X
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

সেকশনস

পর্ব—এক

চল্লিশদিন উপন্যাসের সঙ্গে সহবাস, মৃত্যু পর্যন্ত

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:২১

বারান্দার পরিবার আমাদের চারতলার ফ্ল্যাটে, শোওয়ার ঘরের লাগোয়া বেশ বড় বারান্দা আছে। ব্যালকনি। আবাসনের সব ফ্ল্যাটেই আছে। নানা মাপের। জমির মাপের মাননসই ও আইনসই বাড়ি বানাতেই এক এক ফ্ল্যাটের ব্যালকনির এক এক রকম মাপ। কোনোটা পশ্চিমমুখো, কোনোটা-বা পুব বা দক্ষিণমুখো, উত্তরমুখো একটাও নেই। আমাদের ব্যালকনির পেছনের ঘরের দরজা ও টানাজানালা। ডান-বাঁ-ও সম্মুখ একেবারে ফাঁকা। অবারিত। আশপাশের কোনো বাড়ি, দূরের, কিছুদূরের বা আরো দূরের, দেখায় বাধা হয়ে নেই। বাঁদিকের আকাশে, দমদম এয়ারপোর্টে এরোপ্লেন নামা-ওড়া-দেখা যায়। আরো ভালো দেখা যেত। ভি আই পি রোডে খুব উঁচু টাওয়ারে লম্বা চওড়া একটা হোর্ডিং, আর বারো-চৌদ্দতলা একটা বাড়ি, আকাশের একচিলতে আড়াল করেছে। এখানেই মাটি ছোঁয়ার আয়োজনে এরোপ্লেন চাকা নামায়, উড়ান নিতে চাকা গোটায়। এই চাকা নামানো গোটানোর ঠিকঠিক জায়গা আকাশের গায়ে নাকি এঁকে দেওয়া হয়। অনেক অঙ্ক, হিসাব-নিকাশ জ্যামিতি আছে এই আঁকার। যারা আকাশ পড়তে জানে, আকাশ পড়ার ভাষা জানে, তারাই সে-সব বুঝতে পারে। আমাদের দেখায় বাধা হয়ে যদি হোর্ডিং বা বাড়ি ওঠে, আকাশের আঁকিবুকি তো জায়গা বদলাবে না। আমাদের দেখায় একচিলতে শূন্যতা তৈরি হবে।

সূর্যের অয়নচলনের কারসাজিতে, আমাদের বারান্দা সারা শীতকাল সকাল থেকে বিকেল, আক্ষরিক অর্থেই রোদে ভেসে যায়। গরমে, শেষ সকালে, রোদ বারান্দা ছোঁয়, ছুঁয়ে থাকে বিকেল অবধি। গ্রীষ্ণের রোদহীন : দীর্ঘ বিকেল শেষ হওয়ার আগেই, দক্ষিণ সমুদ্রের হাওয়া হামলে পড়ে, খোলা দরজা-জানালা দিয়ে ঘরে ঢুকে বিপর্যস্ত করে দেয় সব। এই বারান্দা থেকে, সম্মুখের বাড়িঘর, কেষ্টপুর খালের ওপারে সল্টলেক-নিউটাউন রাজারহাটে উন্নয়নের ধুলোয় ধূসর আকাশ ছাড়িয়ে, পুবছোঁয়া-দক্ষিণ থেকে পশ্চিমছোঁয়া দক্ষিণের দিক-রেখা জুড়ে, সাত সাগর তেরো নদীর জলভারে শ্লথ ও নত মৌসুমী মেঘ, বৃষ্টির অজস্র জলধারা নিয়ে এগিয়ে আসছে—আমরা দেখতে পাই।

