৌসের ছেলে রাসেল আহমেদ জানান, তার বাবা এবারও প্রার্থী হবেন। তাই অনেকদিন ধরেই মাঠে রয়েছেন। প্রস্তুতি হিসেবে করোনার টিকার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও ভোটার তালিকায় খোঁজ করে দেখেন, ফেরদৌসের নাম নেই। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তিনি মারা গেছেন।

আবদুল মোতালেব ফেরদৌস বলেন, ‌‘গত নির্বাচনে সামান্য ভোটের ব্যবধানে আমি হেরে যাই। এবার অংশ নেওয়ার জন্য অনেকদিন ধরে মাঠে থেকে জনসেবামূলক কাজ করে আসছি। জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে প্রতিপক্ষের কেউ আমাকে মৃত বানিয়েছে। জীবিত দেখাতে নির্বাচন অফিসে আবেদন করেছি।’

শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, যদি কোনও ভোটার মারা যান, তাহলে পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নির্বাচন অফিসকে অবহিত করতে হয়। পরে একজন মাঠকর্মী তদন্ত করে এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেন। ওই মাঠকর্মীর যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিবেদন অনুসারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া মৃত্যুর কারণে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে হলেও ইউনিয়ন পরিষদের মৃত্যু সনদ লাগে।

এ বিষয়ে শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, এমন হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

পাত্র দেখানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ, ঘটক গ্রেফতার

পাত্র দেখানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ, ঘটক গ্রেফতার

নির্বাচনি প্রচারণার সময় ইউপির সদস্য প্রার্থীর মৃত্যু

নির্বাচনি প্রচারণার সময় ইউপির সদস্য প্রার্থীর মৃত্যু

নতুন জাতের আমন উদ্ভাবন, কম সময়ে বেশি ফলন

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৮

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় নতুন জাতের আমন ধান উৎপাদন করেছেন জিন বিজ্ঞানী ও ধান গবেষক ড. আবেদ চৌধুরী। নতুন জাতের আমন ধানের চারা রোপণের পর নির্ধারিত সময়ের দেড়মাস আগেই এ ধান কাটা সম্ভব বলে দাবি উদ্ভাবকের।

গত বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) এই নতুন জাতের আমন ধান কেটে ঘরে তোলা শুরু করেন বিজ্ঞানীর নিয়োগকৃত কুলাউড়ার হাজীপুর ইউনিয়নের কৃষক রাসেল মিয়া। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিজ্ঞানী ও ধান গবেষক ড. আবেদ চৌধুরীর নিয়োগকৃত কৃষক রাসেল মিয়া ৩০ শতক জমিতে প্রদর্শনী হিসেবে কানিহাটি-১ থেকে কানিহাটি-১৬ আমন ধান চাষ করেন। জীন বিজ্ঞানীর নিজ গ্রামের নামে নতুন জাতের ধানের নাম রাখেন কানিহাটি। সাধারণত আমন ধানের বীজতলা তৈরি থেকে ফসল কাটা পর্যন্ত সময় লাগে প্রায় সাড়ে চার মাস। এরপর আমন কেটে ঘরে তুলতে হয়। অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটা হয়। 

রাসেল মিয়া জানান, এ বছর আমন প্রদর্শনী মাঠে ৩০ শতক জমিতে ১৪ মণ ধান হয়েছে। এ ধানে চিটা'র পরিমাণ নেই। এলাকার কৃষকরা এই জাতের আমন ধানের ফলন দেখে আগামী মৌসুমে চাষাবাদ করতে আগ্রহী হয়েছেন। কম সময়ে ভালোমানের ধান উৎপাদন সম্ভব বলেও জানান তিনি।

অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী জিন বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী বলেন, আমার উদ্ভাবিত বিভিন্ন জাতের ধানের নাম আমার গ্রামের নামে কানিহাটি ১ থেকে ১৬ পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। আউশের সময় একজমি থেকে তিন বার ধান কেটে ঘরে তোলা হয়েছে। সঠিক পরিচর্যায় ও অল্প সার প্রয়োগে তিন বার ফসল কেটে ঘরে তোলা সম্ভব। সে জমিতে এখন চতুর্থবারের মতো ফসল এসেছে। এই পদ্ধতিতে সারা বছর ধান চাষ করলে ভালো ফলন হবে।

/এএম/

সম্পর্কিত

গরুকে ধাক্কা দেওয়ার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

গরুকে ধাক্কা দেওয়ার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

কাঠের গুঁড়া ও বিষাক্ত কেমিক্যালে হচ্ছে ‘শ্রীমঙ্গলের চা পাতা’

কাঠের গুঁড়া ও বিষাক্ত কেমিক্যালে হচ্ছে ‘শ্রীমঙ্গলের চা পাতা’

ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী বদলালেও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি

ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী বদলালেও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি

পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত মারমা নারীরা

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪৫

খাগড়াছড়ি জেলায় বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও জীবনধারা। এসব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির অধিকারী মারমা জনগোষ্ঠী। তাদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি দেখে মুগ্ধ হন পর্যটকরা। তবে দীর্ঘকাল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত মারমা নারীরা।

জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় বাঙালি, চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাঁওতাল ও গারোসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। পাহাড়ি জনসংখ্যার হিসাবে খাগড়াছড়িতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মারমা সম্প্রদায়। নিজেদের ঐতিহ্যময় সংস্কৃতি থাকায় গর্ববোধ করলেও উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি না পাওয়ার অভিযোগ মারমা নারীদের। তারা কৃষ্টি, সংস্কৃতি রক্ষার পাশাপাশি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার মহিলা কলেজ এলাকার নারীনেত্রী সুইচিংথুই মারমা জানান, মারমা পরিবার মাতৃপ্রধান পরিবার। পরিবারের সব কাজেই মারমা নারীদের অংশগ্রহণ থাকে। মারমাদের নিজস্ব ভাষা আছে, নিজস্ব কৃষ্টি-সংস্কৃতি আছে, নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পোশাক আছে। শত বছরের বর্ণাঢ্য জীবনাচার থাকলেও নেই উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাবার সুযোগ। বাবা-মা জীবদ্দশায় সম্পত্তি দিয়ে দখল হস্তান্তর না করলে মারমা নারীরা সম্পত্তি পায় না। তিনি আইন করে মারমা নারীদের উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাওয়ার দাবি জানান।

পানছড়ি এলাকার ২৪২নং পুজগাং মৌজার প্রয়াত মৌজা প্রধান সুইহলাপ্রু চৌধুরীর মেয়ে ইখিন চৌধুরী। তিনি বলেন, আমার বাবা স্থানীয় মৌজা প্রধান ছিলেন। তিনি মারা যাবার পর বাবার স্থলাভিষিক্ত হতে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছিলাম। তবে এখানকার স্থানীয় প্রতিনিধিরা ‘নারীরা পিতার উত্তরাধিকারী নয়’ মর্মে আপত্তি করায় জেলা প্রশাসক এখনও তার আবেদন গ্রহণ করেননি। তাকে মৌজাপ্রধান হিসেবেও নিয়োগ দেননি। মাতৃপ্রধান পরিবারের সদস্য হয়েও তিনি বাবার উত্তরাধিকার মনোনীত না হওয়ার বিষয়টি মানতে নারাজ। প্রয়োজনে আইন করে মারমা নারীদের উত্তরাধিকার নিশ্চিতের দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, পার্বত্য খাগড়াছড়িতে প্রচলিত প্রথা-সংস্কৃতিসহ অনেক কিছু অবজ্ঞা করার সুযোগ নেই। এখানে হেডম্যান নিয়োগ করতে হলে সার্কেল চিফের পরামর্শ নিতে হয়। সার্কেল চিফ সুইলাপ্রু চৌধুরীর মেয়েকে না দিয়ে তার বড় ভাইকে হেডম্যান নিয়োগ দিতে চান। তাছাড়া দেশের প্রচলিত আইনের সঙ্গে প্রথাগত আইনের জটিলতা রয়েছে বিধায় উত্তরাধিকার নির্ণয়ে জটিলতা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে কাজ চলছে এবং সমস্যার সমাধান হবে বলেও মনে করেন জেলা প্রশাসক।

