X
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৬ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় লোকসানে বিপিসি

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২১, ২৩:৫০

আন্তর্জাতিকভাবে জ্বালানি তেলের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিন ২০ কোটি টাকা লোকসান গুনছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম উঠেছে ৮০ ডলার, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুর দিকে ব্যারেল প্রতি অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল ৪৯ ডলার। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি তা বেড়ে হয়ে যায় ৬১ ডলার। চার মাস পর জুনের মাঝামাঝি আরও বেড়ে ৭১ ডলারে গিয়ে দাঁড়ায়। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি হয় ৭৫ ডলার। এরপর ধীরে ধীরে বেড়ে এখন ৮০ ডলারে পৌঁছেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের ওপর। ইতোমধ্যে বিপিসি লোকসান গুনতে শুরু করেছে। সংস্থাটির গতকালের (১১ অক্টোবর) হিসাবে দেখা যায়, প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে ১৩ টাকা ৬০ পয়সার মতো লোকসান হচ্ছে। ফার্নেস অয়েল বিক্রিতে লোকসান যাচ্ছে ৮ টাকা ৫০ পয়সার মতো।

বিপিসি হিসাব অনুযায়ী, দৈনিক গড়ে ১২ হাজার ৮০০ টন ডিজেল বিক্রি করে তেল বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলো। একইসঙ্গে দুই হাজার টন ফার্নেস অয়েল বিক্রি হয়। অর্থাৎ প্রতিদিন ডিজেল বিক্রিতেই ১৯ কোটি ৯ লাখ টাকা এবং ফার্নেস অয়েল বিক্রিতে ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা লোকসান হচ্ছে।

মাসে প্রায় ৬০০ কোটি আর মূল্যবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে বছরে ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকার মতো লোকসান হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি বিভাগ বলছে, তারা এখনও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তেলের দাম যদি আবারও কমতে শুরু করে তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আর বাড়তে থাকলে বিকল্প চিন্তা করা হবে। সেক্ষেত্রে সরকারকে ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানি তেল বিক্রি করতে হবে, নয়তো মূল্যবৃদ্ধির কোনও বিকল্প থাকবে না।

বিপিসি’র একজন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সবকিছুই সরকারকে জানিয়েছি। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে বিপিসি সেটাই করবে। আমরা ভর্তুকিও পেতে পারি অথবা দামও কিছুটা বাড়তে পারে।’

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিমের পরামর্শ, দাম বাড়িয়ে জনগণের ভোগান্তি তৈরি না করে লাভের টাকা থেকে ভর্তুকি দিলেই পারে সরকার। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে বিপিসির লোকসান হতেই পারে। সেক্ষেত্রে দাম বাড়ানো যেতে পারে। কিন্ত বাজারে দাম কমে গেলে তো লাভ হয়। দাম কমলে তো আর কোনও জিনিসের দাম কমাই না আমরা।’

বাংলাদেশ বছরে মাত্র ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে। বাকি চাহিদা মেটাতে পরিশোধিত তেল আমদানি করা হয়। অপরিশোধিত তেলের দামের ওপর ভিত্তি করেই সব ধরনের জ্বালানির দাম নির্ধারণ হয়। সঙ্গত কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় পরিশোধিত তেলের দামও আনুপাতিক হারে বাড়ছে।

এখন বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকায় তেলনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালাতে হচ্ছে। ফলে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বাড়বে। সুতরাং এর প্রভাবে বাড়তে পারে বিদ্যুতের দাম।

/জেএইচ/

সম্পর্কিত

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

সাগরে দুই ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা

সাগরে দুই ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

তৈরি পোশাকশিল্পে এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি: বিজিএমইএ সভাপতি

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ২১:২৩

টেক্সটাইল এবং পোশাকখাতে আরও পারস্পরিক সুবিধা লাভের জন্য এশিয়ার মধ্যে আঞ্চলিক ভ্যালু চেইন ও সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করেন তৈরি পোশাক মালিক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল’র ১৩তম সংস্করণে এসব কথা বলেন ফারুক হাসান। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) আয়োজিত ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নেন ভারতের বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা বিক্রম জারদোস, সিআইআই ন্যাশনাল কমিটি অন টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের চেয়ারম্যান দিলীপ গৌর, কো-চেয়ারম্যান কুলিন লালভাই, স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্র্যান্ডিং লঙ্কা গ্রুপের পরিচালক সুচিরা সুরেন্দ্রনাথ, সিআইআই (উত্তর অঞ্চল) চেয়ারম্যান অভিমণ্য মুঞ্জাল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন,  প্রতিবেশী দেশগুলো যদি একে অপরের পরিপূরক হতে পারি, তাহলে আমাদের একসঙ্গে বেড়ে উঠার বিশাল সুযোগ রয়েছে।

