X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

২৫ বছরের মধ্যে এবার বিশ্বে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার সর্বোচ্চ

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০১৬, ১৫:০০
image

১৯৮৯ সালের পর যেকোনও বছরের চেয়ে ২০১৫ সালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ২৫ বছরের রেকর্ড ভাঙার এই তথ্য। তবে চীনে কার্যকর হওয়া মৃত্যুদেণ্ডর সংখ্যা জানতে পারেনি অ্যামনেস্টি, পাশাপাশি কোনও কোনও দেশের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য গোপন করারও অভিযোগ তুলেছে সংস্থাটি। সে সব ঘটনা বাদ দিয়েই ১,৬৩৪ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য দিয়েছে তারা। এসবের ৯০ শতাংশই কার্যকর হয়েছে ইরান, পাকিস্তান ও সৌদি আরবে।  ২০১৫ সালে মৃত্যুদণ্ড প্রদানকারী দেশগুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে  মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান শুরুর দিকে হলেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম স্থানে।
বুধবার অ্যামনেস্টির প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাপী অন্তত ১ হাজার ৬৩৪ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা ১৯৯০ সালের পর সর্বোচ্চ। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সত্যিকারের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। কেননা, এ তালিকায় চীনের সংখ্যাটি যোগ করা হয়নি। দেশটির সরকার এ তথ্য গোপন রাখায় এটি সম্ভব হয়নি। অ্যামনেস্টির ধারণা, ২০১৫ সালে দেশটিতে সহস্রাধিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে এবং চীন বিশ্বের সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা দেশ। অ্যামনেস্টি জানায়, চীনের মতো ভিয়েতনাম সরকারও মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা গোপন করে থাকে। এছাড়া মালয়েশিয়া, লাওস ও সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা জানার ব্যাপারে অ্যামনেস্টি চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। 

২০১৫ সালে বিশ্বজুড়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিমাণ বাড়লেও মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদানের সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে কমেছে। এছাড়া ২০১৫ সালে এসে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বহাল রাখা দেশের সংখ্যা অতীতের যে কোনও সময়ের চেয়ে কমেছে। এ বছর বেশ কয়েকটি দেশ মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল করেছে।

২০১৪ সালের চেয়ে ২০১৫ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার ৫০ শতাংশেরও বেশি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে চীনের পরেই রয়েছে ইরান, পাকিস্তান ও সৌদি আরব। ২০১৫ সালে ইরান অন্তত ৯৭৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগকেই মাদক সংক্রান্ত অপরাধে সাজা দেওয়া হয়েছে।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ২৮ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে

গত বছর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে এমন ২৫টি দেশের নাম তালিকায় উল্লেখ করেছে অ্যামনেস্টি। আগের বছর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দেশের তালিকার চেয়ে এবারের তালিকায় অতিরিক্ত তিনটি দেশের নাম যুক্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার ১৯৯১ সালের পর থেকে সর্বনিম্ন। গত বছর দেশটিতে ২৮ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তালিকায় দেশটির অবস্থান ৫ম। আর এর পর পরই রয়েছে ইরাক, সোমালিয়া, মিশর, ইন্দোনেশিয়া ও শাদ। গত বছর ইরাকে ২৬, সোমালিয়ায় ২৫, মিশরে ২২, ইন্দোনেশিয়ায় ১৪ এবং শাদে ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

একই বছর পাকিস্তান অন্তত ৩২০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে যে সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে তার ৮৯ শতাংশই পাকিস্তানে হয়েছে। ২০১৫ সালে সৌদি আরবে অন্তত ১৫৮ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান পুনর্বহাল করা হয়

প্রতিবেদনে বলা হয়, মিশর ও সোমালিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার বেড়ে গেছে। ২০১৪ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেনি, অথচ ২০১৫ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রবণতা বেড়েছে এমন অন্তত ছয়টি দেশ শনাক্ত করেছে অ্যামনেস্টি। বেশ কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর গত বছর নতুন করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু করেছে শাদ ও ওমান। বাংলাদেশ, ভারত, দক্ষিণ সুদান ও ইন্দোনেশিয়ায় আগের বছর কারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হলেও ২০১৫ সালে আবারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।