খাগড়াছড়ি সার্কেলের চিফ সাচিং প্রু চৌধুরী বলেন, হাজার বছরের প্রচলিত প্রথা, রীতি-পদ্ধতি একদিনে পরিবর্তন সম্ভব নয়। বর্তমানে মারমা বাবা-মা জীবদ্দশায় সম্পত্তি দিয়ে গেলে নারীরা তা পাচ্ছেন। না দিয়ে গেলেও অনেক সময় পারিবারিকভাবে বসে দেওয়া হচ্ছে। তবে এই সংক্রান্তে কোনও আইন নেই। এসব বিষয়ে কাজ চলছে। অচিরেই হয়তো মারমা নারীদের উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাবার বিষয়টি নিশ্চিত হবে।

/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ ছাড়ছে মুহিবুল্লাহর পরিবার?

বাংলাদেশ ছাড়ছে মুহিবুল্লাহর পরিবার?

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির শাস্তি দাবি রানা দাশগুপ্তের

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির শাস্তি দাবি রানা দাশগুপ্তের

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম ছিনতাই

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম ছিনতাই

পচা মাংসের বিরিয়ানি বিক্রি, দোকান সিলগালা

পচা মাংসের বিরিয়ানি বিক্রি, দোকান সিলগালা

গরুকে ধাক্কা দেওয়ার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৪

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে সিএনজিচালিত অটোরিকশা দিয়ে গরুকে ধাক্কা দেওয়ার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে লালু মিয়া (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। রবিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার জয়কলস গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। লালু মিয়া ওই গ্রামের মৃত খুরশিদ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার দুপুরে জয়কলস গ্রামের আমির আলীর ছেলে হেলাল মিয়া প্রতিবেশী শহীদ মিয়ার গরুকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা দিয়ে ধাক্কা দেন। এতে শহীদ মিয়া ও আবুল লেইছের লোকজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। আজ সকালে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রামবাসীর উদ্যোগে জয়কলস পয়েন্টে উভয়পক্ষের লোকজন নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসেন। এ সময় উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে লিলু মিয়া গুরুতর আহত হন। আহত হন উভয়পক্ষের অন্তত নয় জন।

আহতদের সুনামগঞ্জ আড়াইশ শয্যা হাসাপাতালের চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত লিলুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বিকালে তার মৃত্যু হয়েছে।

আহতরা হলেন- জয়কলস গ্রামের আবুল লেইছ পক্ষের মৃত নোয়াজ আলীর ছেলে আমির আলী (৫৫), আমির আলীর ছেলে হেলাল মিয়া (৩৫), রইছ উদ্দিনের ছেলে ছালে আহমদ ও সাইদ আহমদ (২২), একই গ্রামের শহীদ মিয়ার পক্ষের হোসেন আহমদের ছেলে সৈয়দুর রহমান (২৮)। 

শান্তিগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আলাউদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। 

শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মোক্তাদির হোসেন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

নতুন জাতের আমন উদ্ভাবন, কম সময়ে বেশি ফলন

নতুন জাতের আমন উদ্ভাবন, কম সময়ে বেশি ফলন

কাঠের গুঁড়া ও বিষাক্ত কেমিক্যালে হচ্ছে ‘শ্রীমঙ্গলের চা পাতা’

কাঠের গুঁড়া ও বিষাক্ত কেমিক্যালে হচ্ছে ‘শ্রীমঙ্গলের চা পাতা’

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী বদলালেও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি

ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী বদলালেও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি

বাংলাদেশ ছাড়ছে মুহিবুল্লাহর পরিবার?

