X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

পুঁজিবাজারে লেনদেন

ডিএসইতে প্রধান সূচক ২৯, সিএসইতে বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০১৬, ১৫:৪৮

ডিএসই ও সিএসই সপ্তাহের পঞ্চম বা শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবগুলো সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের কার্যক্রম। তবে এদিন ডিএসইতে লেনদেন সামান্য বাড়লেও কমেছে সিএসইতে।

এদিন ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে মাত্র ২৯ পয়েন্ট। আর সিএসসিএক্স বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট।

গত কার্যদিবসের তুলনায় এদিন ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৫ কোটি ৭৭ লাখ টাক। আর সিএসইতে লেনদেন কমেছে ১২ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এদিন উভয় পুঁজিবাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৬২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। গত বুধবার উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছিল ৪৬৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার ডিএসই’র লেনদেন চিত্র ডিএসই 

এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৩৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। গত বুধবার লেনদেন হয়েছিল ৪২৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।
এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৯ দশমিক ২১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৪৩ পয়েন্টে, ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৮ দশমিক ২৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৫ পয়েন্টে এবং ১৫ দশমিক ৭১ পয়েন্ট বেড়ে ডিএসই-৩০ সূচক দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৮৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫২টির, কমেছে ১২৫টির এবং কোনও পরিবর্তন হয়নি ৪৫টি কোম্পানির শেয়ার দর।
এছাড়া টাকার অঙ্কে এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- ইবনে সিনা, ডোরিন পাওয়ার, এসিআই, পাওয়ার গ্রিড, কেয়া কসমেটিকস, বিএসআরএম লিমিটেড, আমান ফিড, তিতাস গ্যাস, লংকা-বাংলা ফিন্যান্স এবং ওরিয়ন ইনফিউশন।

বৃহস্পতিবার সিএসই’র লেনদেন চিত্র সিএসই 

অন্যদিকে এদিন সিএসইতে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমান ২৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা। গত বুধবার লেনদেন হয়েছিল ৪১ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে সিএসইতে শেয়ার লেনেদেন কমেছে ১২ কোটি ৬৭ লাখ টাকার বেশি।
এদিন সিএসইতে প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ৫১ পয়েন্ট বেড়ে ৮ হাজার ৩০০ পয়েন্টে, সিএএসপিআই সূচক ৮৬ দশমিক ৭০ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৬৬৬ পয়েন্টে, সিএসই-৫০ সূচক ৯ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে ৯৯৪ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ১২৫ দশমিক ০১ পয়েন্ট বেড়ে ১২ হাজার ৩৭৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১২টির, কমেছে ১০২টির এবং কোনও পরিবর্তন হয়নি ২৮টি কোম্পানির শেয়ার দর।
টাকার অঙ্কে এদিন সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো-  ডোরিন পাওয়ার, কেয়া কসমেটিকস, ড্রাগন সোয়েটার, ইউনাইটেড এয়ার, আইটিসি, বিএসআরএম লিমিটেড, লংকা-বাংলা ফিন্যান্স, বিএসআরএম স্টিল, জিএসপি ফিন্যান্স এবং কেডিএস এক্সেসরিজ।।
/এসএনএইচ/

সম্পর্কিত

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ০৯:০০

সদ্যবিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরেও বোরোর বাম্পার ফলন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় এ পর্যন্ত বোরো ধানের সংগ্রহ পরিস্থিতিও সন্তোষজনক। করোনা মহামারির মধ্যেও ধান ও চালের সরবরাহ স্বাভাবিক। চাহিদা মিটিয়ে এখনও ৩০ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত। তারপরও ৪৮ টাকার কমে বাজারে কোনও চাল নেই। এমন পরিস্থিতিতে আবার চাল আমদানির সিদ্ধান্ত। চালের মুল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মনিটরিং কমিটি করা হয়েছে। সাত অতিরিক্ত সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া দেওয়া হয়েছে।  বাজারে ধান ও চালের দর ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারের নেওয়া এসব উদ্যোগ কোনও কাজে আসেনি। চালের বাজার অনিয়ন্ত্রিতই রয়েছে।  