অ্যামনেস্টি জানায়, ২০১৫ সালে বিশ্বের ৬১টি দেশে ১,৯৯৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে যা আগের বছরের চেয়ে কম। একইবছর বাংলাদেশে ১৯৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অ্যামনেস্টি জানায়, ২০১৪ সালে বিশ্বব্যাপী ২,৪৬৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

তবে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই এখন মৃত্যুদণ্ডের বিধান সম্পূর্ণভাবে রহিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে অ্যামনেস্টি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ সব ধরনের অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রহিতকারী দেশের সংখ্যা বেড়ে ১০২টিতে দাঁড়িয়েছে। ১৯৯৬ সালে এমন দেশের সংখ্যা ছিল ৬০টি। ফিজি, মাদাগাস্কার, কঙ্গো-ব্রাজাভিলে ও সুরিনাম ২০১৫ সালে এ ব্যাপারে তাদের আইন পরিবর্তন করেছে। মঙ্গোলিয়াও তাদের আইন পরিবর্তন করেছে, তবে তা কার্যকর হবে চলতি বছরের শেষদিকে। সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা, অ্যামনেস্টি

/এফইউ/বিএ/

সম্পর্কিত

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২৩:৩৮

ভারতের মুম্বাইয়ের এক দম্পতি তিন মাসের দুই বার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর হতাশায় বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। এই দম্পতি শহরটির মধ্যাঞ্চলে ভারত মিলস কো-অপারেটিভ সোসাইটিতে এক অ্যাপার্টমেন্টে বাস করতেন। ঘরের ভেতর বুধবার তাদের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস শনিবার এখবর জানিয়েছে।

ওরলি পুলিশ জানায়, বুধবার ওই দম্পতির অ্যাপার্টমেন্ট তারা লাশ উদ্ধার করেছেন। এসময় তারা একটি সুইসাইড নোট পেয়েছেন। এতে তারা লিখেছেন, গত তিন মাসের মধ্যে দুই বার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে হতাশ হয়ে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আত্মহত্যাকারীদের নাম অজয় কুমার ও তার স্ত্রীর নাম সুজা বলে জানিয়েছে পুলিশ। দশ মাস আগে তারা বিয়ে করেন এবং ওরলিতে একটি ভাড়া অ্যাপার্টমেন্টে বাস করছিলেন।

ওরলি পুলিশ স্টেশনের সিনিয়র পুলিশ ইন্সপেক্টর অনিল কোলি বলেন, অজয় নাভি মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন এবং তার স্ত্রী ফর্ট এলাকায় একটি ব্যাংকের কর্মী ছিলেন। এপ্রিলে এই দম্পতির করোনাভাইরাস ধরা পড়ে এবং কিছুদিন আগে আবারও উপসর্গ দেখা দেয়।

কোলি আরও জানান, সুইসাইড নোটে উল্লেখ করা হয়েছে দ্বিতীয়বার সংক্রমিত হওয়ার কারণে হতাশ হয়ে বিষপান করে তারা আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার সুজার মা ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে সাড়া পাচ্ছিলেন না। তখন তিনি একই ভবনে থাকা সুজার এক বন্ধুর সহযোগিতা নেন। এরপরই আত্মহত্যার বিষয়টি জানা যায়।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ওই বন্ধু তাদের বাসায় গেলেও কেউ দরজা খুলেনি। তখন তিনি প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানালে তারা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। তখন সুজার দেহ লিভিং রুমে এবং অজয়ের রান্নাঘরে পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, দ্রুত এই দম্পতিকে নায়ের হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়না তদন্ত প্রতিবেদনে বিষপানে মৃত্যুর কথা উঠে এসেছে।

/এএ/

সম্পর্কিত

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২২:৫৩

একটানা ভারী বৃষ্টির ফলে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের একাংশে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকা থেকে কয়েক হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বন্যার পানি ও ভূমিধসে আটকে পড়া নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এখবর জানিয়েছে।

উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। গোয়া ও মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ের কাছাকাছি এলাকায় অনেকেই নিখোঁজ রয়েছে। মহারাষ্ট্রে অন্তত ১৩৬ জনের প্রাণহানির কথা জানানো হয়েছে। গোয়াতে কয়েকশ’ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মহারাষ্ট্র রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে রাজ্যের পরিস্থিতি। ৪৮ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১২৯ জনের। জোর কদমে চলছে উদ্ধারকাজ। ভূমিধসে ও প্রবল বৃষ্টিতে আটকে পড়েছেন বহু। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ অন্তত ৮০-৮৫ জন। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নৌবাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী, দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীসহ মোট ১৫ টি দল বন্যা কবলিত মানুষদের নিরাপদে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ৮৪ হাজার মানুষকে পুণের কাছে নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে আনা হয়েছে। যাদের মধ্যে কোলাপুর জেলারই ৪২ হাজারের বেশি বাসিন্দা রয়েছেন।

নৌবাহিনীর টিমের সঙ্গে আছে রাবারের নৌকা, লাইফ জ্যাকেট এবং লাইফ বোট। মহারাষ্ট্রের উপকূলবর্তী রত্নগিরি জেলার চিপলুন শহরের কয়েকটি অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টায় জলস্তর উঠেছে ১২ ফুট। প্রবল বৃষ্টিতে বশিষ্ঠী নদী ফুলে ফেঁপে উঠে ভাসিয়ে দিয়েছে শহর।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কোঙ্কন অঞ্চলে আগামী কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টিপাত চলবে।

স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। আটকে পড়াদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কেন্দ্র সরকারের তরফে নিহতদের পরিবার প্রতি ২ লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে।

/এএ/

সম্পর্কিত

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২২:২৬

হংকংয়ে চীনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারির ঘটনায় পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে বেইজিং। শুক্রবার চীনের পক্ষ থেকে সাবেক মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।

জুনে পাস হওয়া বিদেশি নিষেধাজ্ঞাবিরোধী আইনে এই প্রথম পদক্ষেপ নিলো চীন। মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইন্ডি শেরম্যানের চীন সফরের আগে এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করলো।

শুক্রবার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞায় বেশ কয়েকটি মার্কিন সংস্থায় কর্মরত ও সাবেক কর্মকর্তারা রয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছে চীন বিষয়ক কংগ্রেসনাল এক্সিকিউটিভ কমিশন ও ইউএস-চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশনের বর্তমান ও সাবেক প্রতিনিধিরা রয়েছেন।

চীনা নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ইন্সটিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স, ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইন্সটিটিউট, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এবং ওয়াশিংটনভিত্তিক হংকং ডেমোক্র্যাসি কাউন্সিল।

এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র হংকংয়ের চীনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাদের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতি পরিপন্থী এবং চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে গুরুতর হস্তক্ষেপ।

/এএ/

সম্পর্কিত

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২০:৫৪

জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসলামিক স্টেটের ইরাক ও লেভান্ত-খোরাসান (আইএসআইএল-কে) ইউনিটের নেতারা মার্কিন ও আফগান-তালেবান শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে নেওয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অ্যানালাইটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংকশন্স মনিটরিং টিমের ২৮তম প্রতিবেদনে আফগানিস্তানের ভঙ্গুর পরিস্থিতি উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে, পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এখবর জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইএস কাবুলের আশেপাশে নিজেদের অবস্থান সংহত করছে। এখান থেকেই তারা সংখ্যালঘু, অ্যাক্টিভিস্ট, সরকারিকর্মী এবং আফগান সেনা ও গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আইএস-এর ইউনিটটি এখন অন্য প্রদেশে চলে গেছে। তারা  নুরিস্তান, বাদঘিছ, সারি পুল, বাঘলান, বাডাখশান, কুন্দুজ ও কাবুলে স্লিপার সেল গড়ে তুলেছে। ২০২০ সালে কুনার ও নাঙ্গারহার প্রদেশে এলাকা, নেতৃত্ব, লোকবল ও আর্থিক ক্ষতির পরও তারা এসব সেল গড়ে তুলতে পেরেছে।