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:১৮

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গাদের শীর্ষস্থানীয় নেতা মো. মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিল তার পরিবারের সদস্যরা। মুহিবুল্লাহর পরিবারসহ ৯ পরিবারকে অন্যত্র একটি সেন্টারে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে ইতোমধ্যে তারা বাংলাদেশ-মিয়ানমার ছাড়া ছাড়া অন্য কোনও দেশে (থার্ড কান্ট্রি) আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে সম্প্রতি সংশ্লিষ্টদের কাছে এই আবেদন করেছেন তারা। তবে তারা কোন দেশে যাচ্ছেন যা যেতে চান—সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

মুহিবুল্লাহর পরিবার ছাড়াও আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) অন্যতম সদস্য মোহাম্মদ নওখিমসহ সংগঠনের কিছু সদস্য এবং মুহিবুল্লাহর ঘনিষ্ঠসহ মোট ১১টি পরিবার বাংলাদেশ-মিয়ানমারের বাইরে অন্য কোনও দেশের আশ্রয় নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

এ বিষয়ে রবিবার (১৭ অক্টোবর) শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, আমাদের কাছে মুহিবুল্লাহর পরিবার কোনও আবেদন করেনি। তাছাড়া বিষয়টি আমাদের এখতিয়ারের বাইরে। তবে যদি তারা কোনও দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেখানে যেতে চায় সেক্ষেত্রে সেদেশের সঙ্গে সকল প্রক্রিয়া শেষে কাগজপত্রগুলো পররাষ্ট্র দফতর থেকে আমাদের কাছে আসবে। তারপরই বলা সম্ভব, তারা অন্য কোনও দেশে যাচ্ছেন কিনা।

এদিকে মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করার পর থেকে তার ছোট ভাই হাবিব উল্লাহ, স্ত্রী নাসিমা খাতুনসহ অন্যান্য আত্মীয়স্বজনদের অপরিচিত নম্বর থেকে মোবাইলে টেক্সট ও ভয়েজ মেসেজ পাঠিয়ে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অপরদিকে পুলিশ বলছে, এসব হুমকির ঘটনা কেন এবং কারা ঘটাচ্ছে তা নিয়েও কাজ করছেন মামলাটির তদন্তকারীরা।

মুহিবুল্লাহর পরিবার ও এআরএসপিএইচ সংগঠনে নেতারা জানান, মুহিবুল্লাহ হত্যার পর তারা সবাই ক্যাম্পের খুব ভয়ভীতির মধ্য ছিলেন। এরপর তারা নিরাপত্তার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। এরপরও মুহিবুল্লাহর পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার তাদের ক্যাম্প থেকে সরিয়ে অন্য একটি জায়গায় নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যেই মুহিবুল্লাহ পরিবার, আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) সংগঠনের কিছু সদস্যসহ মোট ১১টি পরিবার বাংলাদেশ-মিয়ানমার ছাড়া ছাড়া অন্য কোনও দেশে বসতি স্থাপন করতে চেয়ে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়, জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার এবং যুক্তরাষ্ট্র বরাবর আবেদন করেন। আবেদনে তারা যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া বা কানাডা নাম উল্লেখ করেছেন। এসব বিষয়ে আলোচনায় লিড করছেন এআরএসপিএইচ-এর অন্যতম সদস্য মোহাম্মদ নওখিম। তবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

তবে মুহিবুল্লাহর ভাগনে এবং আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ)-এর মুখপাত্র রশিদ উল্লাহ বলেন, জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে দুই দফায় ১১টি পরিবার থার্ড কান্ট্রি যেতে চেয়ে ত্রাণ শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়, জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার এবং যুক্তরাষ্ট্রে আবেদন করেছি। তার মধ্য আমরা তিন দেশের কথা উল্লেখ করেছি। এসব দেশের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হচ্ছে। তবে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তাছাড়া ইতোমধ্য আমাদের ক্যাম্প থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে আমরা ক্যাম্প থেকে ভালো আছি।