এই বারান্দা বা ব্যালকনি বা ঝুলবারান্দায় আমাদের দুই ভায়ের এক কল্পনার গার্হস্থ্য শুরু হয়েছিল মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ নাগাদ, নরেন্দ্র মোদি চারঘণ্টার নোটিশে আসমুদ্র হিমাচলে লকডাউন জারি করার পর। তিতির আমেদাবাদে নতুন চাকরিতে যোগ দিয়েছে। মাসে একবার কলকাতা আসতেই হবে, অফিসের কাজেই। সেখানে বড় দোতলা বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। তৃপা গাজিয়াবাদের ফ্ল্যাটে তালা দিয়ে, ছেলেমেয়ে নিয়ে আমেদাবাদে সংসার গোছাচ্ছে। সেই বাড়িতে দোতলার ঘর-বারান্দার ছবি পাঠাচ্ছে, দাদা সে ঘরে থাকবে। তৃপা একটু গুছিয়ে নিলেই দাদা আমেদাবাদ যাবে।

—কী-রে আমেদাবাদ সেমি না ফাইনাল? আমেদাবাদি হবি?
—কী-ই জানি, আগে দেখে আসি।
—ও দেখতে যাবি? থাকবি না?
—তুই আমাকে কলকাতা থেকে তাড়াতে চাস কেন?
—ততাকে তাড়াবো আমি? ছেলে নাতি-নাতনিদের সঙ্গে থাকতে ইচ্ছে করে না? ওখানে গেলে গান্ধিজীকে নিয়ে উপন্যাসটা লিখবি। একা একা কতদিন থাকবি?
—কলকাতায় থেকে লেখা যাবে না? একা কোথায়, তুই তো আছিস—এরকমই নানা কথায় যেন বোঝা যাচ্ছিল, অন্তত আমার মনে হয়েছে, একা থাকার ভার পড়েছে। মনে। এরকম সময়ই লকডাউন অর্থাৎ যা ভাবা হচ্ছিল তার কোনোটাই হওয়ার সব উপায়ই বন্ধ হয়ে গেল, তিতিরের মাসে অন্তত একবার কলকাতা আসাও। কতদিন আর চলবে লকডাউন? ভাবনার কী আছে? শুরুর দিকে এরকমই ভেবেছিলাম আমরা দুজনই। খবরের কাগজের সাপ্তাহিক কলাম, পোস্ট এডিট লিখতে হচ্ছে না। কাগজ বের হওয়া, বাড়ি বাড়ি বিলি করা নিয়ে তখন এক চরম অনিশ্চয়তা। দাদার সাপ্তাহিক কলাম ‘হাওয়া যেমন’ শেষ বের হলো ২০ মার্চে। কিন্তু লেখা ছাড়া থাকবে কেমন করে? চা-জলখাবার খেতে খেতে, বারান্দায় বসে কথা হচ্ছিল এক সকালে।

—তোকে তো জুলেখা-ইয়ুসুফ শেষ করতে হবে—অর্ধেক বই নিয়ে গেছে, বাকিটা লিখে ফেল—ওরা হয়তো বইমেলায় বের করতে চাইবে।
—সে আর কতটুকু, বসলেই লেখা হয়ে যাবে।
—আজ্ঞে না, অনেকটাই লিখতে হবে।
—তুই কাজ বাড়াস—ওটা তো শেষই প্রায়।
—লিখতে বসলেই দেখবি বেড়েই যাচ্ছে, তখন গল্পের ঠাকুরকে ধরে পার হতে হবে।
—ভালো এক কল বানিয়েছিস গল্পের ঠাকুর।