তিনি জানান, উচ্চ প্রবৃদ্ধির রূপকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ টেক্সটাইল উপাদানকে বৈচিত্র্যময় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে কটন থেকে নন-কটনে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। যার লক্ষ্য হচ্ছে পরিমাণ থেকে গুণ-মান এবং ভলিউম থেকে ভ্যালুতে ঘুরে দাঁড়ানো।

তিনি বলেন, যেহেতু আমরা কটন থেকে নন-কটনে যাওয়ার মাধ্যমে পণ্যে বৈচিত্র্য আনার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি, তাই বাংলাদেশ ভারতীয় এমএমএফ টেক্সটাইলগুলোর জন্য ভালো বাজার হতে পারে। আমরা যত বেশি পোশাক রফতানিতে উন্নতি করতে পারবো, ততই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য করার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে টেক্সটাইল, ডাইস, কেমিকেল এবং যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ভালো হবে। তিনি ভারত এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নন-কটন টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

ফারুক হাসান টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য এই অঞ্চলের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তির বিনিময়ের ওপরও জোর দেন। তিনি বলেন, আমরা ২০০০ সালে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) নামে একটি ফ্যাশন-ডিজাইনিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। একটি উদ্ভাবন কেন্দ্রও স্থাপন করতে যাচ্ছি। এই প্রতিষ্ঠানগুলো এবং ভারতের ফ্যাশন একাডেমিগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে, যেখানে আমরা একে অপরের পরিপূরক হতে পারি।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

বিমানবন্দরের স্ক্যানার সচল করার অনুরোধ বিজিএমইএ’র

বিমানবন্দরের স্ক্যানার সচল করার অনুরোধ বিজিএমইএ’র

ব্রাজিলের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চায় বিজিএমইএ

ব্রাজিলের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চায় বিজিএমইএ

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৮:১৭

টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরকে দেওয়া চিঠিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

চিঠিতে মাহবুবুল আলম বলেন, ‘সম্প্রতি মুদ্রাবাজারে টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বিষয়ক লেনদেনের ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান রক্ষা করার জন্য ডলারের মূল্য সহনীয় ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আশু হস্তক্ষেপ অপরিহার্য। দেশের বৃহত্তর অর্থনীতির স্বার্থে টাকার বিপরীতে ডলারের উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’

চিঠিতে তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহে ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য হ্রাস পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সোমবার (১৮ অক্টোবর) আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ৮৬.২০ টাকা। অন্যদিকে, খোলা বাজারে ও নগদ মূল্যে ডলার বিক্রি হয়েছে ৮৯.৫০ টাকা। সংশ্লিষ্টরা ডলারের এই দাম আগামীতে আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করছেন।’

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিল্পের কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতিসহ সব ধরনের পণ্যের আমদানি বাড়ছে। ইউরোপ-আমেরিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। করোনার মধ্যেই দেশের শিল্প-কারখানা পুরোদমে চালুর নির্দেশনা দেওয়ায় বর্তমানে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।’

এতে বলা হয়, ‘টাকার বিপরীতে হঠাৎ ডলারের মূল্য বৃদ্ধির ফলে আমদানি করা পণ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের আর্থিকভাবে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যার দায়ভার শেষ পর্যন্ত ভোক্তা সাধারণকেই বহন করতে হবে। একইসঙ্গে মহামারিগ্রস্ত অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, যা অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে।’

চিঠিতে তিনি আরও বলেন, ‘দেশে আমদানি ও রফতানি বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি অক্ষুণ্ণ রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাবাজার বিশেষ করে ডলারের মূল্য সব সময় গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে স্থিতিশীল রাখার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে যথাযথ নির্দেশনা দেওয়ার মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে।’

 

/জিএম/আইএ/

সম্পর্কিত

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড, দুই মাসে ১৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড, দুই মাসে ১৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