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিলার ও ব্যবসায়ীদের কঠিন যোগসাজশ ও কারসাজিতে বাজারে বেড়েছে চালের দাম। সরকারের খাদ্যমন্ত্রী নিজে সরাসরি গণমাধ্যমে একাধিকবার এই অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্ত মিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। কারসাজি করা মিলারদের কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। এ ধরনের হুমকিও তিনি দিয়েছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই কারসাজির অভিযোগে কোনও মিলার বা চাতাল মালিকের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে বা কারও বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বা কাউকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে-  এ ধরনের কোনও সংবাদ পাওয়া যায়নি।

দেশে চালের উৎপাদন, সরবরাহ, আমদানি ও মজুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকার পরও বাড়ছে চালের দাম। কারণে অকারণেই সুযোগ পেয়েই চালের দাম বাড়িয়ে অনৈতিক মুনাফা করছেন চালকল মালিক ও ব্যবসায়ীরা। কোনওভাবেই চালের বাজারের এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আমদানি করা হলেও চালের বাজার স্থিতিশীল করা যায়নি। আগামীতে চাল নিয়ে যাতে কোনও প্রকার বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয় সেজন্যই সরকার আবারও চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে বিদ্যমান করোনাকালীন পরিস্থিতিতে আগামী আমন ও পরে আউশ মৌসুমে বিশেষ করে ধান উৎপাদন ও প্রণোদনা বিতরণসহ সার্বিক কৃষি কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৭ জন অতিরিক্ত সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি করাই হয়েছে, আমন ও আউশ উৎপাদনে যাতে চালের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এমন কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়।

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশে কৃষি উৎপাদন আরও বেগবান করতেই এসব সিনিয়র কর্মকর্তাদেরকে মাঠ পর্যায়ে তদারকি ও সমন্বয়ের এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক অতিরিক্ত সচিবকে ২টি করে সারা দেশের মোট ১৪টি কৃষি অঞ্চলের কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্ব দিয়ে গত ৬ জুলাই কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে- দায়িত্বপ্রাপ্ত সাত কর্মকর্তা হলেন- পরিকল্পনা অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুর রৌফ চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি অঞ্চল, গবেষণা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কমলা রঞ্জন দাস রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চল, সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহবুবুল ইসলাম দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চল, সম্প্রসারণ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব হাসানুজ্জামান কল্লোল সিলেট ও কুমিল্লাহ অঞ্চল, এছাড়া যশোর ও খুলনা অঞ্চলের দায়িত্বে বীজ বিভাগের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বলাই কৃষ্ণ হাজরা, ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চলের দায়িত্বে পিপিসি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব রুহুল আমিন তালুকদার এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের দায়িত্বে প্রশাসন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ওয়াহিদা আক্তার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম সব অঞ্চলের সার্বিক কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন। সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল।

অপরদিকে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে চলতি বছরের শুরুতেই কারসাজির মাধ্যমে কেউ যাতে চালের মূল্য বাড়াতে না পারে সেজন্য বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এ সংক্রান্ত  নির্দেশনায় বলা হয়েছে- ধানের দামের সঙ্গে চালের দামের সামঞ্জস্য রাখতে হবে। কোনোভাবেই যেন মিল মালিক এবং ব্যবসায়ীরা বাড়তি সুবিধা না নিতে পারেন।

এ প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানিয়েছেন, ভোক্তারা যাতে সহনীয় দামে চাল কিনে খেতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে হবে। চালের বাজার অস্থির করতে কেউ যদি কারসাজির চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি কৃষকদের ন্যায্যমূল্য পাওয়া বিষয়টিও নিশ্চিত করার কথা বলেছেন।  

জানা গেছে, চালের দাম সহনীয় করতে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য অধিদফতরের নেতৃত্বে আলাদা বাজার মনিটরিং টিম গঠন করা হয়। কৃষি বিপনন অধিদফতর চালের দরও নির্ধারণ করে দিয়েছিলো। নির্ধারণ করে দেওয়া দরের অতিরিক্ত দামে কেউ চাল বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও তা কার্যকর করা যায়নি। চালসহ খাদ্যশস্যের বাজার মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং বাজার দর স্থিতিশীল রাখা, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার স্বার্থে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য অধিদফতরের অধীনে মোট ৭টি বাজার মনিটরিং টিম গঠন করা হয়।

