X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

আল্লামা শফীকে ৫টি মন্ত্রণালয়ের টোপ দিয়েছিল সরকার: আজিজুল হক ইসলামাবাদী

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১৫:১৭

২০১৩ সালে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল হেফাজতে ইসলাম। ওই বছরের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি ও মহাসমাবেশের আয়োজন করে। যদিও সমাবেশ শেষে সরে না গিয়ে তারা মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকা দখল করে রাখে। ৫ ও ৬ মে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এই সংগঠনের কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। তখন হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ৫ মে শাপলা চত্বরে গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের হাজার হাজার কর্মীকে হত্যা করে। তাদের লাশ গুম করে। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে হেফাজতকে নিহতের তালিকা প্রকাশের অনুরোধ করা হলে হেফাজতও সায় দেয়। যদিও পরে তালিকা প্রকাশ করেনি হেফাজত।

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে একান্ত আলাপে জানালেন, হেফাজত তালিকা প্রকাশ করবে না। এমনকি সেসময়ে সরকারের পক্ষ থেকে হেফাজতের আমির আল্লামা আহমদ শফীকে ৫টি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আর  ৫০টি  আসনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। আজিজুল হক ইসলামাবাদী
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারিতে চট্টগ্রামের কওমি মাদ্রাসার ঘরানার লোকদের নিয়ে গঠিত হয়। চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বাধীন এ সংগঠনটি ২০১০ সালে ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতির বিরোধিতার মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। ২০১১ সালে তারা বাংলাদেশ নারী উন্নয়ন নীতি (২০০৯) এর কয়েকটি ধারাকে ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে এর তীব্র বিরোধিতা করে। সংগঠনটি আলোচনায় আসে ২০১৩ সালে ইসলাম ও রাসুলকে কটূক্তিকারী নাস্তিক ব্লগারদের ফাঁসি দাবি করে ব্যাপক আন্দোলন ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে।

বাংলা ট্রিবিউন: বর্তমানে হেফাজতে ইসলামের তৎপরতা নেই কেন?

আজিজুল হক: ইসলামবিরোধী শক্তির মোকাবেলায় গঠিত হয়েছে হেফাজতে ইসলাম। ইসলাম বা ইসলামের বিধি বিধানের ওপর আক্রমণ মোকাবেলা করার জন্য অতীতে হেফাজত যেভাবে প্রস্তুত ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে।
ব্লগার নাস্তিক, শাহবাগী চক্রান্ত এদেশের মুসলামানদের বিরুদ্ধে ছিল। এটা মোকাবেলা করার জন্য যতটুকু কর্মসূচি পালন করা দরকার,তাৎক্ষণিকভাবে হেফাজত তা করেছে। এক্ষেত্রে হেফাজতে ইসলাম শতভাগ সফল হয়েছে। হেফাজতের কর্ম তৎপরতা আগের মতো এখনও আছে। এ বছর ২২টি জেলার কেন্দ্রীয় নেতারা সফর করেছেন। কিন্তু এখন সেভাবে সংবাদপত্রে প্রকাশ হয় না বলে অনেকে মনে করেন হেফাজত নিষ্ক্রিয়। বরং অনুষ্ঠান করতে গিয়ে হেফাজত বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।

বাংলা ট্রিবিউন: কারা বাধা দিচ্ছে? কী ধরণের বাধা?

আজিজুল হক: আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি। সরকার ভয় পায় হেফাজতকে। আমাদের কর্মসূচি পালনের অনুমতি দিতে ভয় পায়। ঢাকা মহানগর ও আশপাশে আমাদের কোনও প্রোগ্রাম করতে দেওয়া হচ্ছে না। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আমাদের বিভিন্ন সময়ে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। কোথাও অনুষ্ঠানের অনুমতি দিচ্ছে না, আবার কোথাও অনুমতি দিয়ে একদিন আগে বাতিল করে দিচ্ছে, কোথাও স্থান পরিবর্তন করে অনুষ্ঠান করতে হচ্ছে।

বাংলা ট্রিবিউন: আপনাদের ঘোষিত ১৩ দফা দাবি নিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মসূচি কী?

আজিজুল হক: আমাদের ১৩ দফা শুধু মুসলমানদের দাবি নয়, সব ধর্মের মানুষের দাবি। আমরা দাবি নিয়ে তৃণমূলে কাজ করে যাচ্ছি। এটা বাস্তবায়ন করা জন্য আমরা অটল আছি।

বাংলা ট্রিবিউন: সরকারের সঙ্গে আপনাদের সমঝোতার কথা শোনা যাচ্ছে, এ বিষয়ে কিছু বলবেন?

