X
বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

সাইকেলে পাহাড় জয়

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৬, ১৯:০০
image

সাইকেলে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পথে

পাহাড় আমার খুবই পছন্দের। অনেকদিন ধরে বান্দরবান যাওয়ার ইচ্ছা ছিল,আগে কখনও যাওয়াও হয়নি। ঠিক করেছিলাম গেলে সাইকেলসহ যাব। এর মাঝে একদিন খবর পেলাম থানচি থেকে আলীকদমের ২৫০০ ফিট উচু রাস্তাটা বানানো শেষ হয়েছে। প্ল্যান করছিলাম যাওয়ার। এরমধ্যে দেখি আমার প্রিয় গ্রুপ ট্রেকারস অফ বাংলাদেশের ইভেন্ট- সাইকেলে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পথ পাড়ি দিয়ে বান্দরবন থেকে কক্সবাজার। সঙ্গে সঙ্গে আমি আর আমার বড় ভাই রায়হান ২ জনই কনফার্ম করে ফেললাম। ২ জুন রাতের বাসে আমরা সাইকেল বাসে নিয়ে রওনা হয়ে গেলাম বান্দরবানের পথে। ভোরে পৌঁছলাম। রাইড শুরু হলো একটা ছোট আপহিল দিয়ে। এটা পার হওয়ার পর বুঝলাম খবর আছে! একটু সামনে যাওয়ার পর দেখলাম রাস্তা উপরের দিকে চলে গেছে। সাইকেল নিয়ে উপরের দিকে উঠতে হবে। শুরু হলো আপহিল উঠা। রাস্তা ঘুরে ঘুরে শুধু উপরের দিকে উঠছে। এ ওঠার যেন শেষ নেই। প্রচণ্ড গরমে সামনের ও পেছনের গিয়ার ১/১ রেখে উঠতে গিয়ে সবার হাঁসফাঁস অবস্থা। এক এক কিলোমিটার পার হতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে। আবার কয়েক কিলোমিটার পরপরই বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। মাঝে মাঝে একটু ডাউনহিল পেলেই সবার মাঝে আনন্দের উল্লাস শুরু হচ্ছে। এভাবে আমি, আলাউদ্দিন ভাই, রানা ভাই ও রঞ্জু ভাই এগিয়ে চলছিলাম। দলের অন্য সবাই যার যার সুবিধা মত চলছিল। কেউ আপহিল হেঁটে উঠছে আর আমরা চালিয়ে উঠছি। এভাবে অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে ২৪ কিলোমিটার পরে পৌঁছলাম চিম্বুক পাহাড়। যেহেতু আমরা থানচি ও লামায় তাঁবুতে থাকবো তাই সবার তাঁবুসহ বাবু ভাই, রুহুল ভাই ও ফাহিমা শিপু ভাবী আগেই চান্দের গাড়িতে করে রওনা দিয়েছিলেন। চিম্বুক পার হয়েই উনাদের সাথে দেখা হয়ে গেল। পায়ে আঘাত পাওয়ার কারণে সাইকেল নিয়ে আসেননি বাবু ভাই। তাই মন খারাপ করে গাড়িতে বসে আছেন। এভাবে আরও উঁচু পাহাড়ে উঠতে উঠতে ৪৫ কিলোমিটার পাড়ি দেওয়ার পর নীলগিরিতে  পৌঁছলাম। নীলগিরির রূপ দেখে পাগল হয়ে যাওয়ার অবস্থা। বহুদূর পর্যন্ত শুধু খোলা দিগন্ত দেখা যাচ্ছে। এখানেই দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হলো। এর মধ্যে তুরিন ভাই অসুস্থ হয়ে হাল ছেড়ে দিলেন। খাওয়া শেষে একটু রেস্ট নিয়ে আমি আর আলাউদ্দীন ভাই রওনা দিলাম। গ্রুপের অনেকেই তখন নীলগিরি পৌঁছেছে। বাবু ভাই ঠিক করলেন তুরিন ভাইয়ের সাইকেল চালাবেন। একসঙ্গে  ৩ জন রওনা হয়ে গেলাম। একটু সামনে গিয়ে জীবননগর পাহাড় দেখে তো অবাক! এত খাড়া আপহিল! যাই হোক, গিয়ার ১/১ করে জিকজ্যাক করে ওঠা শুরু করলাম। একটা ট্রাক আসছে পুরা রাস্তা জুড়ে। ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে পড়ে গেলাম। অবশেষে ১ মিনিট হেঁটে পা একটু ঠিক হলে আবার ওঠা শুরু করলাম। অনেক কষ্টে পৌঁছলাম পাহাড়ের উপরে। এবার একটু এগিয়ে ডাউনহিল দেখে দমে গেলাম। খুব ঢালু, তার মাঝে রাস্তা বাঁক নিয়েছে একটু পরপর।খুব সাবধানে টানা ১৫ মিনিট ব্রেক ধরে ধরে নেমে একেবারে নিচে পৌঁছে গেলাম। নেমেই রোটরে পানি ঢাললাম। সমতলে এক আদিবাসীর দোকানে কলা চা খেয়ে আবার রওনা হলাম। ছোট বড় আপহিল ডাউনহিল পাড় হয়ে সারাদিনে ৭৭ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে থানচি পৌঁছলাম। রাতে থানচিতে তাঁবুতে রাত্রিযাপন করলাম। পরদিন সকাল ৬টায় থানচি থেকে রওনা হয়ে গেলাম। প্রাণ ভরে চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে রওনা হয়ে গেলাম আলীকদমের পথে। মাইলস্টোনে লেখা আলীকদম ৩৩ কিলোমিটার। এখান থেকে একটু সামনে যেয়েই একটা ডাউনহিল শুরু হলো।