এর মধ্যে চালের বাজার দরে ঊর্ধ্বগতি প্রবণতা রোধে ঢাকা মহানগরের বড় বড় পাইকারি বাজার সরেজমিন তদারকির জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪টি এবং খাদ্য অধিদফতরের অধীনে ৩টি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। এসব কমিটিকে বাজার দর সংগ্রহ করে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদফতরে প্রতিবেদন দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিটি ঢাকা মহানগরের বড় বড় পাইকারি বাজার সরেজমিন তদারকি করে বাজার দর সংগ্রহ করে প্রতিবেদন দাখিল, বাজার পরিদর্শনে দিনের বাজার দর ও আগের দুই দিনের বাজার দর সংগ্রহ করে প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং বাজারে চাল ও আটার বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের তথ্য সংগ্রহ করবে। বাজার মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকা কমিটিগুলো প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করবে। কিন্তু বাজারে এসব মনিটরিং কমিটির কোনও হদিস পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এরও আগে গত ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর চালের মূল্য সহনীয় রাখতে একটি কন্ট্রোল রুম এবং বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করেছিল সরকার। যা বর্তমানেও খোলা রয়েছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে যে কেউ উল্লিখিত কন্ট্রোলরুমে অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে।

মিলাররা চালের বাজারের এই অস্থিরতার জন্য ধানের মূল্য বৃদ্ধিকে দায়ি করলেও মুলত ভারত থেকে চাল আমদানির সংবাদ পাওয়া মাত্র এবং আমদানি করা চালের শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তে  কমতে শুরু করে ধানের দাম। ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে বাজারে কমতে থাকে ধানের দাম। এ বছরের জানুয়ারিতেও বাজারে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজির বস্তা) ধানের দাম কমেছে ১৫০-২০০ টাকা। কিন্ত কমেনি চালের দাম। ২ হাজার একশ ৮০ টাকা থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া গুটি স্বর্ণা ধান এখন বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকার নিচে। বিআর-৫১ ধান ২ হাজার ৩০০ টাকা থেকে নেমে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১০০ টাকায়। আর সুমন স্বর্ণা ধান ২ হাজার ৩৫০ থেকে নেমে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১৫০ টাকা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জয়পুরহাটের কৃষক হেমায়েত উদ্দিন জানিয়েছেন, ধানের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন মিল মালিকরা। তারা ইচ্ছামতো ধানের দাম নির্ধারণ করেন, বাধ্য হয়ে তাদের নির্ধারিত দামেই ধান বিক্রি করতে হয়।

মাঠ পর্যায়ে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার গোবিন্দপুরের কৃষকরা জানিয়েছেন, মিলাররাই কারসাজি করে ধান কেনা কমিয়ে দিয়ে কৃষকদের উপর দায় চাপাচ্ছেন। অনেক মিলার আড়তদারদের জানিয়ে দিয়েছেন, তারা আগে যেখানে প্রতি সপ্তাহে পাঁচ গাড়ি ধান কিনতেন, এখন সেখানে এক থেকে দুই গাড়ি ধান কিনবেন। বিভিন্ন অজুহাতে তারা ধান কেনা কমিয়ে দেন। অথচ দায়ী করেন কৃষকদের।

জয়পুরহাটের মিলার লায়েক আলী জানিয়েছেন, কৃষকের ধান বেশি দামের আশায় রেখে দেওয়ার কারণে আমাদের বেশি দামে ধান কিনতে হচ্ছে বিধায় চালের দাম বেশি। এর জন্য মিলার নয়, কৃষকরা দায়ী।