যেকোনও কোম্পানির আর্থিক হিসাব যাচাই করতে পারবে এনবিআর

যেকোনও কোম্পানির আর্থিক হিসাব যাচাই করতে পারবে এনবিআর

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৩৭

টানা সাত কার্যদিবস পতনের পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মিলেছে দেশের শেয়ার বাজারে। এদিন শেষ ঘণ্টার ঝলকে এই ঊর্ধ্বমুখীতা দেখা যায়।

এর আগে চলতি সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবসসহ টানা সাত কার্যদিবস দরপতন হয় শেয়ার বাজারে। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ৩৪৭ পয়েন্ট পড়ে যায়। এর মধ্যে চলতি সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবসেই পড়ে ২২৩ পয়েন্ট।

শেয়ার বাজারে এমন টানা দরপতন হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক দেখা দেয়। তবে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস সূচকের বড় উত্থান হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সাত কার্যদিবসের টানা পতনের পর বৃহস্পতিবার শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হতেই দাম বেড়ে যায় প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের।

দুপুর দেড়টার পর সূচক ঘুরতে থাকে। শেষ আধঘণ্টা সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকে। ফলে পতন কাটিয়ে বড় উত্থান দিয়ে শেষ হয় দিনের লেনদেন।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসই-এক্স আগের দিনের তুলনায় ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৭ হাজার ৭৬ পয়েন্টে। ডিএসইর অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৬৯৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

দিনভর ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৫৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭৯টির। আর ৪২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে সূচক ঘুরে দাঁড়ালেও লেনদেনের গতি কমেছে। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩১০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ১ হাজার ৬৮২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন কমেছে ৩৭১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ২৮৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আইএফআইসি ব্যাংকের ৬৪ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৫৯ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক।

এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১৭২ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি ৮১ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৭৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৪টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৩২টির এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

সাগরে দুই ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা

সাগরে দুই ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

‘ধোঁয়াহীন-দূষণমুক্ত রান্না ব্যবস্থা চালুর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে’

‘ধোঁয়াহীন-দূষণমুক্ত রান্না ব্যবস্থা চালুর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে’

পেঁয়াজ নিয়ে খেলে কারা?

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৬:১৬

হিলি সীমান্তে আমদানি বাড়ায় কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম নেমেছে ৪০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে ৫৫-৬০ টাকা কেজিতে। কয়েক দিনের মধ্যেই সেটাও কমে ৪০-৪৫ টাকা হবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

দেখা গেছে, কয়েকবছর ধরেই একটা মৌসুমে পেঁয়াজ নিয়ে এক ধরনের খেলা শুরু করে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে হঠাৎ বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। প্রথম দিকে কেজিতে ৫-১০ টাকা বাড়লেও এক সপ্তাহের মধ্যে তা ৭৫-৮০ টাকায় ওঠে। এ দাম কিছুদিন স্থায়ী হয়। এরপর আবার কমতে শুরু করে।

সরকারি-বেসরকারি ও কৃষকদের দেওয়া তথ্যমতে এ বছর পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। সরবরাহেও কমতি নেই। চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে আমদানিও হচ্ছে। তা হলে দাম বাড়লো কেন? কারা বাড়িয়েছে?

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজারে হিলি স্থলবন্দর একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। হিলি দিয়ে আমদানি বাড়লে দেশের বাজারে দাম কমে। আবার ওই বন্দরে আমদানি কমলে দেশের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। তবে দাম যে গতিতে বাড়ে, সে গতিতে কখনোই কমে না।

বাংলাদেশ কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছর পেঁয়াজের উৎপাদন প্রায় ৩০ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে। যা সাধারণত ২৩-২৪ লাখ টনে থাকে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে চাল, আলু ও পেঁয়াজের প্রাপ্যতা ও দামের অস্থিরতা নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশ হয়। তাতে দেখা যায়, গত ১০ বছরে পেঁয়াজের উৎপাদন প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আগাম পেঁয়াজের উৎপাদন ২ লাখ টন বেড়েছে। এ মৌসুমে উৎপাদিত হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টন। বাড়তি উৎপাদনের কারণে সরবরাহ ভালো। আমদানিও কমেছে।