সাইকেলে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পথে

ডাউনহিল শেষেই শুরু হলো সেই দীর্ঘ আপহিল। অনেক দূর থেকে পাহাড়ের শরীর বেয়ে ওঠা আপহিল দেখে রক্ত হিম হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা। কোন রকমে এভাবে আপহিল ও একটু ডাউনহিল শেষ করে  ৪ কিলোমিটার পার হলাম। এরপরে যে আপহিল পেলাম এটা এত বেশি খাড়া উঠতে গিয়ে চাকা স্লিপ করে পড়ে গেলাম। আবার চেষ্টা করে দেখি সাইকেলের ব্যালেন্স রাখা যাচ্ছে না। এই খাড়া জায়গা ১০ মিটারের মত হেঁটে পার হয়ে দেখি সামনে ঝিরি থেকে ঠান্ডা পানি বের হচ্ছে। পানি দেখে সবাই থেমে পানি সংগ্রহ করলাম। তীব্র গরমে এত ঠান্ডা পানি দেখে সবাই প্রচুর পানি পান করলাম। তারপর আবার উপরে ওঠা শুরু। প্যাডেল মেরে মেরে কয়েকবার রেস্ট নিয়ে টানা ৬ কিলোমিটারের মতো আপহিলে উঠলাম, এরপর শুরু হলো বৃষ্টি। সবাই যেন স্বস্তি পেলাম। আরো ১কিলোমিটারের মতো আপহিল এগিয়ে দেখি মেঘের দেশে এসে পড়েছি। আমাদের চারপাশে মেঘ। মুগ্ধ হয়ে মেঘ দেখার জন্য চা দোকানে বসে পড়লাম। অনেকটা সময় মেঘের সাথে কাটিয়ে মেঘের ভেতর দিয়েই ডিম পাহাড়ের চূড়ার দিকে উঠা শুরু করলাম। আবার আপহিল চালিয়ে ওঠা শুরু হলো। একটু পর একটি সমতল যায়গায় পৌঁছলাম। চারপাশে মেঘ আর একটা কুড়েঘরের মতো বানানো , সামনে পেছনে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। আমরা এটাকে ডিম পাহাড় ভেবে বসে থাকলাম। ভাবলাম সামনে ডাউনহিল, তাই মেঘ সরার অপেক্ষায় থাকলাম। মেঘ সরে যেতেই সামনে তাকিয়ে অবাক হয়ে গেলাম! কোথায় ডাউহিল! বিশাল এক আপহিল অপেক্ষা করছে। হতাশ মনে কষ্ট করে আবার এই আপহিল চালিয়ে ওঠার পর বুঝতে পারলাম আমরা ডিম পাহাড়ে পৌঁছেছি। সবাই আনন্দে চিৎকার করে উঠলাম। আমরা সাইকেলে ডিম পাহাড় সামিট করছি। একটু পর রুহি ভাই আসলেন। রুহি ভাইয়ের জিপি এস দিয়ে মেপে দেখলাম প্রায় ২৮২২ ফিট উপরে আছি। কিছুক্ষণ পর আবার রওনা হলাম এবং নিজেকে প্রস্তুত করলাম জীবনের সবচেয়ে বিপদজনক মূহূর্তের জন্য। এত উপর থেকে সাইকেলে নামতে হবে! যাই হোক আমি, বাবু ভাই আর আলাউদ্দিন ভাই ব্রেক চেপে পাহাড়ি বৃষ্টি ভেজা রাস্তায় ঢাল বেয়ে নামা শুরু করলাম।

