X
শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১, ৮ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

তুরস্কে বোমা হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৬ সদস্য নিহত

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৬, ১২:৫৩
image

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বোমা হামলায় পাঁচ সেনাসদস্য ও এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, শনিবার দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় মারদিন প্রদেশের নুসেবিন শহরে ওই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। তুরস্কের স্থানীয় সংবাদ সংস্থা দোগান জানিয়েছে, তুরস্ক কর্তৃপক্ষ ওই হামলার জন্য কুর্দি বিদ্রোহী গ্রুপ কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টিকে (পিকেকে) দায়ী করেছে। ওই সংগঠনটি তুরস্কে নিষিদ্ধ।

বোমা হামলার পর পুলিশের সতর্ক অবস্থান

হামলার শিকার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নুসেবিন শহরে পিকেকে-বিরোধী অভিযানে অংশ নিচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শহরটিতে কারফিউ চলছে।

কয়েকদিন আগেই দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দিয়ারবাকির শহরে পুলিশের বাসে গাড়িবোমা হামলা হয়। এতে পুলিশের সাত কর্মকর্তা নিহত হন। আহত হন ২৭ জন। হামলার দায় স্বীকার করেছে পিকেকের সামরিক শাখা।

এর আগে চলতি বছরের ১৩ মার্চ তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় চালানো বোমা হামলায় ৩৭ জনের প্রাণহানি ঘটে। তখন অনলাইনে দেয়া এক বিবৃতিতে পিকেকে জানায়, কুর্দি অঞ্চলে সামরিক বাহিনীর অভিযানের প্রতিশোধ নিতেই ওই হামলা চালানো হয়। সূত্র: বিবিসি।

/এসএ/বিএ/

সম্পর্কিত

১ মাস ‘ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন’ থাকার পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

১ মাস ‘ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন’ থাকার পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

ফোন নম্বর পাল্টালেন ম্যাক্রোঁ

ফোন নম্বর পাল্টালেন ম্যাক্রোঁ

ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার অট্টালিকায় সোনার টয়লেট

ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার অট্টালিকায় সোনার টয়লেট

পেগাসাস কেলেঙ্কারি: ফাঁস হওয়া তথ্যে ম্যাক্রোঁ, ইমরান খান

পেগাসাস কেলেঙ্কারি: ফাঁস হওয়া তথ্যে ম্যাক্রোঁ, ইমরান খান

বৌদ্ধ অধ্যুষিত তিব্বতে চীনের প্রেসিডেন্ট!

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২২:২৪

চীনের স্বায়ত্বশাসিত ও বিতর্কিত অঞ্চল তিব্বতে সফর করেছেন শি জিনপিং। গত ৩০ বছর পর দেশটির কোন রাষ্ট্র প্রধানের তিব্বত সফর। গত বুধ থেকে শুক্রবার তিনি বৌদ্ধ অধ্যুষিত অঞ্চলটিতে অবস্থান করেন। তবে শি’র সফর শেষে এই খবর প্রকাশ করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

তিব্বতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিং পিংয়ের সফরের বিষয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি'র প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, শি জিনপিং তিব্বতের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে আছেন। তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা জানানো হয়। পরে লাসায় পোটালা প্রাসাদ স্কয়ার ও এর সংলগ্ন বৌধ সন্ন্যাসীদের আশ্রম পরিদর্শন করেন। তিব্বতের নির্বাসিত নেতা দালাই লামা এই আশ্রমের এক সময়কার প্রধান ছিলেন। তবে হঠাৎ তিব্বতে সফর করলেন কেনো, এ বিষয়ে বেইজিং-এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

চীনের দুর্গম এবং মূলত বৌদ্ধ অধ্যুষিত তিব্বত একটি স্বশাসিত অঞ্চল। দীর্ঘ দিন থেকেই সেখানকার বাসিন্দারা সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ হওয়ার অভিযোগ করে আসছে। বেইজিং বলছে,হিমালয়ের পার্বত্য এলাকাটির উন্নতি ও সমৃদ্ধির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। অন্য অনেকের মধ্যে তিব্বতের নির্বাসিত প্রেসিডেন্ট লবসাং সাঙ্গাই অভিযোগ করে আসছেন, সেখানকার বাসিন্দাদের শিক্ষার নামে শ্রম শিবির এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে।