কৃষি বিপণন অধিদফতর থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়। এতে দেখা যায়, ২০২০ সালের নভেম্বরে ৪৬ হাজার টন পেঁয়াজ এসেছিল। চাহিদা কমতে থাকায় জানুয়ারিতে তা ২৫ হাজার টনে নেমে আসে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, দেশে পেঁয়াজের সংকট নেই। আমদানিরও দরকার নাই।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, দেশে প্রায় ৫ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ মজুত রয়েছে। ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানি অব্যাহত রয়েছে। টিসিবি ভর্তুকি মূল্যে ট্রাক সেলে পেঁয়াজ বিক্রি অব্যাহত রেখেছে। আমদানি সহজ ও দ্রুত করতে শুল্কও প্রত্যাহার করা হয়েছে। বন্দরে দ্রুত খালাসের জন্য এনবিআরকে অনুরোধ করা হয়েছে এবং পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র দ্রুত প্রদানের জন্য কৃষি বিভাগকে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

চালবাজিটা শ্যামবাজারে

এত কিছুর পরও এক সপ্তাহের মধ্যে দাম দ্বিগুণ হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, শ্যামবাজারই হচ্ছে সারা দেশের পেঁয়াজের বড় পাইকারি বাজার। আমদানিকারকরাও এখানে ব্যবসা করেন। পেঁয়াজ নিয়ে মূল চালটা শুরু হয় এখান থেকেই। শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরাই সুযোগ বুঝে আচমকা দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। তাদের এই ‘খেলা’ কখনও দীর্ঘ সময়, আবার কখনও স্বল্প সময়ের হয়।

পেঁয়াজ (ফাইল ছবি)

সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্তরা বলছেন, শ্যামবাজার থেকেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে একটি ভীতিকর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তাতেই অস্থির হয়ে ওঠে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার বাজার। ওই বার্তা কানে এলেই খুচরা দোকানিরা বাড়িয়ে দেয় দাম।

এখানকার পাইকারি ও আমদানিকারকরা বিষয়টি অস্বীকার করলেও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার  প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা গেছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এখানকার পাইকারি ব্যবসায়ীরা কখনোই পেঁয়াজ, রসুন ও আদা বিক্রি করে রশিদ বা মেমো দিতে চান না। সরকারি আদেশের পরও এটি কার্যকর হয়নি।


স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়াই একমাত্র পথ

গত বছর দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ছিল ২৫ লাখ মেট্রিক টন। ২০১৯-২০ অর্থবছর ফলন হয়েছে ২৫ লাখ ৫৭ হাজার মেট্রিক টন। ১৭ থেকে ২৫ শতাংশ প্রসেস লস বাদ দিলে মোট উৎপাদন দাঁড়ায় ১৯ লাখ ১১ হাজার মেট্রিক টন। ঘাটতি দাঁড়ায় ৬ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টন। এই পরিমাণ পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি করা হয়। কোনও কারণে আমদানিতে গড়বড় দেখা দিলে বাজার অস্থির হয়। যার প্রভাব দেশে উৎপাদিত ২৫ লাখ টনেও পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেঁয়াজ নিয়ে জটিলতা কাটাতে উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে। স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়াই একমাত্র পথ। শুধু উৎপাদন বাড়ালেই চলবে না, সংরক্ষণও করতে হবে। কারণ, পেঁয়াজ পচনশীল। উৎপাদনের ১৭ থেকে ২৫ ভাগই পচে যায়।

ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ তুলে আনছেন কৃষক (ফাইল ছবি)

এ ছাড়া সরকার যেমন ধান-চাল সংগ্রহ করে, তেমনি পেঁয়াজও সংগ্রহ করতে পারে। তবে যে পরিমাণ পচে যায় সেটার দায়িত্ব কে নেবে, এ প্রশ্ন থেকে যায়।

দেশি পেঁয়াজ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকলে মানুষ আমদানি করা পেঁয়াজ নেবে না। সংশ্লিষ্টদের এ নিয়ে ভাবতে হবে বলেও জানান বিশেষজ্ঞরা।

/এফএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

পেঁয়াজের দাম বাড়ার পেছনে কারসাজি: এফবিসিসিআই

পেঁয়াজের দাম বাড়ার পেছনে কারসাজি: এফবিসিসিআই

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

নতুন পেঁয়াজ আসার আগে দাম কমার সম্ভাবনা নেই: বাণিজ্য সচিব

নতুন পেঁয়াজ আসার আগে দাম কমার সম্ভাবনা নেই: বাণিজ্য সচিব

জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল এডিবি’র

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ২০:৫৭

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সদস্যভুক্ত দেশগুলোর জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলারের নতুন তহবিল ঘোষণা করেছিল। এই তহবিল অনুমোদন করেছে এডিবি। 