সাইকেলে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পথে

গ্রুপের সবাই তখনও একটু পেছনে। ঢালগুলো খুব খাড়া। দুইটা ব্রেক একসাথে ধরেও গতি সামলানো যাচ্ছে না। এরমধ্যে আবার কখনও রাস্তা বিপদজনকভাবে বাঁক নিয়েছে। মাঝে মাঝে সোজা ডাউনহিল পেয়ে একেবারেই ব্রেক ছেড়ে দিয়েছিলাম।সর্বোচ্চ গতি হয়েছিল ৫৯ কিমি/ঘণ্টা। এভাবে প্রায় ৬-১০ কিলোমিটার শুধু নিচের দিকেই নেমেছি। বুঝতে পারছিলাম অনেক নিচে নেমে যাচ্ছি। আবার অল্প একটু উঠছি,আবার নেমে যাচ্ছি। এভাবে করে দুপুর ১টায় ৩৩ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে আলীকদমে  পৌঁছলাম। সবার মধ্যে একটা আনন্দ অনুভূতি কাজ করছিল। এটা সাইকেলে পাহাড় জয়ের অনুভূতি। আমরা পেরেছি। বিশেষ করে আমার লক্ষ্য ছিল আমি সব পাহাড়ই সাইকেল চালিয়ে উঠবো। সেটা পেরেছি আমি। আমরা আলীকদমের একটু সামনে পরিচিত এক রেস্ট হাউজে দুপুরের খাবার খেয়ে বিকেলে লামাতে পৌঁছলাম। লামাতে একটা রেস্ট হাউসের ছাদে তাঁবু খাটিয়ে ঘুমালাম। পরদিন রওনা হয়ে গেলাম কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে। ভেবেছিলাম আপহিলের হাত থেকে বেঁচেছি। পথে নেমে শুনি আরো ১৫০০ফিট উচু একটা পাহাড় পার হতে হবে! সবার মুখ কালো হয়ে গেল। একটু এগিয়ে সেই আপহিলের দেখা পেলাম। শরীফ ভাই, আমি, বাবু ভাই, রাহাত ভাই, রিদয়- আমরা সবাই দাঁতে দাঁত চেপে আপহিলে উঠতে শুরু করলাম। একটু উঠে নাস্তার পর্ব সেরে নিয়ে পানি ভরে নিয়ে রওনা হলাম আবার। অনেকটা পথ ওঠার পর ডাউনহিলের দেখা পেলাম। মুখে হাসি নিয়ে সবাই নামা শুরু করলাম। হঠাৎ একটা মোড় পার হয়ে দেখলাম একটি বাস এগিয়ে আসছে। আমি জোরে চিৎকার দিয়ে উঠলাম। থানচি আলীকদম রোডে কোন গাড়ি না চললেও এই রোডে চলে, আমরা সেটা ভুলেই গিয়েছিলাম। আমার পেছনে থাকা রেজা ব্রেক করে থামতে পারলেও বাবু ভাই পারলেন না। হার্ডব্রেক করে তাল হারিয়ে পড়ে গেলেন। বাবু ভাই কে সবাই ধরাধরি করে উঠালাম। একটু এগিয়ে ফাসিয়াখালিতে ফার্মেসি পাওয়া গেল ঐ পর্যন্ত বাবু ভাইকে ব্যথা পাওয়া পা নিয়েই কষ্ট করে চালাতে হল সাইকেল। তারপর বাবু ভাই গাড়িতে উঠে গেলেন। আমি, মিনহাজ ভাই, রাহাত ভাই, আলাউদ্দিন ভাই ও তুরিন ভাই কক্সবাজারের দিকে রওনা দিলাম। তখনো ৫৩ কিলোমিটার বাকি। রঞ্জু ভাই আর রেজা আগেই রওনা হয়ে গিয়েছিল। আমি মিনহাজ ভাই ,তুরিন ভাই একটা এভারেজ গতিতে চালানোর কারনে ১২টায় কক্সবাজার পৌঁছে গেলাম। সাইকেল নিয়ে একেবারে সী-বিচ চলে গেলাম। সারাদিন কাটিয়ে রাতের গাড়িতে ঢাকা রওনা হলাম।

