X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

নির্যাতনে মরিনি, স্বাধীনতার পর মরে গেলাম: কমলা রাণী

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০১৬, ১৮:২৪

বীরাঙ্গনার প্রতীক আমি বীরাঙ্গনার মানে জানি না। তবে, যুদ্ধের পর বুঝেছি, ভালো কোনও নাম দেওয়া হয়নি আমাদের। যুদ্ধের কয়েক মাস পর আমাকে ধরে নিয়ে গেল, নির্যাতন করল পশুর মতো, মরারও কোনও পথ রাখেনি সেই ক্যাম্পে। দেয়ালের সাথে মাথা ঠুকে রক্ত বের করেছি। মরিনি। কিন্তু স্বাধীনের পর মরে গেলাম। পরিবারে ঠাঁই হলো না।’ এভাবেই বঞ্চনা আর ক্ষোভের কথা জানালেন  সাভারের বীরাঙ্গনা কমলা রাণী।  তিনি আরও বলেন,  ‘পেটে যাকে ধরেছিলাম, তাকে শেকড়-বাকড় খেয়ে মারলাম ঠিকই। কিন্তু সমাজে ফেরা হলো না। তাহলে পেটেরটারে মারলাম কেন? সে থাকলে আপন কেউ থাকত আমার।’
কমলা রাণী থাকেন সাভারের এক গ্রামে। নিভৃতে, ছাপড়া ঘরে। ভিখারিনী হিসেবেই সবাই তাকে চেনেন।  আগে ঢাকায় বাসাবাড়িতে কাজ করেছেন। এখন আর কাজ করতে পারেন না। এলাকার মানুষ জানেন, তিনি নদীভাঙনে সব হারিয়েছেন। কমলা রাণী ঢাকায় যে বাসায় কাজ করতেন, সে সব বাসার সবাই এখন প্রবাসী।  তার সাবেক কর্মস্থলের সূত্র ধরেই কমলা রাণীর কাছে পৌঁছানো গেল। তিনি কোনও কথা বলতে চাননি। বলেন, ‘আমার নাম কমলা রাণী, হিন্দু, বাড়ি কোথায় ভুলে গেছি।’
কমলা রাণীর জন্য একটা ঠিকানার ব্যবস্থা করে দিতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাকে কেন? আরও কতজন আছে। কথায়-কথায় তিনি স্মরণ করেন ৪৫ বছরের ফেলে আসা দুঃসহ স্মৃতি। তাকে আশ্বস্থ করা হয়, কেউ জানবেন না তিনি কে। তাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়,  কিভাবে নির্যাতিত  হয়েছিলেন, তা সে বিষয় জানতে চাই না। তখন তিনি যুদ্ধপরবর্তী সমাজের সহিংসতা নিয়ে মুখ খোলেন।

কমলা রাণী বলেন, ‘যুদ্ধে নির্যাতনের পরে নিজের আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে পাওয়া কষ্ট সবচেয়ে বেশি কাঁদিয়েছে জীবনে। যারা আমার সম্ভ্রম কেড়ে নিয়েছে, তারাতো আপনজন ছিল না, কিভাবে কেড়ে নিয়েছে, তা আমার আপনজনেরা তা জানতেন, দেশের মানুষ জানতো। তারপরও আমার জায়গা হলো না কোথাও! স্বাধীন হয়ে এত ননীচু মনের হয়ে গেলাম আমরা! বাবা বলেছিলেন, দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছি, তোমাকে সাথে নেওয়া যাবে না। বেঁচে থাকলে ভালো থেকো। সেই কথাগুলো আমি সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করি। কিন্তু বাবাকে ক্ষমা করে দিয়েছি।’

কেবল কমলা রাণী নন। এ ধরনের হাজারও নারী আছেন, যারা ধর্ষণ ছাড়াও নানা ধরনের শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন ১৯৭১ সালে। কারও শরীরের নানা অঙ্গ কেটে নেওয়া হয়েছিল, কারও চুল উপড়ে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু তার চেয়েও বড় ক্ষত হয়েছিল, যখন এ সমাজ তাদের মেনে নেয়নি। 

ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিংস কমিটির এমএ হাসান দাবি করেন, ‘১৯৭২ সালের মার্চ পর্যন্ত ১ লাখ ৬২ হাজার ধর্ষিত নারী এবং আরও ১ লাখ ৩১ হাজার হিন্দু নারীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।’ তাদের মধ্যে ৫ হাজার জনের গর্ভপাত সরকারিভাবে ঘটানো হয়েছিল বলে জানান আন্তর্জাতিক প্লানড ফাদারহুড প্রতিষ্ঠানের ড. জিওফ্রে ডেভিস। তার ভাষ্য, সরকার উদ্যোগ নেওয়ার আগেই দেড়লাখের বেশি নারীর ভ্রূণ স্থানীয় দাই, ক্লিনিকসহ যার পরিবার যেভাবে পেরেছে, সেভাবে নষ্ট করেছে।

দেশ স্বাধীন হয়েছে ৪৫ বছরে এসে তাদের বীরাঙ্গনা পরিচয়টাই সমাজে তাদের বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে বলে মনে করেন ওই সময়ের নির্যাতনের শিকার অনেক নারী। তারা বলছেন, যাদের ধর্ষণ করা হয়েছে, তারা বীরাঙ্গনা, এটা বলার সঙ্গে-সঙ্গে তো সবাই জানতেন, এ সমাজের চোখে আমার মতো নারীর আর কোনও মূল্য নেই। ফলে তাদের অনেকেই এখানে ওখানে কোনওভাবে টিকে থাকলেও সরকারের উদ্যোগের তালিকাভুক্ত হওয়ার কথা ভাবেন না। জীবনের শেষ সময়ে এসে নতুন করে আর চিহ্নিত হতে চান না। ফলে ধীরগতিতে এগুচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও। প্রাথমিক তথ্যের অভাব ও সামাজিক বাধায় বীরাঙ্গনাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরিতে সময় লাগছে বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, এই বিবেচনা করেই আমরা তালিকা বানানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা দিয়ে রাখিনি। এটা ওপেন করা আছে। যে নারী যখন এই তালিতায় অন্তর্ভুক্ত হতে আসবেন, তার বিষয়টাই বিবেচনায় নেওয়া হবে। এ জন্য কেউ যেন বিব্রত বোধ না করেন, সেই লক্ষ্যে পুরো প্রক্রিয়ায় মহিলা কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

/এমএনএইচ/

ঝরে পড়াদের শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান বাউবি ভিসির

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১১:২৮

ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার। দেশের ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্টদের তিনি এ আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার (২৮ জুলাই) রাতে মতবিনিময় সভায় উপাচার্য আঞ্চলিক পরিচালকদের ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় ফেরানোর বিষয়ে উদ্যোগ নিতে বলেন।

মতবিনিময় সভায় বাউবি উপাচার্য বলেন, “জাতির পিতার  ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে দৃঢ় প্রত্যয় ও অঙ্গীকার নিতে হবে। এই লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তি সৃজনে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সারাদেশে শিক্ষা সুবিধা বিস্তরণ করে চলেছে।”

মতবিনিময়কালে উপাচার্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, পিছিয়ে পড়া নারী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগণকে শিক্ষায় ফেরাতে হবে। পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে বাউবিতে নীড বেজ এডুকেশন, গণশিক্ষা, কর্মমুখী শিক্ষা ও জীবনব্যাপী শিক্ষা চালু করতে হবে।’

মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মহা. শফিকুল আলম বক্তব্য রাখেন।

/এসএমএ/এমএস/

সম্পর্কিত

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পরিকল্পনা

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পরিকল্পনা

এলএলএম-এ ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন না উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

এলএলএম-এ ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন না উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

হেলেনা জাহাঙ্গীরের আইপি টিভির কার্যালয়ে র‌্যাবের অভিযান

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০৮:৪১

আওয়ামী লীগের উপকমিটি থেকে অব্যাহতি পাওয়া মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হেলেনা জাহাঙ্গীরের মালিকানাধীন আইপি টিভি জয়যাত্রা টেলিভিশন ও জয়যাত্রা ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বরে জয়যাত্রার কার্যালয়ে যায় র‌্যাব। এর আগে গুলশানের বাসায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় ব্যবসায়ী হেলেনাকে।