/এফএএন/

সম্পর্কিত

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

যেসব শিল্প কারখানা খোলা থাকবে

যেসব শিল্প কারখানা খোলা থাকবে

১৪ দিন শপিং মল-দোকানপাট বন্ধ থাকবে

১৪ দিন শপিং মল-দোকানপাট বন্ধ থাকবে

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৯:২৯

করোনা মহামারি ও কঠোর লকডাউনের মধ্যেও দেশের আশাজাগানিয়া খাত  এখন শেয়ারবাজার। ১০ বছর আগের হারানো পুঁজির সোয়া দুই লাখ কোটি টাকা এরইমধ্যে ফিরে পেয়েছেন এই খাতের বিনিয়োগকারীরা। এর মধ্যে বেশিরভাগই এসেছে গত তিন মাসে (এপ্রিল, মে ও জুন)। এছাড়া নতুন অর্থবছরের প্রথম ১৫ দিন কেটেছে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে।

অর্থাৎ প্রায় এক বছর ধরে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় থাকা শেয়ারবাজারে ঈদের আগের শেষ সপ্তাহেও বেশ চাঙ্গা ভাব দেখা যায়। এতে নতুন উচ্চতায় উঠে এসেছে শেয়ারবাজার।

তথ্য বলছে, প্রথমবারের মতো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ৬ হাজার চার শ পয়েন্ট অতিক্রম করেছে। সেই সঙ্গে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে। বাজার মূলধনও এযাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। ঈদের আগে শেয়ারবাজার এমন উচ্চতায় পৌঁছানোয় স্বাভাবিকভাবেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা প্রত্যাশা করছেন, শেয়ারবাজারে এই ইতিবাচক ধারা পরেও অব্যাহত থাকবে।

মূলত নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। সর্বশেষ তিন মাসের উত্থানে দেশের পুঁজিবাজার এখন নতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ( ডিএসই) বাজার মূলধন এখন সাড়ে পাঁচ লাখ কোটি টাকার ঘরে অবস্থান করছে।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বরের পর দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরণের ধস নামে। যা চলে ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত। এই ধসে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক-বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় গত এক বছরে ডিএসইর প্রধান সূচক (ডিএসইএক্স) দুই হাজার ৩৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ছয় হাজার ৪০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সূচকের সঙ্গে বেড়েছে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম। তাতে বিনিয়োগকারীদের লেনদেন বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মো. রকিবুর রহমান বলেন,  এই বাজার অনেক দূর যাওয়ার সুযোগ আছে। বাজারে যে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে তা ধরে রাখতে হবে। তার মতে, কেউ বাজারে কারসাজি করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বাজারমুখী হওয়ার পরামর্শ দেন।

ডিএসইর তথ্য বলছে, গত বছরের ২০ জুলাই ৩৪৮ কোটি ৫৬ লাখ ৮৮ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছিল। ঈদের আগে শেষ কার্যদিবস অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৬৪ কোটি টাকা।

গত বছরের ২০ জুলাই ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল তিন লাখ ১৬ হাজার ২৫৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সেখান থেকে দুই লাখ ১৮ হাজার ৯৩১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা বেড়ে গত বৃহস্পতিবার মূলধন দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৩৫ হাজার ১৮৫ কোটি ২৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

এদিকে গেল সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে মাত্র দুই কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এই দু’দিনে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। চলতি মাসের তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে সবকটি মূল্যসূচক।

গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ১৮৫ কোটি টাকায়। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৫ লাখ ২৫ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেল সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৯ কোটি ৯১৪ কোটি টাকা।

আগের দুই সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ে ১০ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা। সে হিসাবে চলতি মাসে ইতোমধ্যে ডিএসইর বাজার মূলধন ২০ হাজার ৯০৩ কোটি টাকা বেড়েছে। এতে ডিএসইর বাজার মূলধন এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। শুধু তাই নয়, তিন সপ্তাহের এই টানা উত্থানের কারণে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থাতে পৌঁছে গেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স। ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি চালু হওয়া ৪ হাজার ৫৫ দশমিক ৯০ পয়েন্ট দিয়ে শুরু হওয়া ডিএসইএক্স সূচকটি এই প্রথম ৬ হাজার চার শ পয়েন্ট স্পর্শ করেছে। বর্তমানে এই সূচকটি ৬ হাজার ৪০৫ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