সাইকেলে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পথে



/এনএ/ 

সম্পর্কিত

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৪:৫৮

অগ্নিকন‍্যা প্রীতিলতাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন চলচ্চিত্র। ১৯৮০ সালে কলকাতার নির্মল চৌধুরী প্রথম বানালেন ‘চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন’। ওতে প্রীতিলতা হয়েছিলেন বনানী চৌধুরী। ২০১০ সালে বলিউডের ‘খেলে হাম জি জাঁ সে’ চলচ্চিত্রে প্রীতিলতা রূপে দেখা যায় বিশাখা সিংকে। বাংলাদেশে এ প্রথম এ বিপ্লবীকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে চলচ্চিত্র ‘প্রীতিলতা’। গোলাম রাব্বানীর চিত্রনাট্যে সিনেমাটির পরিচালনা করছেন তরুণ নির্মাতা রাশিদ পলাশ। আর এ ছবিতে গ্ল্যামারগার্ল পরীমনিকে প্রীতিলতা রূপে ফুটিয়ে তুলে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন বিশ্বরঙ-এর প্রতিষ্ঠাতা জনপ্রিয় ফ‍্যাশন ডিজাইনার ও কোরিওগ্রাফার বিপ্লব সাহা।

গত ১৯ জুলাই প্রীতিলতার লুক সেট ও লুক টেস্টের আয়োজন করেছিল সিনেমাটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউফরসি। ক‍্যারেকটার প্রেজেন্টেশন, আর্ট ডিরেকশন, স্টাইলিং ও কোরিওগ্রাফিতে ছিলেন বিপ্লব সাহা। ক‍্যানভাস স্টুডিওতে ফটোশুট করেন ফটোগ্রাফার অনিক চন্দ।

প্রীতিলতা ছবির পোস্টার

পরীমনি বলেন, ‘দাদার (বিপ্লব সাহা) হাতে জাদু আছে। নিজেকে দেখে নিজেই চিনতে পারছিলাম না। শুটের আগে কিছুটা টেনশনে ছিলাম। এখন মনে হচ্ছে আমি এক বিপ্লবীকে নিজের মধ্যে ধারণ করে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’

দেশনন্দিত ফ‍্যানশ ডিজাইনার ও কোরিওগ্রাফার বিপ্লব সাহার মুখেই শোনা যাক পরীমনিকে প্রীতিলতা বানানোর গল্পটা-

‘যতটুকু মনে পড়ে ২০১৫ সালের কথা। সাংবাদিক রঞ্জু হঠাৎ ফোন করে প্রীতিলতা ছায়াছবিতে কস্টিউম নিয়ে কাজ করার কথা বললো আমাকে। তখন ব্যক্তিগত কিছু ঝামেলা ও ব্যস্ততার কারণে অপারগতা জানাই। এ পাঁচ বছরে এ নিয়ে আর কিছুই জানতাম না। হঠাৎ আবার রঞ্জু ফোন করে প্রীতিলতা মুভির পোস্টার করার কথা বলে। দুই বছরে করোনার কারণে কোনও কাজ ভালোমতো করা হয়ে ওঠেনি। সৃষ্টিশীল যেকোনও কাজে মানসিক প্রশান্তিটা জরুরি। কিন্তু প্রীতিলতা টিম নাছোড়বান্দা। কাজটা করতেই হবে। প্রীতিলতা এত সিরিয়াস একটা বিষয় যে, কোনোভাবেই নতুন কাজের চাপ নিতে চাচ্ছিলাম না। একদিকে প্রীতিলতা, অন্যদিকে পরীমনি। দুজনের কাউকেই সামনাসামনি দেখিনি। এদিকে ঈদের শেষ কয়টা দিন বিশ্বরঙে অনেক ব্যস্ততা থাকে। গল্পটাও আবার প্রায় এক শ’ বছর আগের। সাজ পোশাক ও এক্সপ্রেশন নিয়ে ভাবার আছে অনেক কিছু।