আজ শুক্রবার (৩০ জুলাই) ভোর ৪টা পর্যন্ত চলা সেই অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাদির শাহ। অভিযান শেষে তিনি সংবাদিকদের বলেন, অভিযান পরিচালনার সময় আইপিটিভি জয়যাত্রা টেলিভিশন নামক চ্যানেলটির কোন বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। তদন্ত করে যদি বৈধ কাগজপত্র না পাওয়া যায় তাহলে চ্যানেলটি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, এই ভবনটিতে জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন এবং জয়যাত্রা টেলিভিশন নামে দুটি প্রতিষ্ঠানের অফিস আমরা পেয়েছি। সম্প্রচার চ্যানেল হিসেবে যেসব সেটআপ থাকা দরকার তার সব কিছুই এখানে রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জয়যাত্রা টেলিভিশন এর মাধ্যমে দেশে এবং দেশের বাইরে প্রতিনিধি নিয়োগের নামে অর্থ আদায় করে নিয়েছেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। এসব বিষয় আমরা খতিয়ে দেখছি। তদন্তের পর তার দুই প্রতিষ্ঠান জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন ও আইপি জয়যাত্রা টেলিভিশনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আটকের আগে গুলশান ২ নম্বরে তার নিজস্ব ভবনে বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টা থেকে প্রায় ৪ ঘণ্টা অভিযান চলে। এ সময় তার বাসা থেকে মদ, ওয়াকি টকি, ক্যাসিনো সরঞ্জাম ও হরিণের চামড়া উদ্ধার করে র‌্যাব। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু।

আরও পড়ুন:

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

/আরটি/ ইউএস/

সম্পর্কিত

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

৯৯ জনকে জরিমানা র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের

৯৯ জনকে জরিমানা র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১০:১৮

আওয়ামী লীগের উপ-কমিটি থেকে অব্যাহতি পাওয়া মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আটক করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাত ৮টা থেকে টানা ৪ ঘণ্টা রাজধানীর গুলশান ২-এ আলোচিত-সমালোচিত এই ব্যবসায়ীর বাসায় অভিযান পরিচালনা শেষে তাকে আটক করা হয়।

র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উদ্বারকৃত মদ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু এক ব্রিফিংয়ে বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অনেক কিছু পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, তার বাসায় বিদেশী মদ, হরিণের চামড়া, ক্যাসিনো খেলার সরঞ্জাম, বিদেশি মুদ্রা, ওয়াকিটকি সেট, ড্রোন ক্যামেরা, ক্যাঙ্গারু চামড়া, অনেকগুলো চাকু জব্দ করা হয়েছে বাসা থেকে।

তার বিরুদ্ধে বন্য প্রাণী আইন, মাদকদ্রব্য, বিদেশি মুদ্রা রাখার অপরাধসহ একাধিক মামলা হবে বলেও জানিয়েছে র‍্যাব।

কিছুপর মিরপুরে হেলেনার মালিকানাধীন মিরপুরস্থ জয়যাত্রা টেলিভিশন কার্যালয়ে অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের একজন কর্মকর্তা। তিনি জানান, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই তিনি ওই টেলিভিশন পরিচালনা করে আসছিলেন।

উদ্ধারকৃত চাকু উল্লেখ্য, সম্প্রতি আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ নামে একটি সংগঠন খুলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন হেলেনা জাহাঙ্গীর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তিনি দাবি করেন, সংগঠনটির নাম এখনও সেভাবে পরিচিত না হলেও ইতোমধ্যে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ লাখ লাখ মানুষ এর সদস্য হয়েছেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়োগের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার পর রবিবার মেহের আফরোজ চুমকি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়। এর আগে গত মাসে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন উত্তর জেলা সভাপতি রুহুল আমিন। ক্যাসিনো সরঞ্জাম

আরও পড়ুন-

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

/এনএল/এফএএন/

সম্পর্কিত

হেলেনা জাহাঙ্গীরের আইপি টিভির কার্যালয়ে র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীরের আইপি টিভির কার্যালয়ে র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

৯৯ জনকে জরিমানা র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের

৯৯ জনকে জরিমানা র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের

ডাকটিকিট প্রকাশের সুবর্ণজয়ন্তীর স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২৩:৪৬