প্রধান মূল্যসূচক রেকর্ড অবস্থানে উঠে আসার পাশাপাশি গেল সপ্তাহে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকও ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে। গেল সপ্তাহে এই সূচকটি বাড়ে ৪৭ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট এবং তার আগের সপ্তাহে বেড়েছিল ৩৯ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট।

অপরদিকে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে। গত সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছে ২৮ দশমিক ৪০ পয়েন্ট । আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ১৭ দশমিক ৮১ পয়েন্ট।

তথ্য বলছে, সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫২৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৬৭৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১৪৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে তিন হাজার ৫৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ছয় হাজার ৭০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

এদিকে ঈদের ছুটি শেষে আগামী রবিবার (২৫ জুলাই) থেকে আবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হবে। তবে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করায় শেয়ারবাজারে লেনদেন হবে সীমিত পরিসরে। ব্যাংকের লেনদেনের সঙ্গে সমন্বয় করে শেয়ারবাজারে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

/এমএস/

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৭:৫৭

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে অনেকে ঢাকা ছেড়েছেন। এ কারণে ঈদের দিন ও ঈদের পরের দিন দোকানপাট বন্ধ ছিল। এ ছাড়া আজ থেকে শুরু হয়েছে কঠোর লকডাউন। শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, এখনও বেশিরভাগ সবজির দোকান বন্ধ। বাজারে ক্রেতাও কম। অনেক মুদি দোকানও বন্ধ। বন্ধ রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দোকান। তবে কিছু মুরগির দোকান খোলা রয়েছে। 

শুক্রবার ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। আর সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৩০ টাকা।

অল্প কিছু ব্যবসায়ী দোকান খুলে সবজি বিক্রি করছেন। কোরবানির ঈদ, লকডাউন ও বৃষ্টি- এই তিন কারণে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। সবজির মতো  অল্প কিছু ব্যবসায়ীও মাছ বিক্রি করছেন। তবে ক্রেতা কম, দামও বেড়েছে। 

বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানির ঈদের পরে সাধারণত বেচাকেনা কম থাকে, ক্রেতা ও বিক্রেতা কম থাকে। এবার লকডাউনের কারণে আরও কমে গেছে। 

ঈদের আগে রাজধানীর অলিতে-গলিতে সবজির দোকান দেখা গেলেও এখন প্রায় সব ফাঁকা। রাজধানীর কাওরান বাজারে দেখা যায়, বেশ কিছু দোকানপাট বন্ধ। মগবাজার, মালিবাগ ও গোপীবাগ বাজারের পরিস্থিতিও একই।

বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের পর সবজির দাম বেড়েছে। বিশেষ করে সালাদে ব্যবহৃত সবজির দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। গাজরের কেজি ১৭০ টাকা, টমেটোর কেজি ১৫০ টাকা। অর্থাৎ ঈদের পর দুদিনে এ দু’টি সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকার ওপরে। অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে গাজর-টমেটোর। শুধু গাজর ও টমেটো নয়, দেশি শসা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে যা ছিল ৮০ টাকা। হাইব্রিড শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, গত সপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকায়। 

এ ছাড়া রাজধানীর বাজারগুলোতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অন্য সব ধরনের সবজি। এর সঙ্গে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দামও। ঈদের পর কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা পর্যন্ত।

গোপীবাগ বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মাহাবুব হোসেন তিনি বলেন, কোরবানির ঈদ ছাড়াও একদিকে বৃষ্টি অন্যদিকে লকডাউন- তিন কারণে সবজির দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, বাজারে এখন দেশি গাজর নেই। যে গাজর পাওয়া যাচ্ছে, তা আমদানি করা। আমদানি করার কারণে এমনিতেই গাজরের দাম বেশি। আর যে টমেটো পাওয়া যাচ্ছে, তা কোল্ড স্টোরেজের। 

