X
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাঢ় ১৪২৮

সেকশনস

সেনাদের জন্য ধর্ষণ বৈধ দক্ষিণ সুদানে!

আপডেট : ১১ মার্চ ২০১৬, ২০:০৮

দক্ষিণ সুদানের সেনাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ধর্ষণের অভিযোগ এনেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলছে, দেশটির সরকার তার সেনা ও মিলিশিয়াদের জন্য বেতন হিসেবে ধর্ষণকে বৈধতা দিয়েছে। ১১ মার্চ শুক্রবার প্রকাশিত জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালে শুধু তেলসমৃদ্ধ ইউনিটি রাজ্যেই ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক হাজার তিনশ নারী।

আক্রান্ত এক নারীর ভাষায়, ‘চোখের সামনে স্বামীকে হত্যা করলো সেনারা। আর তারপরই ১৫ বছরের কিশোরীর ওপর হায়নার মতো ঝাঁপিয়ে পড়লো ১০ জন। পাষণ্ডের মতো তাকে গণধর্ষণ করে তারা।’ এমন চিত্র দুই একটা নয়। এটাই এখন নিত্যদিনের ঘটনা দক্ষিণ সুদানে।

দেশটির এমন পরিস্থিতিকে বিশ্ব মানবতার ‘সবচেয়ে ভয়ঙ্কর চেহারা’ বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক দূত জেইদ রা’আদ আল আল হুসেইন।

জাতিসংঘ বলছে, দক্ষিণ সুদানে সেনাদের জন্য অপহরণ, ধর্ষণ-গণধর্ষণ, হত্যা-গণহত্যার বৈধতা দিয়ে রেখেছে দেশটির সরকার। আমাদের মূল্যায়নকারী দল তথ্য পেয়েছে, দক্ষিণ সুদানিজ আর্মির (এসপিএলএ) সঙ্গে কাজ করা দেশটির সশস্ত্র মিলিশিয়াদের সঙ্গে সরকারের ‘যে কোনও কিছু করার ও যে কোনও কিছু ছিনিয়ে নেওয়ার’ চুক্তি রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ চুক্তির পর দেশটির সেনারা বিভিন্ন বাড়িতে হানা দিয়ে সম্পদ ছিনিয়ে নেওয়া, ধর্ষণ এবং নারী ও কিশোরীদের অপহরণ শুরু করে। এগুলোই তাদের বেতন বলে ধরা হয়।

এছাড়া, বিরোধীদের সমর্থনের অভিযোগে দেশটিতে শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক অনেককেই জীবন্ত পুড়িয়ে বা শিপিং কন্টেইনারে পুরে শ্বাসরোধ করে কিংবা গাছের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে হত্যা করেছে সেনারা। কাউকে কাউকে কেটে টুকরো টুকরোও করা হয়েছে।

অপর এক প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও দক্ষিণ সুদানের সেনাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তুলেছে। বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থাটির দাবি, এ অভিযোগের পক্ষে তাদের কাছে প্রমাণও রয়েছে।

প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, গত বছরের অক্টোবর মাসে ৬০ জনেরও বেশি নিরস্ত্র মানুষকে শিপিং কন্টেইনারে পুরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে সেনারা। হত্যার পর তাদের দেহগুলো ইউনিটি রাজ্যের লীর শহরের একটি মাঠে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

অ্যামনেস্টির লামা ফাইখ বলেছেন, দেশটির সরকারি বাহিনীর সদস্যরা শত শত মানুষকে হত্যা করেছে। নির্যাতন করে ধীরে ধীরে তাদেরকে বিভিষিকাময় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, ঘটনা জানতে তারা ৪২ জনেরও বেশি প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে। এর মধ্যে ২৩ জন দাবি করেছেন, তারা সরাসরি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে দেখেছেন। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন কিশোরও ছিল।

/এমপি/

সম্পর্কিত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে মরক্কোর বাদশার শুভেচ্ছা

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে মরক্কোর বাদশার শুভেচ্ছা

বেনামী পাথর থেকে হীরার খোঁজ!

বেনামী পাথর থেকে হীরার খোঁজ!

মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের ১২ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল

মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের ১২ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল

কুমিরের নাম ওসামা বিন লাদেন!

কুমিরের নাম ওসামা বিন লাদেন!