বাংলাদেশের ডাকটিকিট প্রকাশের সুবর্ণজয়ন্তী ২০২১ সালের ২৯ জুলাই। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের এই দিনে প্রথম ৮টি ডাকটিকিট মুজিবনগর সরকার প্রকাশ করে।  মুজিবনগর সরকার প্রকাশিত এই ডাকটিকিট মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল অংশ। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ডাক অধিদফতর স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে। এ উপলক্ষে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা সভারও আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশের প্রথম ডাক টিকেট প্রকাশের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনী ও দেশের জনগণের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ডাকবিভাগের কর্মীদের লড়াই এর কথা স্মরণ করেন ও দেশের সকল শহীদদের পাশাপাশি ডাক বিভাগের শহীদ কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ডাকটিকিট একটি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বিশিষ্ট ব্যক্তি সম্পর্কে কথা বলে। যাদের নিয়ে ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়, তারা ইতিহাসের খ্যাতনামা মানুষ। মুক্তিযুদ্ধসহ শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে অবদান রাখা মানুষগুলোকে নিয়ে স্মারক ডাক টিকিট প্রকাশের উদ্যোগ একটি বড় মহৎ কাজ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানান, ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই ভারতীয় নাগরিক বিমান মল্লিক (বিমান চাঁদ মল্লিক)- এর ডিজাইন করা আটটি ডাকটিকিট মুজিবনগর সরকার, কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়। তিনি বলেন, মুজিবনগর সরকার কূটনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে স্বাধীনতার স্বপক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার জন্য এ উদ্যোগ গ্রহণ করে।

ডাক অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. আফজাল হোসেন ও বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার বক্তৃতা করেন। 

দিনটি উপলক্ষে ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট, ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম  ও পাঁচ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা কার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর প্রকাশ করা হয়।  স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) থেকে ঢাকা জিপিও’র ফিলাটেলিক ব্যুরো ও পরে দেশের অন্যান্য জিপিও এবং প্রধান ডাকঘর থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

পরে মন্ত্রী বাংলাদেশের ডাকটিকিট প্রকাশের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ ফিলাটেলিক অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ডাকটিকিট প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন এবং এই উপলক্ষে একটি স্মারক উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেন।  অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফিলাটেলিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্ব করেন।

/এইচএএইচ/এমআর/

সম্পর্কিত

ঝরে পড়াদের শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান বাউবি ভিসির

ঝরে পড়াদের শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান বাউবি ভিসির

হেলেনা জাহাঙ্গীরের আইপি টিভির কার্যালয়ে র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীরের আইপি টিভির কার্যালয়ে র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

গবেষণা-প্রবন্ধ প্রকাশে শিক্ষক-গবেষকদের অনুদান দেবে ঢাবি

গবেষণা-প্রবন্ধ প্রকাশে শিক্ষক-গবেষকদের অনুদান দেবে ঢাবি

গবেষণা-প্রবন্ধ প্রকাশে শিক্ষক-গবেষকদের অনুদান দেবে ঢাবি

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২৩:৩১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণার মান ও পরিধি বাড়াতে ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর সংবলিত আন্তর্জাতিক জার্নালে শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণা-প্রবন্ধ প্রকাশনার জন্য অনুদান দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিন্ডিকেট সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

 

 

/এসএমএ/আইএ/

সম্পর্কিত

ফের বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

ফের বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

এসএসসি-এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে জরুরি নির্দেশ

এসএসসি-এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে জরুরি নির্দেশ

ভিকারুননিসা অধ্যক্ষের আরেকটি ফোনালাপ ফাঁস

ভিকারুননিসা অধ্যক্ষের আরেকটি ফোনালাপ ফাঁস

সর্বশেষ

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম সোনা

টোকিও অলিম্পিকসাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম সোনা

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

করোনায় অসহায় মানুষের পাশে মৌসুমী ও সুমি  (ভিডিও)

করোনায় অসহায় মানুষের পাশে মৌসুমী ও সুমি  (ভিডিও)

খুলনার হাসপাতালে মৃত্যু কমেছে

খুলনার হাসপাতালে মৃত্যু কমেছে

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

মাল্টার জেলে বন্দি ১৬৫ বাংলাদেশির ভাগ্যে কী আছে?

মাল্টার জেলে বন্দি ১৬৫ বাংলাদেশির ভাগ্যে কী আছে?

ঝরে পড়াদের শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান বাউবি ভিসির

ঝরে পড়াদের শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান বাউবি ভিসির

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

ঢাকা-আঙ্কারা পর্যটন বাড়ানো আহ্বান

ঢাকা-আঙ্কারা পর্যটন বাড়ানো আহ্বান

টিভিতে আজ

টিভিতে আজ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

© 2021 Bangla Tribune