দুই ভাইয়ের অট্টহাসিতে পাশের ছাদের পায়রাগুলো ঝাঁক বেঁধে উড়ান দিলো।

লকডাইনের বিচ্ছিন্ন একাকিত্ব, সার্বিকসঙ্গহীনতা মনে চেপে বসেনি তখনও।


উপন্যাসের সঙ্গে সহবাসের প্রাথমিক

ঝুলবারান্দায় দাদা বসত, ওর হিশেবে পুব দিকে পেছন দিয়ে, সেই-হিশেবের পশ্চিমমুখী হয়ে। বারান্দায় বসার আলাদা চেয়ার ছিলো। ঘরে বসে লেখার অন্যচেয়ার। বারান্দায় চেয়ারের পেছনের দিকে, বারান্দা আর জানালার গ্রিলে আটকানো, দুটো বাতিল পুরোনো ঝুলঝাড়ুতে কোনোভাবে একটা আলগা কাপড় মেলা থাকতো, রোদ আটকাতে। একটা বড় মাপের বেতের টুপি, সমুদ্রের পাড়ে যেমন পরে, মাথায় দিতে। কোলে লেখার বোর্ড, জানালার আলসেতে কলমদানিতে অগোছালো পেন, ডট, জেলপেন রাখা। কালির কলমে গল্প-উপন্যাস লিখত। অন্যলেখা ডট বা জেলপেনে। বারান্দায় চেয়ারে বসে, উঁচু করা হাঁটুতে বোর্ড রেখে একটু কুঁজো হয়ে ঝুঁকে লিখতো।

—তুই এতো দেরি করিস, বলার কথা ভুলে যাই।

দোতলা থেকে সকালের জলখাবার ও আড্ডার জন্য যেতে দশটা বেজে যায়ই। তাই বকে উঠল একদিন।

—ঘুম থেকে উঠেই তো চলে আসি।
—কটায় উঠিস?
—নটায় সাড়ে নটায়—আমার তো ধান কাটা নেই। তুই সাতসকালে উঠিস কেন?
—ঘুম ভাঙে সাড়ে সাতটা-আটটা, শুয়েই থাকি, তখনই কত কিছু ভাবি।
—ভাবতে ভাবতে আবার ঘুমিয়ে পড়বি। রাতে ঘুম হচ্ছে?
—ফাস্টকেলাস—একঘুমে রাত কাবার—তুই যে বললি জুলেখার লেখাটা শেষ করতে হবে।
—সে তো করতেই হবে, করে ফেল : তোর কাছে আছে যে কটা বেরিয়েছে?
—থাকার তো কথা—আনছি দাঁড়া।

ফাইলে পত্রিকায় বের হওয়ার ক্রমে ছাপানো কপিই সাজানো ছিলো। শেষেরটা পাণ্ডুলিপি। শারদীয় সংখ্যাতে বের হয়েছিল। সংখ্যাটা কেউ পড়তে নিয়ে ফেরত দেয়নি। আমি পাণ্ডুলিপিটাই নিয়ে এসেছিলাম। ফাইলটা নিয়ে পাতা উল্টে বন্ধ করে কোলে রেখে বলল—

—এটা থাক।
—হারাস না।
আমার কথার উত্তর না-দিয়ে, আমার পেছনের আকাশে তাকিয়ে, একটু অন্যমনস্ক স্বরে যেন নিজেকেই বলল

—একটা ম্যাপ লাগবে।
—কীসের ম্যাপ?
—ইয়সুফ তো ঘুরবে এখন, মেডিটারেইয়ানের পশ্চিমে দক্ষিণে পুবে, মরুভূমিতে। জুলেখার তো ইয়ুসুফকে পেতে হবেই—একটা ম্যাপ চাই—এখানে উত্তর তো এইদিকে—দাদা ওর ডানদিকে তাকায়।
—এই উত্তরের সঙ্গে ইয়ুসুফের উত্তরের কী সম্পর্ক?
—তোর কী ধারণা? উত্তর দক্ষিণ সবখানেই এক?
—আরে উত্তর তো উত্তরেই থাকবে—ম্যাপের উপরের দিকটাই তো উত্তর।
—উত্তর-দক্ষিণ চিনিস? ম্যাপ যদি না থাকে।
—জন্মের থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখেছি সকাল-সন্ধ্যা, আমি উত্তর চিনি না? আমি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখে উত্তর চিনেছি, আর কেউ হয়তো কোনো বটগাছ দেখে চেনে—তাতে তো দিক বদলে যায় না। চিহ্নগুলো বদলে গেলেও দিক তত দিকই থাকে।
—দিকচিহ্ন বদলালে সবই তো উল্টেপাল্টে যার রে। ধূ ধূ মরুভূমিতে চিহ্ন পাবি কোথায়? তখন দিক বানাতে হয়।
—দিক বানানো যায়?
—নিতে হয় কখনো—আমাকে একবার বানাতে হয়েছিলো। হায় হায় পাথারে, পূর্ণিমা ছিলো বোধহয়। আমি আর স্থানীয় একজন সাইকেলে, তার রাস্তা চেনার কথা। রাস্তা আর কোথায়, ওই জোড়া শালগাছের ডান দিকে ঘুরতে হবে, বা মরা শিমুলের পাশ দিয়ে—তো সেই জ্যোৎস্নায় শাল শিমুল সব এক রকম। যখন বুঝলাম রাস্তা হারিয়েছি, একটা গাছের নিচে সাইকেল থেকে নেমে দাঁড়ালাম। সঙ্গের মানুষটি পাগলের মতো চারপাশে কী যেন খুঁজছে। জিগ্যেস করলে বলল আলো খুঁজছে। চাঁদের আলো না, চেনা কোনো আলো, লন্ঠনের বা কুপির, বিড়ি ধরাবার জন্য জ্বালানো দেশলাইয়ের কাঠির মাথার আগুন—খুব বিরক্ত হয়ে বলল