তিব্বতিরা চীনের শাসন মানতে রাজি নয়। এ কারণে ১৯৫৯ সালে তিব্বতিরা দালাই লামার নেতৃত্বে চীনের বিরুদ্ধে স্বাধিকার আন্দোলন গড়ে তোলেন,কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি।

/এলকে/

সম্পর্কিত

কোলের সন্তানকে বাঁচিয়ে চলে গেলেন মা

কোলের সন্তানকে বাঁচিয়ে চলে গেলেন মা

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

করোনার উৎস অনুসন্ধানে আর সুযোগ দেবে না চীন

করোনার উৎস অনুসন্ধানে আর সুযোগ দেবে না চীন

উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী!

উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী!

সংক্রমণ ঠেকাতে ফাইজারের কার্যকারিতা কমছে: ইসরায়েলের গবেষণা

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২২:৩৪

ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ফাইজার-বায়োএনটেকের উদ্ভাবিত টিকার কার্যকারিতে কমে ৩৯ শতাংশ হয়ে গেছে। কিন্তু রোগ গুরুতর হওয়া ঠেকাতে এখনও উচ্চ মাত্রায় কার্যকর টিকাটি। বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানানো হয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট নিউজ এখবর জানিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুসারে, গুরুতর রোগ ঠেকানোর ক্ষেত্রেও ফাইজারের টিকার কার্যকারিতা কিছুটা কমেছে। তবে এখনও তা ৯১ শতাংশ রয়েছে। আর আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি ঠেকানোর ক্ষেত্রে টিকাটির কার্যকারিতা ৮৮ শতাংশ।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে ফাইজারের টিকার কার্যকারিতা কমে যাওয়ার বিভিন্ন প্রতিবেদনের মধ্যে ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য তুলৈ ধরলো।

খবরে বলা হয়েছে, দুই ডোজ টিকা নেওয়া মানুষদের মধ্যে ৫ হাজার ৭৭০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মোট পরীক্ষা করা হয় ১১ লাখ ৫২ হাজার ৯১৪ জনকে। এদের ৪৯৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, ৩৩৪ জনকে গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয় এবং ১২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দুই দিন আগে ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সাম্প্রতিক পর্যালোচনায় টিকার কার্যকারিতায় উল্লেখযোগ্য হ্রাসের কথা জানিয়েছিল। পর্যালোচনার তথ্যে উঠে আসে যে, সময় গড়ানোর সঙ্গে সংক্রমণ ও গুরুতর রোগ ঠেকাতে কার্যকারিতা মাত্রা কমে যাচ্ছে।

সংক্রমণ ঠেকাতে কার্যকারিতা কমে আসলেও বৃহস্পতিবার টিকা না নেওয়া ইসরায়েলিদের সমালোচনা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত। তিনি বলেন, আমাদের চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট। সব ইসরায়েলিকে টিকা দেওয়া সম্ভব ও টিকা নিতে হবে।

/এএ/

সম্পর্কিত

প্রথমবারের মতো হজের নিরাপত্তায় নারীরা

প্রথমবারের মতো হজের নিরাপত্তায় নারীরা

কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে দুবাই

কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে দুবাই

বাগদাদে ব্যস্ত মার্কেটে বোমা হামলায় নিহত ২৫

বাগদাদে ব্যস্ত মার্কেটে বোমা হামলায় নিহত ২৫

স্পাইওয়্যার রফতানি শুধু বৈধ ব্যবহারের জন্য: ইসরায়েল

স্পাইওয়্যার রফতানি শুধু বৈধ ব্যবহারের জন্য: ইসরায়েল

হেরাতে তালেবান ঠেকানোর লড়াইয়ের নেতৃত্বে সাবেক মুজাহিদিন কমান্ডার

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২২:০১

আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় বৃহত্তম শহর হেরাতে তালেবানের উত্থানে অর্থনৈতিক দুর্ভোগ দেখা দিচ্ছে এবং মানুষ বাধ্য হয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিচ্ছে।