শেষপর্যন্ত  ফটোশুটের তারিখ ঠিক হলো। রেফারেন্স ছবি দিয়ে প্রীতিলতা টিম বললো- ছবির মতো হুবহু চাই। মাত্র দু’দিনে প্রায় শত বছর আগের শাড়ি-ব্লাউজ, গয়না কোথা থেকে জোগাড় করবো! অনেক কষ্টে সব সংগ্রহ করা হলো।’

বিপ্লব সাহা আরও বললেন, ‘আমি এমনিতে দেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করি। শেষ ২৫ বছরে অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তির ক্যারেকটার প্রেজেন্টেশনের অনেক কাজ করেছি। এ জন্য এ কাজটা কিছুটা সহজ হয়েছে। কিন্তু প্রীতিলতার মতো সাহসী শক্তিমান বলিষ্ঠ মুখমণ্ডলকে বর্তমান চলচ্চিত্রের গ্ল্যামার-মুখ পরীমনির মধ্যে থেকে বের করে আনতে হবে। এ যেন আরেক অগ্নিপরীক্ষা। এমনিতে নতুন প্রজন্মের কাউকে নিয়ে কাজ করতে কেন যেন খুব একটা আরাম বোধ করি না। কিন্তু মিরপুর পারসোনাতে পৌঁছার পর পর্যন্ত নতুন এক পরীমনিকে আবিষ্কার করেছি। একজন পরিচালক হয়তো এমনই শিল্পী খোঁজেন সবসময়। সকল শঙ্কা দূর হয়ে গেল।’

পরীমনিকে প্রীতিলতা বানানোর কৌশলের খুঁটিনাটি নিয়েও ধারণা দিয়েছেন বিপ্লব সাহা-

‘এ কাজে প্রথমেই চোখের ভ্রূ নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। এরপর চোখজোড়াকে আরও ডার্ক করতে হয়েছে। চোখকে যেন আরেকটু বড় দেখায় সে কাজটাও করতে হয়েছে। প্রীতিলতার সঙ্গে মিল রেখে পরীমনির নিচের ঠোঁটটাকেও আরও ভারী করতে হয়েছে। আবার পরীমনির নাক একটু শার্প, সেটা নিয়েও কাজ করতে হয়েছে। মুখে ফোলা ফোলা ভাবটা আনতে হয়েছে।

চোখজোড়া করতে হয়েছে আরও ডার্ক

পারসোনা পরিবারের সহযোগিতা ছাড়া একার পক্ষে কাজটি করা সম্ভব ছিল না। প্রীতিলতা টিমের প্রত্যেকের আন্তরিকতাও সুন্দর একটা স্মৃতি রয়ে গেল এই পোস্টারের সঙ্গে।’

 

/এফএএন/এফএ/

সম্পর্কিত

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১১:২০

শারীরিক শক্তিবৃদ্ধি থেকে শুরু করে মন ভালো রাখার কাজও করতে পারে খানিক্ষণ হাঁটাহাঁটি। আর যারা হাঁটার একদমই সময় পান না, তারা দিনের একটা সময় বের করে ১৫ মিনিট হাঁটলেই পাবেন দারুণ কিছু উপকার।

 

ফুরফুরে মন

বাইরে ১৫ মিনিট হাঁটলেই মনের ভেতর লুকিয়ে থাকা অবসাদ কেটে যাবে। অকারণের বিষাদ কেটে গেলেই দেখবেন একটা কিছু করার আগ্রহ আবার জাঁকিয়ে বসবে। এমনটা জানিয়েছে আমেরিকান জার্নাল অব প্রিভেনশন মেডিসিন।

 

অ্যাজমায় সমস্যা নেই

ব্যায়ামের সঙ্গে যাদের অ্যাজমার সম্পর্ক আছে, তারাও ১৫ মিনিট হেঁটে নিতে পারেন। ধীরেসুস্থে ১৫ মিনিট হাঁটা বা মিনিট দশেক সাঁতার কাটলে সেটা আপনার শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

 

বিপাকক্রিয়া

নাইজেরিয়ান মেডিক্যাল জার্নালের প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে প্রতিদিন একনাগাড়ে ১৫ মিনিট হাঁটলেই হজমের সমস্যা প্রায় ৩০ শতাংশ দূর হয়।

 

ভালো ঘুম

দিনের একটা সময় খানিকটা দ্রুতগতিতে ১৫-২০ মিনিট হেঁটে দেখুন। রাত হলে আর ফোনের পর্দায় আর চোখ দুটো রাখতে ইচ্ছে করবে না। ঘুমে জড়িয়ে আসবেই।