আজিজুল হক: এটা সর্ম্পূণ গুজব। হেফাজত কোনও রাজনৈতিক সংগঠন নয়, একটি ধর্মীয় সংগঠন। ২০১৩ সালের ৫ মে এই সংগঠনের ওপর সরকার বর্বরোচিত আক্রমণ করেছে। সে আক্রমণের মোকাবেলা ইচ্ছা করলে বৃহৎ জনগোষ্ঠী সঙ্গে নিয়ে করা যেত। ১০ হাজারের বেশি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, অনেকে পঙ্গু হয়ে গেছে। তারপরও আমাদের আমির আল্লামা শফী বলেছেন, ‘সরকার আমাদের মেরেছে। মাসুম বাচ্চাদের ওপর গুলি চালিয়েছে। এ সরকার নাস্তিকদের দোসর সরকার। বিচার ব্যবস্থাও নাস্তিকদের পক্ষে। এ সরকারের কাছে আমরা বিচার পাবো না। এজন্য আমরা আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম।’

আমাদের ১৩ দফা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের দাবি ছিল না। কাউকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসানোর বা নামানোর দাবি ছিল না। আমাদের ব্যক্তিগত কোনও স্বার্থ ছিল না। সরকার আমাদের অনেক টোপ দিয়েছিল। আমাদের আমিরকে মন্ত্রিত্বের টোপ দেওয়া হয়েছিল। ৫টি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব, ৫০টি আসনের প্রস্তাব এসেছিল। কওমি মাদ্রাসার ১০ বছরের খরচ দেওয়ার প্রস্তাব ছিল। কিন্তু আল্লামা আহমদ শফী এসব গ্রহণ করেননি। আলেমদের সম্মান মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের লোভ বা আতাঁতের কোনও বিষয় নেই। আমরা আমিরের হুকুম অনুসরণ করেছি, তিনি যা নির্দেশ দিচ্ছেন তা পালন করছি।

বাংলা ট্রিবিউন: নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে, আপনারা তালিকা প্রকাশ করবেন বলেও করেননি কেন?

আজিজুল হক: প্রথমে আল্লামা আহমদ শফী ৫ মে’’র পর আমাদের বলেছিলেন, সারাদেশে খোঁজ খবর নিতে। পরে তিনি সরাসরি নির্দেশ দিলেন, যেহেতু সরকার মেরেছে, তাই সরকারের দায়িত্ব হলো কতজন মারা গেছে সঠিক তালিকা বের করা।” আমাদের এখন স্পষ্ট বক্তব্য- সরকার মেরেছে, সরকারই নিহতদের তালিকা প্রকাশ করবে। পত্রিকায় খবর এসেছে ১ লাখ ৫৪ হাজার গুলি ব্যবহার হয়েছে, এসব গুলি কাদের ওপর চালানো হয়েছে?

বাংলা ট্রিবিউন: তবু আপানাদের কাছে তো নিহতদের তালিকা আছে। তালিকা প্রকাশ না করলে তো বিতর্ক বাড়বে। কতজন মামলায় কারাগারে আছেন?

আজিজুল হক: হ্যাঁ, এটা শত শত। কতজনের নাম বলব। সরকার তো বলেছে মারা হয়নি। আমার প্রশ্ন, ঘাদানিকের শাহরিয়ার কবির কীভাবে বললেন ৬৫/৭০ জনের তালিকা তারা করেছেন। তিনি তো সংবাদ সম্মেলন করে এটা বলেছেন।

আমরা এখন যদি তালিকা প্রকাশ করি তাহলে বিতর্ক বাড়বে। ৫ মে অংশ নেওয়া অনেক মাদ্রাসা ছাত্র-শিক্ষক, সাধারণ মানুষকে এখনও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এদের কীভাবে তালিকা হবে। নিহতের পাশাপাশি অসংখ্যক লোক নিখোঁজ আছেন।

আর আমরা কীভাবে বের করবো, আমাদের তো সরকার কোনও কিছুই করতে দিচ্ছে না। আল্লামা শফীকেও বের হতে দিচ্ছে না।

অনেক লোক কারাগারে আছেন, শতের ওপরে মানুষ কারাগারে আছে। আগে আরও বেশি ছিল। অনেকে জামিনে বেরিয়ে এসেছেন।

