X
সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৯ ভাদ্র ১৪২৮

সেকশনস

রংপুরে ৫ দফা দাবিতে বাসদের বিক্ষোভ

বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ঘেরাও

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০১৬, ১৬:১১

তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়, কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান, আগামী আমন মৌসুম পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে দেওয়া দরে রেশন প্রদানসহ ৫ দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক  দলের (বাসদ)  রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের নেতা-কর্মীরা। এসময় তারা রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ঘেরাও করে।
এর আগে দলের নেতা কর্মীরা রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে মিলিত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে নগরীর কাছারী বাজার এলাকায় অবস্থিত রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ঘেরাও করতে আসলে পুলিশ মূল গেট বন্ধ করে দেয়। এ সময় নেতা কর্মীরা ওই কার্যালয়ের সামনে নগরীর প্রধান সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।
সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন বাসদ রংপুর জেলার সমন্ময়ক আনোয়ার হোসেন বাবলু , কেন্দ্রীয় নেতা সুভ্রাংসু চক্রবর্তী, ভাষা সৈনিক মাহফুজুল হক দুলু, দিনাজপুর জেলা সমন্ময়ক রেজাউল ইসলাম সবুজ , গাইবান্ধা জেলা বাসদ নেতা মঞ্জুরুল আলম মিঠু, জয়পুরহাট জেলা নেতা ওবায়দুল্লাহ মুসাসহ প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারত কর্তৃক উজানে তাদের এলাকার গজল ডোবায় এক তরফাভাবে বাঁধ নির্মাণ করে পানির প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ায় তিস্তা নদী শুষ্ক মৌসুমে মরা খালে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় পানির প্রবাহ সর্বকালের সবচেয়ে কম মাত্র ২শ কিউসেকে নেমে এসেছে। পানির অভাবে চলতি বোরো মৌসুমে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ করতে পারেনি কৃষকরা।যারা তিস্তা সেচ প্রকল্পের পানির ওপর নির্ভরশীল ছিলো এমন কয়েক হাজার কৃষক পানির অভাবে তাদের ধান ক্ষেত মরে যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে কৃষকরা চড়া সুদে ঋণ নিয়ে সেচ যন্ত্রের মাধ্যমে পানি নিতে বাধ্য হচ্ছে। এতে করে বিঘা প্রতি যেখানে পানি খরচ ছিলো দেড়শ’ টাকা তিস্তা নদী পানি শূন্য হওয়ায়  তা এখন ২ হাজার ৭শ টাকারও বেশি খরচ করতে হচ্ছে কৃষকদের।

ফলে রংপুর দিনাজপুর অঞ্চলের ১ লাখ ১১ হাজার হেক্টরের মধ্যে এবার মাত্র ১০ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ করতে পেরেছে কৃষকরা। এতে করে কৃষকদের প্রায় ৬শ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। অথচ তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকার কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। তাই অবিলম্বে পানির হিস্যা আদায়ে ভারতের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে অভিযোগ উত্থাপন করে পানির হিস্যা আদায় করে তিস্তা নদীকে বাঁচানোর দাবি জানাচ্ছি।

সমাবেশে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান, বেকার ক্ষেত-মজুরদের ১২০ দিনের কর্মসৃজন চালুকরণ সহ ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে প্রধানমন্ত্রী বরাবর দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

/এআর/টিএন/

সম্পর্কিত

এক জেলায় নেই ৩৮৩ চিকিৎসক-নার্স, ভোগান্তিতে রোগীরা

এক জেলায় নেই ৩৮৩ চিকিৎসক-নার্স, ভোগান্তিতে রোগীরা

ছবি তুলতে বেরোনোর ২৬ দিন পর দুই কিশোরী উদ্ধার 

ছবি তুলতে বেরোনোর ২৬ দিন পর দুই কিশোরী উদ্ধার 

বাংলাবান্ধায় ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন, চালক দগ্ধ

বাংলাবান্ধায় ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন, চালক দগ্ধ

নদীতে গোসলে নেমে প্রাণ গেলো ২ শিশুর

নদীতে গোসলে নেমে প্রাণ গেলো ২ শিশুর

এক জেলায় নেই ৩৮৩ চিকিৎসক-নার্স, ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০০

নীলফামারীর ছয় উপজেলার হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৩১ চিকিৎসক ও ২৫২ জন নার্সের পদশূন্য আছে। এতে চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ। জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসার জন্য তাদের বিভাগীয় শহরে যেতে হয়। এ নিয়ে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তির শেষ নেই।