 

মগজের উপকার

মাটিতে পায়ের পাতার চাপে গোটা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে স্পন্দন। যা কিনা ধমনীতেও প্রভাব ফেলে। রক্ত সঞ্চালন বাড়ে মস্তিষ্কে। এতে করে পরে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ভুলে যাওয়া কিংবা কগনিটিভ রোগের হাত থেকে বেঁচে যাবেন।

 

পেইনকিলার

পা ও কোমর ব্যথার মতো কিছু ব্যথা আছে শরীরে সারাক্ষণ লেগেই থাকে। দিনে নিয়ম করে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করলে পরে আর পেইনকিলার খেতে হবে না। বিশেষ করে লোয়ার ব্যাক পেইনের রোগীদের জন্য হাঁটার বিকল্প নেই।

 

চোখের জন্য

রেটিনাল ডিজেনারেশনের ঝুঁকি কমায় হাঁটাহাঁটি। যারা নিয়মিত হাঁটেন, দেখা যায় বুড়ো হয়ে গেলেও তাদের চোখে চশমা পরতে হচ্ছে না।

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৭:০০

‘মাতৃদুগ্ধ দানের সুরক্ষা: আমাদের সমন্বিত দায়িত্ব’ এই প্রতিপাদ্যে ১ থেকে ৭ আগস্ট বিশ্বের প্রায় ১২০টি দেশের সঙ্গে আমাদের দেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ। ১৯৯২ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সপ্তাহটি উদযাপন শুরু হয়।

 

শিশু ভূমিষ্ঠের প্রথম ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ দিলে গর্ভফুল পড়তে সহজ হয়, রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মাতৃদুগ্ধ পানে শিশু যেমন সুস্থ-সবল হয়ে বেড়ে ওঠে, তেমনি তার সর্বোচ্চ শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত হয়। উপকৃত হন প্রসূতি নিজেও। মাতৃদুগ্ধ পান করালে বছরে আট লাখের বেশি শিশুর জীবন রক্ষা পাবে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

মাতৃদুগ্ধ পান করালে মায়েদের স্তন ক্যানসার, ডিম্বাশয়ের ক্যানসার, টাইপ–২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। শিশুর রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। ডায়রিয়া হওয়ার প্রবণতা ও এর তীব্রতার ঝুঁকি কমাতে পারে বুকের দুধ। শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ এবং কানের প্রদাহ কমায় এটি। দাঁত ও মাড়ির গঠনে সহায়তা করাসহ অনেক উপকারিতা আছে মাতৃদুগ্ধের।

 

পর্যাপ্ত পুষ্টি সরবরাহ

জন্মের পর প্রথম ছয়মাস শিশুর রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা, দাঁত ও হাড় গঠন ও মজবুত হয় বুকের দুধের কারণে। হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখাসহ প্রায় সব ভিটামিন ও খনিজের যোগান দেয় বুকের দুধ। ফিডারের দুধ বা ফর্মুলা খাবার কখনই এগুলো পূরণ করতে পারে না।

 

মুখের স্বাস্থ্য

বোতলজাত দুধে অভ্যস্ত শিশুদের দাঁতে ক্যারিজ বা গর্তসহ ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। নার্সিং বোতল ক্যারিজ নামের একটি সমস্যাও দেখা দেয়। যার কারণে বাচ্চাদের সামনের দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে অরুচি, অপুষ্টি, মনোযোগের ঘাটতি, প্রাণচাঞ্চল্য ও স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়াসহ নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। মাতৃদুগ্ধ পানে শিশুর মুখের স্বাস্থ্য তুলনামূলক ভালো থাকে।

 

আঁকাবাঁকা দাঁত প্রতিরোধ

ব্যক্তিত্ব প্রকাশ ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সুন্দর সুজজ্জিত দাঁতও গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে যে শিশুরা তাদের জীবনের প্রথম ছয় মাস বুকের দুধ পান করেছে তাদের এলোমেলো দাঁত হওয়ার আশঙ্কা ৭২ শতাংশ কমে যায়। স্তন্যপায়ী শিশুদের চোয়ালের গঠন ও মাংশপেশীর টান স্বাভাবিক থাকে।

 