—শালারা কেউ বিড়িও ধরায় না। আমি জিগ্যেস করলাম—আমাদের কোন দিক যাওয়ার কথা? ও বলল কথা তো ছিলো সোজা গিয়ে বড়ইগাছের ঝোপটাকে পাক দিয়ে—সেসব পাব কোথায়? সবই তো একাকার হয়ে গেছে। দিক ঠিক হারিয়ে গেল। সে এক কাণ্ড—দিকও হারায় বুঝলি?

—তোদের দিকভ্রম হয়েছিল—দিক তো দিকেই ছিলো...
—আরে দিক কি একটা? দিকেরও নানাদিক আছে, দিকও তো দিক বদলাতে পারে।
—ম্যাপটা কীভাবে বানাবি? তোর দরকারে দিক বদলে নাকি দিককে দিকে রেখে?
—সে ভেবে দেখা যাবে—এখান থেকে উত্তর-দক্ষিণ বলতে পারবি?
—আগে তুই বল।

দাদা হাতের অলস ভঙ্গিতে মাথার পেছন দেখিয়ে বলল ‘পূর্ব’, ডানপাশের জানালা দেখিয়ে বলল—উত্তর, ওদিকে পশ্চিম, আর বাঁদিকের দিগন্তপ্রসারী শূন্যতার দিকে তাকিয়ে বলল ‘দক্ষিণ’।

—কী করে বুঝলি?
—যেমন করে লোকে বোঝে।
—দাঁড়া একবার দেখে নেই।
—কীভাবে দেখবি?

আমার স্মার্টফোনে কম্পাসও আছে নাতির কাছে শিখেছি মেঝেতে কাগজ পেতে, তার ওপর মোবাইল রেখে, বোতাম টিপে কম্পাস বের করার পর দেখা গেল, ছোড়দার দেখানো উত্তর আসলে উত্তর-পূর্ব, ওর মাথার পেছনে দক্ষিণ-পূর্ব, তাহলে দক্ষিণকেও জায়গা বদল করতে হয়। ছোড়া মোবাইলের ফোনের কম্পাসে উত্তর-দক্ষিণ মানতে অস্বীকার করলে আমাদের বাড়িতে যেমন হয়, ডাক পেয়ে সখা বড় কম্পাস ও তার বাবাকে নিয়ে দিক মাপতে এলো দোতলা থেকে।