বাংলা ট্রিবিউন: আপনি তো বললেন, সরকারের টোপ ছিল, কিন্তু সেসময়ে তো আলোচনায় এসেছে, কোনও কোনও হেফাজত নেতা বিএনপি-জামায়াতের কাছ থেকে সুবিধা পাওয়ার আশায় শাপলা চত্বরে অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আজিজুল হক: আমাদের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের কোনও সম্পর্ক ছিল না। ৫ মে সমাবেশের আগে ও পরে আমাদের সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের যোগাযোগ ছিল। সরকারের প্রতিনিধিরা যোগাযোগ করেছেন। বিরোধী দল তো নিজেরাই রাস্তায় বের হতে পারে না, তারা আমাদের কী করবে। বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা নিয়ে তো আমরা মাঠে নামিনি। হেফাজত মুসলমানদের ঈমানি দায়িত্ব নিয়ে মাঠে নেমেছে। আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুল আলম হানিফও মিথ্যাচার করেছিলেন যে, আমরা বিএনপি-জামায়াতের টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছি। আমরা চ্যালেঞ্জ করার পর তো তিনি মুখে কুলুপ দিয়েছেন, আর জবাব দেননি। এটা আলেম-ওলামাদের হেয় করতে ধোঁকাবাজি।

বাংলা ট্রিবিউন: আপনারা তো ঢাকায় মহাসমাবেশ করতে চেয়েও বারবার স্থগিত করেছেন, আর কি সমাবেশ করবেন?

আজিজুল হক: আল্লামা শফীকে ঢাকায় ছোট অনুষ্ঠানও করতে দেওয়া হচ্ছে না। সরকার যদি অনুমতি দেয়, আমরা যেকোনও সময় মহাসমাবেশ করতে প্রস্তুত আছি।

বাংলা ট্রিবিউন: খুৎবা নিয়ন্ত্রণ, মসজিদ কমিটি নিয়ে সরকারের পরিকল্পনাকে কীভাবে দেখছেন?

আজিজুল হক: আমরা স্পস্টভাবে বিবৃতি দিয়েছি, দরবারি আলেমদের দিয়ে তৈরি করা সরকারি খুৎবা এদেশের মুসলমানরা মেনে নেবে না। খুৎবার নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মোহাম্মদ সামীম আফজালের ধর্মীয় কোনও শিক্ষা নেই। দাড়ি রাখলেই মানুষ ধর্মীয় লোক হয় না। বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ইসলামের প্রচার-প্রসারের জন্য। এই উদ্দেশ্যে বাধা দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার জন্য পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছেন সামীম আফজাল। বঙ্গবন্ধুর তৈরি করা প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য তিনি কাজ করছেন। তাকে দ্রুত অপসারণ করা সরকারের জন্য জরুরি।

/এএইচ/এপিএইচ/আপ-এফএস/ 

বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:১৭

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে (বাংলাদেশ সময় আজ সকাল) লটে নিউইয়র্ক প্যালেসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সময় এই প্রশংসা করেন তিনি।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক কার্যক্রমের ব্যাপারে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।

বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ (ইউএন) মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে স্বাগত জানান। জাতিসংঘ বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলোকে গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মত বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো জাতিসংঘেরও অগ্রাধিকার।

শেখ হাসিনা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের উচ্চপদে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আরও বেশি সদস্য নিযুক্ত করতে জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে জাতিসংঘের সাড়া’র বিষয়ে জানতে চাইলে জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুতেরেস এই আহ্বানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন এবং তিনি এটিকে ন্যায্য মনে করেন ও বাংলাদেশের জন্য আরও কিছু করতে চান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব এই ব্যাপারে বাংলাদেশের সুনাম অর্জনের কথা এবং শান্তি রক্ষা মিশনে তাদের সাফল্যের গল্প রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

ড. মোমেন বলেন, একটি গতিশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে জাতিসংঘ ‘রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। গুতেরেস বাংলাদেশের এবং দেশটির সার্বিক অর্জনের ব্যাপারে এর নেতৃত্বের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদরদফতরে নেদারল্যান্ডের রানি ম্যাক্সিমা, ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান ফুক এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সহিলের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

নেদারল্যান্ডের রানি ম্যাক্সিমার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় শেখ হাসিনা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষয়ক্ষতি সামলাতে তার সরকার ইন্স্যুরেন্স ব্যবস্থা চালু করার চিন্তা ভাবনা করছে।