বুধবার (২০ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এডিবির প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়া এ তথ্য জানান।

এডিবি জানিয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে, এসব কারণেই মূলত এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের নতুন জ্বালানি নীতিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ কমানোকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সারাবিশ্বে সবার জন্য কম খরচে জ্বালানি নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে।

এডিবির প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়া বলেন, নতুন জ্বালানি নীতি আমাদের উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোকে (ডিএমসি) নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ীমূল্যের ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি দিতে সহায়তা করবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে - চলতি সময় থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে এই তহবিল সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে এডিবি। জলবায়ু খাতে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত এ ১০০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করবে এডিবি।

উন্নয়নশীল এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরজুড়ে জ্বালানি শক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। তারপরও এই অঞ্চলের প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন মানুষের কাছে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই। এছাড়া ১৫০ মিলিয়ন মানুষের এখনও বিদ্যুৎ ব্যবহার থেকে বঞ্চিত।

এডিবি জানায়, ২০১৮ সালে এডিবি জলবায়ু খাতে ৭৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার ঘোষণা দিয়েছিল। যা পরবর্তী সময়ে বাড়িয়ে ৮০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হয়। আজকের ঘোষণা অনুযায়ী এই অর্থ বাড়িয়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এডিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

/এসআই/এমএস/

সম্পর্কিত

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

বাংলাদেশে এডিবির নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন জিনটিং

বাংলাদেশে এডিবির নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন জিনটিং

চলতি অর্থবছরে জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ: এডিবি

চলতি অর্থবছরে জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ: এডিবি

ভ্যাকসিন কিনতে ৯৪ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি

ভ্যাকসিন কিনতে ৯৪ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি

সম্পর্কিত

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলার নির্দেশ

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলার নির্দেশ

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

‘বিচার বিলম্ব হওয়ায় মৌলবাদী শক্তি সাহস পাচ্ছে’

‘বিচার বিলম্ব হওয়ায় মৌলবাদী শক্তি সাহস পাচ্ছে’

সাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে ৩ মামলায় অভিযোগ গঠন পেছালো

সাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে ৩ মামলায় অভিযোগ গঠন পেছালো

হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি

হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি

‘শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে’

‘শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে’

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

শিগগিরই ডাকসেবা কাঙ্ক্ষিত মানে উন্নীত হবে: মোস্তাফা জব্বার  

শিগগিরই ডাকসেবা কাঙ্ক্ষিত মানে উন্নীত হবে: মোস্তাফা জব্বার  

সর্বশেষ

প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে সেলফি তোলায় পুলিশ সদস্যদের নোটিস

প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে সেলফি তোলায় পুলিশ সদস্যদের নোটিস

‘স্বাধীনতাবিরোধীরাই সাম্প্রদায়িক অপতৎপরতা চালাচ্ছে’

‘স্বাধীনতাবিরোধীরাই সাম্প্রদায়িক অপতৎপরতা চালাচ্ছে’

'হামলার দায় এড়াতে পারেন না রাজনৈতিক নেতারা'

'হামলার দায় এড়াতে পারেন না রাজনৈতিক নেতারা'

বেগমগঞ্জে হামলা চালিয়ে মালামাল লুটের ঘটনায় সুজনের স্বীকারোক্তি 

বেগমগঞ্জে হামলা চালিয়ে মালামাল লুটের ঘটনায় সুজনের স্বীকারোক্তি 

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি বদলি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি বদলি

ভারতে পাচারকালে স্বর্ণের বারসহ আটক এক

ভারতে পাচারকালে স্বর্ণের বারসহ আটক এক

মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানালো হামাস

মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানালো হামাস

ঢাকাতেও রোনালদোদের কাছে হারের বর্ণনা দিতে হলো গ্রান্টকে

ঢাকাতেও রোনালদোদের কাছে হারের বর্ণনা দিতে হলো গ্রান্টকে

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

সাগরে দুই ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা

সাগরে দুই ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

‘ধোঁয়াহীন-দূষণমুক্ত রান্না ব্যবস্থা চালুর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে’

‘ধোঁয়াহীন-দূষণমুক্ত রান্না ব্যবস্থা চালুর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে’

© 2021 Bangla Tribune