নিরাপত্তা পরিষদের এই টিমের প্রতিবেদনে গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, আইএস(এল-কে) পুনরায় সংগঠিত ও নতুন সমর্থকদের সংগ্রহ ও প্রশিক্ষণে জোর দিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, গোষ্ঠীটির নেতারা আশাবাদী আফগানিস্তানে শান্তি ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যকার চুক্তির বিরোধিতাকারীদের দলে ভেড়ানোর বিষয়ে। এছাড়া তারা সিরিয়া, ইরাক ও অন্যান্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে যোদ্ধা সংগ্রহ করতে চাইছে।

ইসলামিক স্টেট ইরাক ও লেভান্ত খোরাসানের ৫০০ থেকে ১৫০০ যোদ্ধা রয়েছে রয়েছে জাতিসংঘের একটি সদস্য রাষ্ট্র জানিয়েছে। তবে আরেকটি দেশের মতে এই সংখ্যা ১০ হাজারের মতো। অপর একটি দেশ বলেছে, গোষ্ঠীটি আত্মগোপনে থেকে চোরাগুপ্তা হামলা চালাচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-সাদিক কার্যালয়ের প্রধান শেখ তামিমের সঙ্গে সহযোগিতা করছে শাহাব আল-মুহাজির। তামিমের এই কার্যালয়ের দায়িত্ব হলো মূল আইএসের সঙ্গে আইএস লেভান্ত-খোরাসানের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।

/এএ/

সম্পর্কিত

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৯:২২

চীনকে মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ভারত সফরে আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ভারতে ব্লিনকেনের এসফরটি হবে প্রথম। বুধবার তিনি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামনিয়াম জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।

২৬ থেকে ২৯ জুলাই ভারতে অবস্থান করবেন ব্লিনকেন। এরপর তিনি কুয়েত সফরে যাবেন।

এশিয়া ও এশিয়ার বাইরে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় মার্কিন উদ্যোগে সহযোগিতাকারী দেশ হিসেবে ভারতকে বিবেচনা করে ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সফরে তার এজেন্ডা হবে ইন্দো-প্রশান্তীয় অঞ্চলে সক্রিয়তা, দ্বিপক্ষীয় আঞ্চলিক নিরাপত্তা স্বার্থ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলা। এছাড়া করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলাও থাকবে এজেন্ডায়া।

খবরে বলা হয়েছে, তথাকথিত কোয়াডের স্বশীরের একটি সম্মেলন আয়োজন নিয়ে আলোচনা করবেন ব্লিনকেন। চীনের প্রভাব মোকাবিলায় ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র কোয়াড গ্রুপে একত্রিত হয়েছে।

কূটনীতিকরা বলছেন, এই বৈঠকটি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সময় অনুষ্ঠিত হতে পারে। চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের পাল্টা আঞ্চলিক অবকাঠামো গড়ে তোলার উপায় নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

শুক্রবার ব্লিনকেন বলেছেন, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। এখন তারা অভ্যন্তরীণ সংকটে আছে। কিন্তু একবার উৎপাদন পূর্ণ গতি পেয়ে গেলে বিশ্বকে তারা আবার টিকা দিতে শুরু করবে। যা বড় পার্থক্য গড়ে দেবে।

/এএ/

সম্পর্কিত

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

সর্বশেষ

মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই ২ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ

মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই ২ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ

অনলাইনে ভিসা সেবা দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

অনলাইনে ভিসা সেবা দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

করোনায় আক্রান্ত হয়ে আইসিউতে জাতীয় দলের শুটার

করোনায় আক্রান্ত হয়ে আইসিউতে জাতীয় দলের শুটার

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

এক কোটি ১৬ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ১৬ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে! আশঙ্কা ফরাসি বিশেষজ্ঞের

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে! আশঙ্কা ফরাসি বিশেষজ্ঞের

ব্রিটে‌নে জা‌লিয়া‌তির দা‌য়ে বাংলা‌দেশি সমকামীর কার‌াদণ্ড

ব্রিটে‌নে জা‌লিয়া‌তির দা‌য়ে বাংলা‌দেশি সমকামীর কার‌াদণ্ড

বৃহস্পতির ‘চাঁদে’ রকেট পাঠাবে নাসা

বৃহস্পতির ‘চাঁদে’ রকেট পাঠাবে নাসা

ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ১৪০ ফিলিস্তিনি

ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ১৪০ ফিলিস্তিনি

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

© 2021 Bangla Tribune