মরক্কোতে ইসরায়েলি মিশনকে ভবন ভাড়া দিতে চাচ্ছে না কেউ

মরক্কোতে ইসরায়েলি মিশনকে ভবন ভাড়া দিতে চাচ্ছে না কেউ

দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতিতে ইথিওপিয়ার সাড়ে তিন লাখ মানুষ

দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতিতে ইথিওপিয়ার সাড়ে তিন লাখ মানুষ

এক সঙ্গে দশ সন্তানের জন্ম

এক সঙ্গে দশ সন্তানের জন্ম

বোকো হারাম নেতা মারা গেছেন: প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ

বোকো হারাম নেতা মারা গেছেন: প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ

এইচআইভি পজিটিভ নারী ২১৬ দিন করোনা আক্রান্ত, ৩২ বার ধরন বদল

এইচআইভি পজিটিভ নারী ২১৬ দিন করোনা আক্রান্ত, ৩২ বার ধরন বদল

বুরকিনা ফাসোয় রাতভর তাণ্ডব, নিহত অন্তত ১৩০

বুরকিনা ফাসোয় রাতভর তাণ্ডব, নিহত অন্তত ১৩০

মালির সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক বাতিল করলো ফ্রান্স

মালির সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক বাতিল করলো ফ্রান্স

ডিআর কঙ্গোর দুই গ্রামে হামলা, নিহত অন্তত ৫০

ডিআর কঙ্গোর দুই গ্রামে হামলা, নিহত অন্তত ৫০

সর্বশেষ

পেরুকে বিধ্বস্ত করে নেইমারদের টানা দ্বিতীয় জয়

পেরুকে বিধ্বস্ত করে নেইমারদের টানা দ্বিতীয় জয়

ঢাকা-কায়রো যুক্ত ঘোষণা

ঢাকা-কায়রো যুক্ত ঘোষণা

জামে আছে যত পুষ্টি

জামে আছে যত পুষ্টি

কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় প্রধান ভূমিকা নেবে তুরস্ক: বাইডেন প্রশাসন

কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় প্রধান ভূমিকা নেবে তুরস্ক: বাইডেন প্রশাসন

ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আজ

ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আজ

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পুতিন

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পুতিন

অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নক আউট পর্বে নেদারল্যান্ডস

অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নক আউট পর্বে নেদারল্যান্ডস

নীল জল থেকে উঠে জড়ালেন অন্তর্জালে!

নীল জল থেকে উঠে জড়ালেন অন্তর্জালে!

ব্রাজিলের অলিম্পিক দলে নেই নেইমার!

ব্রাজিলের অলিম্পিক দলে নেই নেইমার!

নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে মমতা

নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে মমতা

যানবাহন উৎপাদন ও বিপণনে ট্রেডমার্ক সনদ পেলো ওয়ালটন

যানবাহন উৎপাদন ও বিপণনে ট্রেডমার্ক সনদ পেলো ওয়ালটন

প্রথম ব্যাচের তৃতীয় লিঙ্গের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিলো ফুডপ্যান্ডা

প্রথম ব্যাচের তৃতীয় লিঙ্গের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিলো ফুডপ্যান্ডা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে মরক্কোর বাদশার শুভেচ্ছা

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে মরক্কোর বাদশার শুভেচ্ছা

বেনামী পাথর থেকে হীরার খোঁজ!

বেনামী পাথর থেকে হীরার খোঁজ!

মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের ১২ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল

মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের ১২ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল

কুমিরের নাম ওসামা বিন লাদেন!

কুমিরের নাম ওসামা বিন লাদেন!

মরক্কোতে ইসরায়েলি মিশনকে ভবন ভাড়া দিতে চাচ্ছে না কেউ

মরক্কোতে ইসরায়েলি মিশনকে ভবন ভাড়া দিতে চাচ্ছে না কেউ

দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতিতে ইথিওপিয়ার সাড়ে তিন লাখ মানুষ

দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতিতে ইথিওপিয়ার সাড়ে তিন লাখ মানুষ

এক সঙ্গে দশ সন্তানের জন্ম

এক সঙ্গে দশ সন্তানের জন্ম

বোকো হারাম নেতা মারা গেছেন: প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ

বোকো হারাম নেতা মারা গেছেন: প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ

এইচআইভি পজিটিভ নারী ২১৬ দিন করোনা আক্রান্ত, ৩২ বার ধরন বদল

এইচআইভি পজিটিভ নারী ২১৬ দিন করোনা আক্রান্ত, ৩২ বার ধরন বদল

বুরকিনা ফাসোয় রাতভর তাণ্ডব, নিহত অন্তত ১৩০

বুরকিনা ফাসোয় রাতভর তাণ্ডব, নিহত অন্তত ১৩০

© 2021 Bangla Tribune