—আরে এত বছর ধরে জেনে এলাম এটা দক্ষিণ, আর তোদের কম্পাস সেটাকে দক্ষিণ-পশ্চিম বললেই মানতে হবে? বল গোপাল—আমার ছেলেকে দাদা গোপাল ডাকে। আমার মা-ও ডাকতেন।
—তোমার কি দরকার বলো তো? এটাও তো দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিম তো দক্ষিণের একটা দিক। তোমার দক্ষিণ এটাই, তোমার তো একটা দক্ষিণ চাইধরে নাও এটাই তোমার দক্ষিণ, অত ভাগাভাগি করার দরকার নেই, ঝামেলা বাড়বে।
—আমিও তো তাই বলছি—তোর বাবাই তো খেলনার ফোনের কম্পাসে মেপে বলল দিকের-ও নাকি নানা দিক আছে।
—আমি কোথায় বললাম, তুই-ই তো বললি দরকারে দিক বানাতেও হয়।
—হারানো দিক না বানালে তো পৌঁছুতে পারবি না কোথাও। চলবে

/জেডএস/

সম্পর্কিত

কামরুল হাসান ও তার ছবির রাজনীতি

কামরুল হাসান ও তার ছবির রাজনীতি

রফিকুল ইসলামের পাণ্ডিত্য ও কৃতিত্ব

রফিকুল ইসলামের পাণ্ডিত্য ও কৃতিত্ব

‘ওয়েস্টল্যান্ড’ ও ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উদযাপন

‘ওয়েস্টল্যান্ড’ ও ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উদযাপন

বুদ্ধদেব বসুর কাব্যনাট্য : আঙ্গিকে রাষ্ট্রদর্শন

বুদ্ধদেব বসুর কাব্যনাট্য : আঙ্গিকে রাষ্ট্রদর্শন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

কামরুল হাসান ও তার ছবির রাজনীতি

কামরুল হাসান ও তার ছবির রাজনীতি

রফিকুল ইসলামের পাণ্ডিত্য ও কৃতিত্ব

রফিকুল ইসলামের পাণ্ডিত্য ও কৃতিত্ব

‘ওয়েস্টল্যান্ড’ ও ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উদযাপন

সৌধের আয়োজনে‘ওয়েস্টল্যান্ড’ ও ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উদযাপন

বুদ্ধদেব বসুর কাব্যনাট্য : আঙ্গিকে রাষ্ট্রদর্শন

বুদ্ধদেব বসুর কাব্যনাট্য : আঙ্গিকে রাষ্ট্রদর্শন

করোনাকালে কেমন কাটছে তার জীবন

করোনাকালে কেমন কাটছে তার জীবন

শেকড় গজানো আঁকড়ে ধরা প্রেম

শেকড় গজানো আঁকড়ে ধরা প্রেম

আলম খোরশেদ ও রওশন জামিল পাচ্ছেন ‘অনুবাদ সাহিত্য পুরস্কার’

আলম খোরশেদ ও রওশন জামিল পাচ্ছেন ‘অনুবাদ সাহিত্য পুরস্কার’

সাইকোঅ্যানালিটিকাল ক্রিটিকাল থিয়রি বা মনঃসমীক্ষণবাদী সাহিত্যতত্ত্ব

সাহিত্যতত্ত্ব : একটি সংক্ষিপ্ত পরিক্রমাসাইকোঅ্যানালিটিকাল ক্রিটিকাল থিয়রি বা মনঃসমীক্ষণবাদী সাহিত্যতত্ত্ব

ক্রসরোডস ।। কার্লোস সোলোরসানো

ক্রসরোডস ।। কার্লোস সোলোরসানো

রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতা

রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতা

সর্বশেষ

টিভিতে আজ

টিভিতে আজ

২১ জনের আক্রমণে শত্রুমুক্ত হয় বরগুনা

২১ জনের আক্রমণে শত্রুমুক্ত হয় বরগুনা

দুর্ঘটনা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা চায় বিআরটিএ

দুর্ঘটনা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা চায় বিআরটিএ

ঘূর্ণিঝড়ের নাম কেন ‘জাওয়াদ’?

ঘূর্ণিঝড়ের নাম কেন ‘জাওয়াদ’?

বিজয় দিবসে দেশব্যাপী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী

বিজয় দিবসে দেশব্যাপী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune