X
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস

করোনার আগে হতাশা-বিষণ্নতা নিয়ে এতটা চিকিৎসামুখী হয়নি মানুষ

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৪৪

করোনায় যে ক্ষতি হয়ে গেলো বিশ্বের, সেটা সহজে পুষিয়ে নেওয়ার নয়। দৃশ্যমান ক্ষতির সঙ্গে যোগ হয়েছে অদৃশ্য মনের ক্ষতি। মহামারির কারণে বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগের বিষয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভীতি, লকডাউন ও ঘরবন্দি জীবনের কারণে মানুষের মানসিক ঝুঁকি বেড়েছে অনেক। এরইমধ্যে আজ (১০ অক্টোবর) বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস।

করোনাকালে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটি বলছে, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভুগছেন এমন মানুষরা যদি সর্বোচ্চ চিকিৎসাও পান, তারপরও তাদের লক্ষণ থেকে যাবে।

সংস্থার মহাপরিচালক বলেছেন, ‘মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মহামারির প্রভাব মারাত্মক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকা, সংক্রমণভীতি, পরিবারের সদস্য হারানোর দুঃখ—এসবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জীবিকা হারানোর ভয়।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তথ্যমতে, যুক্তরাজ্যে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারীদের ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন, মহামারির কারণে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য বিপর্যস্ত হয়েছে। ইতালি ও স্পেনে শিশু-কিশোরদের মধ্যেও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। কানাডায় ১৫-৪৯ বছর বয়সীদের মধ্যে মদ্যপান বেড়েছে ২০ শতাংশ। এমনকি ইথিওপিয়াতেও মানুষের মধ্যে বিষণ্নতা বেড়েছে তিনগুণ।

এ বছর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘অসম বিশ্বে মানসিক স্বাস্থ্য’

যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেটের সম্পাদক ড. রিচার্ড হর্টন এক নিবন্ধে লিখেছেন, ‘কোভিড-১৯ বৈশ্বিক অতিমারি বা প্যানডেমিক নয়, বরং এটি সিনডেমিক। কমপক্ষে দুই ধরনের রোগ বা সমস্যা যদি মহামারি হিসেবে আবির্ভূত হয়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের শারীরিক, মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে—  তাকে সিনডেমিক বলা যায়। মহামারির কারণে আর্থ-সামাজিক বড় ধরনের পরিবর্তনও সিনডেমিক হতে পারে।’

এদিকে, দেশে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, করোনা সংক্রমণ ভীষণভাবে মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলেছে।

আইইডিসিআর জানিয়েছে, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের জরিপ অনুযায়ী ২০১৮ সালে দেশে মানসিক রোগের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। করোনাকালে ৪৬ শতাংশ মানুষের মধ্যে বিষণ্নতা ও ৩৩ শতাংশের মধ্যে দুশ্চিন্তার লক্ষণ পাওয়া গেছে। অথচ দুই বছর আগে একই প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় দেখা গিয়েছিল— প্রাপ্তবয়স্কদের মানসিক রোগের হার ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। যার মধ্যে বিষণ্ণতার হার ছিল ছয় দশমিক সাত শতাংশ ও দুশ্চিন্তা ছিল চার দশমিক সাত শতাংশ।

আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে করোনাকালে আত্মহত্যা বেড়েছে জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, গত এক বছরে দেশে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে প্রায় ১৪ হাজার। করোনা নিয়ে কুসংস্কার ও কোভিড ভীতিতে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে পাঁচটি। এ ছাড়া করোনা চিকিৎসায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যেও মানসিক চাপ বেড়েছে।

মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিড প্যানডেমিক মোকাবিলা করা যাবে। কিন্তু এর প্রভাবে যে ‘সেকেন্ড ওয়েভ’ আসবে, সেটা হবে মানসিক স্বাস্থ্যের মহামারি। বহু মানুষ বিষণ্নতায় আক্রান্ত হবেন। অনেকে পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডারে (পিটিএসডি) ভুগবেন।

চীনের উহান, ইতালি এবং নিউইয়র্কে গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষের মধ্যে পিটিএসডি হওয়ার আশঙ্কা আছে।

যুদ্ধ, মহামারি বা যেকোনও বড় বিপর্যয়ের পর এমনটা হয় বলে মন্তব্য মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জীবনে প্রতিটি মানুষই কোনও না কোনও সময় হতাশা, বিষণ্নতা বা মন খারাপের মধ্যে দিয়ে যায়। কিন্তু করোনার আগে এসব বিষয় নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার উদাহরণ ছিল না। করোনায় এ বিষয়টি বদলে গেছে। মানুষ এত বেশি ডিপ্রেশনের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে যে তাকে চিকিৎসকের কাছেও যেতে হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. সালাহউদ্দিন কাউসার বিপ্লব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মানুষ কাজে পিছিয়েছে। অর্থনৈতিক চাপে পড়েছে। পারিবারিক সহিংসতা বেড়েছে। সন্তানের লেখাপড়া বন্ধ হয়েছে। অনেকের চাকরি চলে গেছে। এ সবই মনের ওপর প্রভাব ফেলেছে।’

তিনি আরও বলেন, যারা শারীরিকভাবে করোনায় আক্রান্ত হননি, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মনের দিক দিয়ে।

‘প্রতিটি গ্রুপের আলাদাভাবে ক্ষতি করেছে করোনা। এর পরিমাপ করা যাবে না।’ বললেন ডা. সালাহউদ্দিন কাউসার বিপ্লব।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “করোনাকালে মানসিক রোগে ভোগা রোগী বৃদ্ধির চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে রোগীদের ‘ভ্যারিয়েশন’-এ পরিবর্তন হয়েছে। রোগীরা আগে যে মানসিক সমস্যাগুলো নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা চিন্তাও করতো না সেসব সমস্যা নিয়েই এখন আসছেন বেশি।”

‘শিশুদের মধ্যে আচরণজনিত সমস্যা বেড়েছে বেশি—  এটা আমাদের গবেষণাসহ হাসপাতাল ও ব্যক্তিগত চেম্বারেও পাচ্ছি।’ এমনটা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এটা বেশি হচ্ছে ১০-১১ ও ১৮-১৯ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে। এসব শিশু-কিশোররা খিটখিটে মেজাজের হয়ে যাচ্ছে। বাবা-মায়ের সঙ্গে রাগারাগি করছে। আবার বাবা-মায়ের অভিযোগ হচ্ছে, সন্তান কথা শোনে না, ঘুমের সময় বদলে গেছে। ডিভাইস আসক্তি বেড়েছে।’

করোনা হলে চিকিৎসা পাওয়া যাবে কিনা কিংবা আপনজনের মৃত্যু—  এসব নিয়েই মানসিক রোগের শুরু জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘করোনার সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে আচরণ ও সামাজিকতায় পরিবর্তন এসেছে। এর সঙ্গে মানাতে গিয়ে বেগ পেতে হচ্ছে সবাইকে। এসব কারণেই মানসিক রোগ বেড়েছে।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

রাজধানীর সবুজবাগে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৮:০৭

রাজধানীর সবুজবাগে আশরাফুল আলী বাবু (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে স্থানীয় বাগানবাড়ি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।

সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রবীন্দ্রনাথ সরকার বলেন, গতকাল শুক্রবার রাত ১১টায় দক্ষিণ মাদারটেকের বাগানবাড়ির নিজ বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

মৃতের বাবা ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ফরিদ হোসেন বলেন, স্থানীয় একটি বাড়ির নির্মাণ শ্রমিকদের সঙ্গে বিরোধের বিচার চেয়ে গত মঙ্গলবার মারধরের শিকার হয় তার ছেলে। সে কারণে অভিমান করে তার ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে।

মৃত আশরাফুল দুই বোন, এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিল।

/এআইবি/আরটি/এমএস/

সম্পর্কিত

সেন্টমার্টিন থেকে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

সেন্টমার্টিন থেকে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

যাত্রাবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

যাত্রাবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

রংপুরে হামলা: ‘অপপ্রচার চালিয়ে আলোচনায় আসতে চেয়েছিল সৈকত’

রংপুরে হামলা: ‘অপপ্রচার চালিয়ে আলোচনায় আসতে চেয়েছিল সৈকত’

‘সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই’ (ফটো স্টোরি)

‘সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই’ (ফটো স্টোরি)

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৫২

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক লেখা ও ছবি পোস্ট করায় মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার গোয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমন হাওলাদার সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। গত ২১ অক্টোবর মুন্সীগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিস এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে। তবে সাময়িক বরখাস্তকালীন প্রচলিত নিয়মে খোরাকি ভাতা পাবেন তিনি।

আদেশে জানানো হয়, স্থানীয় একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৮ অক্টোবর ফেসবুকে সহকারী শিক্ষক সুমন হাওলাদারের লেখা ও ছবি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ধর্মীয় অবমাননাকর ও উসকানিমূলক মনে করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মনিটরিং টিম। তার বিতর্কিত পোস্টের কারণে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার মো. মাসুদ ভূঁইয়া অফিস আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলা ট্রিবিউনকে। জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’র বিধি ১২ অনুযায়ী সুমন হাওলাদারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। 