ঈদুল আজহার আগে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি দেশটির জনগণকে আশ্বস্ত করতে অনেক সময় ব্যয় করেছেন। দেশজুড়ে বিভিন্ন জেলায় তালেবানের দখল ঠেকাতে সরকারি বাহিনী যখন লড়াই করছে, তখন তিনি এমন উদ্যোগ নিলেন।

সোমবার পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত শহরের সড়কে হাঁটতে দেখা গেছে তাকে। তিনি পথচারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, শিশুদের কোলে তুলে নেন। এমনকি স্থানীয় একটি মিষ্টির দোকানকে অবাক করে দেন। তার এই সংক্ষিপ্ত সফর হেরাতের জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হলো।

এই মাসের শুরুতে তালেবানরা প্রাদেশিক রাজধানী হেরাত থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরে জিন্দাজান  শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর তারা ইরানের সঙ্গে সীমান্ত ক্রসিং ইসলাম কালা দখল করে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যেসব সীমান্ত ক্রসিং তালেবান দখল করেছে, এটি সেগুলোর একটি। এই দুটি দখলের খবর ৪ লাখ বাসিন্দার প্রাচীন শহরটিকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে।

স্থানীয়রা আশঙ্কা করেন, পরের দিন সূর্যোদয়ের পর তালেবানরা হেরাতের দিকে এগিয়ে আসা শুরু করবে। এই আতঙ্ক এমন পর্যায়ে ছিল যে অনেকেই ঈদুল আজহার ছুটির দিনে মার্কেট ও বাজারে যাওয়া বন্ধ করে দেন।

ঘানির এই সফরের পর ঈদের দিন ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রীও শহরটি সফর করেন। এতে হেরাতের বাসিন্দাদের একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে: সহযোগিতা আসছে।

যদিও হেরাতের অনেক বাসিন্দার জন্য এই আতঙ্ক এখনও একেবারে বাস্তব।

১২টির বেশি জেলায় তালেবানের বড় ধরনের উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান হেরাতের স্থানীয়রা

কাবুল ও হেরাতে বসবাস করা ফরোগ মোহাম্মদি তালেবানের জিন্দাজান শহরের দখল নেওয়ার স্মৃতিচারণ করেন। ৮ জুলাইয়ের সন্ধ্যাটি তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক বলে উল্লেখ করেন। ওই দিন সন্ধ্যায় তিনি সিদ্ধান্ত নেন তালেবানের উত্থান ঠেকাতে যে বিদ্রোহী আন্দোলন শুরু হয়েছে তাতে যোগ দেবেন। আফগানিস্তানজুড়ে কয়েক হাজার মানুষ এই সশস্ত্র আন্দোলনে শামিল হচ্ছেন।  

পরদিন সকালে একটি অফিসে ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা ফরোগ কাঁধে একে-৪৭ নিয়ে হাঁটতে শুরু করেন। শহর ঘিরে রাখা বিভিন্ন জেলায় তালেবানের এগিয়ে আসা ঠেকানোর লড়াইয়ে যোগ দেওয়া লক্ষ্য তার।

তিনি বলেন, আপনি ওই রাতে যদি সেখানে থাকতেন তাহলে বুঝতে পারতেন যে তালেবানের প্রতিটি লক্ষ্যই হলো বড় শহর দখল করা।

বেশ কয়েকজন স্থানীয় জানিয়েছেন, হেরাতের এক ডজনের বেশি জেলায় তালেবানের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। শহরটিকে তুলে ধরতে তারা অবরুদ্ধে ও ফাঁদে আটকা শব্দ ব্যবহার করছেন। তাদের আশঙ্কা, এখনও সশস্ত্র গোষ্ঠীটি শহরের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে।

হেরাতের এক বাসিন্দা নিজের পরিবারকে কাবুল পালিয়েছেন। তালেবানের কাছ থেকে হুমকি পাওয়ার পর তিনি শহরটি ছেড়ে যান। তার কথা, শহরের বিমানবন্দরে যাওয়ার রাস্তা ও এক বা দুটি শহর কেবল নিরাপদ।