এ সময় পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সহিলের সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে ড. মোমেন বলেন, মালে ও চট্টগ্রামের মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজ চালু করার ব্যাপারে উভয় দেশ কাজ করছে। 

ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান ফুকের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ জন্মভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে চাপ দিতে ফুককে অনুরোধ জানান। খবর বাসস

/ইউএস/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘের অধিবেশনে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের অধিবেশনে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

জাতিসংঘের অধিবেশনে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৬তম অধিবেশনের উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ আলোচনায় আজ (বাংলাদেশ সময়) ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে রোহিঙ্গা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ভাষণে অগ্রাধিকার পাওয়া অন্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে টেকসই উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও অসমতা দূরীকরণ।

প্রধানমন্ত্রী গত ২১ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএ জেনারেল ডিবেটের প্রথম দিন অংশ নেন। এ অধিবেশন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

শেখ হাসিনা তার বাবা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আগের বছরগুলোর মতই বাংলা ভাষায় তার ভাষণ দেবেন। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী ইউএনজিএ’র অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিতে যাচ্ছেন। এটি হবে বাংলা ভাষায় দেওয়া তার ১৮তম ভাষণ।

শেখ হাসিনা সরাসরি ইউএনজিএ অধিবেশনে অংশগ্রহণে হেলসিঙ্কি হয়ে নিউইয়র্কে পৌঁছান। কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতির কারণে ইউএনজিএ’র ৭৫তম অধিবেশনে তিনি সশরীরে যোগ দিতে পারেননি।

ইউএনজিএ’র ৭৬তম অধিবেশন গত ১৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয়। ওই দিন সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মালদ্বীপের আব্দুল্লাহ শহিদ শপথ গ্রহণ করেন এবং তিনি বর্তমান অধিবেশন উদ্বোধন করেন।

বৈশ্বিক মহামারির কারণে সাধারণ পরিষদের হলে অনুমোদিত প্রতিনিধির সংখ্যা সীমিত রাখা হয়েছে এবং জাতিসংঘ সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিদের জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সরাসরি উপস্থিত থাকার পরিবর্তে আগে ধারণ করা বিবৃতি প্রদানে উৎসাহিত করা হয়।

শতাধিক রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান জাতিসংঘের প্রধান নীতি নির্ধারণ অঙ্গ ইউএনজিএ অধিবেশনে সশরীরে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। খবর বাসস

/ইউএস/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫৯

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও একাধিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে তিনি নেদারল্যান্ডের রানি ম্যাক্সিমা, ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান পাক, মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইবরাহিম মোহামেদ সোলিহ ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে শেখ হাসিনার সঙ্গে হোটেল লোটে নিউ ইয়র্ক প্যালেসে নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ও প্রধানমন্ত্রীর আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুরে জাতিসংঘ সদর দফতরে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতি নগুয়েন জুয়ানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দুপুরে জাতিসংঘ সদর দফতরে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইবরাহিম সোলিহ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। গত মার্চে বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ঢাকা সফর করেছিলেন।

এছাড়া জাতিসংঘ সদর দফতরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। 

/এসএসজেড/ইউএস/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

জাতিসংঘের অধিবেশনে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের অধিবেশনে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

১৯৭৩ সালের এদিনে দেড়শ’ থানায় রক্ষীবাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। সমাজবিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করতে সরকার দেশের দেড়শ’টিরও বেশি থানার সদর দফতরে অবিলম্বে পর্যাপ্ত রক্ষীবাহিনী পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সরকারি সূত্রে এ কথা জানানো হয়।

খবরে প্রকাশ, দেশের নিরীহ নাগরিকদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ার পর সরকার উপরোক্ত নির্দেশনা দেয়।

এর মাত্র কয়েক দিন আগে আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের বৈঠকে দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন। সূত্র জানায়, ভিন্ন থানা সদর দফতরে রক্ষীবাহিনী মোতায়েন করা ছাড়াও সব জেলা ও মহাসড়ক দফতরে পর্যাপ্ত পুলিশ ও রক্ষীবাহিনী মোতায়েন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোয় পুলিশের তৎপরতায় সাহায্য করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সুস্পষ্ট নির্দেশও দেওয়া হয়।