সম্প্রতি কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার আগে গত ৭ অক্টোবর শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নজরদারিতে আনতে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে তিনিটি মনিটরিং টিম গঠন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

/এসএমএ/জেএইচ/

সম্পর্কিত

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:২৫

সব বিচারপ্রার্থী দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে মামলা মেডিয়েশন বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সারা দেশের ২৮০ জন বিচারককে সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠিানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল মেডিয়েশন সোসাইটি (বিমস)।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘মূলত মেডিয়েশন হলো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির একটি পদ্ধতি। যে পদ্ধতি কিনা আদালত-ট্রাইব্যুনালের প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে থেকে অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বর্তমানে ভারতীয় উপমহাদেশে মেডিয়েশন পদ্ধতি খুবই গুরুত্বের অনুসরণ করা হচ্ছে। এর  মধ্যে পঞ্চায়েত অন্যতম। পঞ্চায়তের সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগেও সমাদৃত হয়ে থাকে।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘মেডিয়েশন পদ্ধতে একজন মেডিয়েটরের মাধ্যমেই কোনও অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়ে থাকে। যেখানে উভয়পক্ষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা হয়। ফলে উভয়পক্ষের সর্বসম্মতিতে সিদ্ধান্তের পৌঁছানো সম্ভব হয়। এটি বিচার বিভাগের ওপর থেকে মামলার চাপ নিরসনে কাজ করে এবং বিচারে সমতা নির্ণয় করে।’

তিনি বলেন, ‘মূলত মেডিয়েশন পদ্ধতির চালু হয় পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে আদালতে মামলার চাপ ও খরচ কমিয়ে আনা এবং দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য।’ 

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সফলভাবে দেওয়ানি-ফৌজদারি মামলায় মেডিয়েশনের প্রয়োগ হচ্ছে। বর্তমানে নিউইয়র্কে ১০ শতাংশ দেওয়ানি মামলা বিচারের বিভিন্ন পর্যায়ে থেকেও মেডিয়েশনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হচ্ছে। কানাডায় প্রায় ৮০ শতাংশ মামলা এভাবে নিষ্পত্তি হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়াতেও মেডিয়েশনের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তিতে জোর দেওয়া হয়েছে।’

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন,  ‘আইনজীবী, বিচারক ও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকে অবশ্যই মেডিয়েশনের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তিতে আগ্রহী হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। কেননা, মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হলে তা বিচারের ব্যাপ্তিকে ক্ষুণ্ণ করে। এতে মামলার পক্ষগুলোর খরচ বেড়ে যায় এবং আদালতে মামলার জট বৃদ্ধি পেতে থাকে। একপর্যায়ে  মামলার সেই জট বিচার বিভাগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। সকল বিচারপ্রার্থী দ্রুত ও সুষ্ঠ বিচার পাওয়ার অধিকারী।’ সে ক্ষেত্রে মেডিয়েশনের প্রক্রিয়া অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধান বিচারপতি।

একইসঙ্গে মামলা নিষ্পত্তিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পন্থা হিসেবে মেডিয়েশন ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মেডিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-প্রাপ্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল মেডিয়েশন সোসাইটির (বিমস) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এন গোস্বামী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন— ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি কুরিয়ান জোসেফ, জম্মু-কাশ্মিরের সাবেক প্রধান বিচারপতি গীতা মিতাল, জাতিসংঘের অম্বুডসম্যান ড. কেভিন বেরি ব্রাউন, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফজলে খোদা মোহাম্মদ নাজির, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জয়শ্রী সমাদ্দার ও বাংলাদেশ ইন্ডিয়া মেডিয়েটর্স ফোরামের চেয়ারম্যান জর্জ যিশু ফিদা ভিক্টর।

এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া, বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল।

প্রসঙ্গত, বিমস এর সহযোগিতায় কয়েক ধাপে অধস্তন আদালতের বিচারকদের মেডিয়েশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশের বাছাই করা মোট ২৮০ জন বিচারক এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আহমেদ সোহেলসহ আন্তর্জাতিক মেডিয়েশন বিশেষজ্ঞরা এসব প্রশিক্ষণ দেন।

/বিআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:০৬

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদেরকে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘১০টায় ১০ মিনিট প্রতি শনিবার, নিজ নিজ বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ স্লোগান বাস্তবায়ন এবং রামচন্দ্রপুর খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘খালটির দুই পাড়ের বেশ কয়েকটি ভবন পরিদর্শনকালে সেগুলোর কোনোটিতেই সেপটিক ট্যাংক কিংবা সোক ওয়েল খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই সেপটিক ট্যাংকবিহীন ভবনগুলোতে আগামী ৬ মাসের মধ্যে কার্যকর সেপটিক ট্যাংক নিশ্চিত করতে না পারলে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘অপরিকল্পিত ঢাকার অধিকাংশ ভবনেই কার্যকর সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল না থাকায় অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য সরাসরি ড্রেন কিংবা খালে পতিত হওয়ায় পানিসহ সার্বিক পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘খাল কোনও ডাস্টবিন নয়, ময়লা-আবর্জনা, বর্জ্য নিক্ষেপের স্থান‌ও নয়, এটি জলাধার। তাই কোনও সচেতন নাগরিক খাল কিংবা অন্য কোনও জলাশয়ে বর্জ্য নিক্ষেপ করতে পারে না।’

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘নগরীর বাসাবাড়িগুলোতে আধুনিক সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল স্থাপন করতে হবে এবং পরিশোধন ব্যবস্থা সচল রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ডেভেলপার কোম্পানিগুলোকেও বিল্ডিং ডেভেলপ করার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য‌ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।’

আতিক বলেন, ‘আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ডিএনসিসি এলাকার খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ করা হবে। অবৈধভাবে খাল দখল করে যেসব স্থাপনা নির্মিত হয়েছে, সেগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। বিনা নোটিশেই অবৈধ দখলদারদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।’

আতিকুল ইসলামের উপস্থিতিতেই মোহাম্মদপুর এলাকায় মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেডের ৩ নম্বর রোডে রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে নির্মিত নকশাবহির্ভূত ভবনের অংশবিশেষ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়ে রাস্তা থেকে উচ্ছেদ করা হয়।

এসময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এসএম শরীফ উল ইসলাম, স্থানীয় কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

/এসএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

সেন্টমার্টিন থেকে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:০৬

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের অভিযানে ৩২ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে। কোস্টগার্ড বলছে, ওই যুবক একজন মাদক ব্যবসায়ী। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে জেলার টেকনাফ থানার আওতাধীন সেন্টমার্টিনের দক্ষিণপাড়া ঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সদর দফতরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. খন্দকার মুনিফ তকি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সমুদ্রপথে সেন্টমার্টিন হতে টেকনাফে ইয়াবা পাচার হবে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে স্টেশন কমান্ডার লে. এম তারেক আহমেদ এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ পাড়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে কোস্ট গার্ড সদস্যরা তাকে একটি ব্যাগসহ আটক করে। পরবর্তীতে উক্ত ব্যাগটি তল্লাশি করে ৩২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। 

জব্দকৃত ইয়াবা ও আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের আওতাভুক্ত এলাকা সমূহে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তার পাশাপাশি বন দস্যুতা, ডাকাতি দমন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ রোধে কোস্টগার্ডের জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

রাজধানীর সবুজবাগে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

রাজধানীর সবুজবাগে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

রংপুরে হামলা: ‘অপপ্রচার চালিয়ে আলোচনায় আসতে চেয়েছিল সৈকত’

রংপুরে হামলা: ‘অপপ্রচার চালিয়ে আলোচনায় আসতে চেয়েছিল সৈকত’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও চকবাজার থেকে আট ছিনতাইকারী গ্রেফতার

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও চকবাজার থেকে আট ছিনতাইকারী গ্রেফতার

৫ প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

৫ প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

জাতীয় প্রেসক্লাব বহুমাত্রিক সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে, প্রত্যাশা তথ্যমন্ত্রীর

জাতীয় প্রেসক্লাব বহুমাত্রিক সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে, প্রত্যাশা তথ্যমন্ত্রীর

টিকার সমতা নিশ্চিত না হলে বিপদ: ডা. মুশতাক হোসেন

সাক্ষাৎকারটিকার সমতা নিশ্চিত না হলে বিপদ: ডা. মুশতাক হোসেন

রাজধানীতে ট্রেনের ধাক্কা ও কাটা পড়ে তিনজনের মৃত্যু

রাজধানীতে ট্রেনের ধাক্কা ও কাটা পড়ে তিনজনের মৃত্যু

সর্বশেষ

৩৫ জেলায় শনাক্ত নেই, ২৫ জেলায় এক অঙ্কের

৩৫ জেলায় শনাক্ত নেই, ২৫ জেলায় এক অঙ্কের

রাজধানীর সবুজবাগে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

রাজধানীর সবুজবাগে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

দেশজুড়ে সামরিক মহড়া জাপানের

দেশজুড়ে সামরিক মহড়া জাপানের

‘ইত্যাদি’ এবার প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁওয়ে

‘ইত্যাদি’ এবার প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁওয়ে

দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে মাত্র ২ ছক্কা!

দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে মাত্র ২ ছক্কা!

© 2021 Bangla Tribune