স্থানীয়রা বলছেন, তালেবানকে হেরাত শহরের দখল নিতে তারা দেবেন না

গত মাসে সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও প্রখ্যাত নারীরা তালেবানের কাছ থেকে হুমকি পেয়েছেন। অনেকেই দেশটি ছাড়ার সুযোগ না পেলেও অন্তত শহরটি ছাড়তে চাইছেন।

ফরোগ মোহাম্মদি জানান, তালেবানের এই অবস্থান মানে বড় অঙ্কে অর্থ সংগ্রহ করা। আর সম্ভব হলে শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। তার কথা, শহরের সব জায়গায় অর্থ ছড়িয়ে রয়েছে। তারা যদি শহরটির দখল নিতে পারে তাহলে তা অর্থের খনিতে পরিণত হতে পারে।

মেহরাবুদ্দিন নামের ব্যক্তি কাঁধে রকেট লঞ্চার নিয়ে ইনজিল জেলার কাছে রাস্তায় অবস্থান করছেন। তিনি জানান, সম্প্রতি তালেবান শহরটির ১০ কিলোমিটারের কাছাকাছি চলে আসে। এরপর থেকে বেশ কয়েকবার তাকে রকেট ছুড়তে হয়েছে।

হেরাতের বিভিন্ন জেলার পাহাড়ি এলাকায় তালেবান অবস্থান নেয়। সেখান থেকে তারা জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদ্রোহী বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

রকেট লঞ্চার সঙ্গে রাখার বিষয়ে মেহরাবুদ্দিন জানান, দিনের বেলা এলাকাটি শান্ত থাকে। কিন্তু রাতে লড়াই শুরু হয়। তিনি বলেন, তালেবান যোদ্ধাদের বাড়ি এই এলাকায়। আমি বাজি ধরে বলতে পারি, তাদের বাড়িগুলো অস্ত্রে ভর্তি। হয়তো এই মুহূর্তে বাড়ি থেকে নজর রাখছে।

বিদ্রোহী বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, তারা তালেবানের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় পাকিস্তানি ও ইরানি যোদ্ধাদের মোকাবিলা করেছেন। তবে বাস্তবতা হলো, স্থানীয় তালেবান সদস্যদের বিরুদ্ধেই মূলত তাদের লড়াই করতে হচ্ছে। এর ফলে লড়াইটি হয়ে দাঁড়িয়েছে আফগানের বিরুদ্ধে আফগান।

এরপরও হেরাতের মানুষেরা বলছেন, তালেবানরা শহরের দখল নিতে চাইলে তারা তা হতে দিবেন না।

১৯৮০-এর দশকে সাবেক কমান্ডার ইসমাইল খান সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তিনি জানান, এই মাসের শুরুতে প্রদেশের ১৫টির মধ্যে ৮টি জেলার দখল নিয়েছে তালেবানরা। এরপর তিনি হেরাতে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।  

ইসমাইল খান জানান, তালেবানের কাছ থেকে শহর রক্ষায় আফগান বাহিনীর পাশে দাঁড়াবে হেরাতের জনগণ। যদিও সব আফগান শান্তি চায়। কিন্তু দোহায় চলমান শান্তি আলোচনা সময়ের অপচয়। কারণ, তালেবানরা নিজেদের সামরিক লক্ষ্য অর্জন করছে।   

গত মাসে সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও প্রখ্যাত নারীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে তালেবানের পক্ষ থেকে

সাবেক এই কমান্ডার নিজের দেশ রক্ষায় জনগণকে রুখে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দুই সপ্তাহ আগে তিনি এই প্রতিরোধ আন্দোলন শুরু করেন। তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তিনি কয়েকশ’ পুরুষ, তরুণ ও বয়স্কদের আহ্বান জানিয়েছেন। হেরাতে তার বাড়িতে কয়েক ডজন মানুষ বাগানে অপেক্ষা করছেন, তাদের হাতে বন্দুক এবং লড়াইয়ে যোগ দিতে চান।