দৈনিক বাংলা, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

প্রত্যাগত বাঙালিদের পুনর্বাসন

পাকিস্তানে আটকে থাকা যেসব বাঙালি ফিরে আসছেন তাদের পুনর্বাসনে সম্ভাব্য সব করা হবে। ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী সোহরাব হোসেন জাতীয় সংসদে আশ্বাস দেন, পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা বাঙালিদের বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা আছে। পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা বাঙালিদের জন্য এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনে সরকার কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, সদস্যরা তা জানতে চান। প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান থেকে প্রত্যাগত সরকারি বাঙালি কর্মচারীদের এক মাসের অগ্রিম বেতন ও এক মাসের ছুটি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া যেসব কর্মচারী পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় বা অনুরূপ সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তাদের নাম তালিকাভুক্ত করার জন্য দেশের সব স্বায়ত্তশাসিত ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুটির শিল্প করপোরেশন বিল পাস

দেশে একটি কুটির শিল্প সংস্থা স্থাপনের উদ্দেশ্যে এদিন জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ কুটির শিল্প করপোরেশন ১৯৭৩ বিল বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়। শিল্পমন্ত্রী জানান, আগামী পরিকল্পনায় ১২১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। গ্রামাঞ্চলের মানোন্নয়নের জন্য কুটির শিল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ১৯৭০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী তিন লক্ষ ৩০ হাজার ৪৩৬টি কুটির শিল্প দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে। ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৮৭৮ ব্যক্তি এই শিল্পের উৎপাদন কাজে নিয়োজিত। এই শিল্পকে উৎসাহিত ও সম্প্রসারিত করে মৃতপ্রায় কুটির শিল্পগুলোর ব্যবহার এবং পরিবারভুক্ত কুটির শিল্প লোকদের মধ্যে আধুনিক কৌশল ছড়িয়ে দেওয়া হবে এই সংস্থার কাজ।

দ্য অবজারভার, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

কুটির শিল্প বাঁচাতে যা বলেছিলেন জয়নুল আবেদীন

বাংলাদেশের কুটির শিল্প লুপ্তপ্রায়। এ শিল্পকে বাঁচাতে ব্যাপক সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন। আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ব নয়, কুটির শিল্পে যারা সত্যিকার অর্থে জড়িত তাদের দায়িত্ব নিতে হবে। বাংলাদেশের প্রখ্যাত কয়েকজন শিল্পী এ মন্তব্য করেন। কুটির শিল্প রক্ষায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপকে অভিনন্দিত করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। গ্রামে গ্রামে এই উদ্যোগ বেকারত্ব কমাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৬

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভোক্তা প্রতারণা বন্ধ করার কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন। ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই তাদের জন্য কার্যকারী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে কমিশনের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির উপ প্রেস সচিব মুন্সী জালাল উদ্দিন ব্রিফিংকালে জানান, সাম্প্রতিককালে ই-কমার্সে ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি পত্রপত্রিকা ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হাওয়ায় রাষ্ট্রপতি দেশে দ্রুত প্রসারণশীল ই-কমার্স ব্যবস্থায় ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ই-কমার্স একটি সম্ভাবনাময় খাত। কিছু সংখ্যক লোকের কারণে এ খাতটি যেন শুরুতেই মুখ থুবড়ে না পড়ে সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক হতে হবে।

এ খাতে প্রতারণাসহ ভোক্তার স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কঠোর হস্তে দমনের জন্য তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সকল পদক্ষেপে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি ভোক্তারা যেন যৌক্তিক মূল্যে ও প্রত্যাশিত সময়ে মানসম্মত পণ্য পায় তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা থাকতে হবে।

সাক্ষাৎকালে কমিশন চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম প্রতিবেদনের উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়সহ কমিশনের চলমান কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতে আরও অংশ নেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং কমিশনের সদস্য জি এম সালেহ উদ্দিন, ড. এ এফ এম মনজুর কাদির ও নাসরিন বেগম।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।

/এমপি/

সম্পর্কিত

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

সর্বশেষ

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

‘বিদ্যালয়ে এসে করোনা আক্রান্তের প্রমাণ পাওয়া যায়নি’

‘বিদ্যালয়ে এসে করোনা আক্রান্তের প্রমাণ পাওয়া যায়নি’

ঢাকায় ‘জলবায়ু অবরোধ আন্দোলন’ কর্মসূচি

ঢাকায় ‘জলবায়ু অবরোধ আন্দোলন’ কর্মসূচি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

© 2021 Bangla Tribune