বাজারে দেখা যাচ্ছে, বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, তা ঈদের আগে ছিল ১৫ থেকে ২০ টাকা। কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লাউ ও চালকুমড়া আকারভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। লেবু প্রতি হালি ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, রসুন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, আমদানি করা আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। আর দেশি আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। জিরা ৩৬০ টাকা, ধনিয়া ১২০ টাকা, এলাচ দুই হাজার ৪৫০ টাকা, দারুচিনি ৪২০ টাকা, তেজপাতা ১২০ টাকা, গোলমরিচ ৫২০ টাকা এবং সয়াবিন তেলের বোতল এক লিটার ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়, ৫ লিটার ৭০০ থেকে ৭১০ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ভালো মানেরটা কেজি ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।

বাজারের সবচেয়ে কম দামি গরিবের মোটা চালের কেজি এখন ৪৮ টাকা। এ ছাড়া নাজিরশাইল বা মিনিকেটের কেজি ৬৮ থেকে ৭২ টাকা।

মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি, যা ঈদের আগে ছিল ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা। এ ছাড়া কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ৩২০ টাকা, মৃগেল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৮০ টাকা, পাবদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং রূপচাঁদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮৫০ টাকা।

 

/এনএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১০:০২

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে; যা ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এ নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, তৈরি পোশাক কারখানা (গার্মেন্টস) আগামী ৫ আগস্টের আগে খুলছে না।
 
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এবার বিধিনিষেধ গতবারের চেয়েও কঠোর হবে। বিধিনিষেধ কার্যকর করতে পুলিশের পাশাপাশি, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবেন। 

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অফিস, আদালত, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিসহ সব কিছু বন্ধ থাকবে। এ পর্যন্ত যত সর্বাত্মক কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে সেভাবেই চলবে।’

যদিও এই কঠোর লকডাউনের মধ্যে পোশাক (গার্মেন্টস) কারখানা খোলা রাখার ব্যাপারে দাবি জানিয়ে আসছিলেন দেশের ব্যবসায়ীরা। গার্মেন্টস কারখানা খোলা রাখার ব্যাপারে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ ব্যাপারে চিঠিও দিয়েছেন। 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলছেন, চলতি জুলাই মাসে গার্মেন্টস কারখানা খোলার সুযোগ নেই। তবে করোনা প্রাদুর্ভাব কমে আসলে, সে ক্ষেত্রে আগামী আগস্ট মাসে দেখা যাবে। 

এদিকে তৈরি পোশাক শিল্পে মালিকরাও বলছেন, গার্মেন্টস খাতের জন্য বড় ধরনের ক্ষতি সত্বেও সরকারের এই সিদ্ধান্তকে তারা মেনে নিয়েছেন। আগামী সাত দিনের মধ্যে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তবেই তারা ১ আগস্ট থেকে কারখানা চালু করার প্রস্তুতি নেবে। 

দীর্ঘদিন কারখানা বন্ধ রাখায় গার্মেন্টস খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে উল্লেখ করে পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসানসহ সংগঠনটির সাবেক অন্তত তিনজন সভাপতি সরকারের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। 

 

/জিএম/এনএইচ/

সম্পর্কিত

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২১, ২৩:৪৬

জোরেশোরেই চলছে মহাসড়কগুলো থেকে টোল আদায় কার্যক্রমের প্রস্তুতি। গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) এক সভায় মহাসড়কগুলো থেকে টোল আদায়ের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর টোল আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সম্মতিও পেয়েছে তারা। কিন্তু টোল আদায়ের ক্ষেত্রে আরও অনেকগুলো ধাপ এখনও বাকি। যে কারণে কবে নাগাদ এ কার্যক্রম শুরু করা যাবে, সেটা বলতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।