মোহাম্মদ ইয়াসিনি একজন প্রবীণ ব্যবসায়ী। ১২ বছর বয়সে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ওই সময় কয়েক হাজার আফগানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেন তিনি। তখন তার সঙ্গে ছিলেন ২৭ বছরের ইসমাইল খান।

এখন ৬০ বছরের ইয়াসিনি আবারও খানের বাহিনীতে যোগ দিয়েছেন। তার মতে, এতে হেরাতের বীরত্বের কথা তালেবানকে মনে করিয়ে দেবে।

ইয়াসিনি বলেন, ‘তারা কখনও হেরাত দখল করতে পারবে না। কারণ, এটি মুজাহিদিনের শহর’। সূত্র: আল জাজিরা

/এএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বরকে নিয়ে বিয়ের ঘোড়ার চম্পট (ভিডিও)

বরকে নিয়ে বিয়ের ঘোড়ার চম্পট (ভিডিও)

আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ নিয়ে যা বললো তালেবান

আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ নিয়ে যা বললো তালেবান

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

দ্বিতীয় ঢেউয়েও বাংলাদেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো অব্যাহত: এডিবি

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২১:২০

বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারিতেও থেমে নেই বাংলাদেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধির চাকা। কোভিড-১৯-এর দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেও দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হচ্ছে, এমন আশা-জাগানিয়া খবর দিলো এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক- এডিবি। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রফতানি ও রেমিট্যান্সের উপর ভর করে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অব্যাহত বাংলাদেশে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ জুলাই) ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলা থেকে প্রকাশিত এশিয়ান ডেভলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) সাপ্লিমেন্ট প্রতিবেদনে এশিয়ার অর্থনীতির ২০২১-২০২২ সালের পূর্বাভাস রয়েছে। গত এপ্রিলেও এডিও প্রকাশ করে এডিবি। তবে জুলাইতে এর সম্পুরক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো। ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি, রেমিট্যান্স এবং রাজস্ব আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যান উল্লেখ করেছে তারা।

জুলাইয়ের আউটলুকে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরের ২০২১ সালের জুনে শেষ হয়েছে। প্রথম ১১ মাসে বাংলাদেশের রফতানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশে। প্রবাসীদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রার আয়ে ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নতি হয়েছে। ২০২১ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে দেশের রাজস্ব আদায় বেড়েছে ১২ দশমিক ৯ শতাংশ। আর এভাবেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অব্যাহত রয়েছে।

তবে বাংলাদেশ, ভারতসহ কয়েকটি দেশে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এডিবি ২০২১ সালে এশিয়ার অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আগের চেয়ে কিছুটা কমিয়েছে। এপ্রিলে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ছিল, যা এখন ৭ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। 

যদিও ২০২২ সালের জন্য আগের পূর্বাভাস ৫ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ ধরা হয়েছে। ২০২১ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৯ দশমিক ৫ থেকে ৮ দশমিক ৯ শতাংশে নামিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ব্লুমবার্গ-এ বাংলাদেশের প্রশংসায় ভারতীয় অর্থনীতিবিদ

ব্লুমবার্গ-এ বাংলাদেশের প্রশংসায় ভারতীয় অর্থনীতিবিদ

কোলের সন্তানকে বাঁচিয়ে চলে গেলেন মা

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৯:৫৯

সন্তানের জন্য মায়ের ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের নজির বারবার সামনে এসেছে। চীনের হেনান প্রদেশে ভয়াবহ বন্যার কবল থেকে সন্তানকে বাঁচাতে পারলেও নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি মা। এমন হৃদয় বিদারক ঘটনা ছড়িয়ে পড়েছে সবর্ত্র।

গত কয়েদিন ধরে চীনের বেশ কয়েকটি অঞ্চল বন্যার পানিতে ভাসছে। প্রবল বর্ষণে হেনান প্রদেশেরও একই অবস্থা। বানের পানিতে তলিয়ে গেছে বহু ঘর-বাড়ি। আশ্রয়হীন বহু বাসিন্দা।