ল্যাকটেটিং মায়েরা খেয়াল রাখবেন

বুকের দুধ পান করাচ্ছেন, এমন মায়েদের যেকোনও চিকিৎসার ক্ষেত্রে দুগ্ধপানের বিষয়টি চিকিৎসককে জানাতে হবে। কারণ অনেক ওষুধ বুকের দুধে মিশে শিশুর শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে। তবে কোনও কুসংস্কার বা অবৈজ্ঞানিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে শিশুর বুকের দুধ বন্ধ করা উচিত নয়।

/এফএ/

সম্পর্কিত

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ১৫:১২

ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার ও লোশনের মতো প্রসাধন তৈরিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পুদিনা পাতা। তাই ত্বকের যত্নে এটি মোটেও ফেলনা নয়।

 

ব্রণের দাগ দূর করে

পুদিনা পাতায় থাকা স্যালিসিলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন এ ত্বকের তেলক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ ফেটে যাওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে ও এতে দাগ হয়ে যায়। পুদিনা পাতার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য ত্বকের প্রদাহ রোধ করে এবং ব্রণ দূর করে। পুদিনা পাতার পেস্ট ত্বকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখলে ত্বকের সূক্ষ্ম ছিদ্রগুলোও পরিষ্কার হবে।

 

ক্ষত নিরাময়

পুদিনার শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। যা ত্বকের কাটা, ক্ষত, মশার কামড়, জ্বালা-পোড়া এবং চুলকানি নিরাময়ে সহায়তা করে। সেক্ষেত্রে পুদিনা পাতার রস বের করে আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে।

 

ত্বকের উজ্জ্বলতা

পুদিনা পাতা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট হিসেবে কাজ করে যা ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। এটি কোষের ছিদ্র থেকে ময়লা দূর করে এবং কোমলতা ফিরিয়ে আনে। পাশাপাশি ত্বকের রক্ত ​​সঞ্চালন দ্রুত করে। বলিরেখা এবং সূক্ষ্ম রেখাও দূর করে। এর জন্য মুখে পুদিনা পাতার প্যাক লাগিয়ে ২০-২৫ মিনিট রাখুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

পুদিনার অ্যান্টি-সেপটিক বৈশিষ্ট্য ত্বকে দাগ ও ফুসকুড়ি হতে দেয় না। সরাসরি সূর্যের আলোতে দীর্ঘ সময় ধরে ত্বকের ক্ষতিও কমায় পুদিনার রস। এরজন্য অন্তত প্রতিমাসে একবার ত্বকে পুদিনা পাতার রস মাখুন।

 

ডার্ক সার্কেল কমায়

পুদিনা পাতায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে। এর জন্য সারা রাত ডার্ক সার্কেলের ওপর পুদিনা পাতা বেটে লাগিয়ে রাখুন। এটি চোখের নিচে ত্বকের রঙ হালকা করবে।

 

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

/এফএ/

সম্পর্কিত

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ১২:১২

খাবসা মধ্যপ্রাচ্যের একটি জনপ্রিয় খাবার। এটা এক প্রকার বিরিয়ানি। সৌদি আরব, আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরও অনেক দেশে এটি বেশ জনপ্রিয়। মাটন বা চিকেন দুটো দিয়েই তৈরি করা যায় খাবসা।

 

যা যা লাগবে

  • দেড় কেজি করে বড় দুটি মুরগি বড় পিস করে কাটা অথবা ৩ কেজি মাটন
  • মাখন/ঘি ৩ টেবিল চামচ
  • পেঁয়াজ কুচি বড় এক কাপ
  • দারচিনি দুটি
  • স্টার মসলা দুটি
  • গোলমরিচ ১০-১২টি
  • লবঙ্গ ও এলাচ ১০-১২টি করে
  • তেজপাতা দুটি
  • টমেটো ২টি
  • টমেটো পেস্ট ১ কাপ
  • আদা ও রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ করে
  • ধনিয়া গুঁড়া ও ভাজা জিরা ২ টেবিল চামচ করে
  • আধা চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়া
  • লেবুর খোসার উপরিভাগের সবুজ অংশ (লেমন জেস্ট) আধা চা-চামচ
  • লবণ স্বাদমতো
  • বাসমতি বা চিনিগুড়া চাল ১ কেজি
  • কাজুবাদাম ও কিসমিস ২ টেবিল চামচ
  • গাজর আধা কাপ।

 