‘থার্ড কান্ট্রি’-তে  যাবার বিষয়টি আমাদের জানা নেই উল্লেখ করে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক পুলিশ সুপার নাঈমুল হক বলেন, মুহিবুল্লাহর পরিবারসহ কয়েকজনকে ক্যাম্পের ভেতরে একটি সেন্টারে সরিয়ে রাখা হয়েছে। বিষয়টি এমন-না যে, নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের সরিয়ে রাখা হয়েছে। মূলত মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল থেকে তাদের সরিয়ে রাখা হয়। যেহেতু ‘ক্রাইম সিন’ এলাকায় লোকজন যাওয়া আসা নিষিদ্ধ। তাদের সেখানে আমরা পূর্ণ-নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি।

/এমআর/

সম্পর্কিত

পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত মারমা নারীরা

পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত মারমা নারীরা

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির শাস্তি দাবি রানা দাশগুপ্তের

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির শাস্তি দাবি রানা দাশগুপ্তের

পচা মাংসের বিরিয়ানি বিক্রি, দোকান সিলগালা

পচা মাংসের বিরিয়ানি বিক্রি, দোকান সিলগালা

চট্টগ্রামে বাসায় বিস্ফোরণে নিহত এক, আহত ২

চট্টগ্রামে বাসায় বিস্ফোরণে নিহত এক, আহত ২

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ভেজাল সার জব্দ, দোকানিকে লাখ টাকা জরিমানা

ভেজাল সার জব্দ, দোকানিকে লাখ টাকা জরিমানা

স্বর্ণ চোরাচালান মামলায় একজনের ১৪ বছর কারাদণ্ড

স্বর্ণ চোরাচালান মামলায় একজনের ১৪ বছর কারাদণ্ড

লালনের তিরোধান দিবস আজ, বসেনি সাধুর হাট

লালনের তিরোধান দিবস আজ, বসেনি সাধুর হাট

দেশি অস্ত্রসহ ৪ পরিবহন চাঁদাবাজ গ্রেফতার

দেশি অস্ত্রসহ ৪ পরিবহন চাঁদাবাজ গ্রেফতার

হট্টগোলে কালিয়ায় আ.লীগের বর্ধিত সভা পণ্ড 

হট্টগোলে কালিয়ায় আ.লীগের বর্ধিত সভা পণ্ড 

নিজ ঘরে মিললো ভ্যানচালকের অর্ধগলিত লাশ 

নিজ ঘরে মিললো ভ্যানচালকের অর্ধগলিত লাশ 

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা

মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা

পুনরায় হামলা-লুটপাটের আতঙ্কে গ্রাম ছাড়ছেন তারা

মাগুরায় চার খুনপুনরায় হামলা-লুটপাটের আতঙ্কে গ্রাম ছাড়ছেন তারা

আবাসিক হোটেলে গার্মেন্টসকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ, স্বামী আটক

আবাসিক হোটেলে গার্মেন্টসকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ, স্বামী আটক

সর্বশেষ

নিজেদের সামর্থ্য দেখালো স্বাগতিক ওমান

নিজেদের সামর্থ্য দেখালো স্বাগতিক ওমান

মনোনয়ন ফরম তোলার আগে জানলেন তারা ‌মারা গেছেন

মনোনয়ন ফরম তোলার আগে জানলেন তারা ‌মারা গেছেন

ডেঙ্গু: হাসপাতালে ভর্তি ২৬ শতাংশই ১১-২০ বছরের

ডেঙ্গু: হাসপাতালে ভর্তি ২৬ শতাংশই ১১-২০ বছরের

২৯ জেলায় শনাক্ত নেই

২৯ জেলায় শনাক্ত নেই

ঢাকা-কলকাতা রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট শুরু ২১ অক্টোবর

ঢাকা-কলকাতা রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট শুরু ২১ অক্টোবর

© 2021 Bangla Tribune