গত বুধবার হেনানের ওয়াংজংডিয়ান গ্রামে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ির ভেতর থেকে এক শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপ আর কাঁদামাটির নিচে আটকা থেকেও অলৌকিকভাবে উদ্ধার হয় তিন থেকে চার মাস বয়সী শিশুটিকে। আর বৃহস্পতিবার মৃত অবস্থায় তার মাকে খুঁজে পাওয়া যায়।

খবরে বলা হয়েছে, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে শিশু সন্তানসহ মা। কিন্তু সন্তানকে সুক্ষিত জায়গায় রেখে দেন তিনি। আর মায়ের দুই হাত উঁচু করা ছিল, ঠিক যেদিকে তার সন্তান সুরক্ষিত অবস্থায় বেঁচে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ঝৌহু স্থানীয় এক সংবদামাধ্যমকে বলেন, আমি শিশুটির কান্নার আওয়াজ শুনি। পরে উদ্ধারকর্মীরা ওই বাড়িতে এসে পৌঁছায় এবং শিশুটিকে বাঁচাতে সক্ষম হয়। তার মা তাকে সুরক্ষিত জায়গায় রেখে দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আর বেঁচে নেই। শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চীনে বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক লাখ বাসিন্দাকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতি সামনে আরও অবনিত আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

/এলকে/

সম্পর্কিত

বৌদ্ধ অধ্যুষিত তিব্বতে চীনের প্রেসিডেন্ট!

বৌদ্ধ অধ্যুষিত তিব্বতে চীনের প্রেসিডেন্ট!

অতি বর্ষণে ভূমিধস, মহারাষ্ট্রে ৩৬ জনের মৃত্যু

অতি বর্ষণে ভূমিধস, মহারাষ্ট্রে ৩৬ জনের মৃত্যু

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

সম্পর্কিত

১ মাস ‘ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন’ থাকার পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

১ মাস ‘ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন’ থাকার পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

ফোন নম্বর পাল্টালেন ম্যাক্রোঁ

ফোন নম্বর পাল্টালেন ম্যাক্রোঁ

ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার অট্টালিকায় সোনার টয়লেট

ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার অট্টালিকায় সোনার টয়লেট

পেগাসাস কেলেঙ্কারি: ফাঁস হওয়া তথ্যে ম্যাক্রোঁ, ইমরান খান

পেগাসাস কেলেঙ্কারি: ফাঁস হওয়া তথ্যে ম্যাক্রোঁ, ইমরান খান

মহানবী (সা.)-এর কার্টুন আঁকা ডেনিশ শিল্পীর মৃত্যু

মহানবী (সা.)-এর কার্টুন আঁকা ডেনিশ শিল্পীর মৃত্যু

তালেবানের উচিত আফগানিস্তানে দখলদারিত্ব বন্ধ করা: এরদোয়ান

তালেবানের উচিত আফগানিস্তানে দখলদারিত্ব বন্ধ করা: এরদোয়ান

কোভিশিল্ড গ্রাহকদের জন্য দরজা খুললো ইউরোপের ১৬ দেশ

কোভিশিল্ড গ্রাহকদের জন্য দরজা খুললো ইউরোপের ১৬ দেশ

ভিয়েনায় মার্কিন কূটনীতিকদের রহস্যময় অসুস্থতা

ভিয়েনায় মার্কিন কূটনীতিকদের রহস্যময় অসুস্থতা

পশ্চিম ইউরোপে নজিরবিহীন বন্যা, মৃত্যু বেড়ে ১৭০

পশ্চিম ইউরোপে নজিরবিহীন বন্যা, মৃত্যু বেড়ে ১৭০

সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য বাংলাদেশি পরিবারকে দায়, সেই প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগ

সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য বাংলাদেশি পরিবারকে দায়, সেই প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগ

ব্রিটেনের লকডাউন প্রত্যাহার নিয়ে ১২০০ বিজ্ঞানীর উদ্বেগ

ব্রিটেনের লকডাউন প্রত্যাহার নিয়ে ১২০০ বিজ্ঞানীর উদ্বেগ

পশ্চিম ইউরোপে বন্যায় মৃত ১২০, নিখোঁজ সহস্রাধিক

পশ্চিম ইউরোপে বন্যায় মৃত ১২০, নিখোঁজ সহস্রাধিক

সর্বশেষ

৫ বছর পর হার, কারণটা জানালেন মাহমুদউল্লাহ 

৫ বছর পর হার, কারণটা জানালেন মাহমুদউল্লাহ 

মাছের ড্রামের ভেতরে লুকিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন তারা

মাছের ড্রামের ভেতরে লুকিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন তারা

বৌদ্ধ অধ্যুষিত তিব্বতে চীনের প্রেসিডেন্ট!

বৌদ্ধ অধ্যুষিত তিব্বতে চীনের প্রেসিডেন্ট!

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টিন বাতিল, আর কত হারাবেন তারা?

চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টিন বাতিল, আর কত হারাবেন তারা?

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

সংক্রমণ ঠেকাতে ফাইজারের কার্যকারিতা কমছে: ইসরায়েলের গবেষণা

সংক্রমণ ঠেকাতে ফাইজারের কার্যকারিতা কমছে: ইসরায়েলের গবেষণা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিসোর্টে ঘুরতে গিয়ে জরিমানা গুনলেন ২৫ জন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিসোর্টে ঘুরতে গিয়ে জরিমানা গুনলেন ২৫ জন

হেরাতে তালেবান ঠেকানোর লড়াইয়ের নেতৃত্বে সাবেক মুজাহিদিন কমান্ডার

হেরাতে তালেবান ঠেকানোর লড়াইয়ের নেতৃত্বে সাবেক মুজাহিদিন কমান্ডার

করোনার মাঝেও অলিম্পিকের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

করোনার মাঝেও অলিম্পিকের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

অলিম্পিক গেমস উপলক্ষে গুগলের ডুডল

অলিম্পিক গেমস উপলক্ষে গুগলের ডুডল

দ্বিতীয় ঢেউয়েও বাংলাদেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো অব্যাহত: এডিবি

দ্বিতীয় ঢেউয়েও বাংলাদেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো অব্যাহত: এডিবি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

১ মাস ‘ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন’ থাকার পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

১ মাস ‘ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন’ থাকার পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

ফোন নম্বর পাল্টালেন ম্যাক্রোঁ

ফোন নম্বর পাল্টালেন ম্যাক্রোঁ

ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার অট্টালিকায় সোনার টয়লেট

ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার অট্টালিকায় সোনার টয়লেট

পেগাসাস কেলেঙ্কারি: ফাঁস হওয়া তথ্যে ম্যাক্রোঁ, ইমরান খান

পেগাসাস কেলেঙ্কারি: ফাঁস হওয়া তথ্যে ম্যাক্রোঁ, ইমরান খান

মহানবী (সা.)-এর কার্টুন আঁকা ডেনিশ শিল্পীর মৃত্যু

মহানবী (সা.)-এর কার্টুন আঁকা ডেনিশ শিল্পীর মৃত্যু

তালেবানের উচিত আফগানিস্তানে দখলদারিত্ব বন্ধ করা: এরদোয়ান

তালেবানের উচিত আফগানিস্তানে দখলদারিত্ব বন্ধ করা: এরদোয়ান

কোভিশিল্ড গ্রাহকদের জন্য দরজা খুললো ইউরোপের ১৬ দেশ

কোভিশিল্ড গ্রাহকদের জন্য দরজা খুললো ইউরোপের ১৬ দেশ

ভিয়েনায় মার্কিন কূটনীতিকদের রহস্যময় অসুস্থতা

ভিয়েনায় মার্কিন কূটনীতিকদের রহস্যময় অসুস্থতা

পশ্চিম ইউরোপে নজিরবিহীন বন্যা, মৃত্যু বেড়ে ১৭০

পশ্চিম ইউরোপে নজিরবিহীন বন্যা, মৃত্যু বেড়ে ১৭০

সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য বাংলাদেশি পরিবারকে দায়, সেই প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগ

সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য বাংলাদেশি পরিবারকে দায়, সেই প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগ

© 2021 Bangla Tribune