প্রস্তুত প্রণালী

  • হাঁড়িতে বাটার/ঘি ২ টেবিল চামচ দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, দারুচিনি, স্টার মসলা, লেমন জেস্ট, গোলমরিচ, লবঙ্গ, এলাচ, তেজপাতা, টমেটো কুচি ও পেস্টে এবং স্বাদমত লবণ দিয়ে হালকা লাল করে ভেজে নিন।
  • এ সময় আধা কাপ পানি দিতে হবে যাতে হাঁড়িতে লেগে না যায়।
  • ৩-৪ মিনিট ভুনা করে এতে চিকেন বা মাটনের টুকরা দিয়ে ২ মিনিট রান্নার পর মাংস উল্টিয়ে দিয়ে তাতে ৩ কাপ পানি মিশিয়ে ১০ মিনিট রান্না করুন। এবার শুধু মাংসগুলো উঠিয়ে রাখুন।
  • চাল ভালো করে ধুয়ে একই হাঁড়িতে দিতে হবে। চালের দ্বিগুণ বা পরিমাণমতো পানি দিয়ে অল্প আঁচে ২০ মিনিট দমে রান্না করে চুলা বন্ধ করে দিন।
  • এবার একটি প্যানে বাকি ১ চা চামচ বাটার বা ঘি দিয়ে তাতে কাজুবাদাম, কিসমিস ও গাজর খানিকটা ভেজে বাটিতে তুলে রাখুন। এবার প্যানে উঠিয়ে রাখা মাংসটা দিয়ে দু’পাশ লাল করে ভেজে নিন।

 

পরিবেশন: পরিবেশনের জন্য বড় ট্রে বা প্লেটে রান্না করা বিরিয়ানি বেড়ে তার উপর চিকেন দিয়ে বাদাম, কিসমিস ও গাজর ছিটিয়ে দিলেই হয়ে যাবে খাবসা। এরপর গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

সর্বশেষ

দশ টাকার ভাড়া নিয়ে রিকশাচালককে রডের আঘাতে হত্যা

দশ টাকার ভাড়া নিয়ে রিকশাচালককে রডের আঘাতে হত্যা

কাবুলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, গোলাগুলি, নিহত ৩

কাবুলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, গোলাগুলি, নিহত ৩

বৃদ্ধ বাবা-মাকে আশ্রয়হীন করায় ৩ ছেলেকে পুলিশে দিলেন ইউএনও

বৃদ্ধ বাবা-মাকে আশ্রয়হীন করায় ৩ ছেলেকে পুলিশে দিলেন ইউএনও

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের বাইরে গোলাগুলি

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের বাইরে গোলাগুলি

৩ থেকে ১৭ বছর বয়সীদেরও টিকা দেবে আমিরাত

৩ থেকে ১৭ বছর বয়সীদেরও টিকা দেবে আমিরাত

স্ত্রীকে অপহরণের অভিযোগে সেনাসদস্য গ্রেফতার

স্ত্রীকে অপহরণের অভিযোগে সেনাসদস্য গ্রেফতার

বঙ্গোপসাগরে বিকল সেন্টমার্টিনগামী যাত্রীবাহী ট্রলার

বঙ্গোপসাগরে বিকল সেন্টমার্টিনগামী যাত্রীবাহী ট্রলার

আগের দিন থেকেই উত্তেজনায় কাঁপছিলেন নাসুম

আগের দিন থেকেই উত্তেজনায় কাঁপছিলেন নাসুম

তবুও পা মাটিতেই রাখছেন মাহমুদউল্লাহরা

তবুও পা মাটিতেই রাখছেন মাহমুদউল্লাহরা

কলকাতা পৌরসভায় নিরঙ্কুশ জয়ের পথে তৃণমূল!

কলকাতা পৌরসভায় নিরঙ্কুশ জয়ের পথে তৃণমূল!

৩ লাখ ২২ হাজার টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

৩ লাখ ২২ হাজার টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

ইরাকের লুট হওয়া ১৭ হাজার শিল্পকর্ম ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরাকের লুট হওয়া ১৭ হাজার শিল্পকর্ম ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

পরীমনিকে যেভাবে প্রীতিলতা বানালেন বিপ্লব সাহা

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

১৫ মিনিট হেঁটেই দেখুন

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহশিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

ত্বকের যত্নে পুদিনার গুণগুলো জানতেন কি?

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

রেসিপি : আরব দেশের খাবসা

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

আজ বন্ধু দিবসঘরে বসেই দেদার আড্ডা

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

© 2021 Bangla Tribune