সড়ক পবিরহন ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত মাসে (জুন) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় চালুর লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার ওপর তাগিদ দেওয়া হয়। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে টোল আদায় পদ্ধতি চালুর লক্ষ্যে গঠিত কমিটির মতামত দ্রুত মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে অন্তর্বর্তীকালীন টোল হার আরোপের বিষয়ে সম্মতির জন্য অর্থ বিভাগে যে চিঠি পাঠানো হয়েছিল সেটার সম্মতি পাওয়া গেছে গত এপ্রিলে। তবে টোল হারের বিষয়ে মতামত পাওয়া গেলেও টোল আদায় শুরুর ক্ষেত্রে আরও অনেক কার্যক্রম বাকি আছে। এসব কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর টোল আদায় চালু করা ভালো হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে এরইমধ্যে বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। যার একটি প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এক্সপ্রেসওয়ে চালুর সঙ্গে পদ্মা সেতুর সম্পর্ক থাকায় সেই এক্সপ্রেসওয়েতে এখনই টোল আদায় শুরু করা যাচ্ছে না।

টেকসই ও নিরাপদ মহাসড়ক গড়ে তোলার জন্য ‘চারটি জাতীয় মহাসড়কের পাশে পণ্যবাহী গাড়ি চালকদের পার্কিং সুবিধাসহ বিশ্রামাগার স্থাপন' প্রকল্পের আওতায় বিশ্রামাগারের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা নীতিমালা তৈরি করতে গত মার্চে ছয় সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। গঠিত কমিটি একাধিকবার বৈঠক করেছে। খুব শিগগিরই কমিটি এ বিষয়ে সচিব বরাবর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিবে।

মহাসড়কে টোল আদায় কবে নাগাদ শুরু করা যাবে এবং এর কার্যক্রম কোন পর্যায়ে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের টোল ও এক্সেল শাখার উপ-সচিব ফাহমিদা হক খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বর্তমানে আমাদের যে চার লেনের মহাসড়কগুলো চলমান আছে সেগুলোর কোথায় কোথায় টোল আদায়ের বুথ বসবে সেটা নিয়ে বৈঠক হয়েছে। টোল আদায় করতে হলে টোল ফ্রি সড়কও রাখতে হবে। সেজন্য এগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে এবং টোল আদায়ের বুথগুলো বসানো শেষ হলেই টোল আদায় শুরু হয়ে যাবে। আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে টোল আদায়ের ব্যাপারে টালি চলছে। এটা শেষ হলে টোল আরোপ সম্ভব হবে। পদ্মা ব্রিজের কাজ শেষ হলেই ব্রিজ ও ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের টোল আদায় একসঙ্গে শুরু করা হবে। 

অন্য মহাসড়কগুলোর টোল আদায়ের বিষয়ে ফাহমিদা হক খান বলেন, অন্যগুলোর টোল কালেকশন সিস্টেমে একেক জায়গায় একেক রকম না করে একইরকমভাবে করার চিন্তাভাবনা চলছে। এ বিষয়ে পরামর্শক নিয়োগের যে কার্যক্রমগুলোও গোছানো হয়ে গেছে। এ বিষয়ে প্রতিবেদনটিও বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) মন্ত্রণালয়ে এসেছে। এটা অনুমোদন হয়ে গেলে এখানে যারা পরামর্শক হিসেবে কাজ পাবেন তারা এটা স্টাডি করে আমাদের গাইডলাইন দিবেন। সেটার ওপর আমরা টোল কালেকশনে চলে যাবো। তবে কবে নাগাদ শুরু করা যাবে সেটা সুনিশ্চিত করে বলতে না পারলেও মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা বলেন, প্রজেক্টের কাজ শেষ হলেই শুরু করে দেওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
বড় বড় সড়ক থেকে টোল আদায়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

/জেইউ/ইউএস/

সম্পর্কিত

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

যেসব শিল্প কারখানা খোলা থাকবে

যেসব শিল্প কারখানা খোলা থাকবে

১৪ দিন শপিং মল-দোকানপাট বন্ধ থাকবে

১৪ দিন শপিং মল-দোকানপাট বন্ধ থাকবে

সর্বশেষ

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

৫ দিনে করোনায় ৯২১ জনের মৃত্যু

৫ দিনে করোনায় ৯২১ জনের মৃত্যু

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

আইসিইউ ফাঁকা আছে মাত্র ৩৮টি

করোনাভাইরাসআইসিইউ ফাঁকা আছে মাত্র ৩৮টি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

© 2021 Bangla Tribune