জেলার বাইরে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া অনেক ব্যয়বহুল বলে জানিয়েছেন নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের ২৪ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ফরিদা বেগম। তার বাড়ি সদরের কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের পশ্চিম গুড়গুড়ি শখের বাজার গ্রামে। ফরিদা পিত্তথলির ব্যথায় গত ৮ আগস্ট ওই ওয়ার্ডে ভর্তি হন। তিনি বলেন, এখানে চিকিৎসক নেই বলে আমাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেছে কর্তৃপক্ষ। ওখানে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া আমার জন্য কষ্টসাধ্য।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, জেলায় ২২৬ চিকিৎসকের পদ থাকলেও রয়েছেন ৯৫ জন। ৩৬২ নার্সের স্থলে রয়েছেন ১১০ জন। চিকিৎসক-নার্স মিলে ৩৮৩ জনের পদশূন্য।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল এর মধ্যে নীলফামারী সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ৫৭ চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও ১৮ ও নার্স ১৫০ জনের স্থলে আছেন ৯২ জন। এখানে ৩৯ জন চিকিৎসকের পদ খালি বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মেজবাহুল হাসান চৌধুরী।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ৪১ চিকিৎসকের পদ থাকলেও আছেন ১০ জন, নার্স ৯৪ জনের মধ্যে ৫৬ জন রয়েছেন। জলঢাকা উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৩ জন চিকিৎসকের স্থলে রয়েছেন ১৫ জন, নার্স ৩০ জনের মধ্যে আছেন ২৭ জন।

কিশোরগঞ্জ উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৩ চিকিৎসকের পদ থাকলেও রয়েছেন ১৪ জন, নার্স ২৫ জনের মধ্যে আছেন ২৩ জন। ডোমার ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩১ চিকিৎসকের পদ থাকলেও আছেন ২০ জন ও নার্স ৩৩ জনের স্থলে ২৮ জন রয়েছেন।

ডিমলা উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩১ চিকিৎসকের পদ থাকলেও রয়েছেন ১৮ জন, নার্স ৩০ জনের স্থলে আছেন ২৬ জন।

 এদিকে, রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে প্যাথলজি, এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম সব জায়গায় চালু থাকার কথা থাকলেও কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেকনিশিয়ান ও জনবল সংকটের কারণে এক্স-রে চালু হয়নি। উপজেলার রোগীরা এক্স-রে করতে না পেরে সঠিক রোগ নির্ণয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ বলেন, এখানে ১৪ চিকিৎসক দিয়ে প্রতিদিন আউটডোরসহ গড়ে সাড়ে ৩০০ রোগীকে চিকিৎসা দিতে হয়। চিকিৎসক সংকট থাকায় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ।

কিশোরগঞ্জ ও ডিমলা উপজেলায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদায়ন না থাকায় গাইনি সিজারসহ অন্যান্য অপারেশন ছয় মাস ধরে বন্ধ আছে। দুই উপজেলার রোগীদের সিজারিয়ান ও সাধারণ অপারেশন নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ডিমলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসবব্যথায় কাতরাচ্ছেন মরজিনা বেগম। তিনি উপজেলার খালিশা চাপানি ইউনিয়নের আব্দুল কাদেরের স্ত্রী। সেখানে সিজারিয়ান অপারেশনের ব্যবস্থা না থাকায় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে হয়। এতে অতিরিক্ত টাকা খরচ হয় তাদের।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মেজবাহুল হাসান চৌধুরী বলেন, ২০১৬ সাল থেকে চিকিৎসক সংকটে কার্ডিওলজি বিভাগ বন্ধ আছে। অথচ সেখানে ২২টি মনিটর, চারটি ডিফ্রিলেটর ও দুটি বেডসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। যার মূল্য ৫০ লাখ টাকা।

 তিনি বলেন, বিভাগটি চালাতে একজন সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও একজন জুনিয়র কনসালট্যান্ট ও প্রশিক্ষিত নার্সের প্রয়োজন আছে। অথচ কিছুই নেই। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে বারবার জানিয়েও কাজ হয়নি। এ অবস্থায় আউটডোর, ইনডোর ও অটি (অপারেশন থিয়েটার) মিলে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ২০০ রোগীকে চিকিৎসা দিতে হয়।

সবকিছু আছে অথচ চিকিৎসকের অভাবে চালু হয়নি কার্ডিওলজি বিভাগ। দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে গরিব ও অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি স্থানীয়দের।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, চাহিদার তুলনায় চিকিৎসক ও নার্স সংকট রয়েছে জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নার্স নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন। সংকটের মধ্যে দিয়ে যতদূর পারছি, চিকিৎসাসেবা চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি আমরা।


/এএম/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন শনাক্তের দিনে ৬ মৃত্যু

চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন শনাক্তের দিনে ৬ মৃত্যু

ছবি তুলতে বেরোনোর ২৬ দিন পর দুই কিশোরী উদ্ধার 

ছবি তুলতে বেরোনোর ২৬ দিন পর দুই কিশোরী উদ্ধার 

বাংলাবান্ধায় ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন, চালক দগ্ধ

বাংলাবান্ধায় ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন, চালক দগ্ধ

নদীতে গোসলে নেমে প্রাণ গেলো ২ শিশুর

নদীতে গোসলে নেমে প্রাণ গেলো ২ শিশুর

চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন শনাক্তের দিনে ৬ মৃত্যু

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১৮

চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ কমে এলেও আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার তেমন কমেনি। করোনা আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে প্রতিদিন তিন থেকে চার জন করে রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে আরও ছয় জন মারা গেছেন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ২৭৪ জন মারা গেলেন। 

অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ জন। গত কয়েক মাসে এটি সর্বনিম্ন শনাক্ত। এ নিয়ে চট্টগ্রামে এক লাখ ৮৬৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭৩ হাজার ১২৩ জন চট্টগ্রাম নগরীর। বাকি ২৭ হাজার ৭৪২ জন চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ১০টি ল্যাবে এক হাজার ৪৩০টি নমুনা পরীক্ষায় ৬৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৮৭টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৪২০টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩২৩টি এবং আরটিআরএল ল্যাবে ৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। 

এর মধ্যে চবি ল্যাবে ১১ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে চার জন, চমেক ল্যাবে ২৪ জন এবং আরটিআরএল ল্যাবে তিন জনের করোনা শনাক্ত হয়।

অন্যদিকে বেসরকারি ইমপেরিয়াল হাসপাতালে ১০৫টি নমুনা পরীক্ষায় পাঁচ জন, শেভরন ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে ৩৪৯টি নমুনা পরীক্ষায় তিন জন, মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে ১০টি নমুনা পরীক্ষায় কারো শরীরে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ইপিক হেলথ কেয়ারের ১০২টি নমুনা পরীক্ষায় ১০ জন এবং ল্যাবএইডে ছয়টি নমুনা পরীক্ষায় একজনের করোনা শনাক্ত হয়।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

এক জেলায় নেই ৩৮৩ চিকিৎসক-নার্স, ভোগান্তিতে রোগীরা

এক জেলায় নেই ৩৮৩ চিকিৎসক-নার্স, ভোগান্তিতে রোগীরা

কুমিল্লায় খোলেনি ৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দরজায় ঝুলছে তালা

কুমিল্লায় খোলেনি ৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দরজায় ঝুলছে তালা

সাম্যবাদী আন্দোলনের আহ্বায়কের লাশ উদ্ধার

সাম্যবাদী আন্দোলনের আহ্বায়কের লাশ উদ্ধার

গৃহবধূকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, আটক ২

গৃহবধূকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, আটক ২

‘নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করা হচ্ছে’  

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৫

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে কক্সবাজারের টেকনাফে ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের’ ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। কিছু অসাধু চক্র নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও প্রভাবিত করতে সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে অপতৎপরতা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা। অনেক প্রার্থীও এমন ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। 

২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় টেকনাফের চার ইউপির নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অধিকাংশ চেয়ারম্যান প্রার্থী এমন অভিযোগ করেন। রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ চৌধুরীর সভাতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ।

সভায় হ্নীলা ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী রাসেদ মাহামুদ আলী অভিযোগ করেন, ‘আমার নির্বাচনি এলাকা রোহিঙ্গা অধ্যুষিত হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ক্যাম্পের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে নিয়ে আসছে। কিছু দিন আগে আমার এক সমর্থককে গুলি করে হত্যা করেছিল তারা। এটা উদ্বেগের বিষয়, এটি জরুরি ভিত্তিতে দেখতে হবে। এমনও খবর আছে যে, পাহারার নামে এসব স্বশস্ত্র বাহিনী ভোটকেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা দেবে। ফলে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর হতে হবে।’

স্বচ্ছ ব্যালটবক্স ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পারলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে উল্লেখ করে সাবরাংয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুর হোসেন বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকায় প্রতিপক্ষের প্রার্থীর স্বজনরা লাইসেন্সধারী অস্ত্র ব্যবহার করে সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাই নির্বাচন সময়ে এসব অস্ত্র সরকারের জিম্মায় নিয়ে আসতে হবে। না হলে অপীতিকর ঘটনা ঘটবে। পাশাপাশি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করতে হবে। 

একই ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী সোনা আলী জানান, ‘আমার জনপ্রিয়তা দেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। কিন্তু দলীয় নেতাকর্মীরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এমনকি তারা প্রভাব খাটিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সুবিধামতো ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে।’

এএসপি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ‘সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন উপহার দিতে সর্বোচ্চ আইন প্রযোগ করা হবে। নির্বাচনি নীতিমালা লঙ্ঘন করলে কোনও পরিচয়ে কেউ ছাড় পাবে না।’  

ডিসি মো. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োচনে আমরা সবাই কাজ করছি। বাইরে থেকে কোনও লোক এখানে আসার সুযোগ নেই। নির্বাচনে কেউ অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করলে, কোনও আদেশের অপেক্ষা না করে দ্রুত আইন প্রয়োগ করা হবে। তাছাড়া প্রার্থীকে আচরণবিধি মেনে নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে হবে। নইলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এসএম শাহাদাৎ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান, স্বাগত বক্তব্য রাখেন, টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সদর, হোয়াইক্যং ও হ্নীলা ইউনিয়নে রির্টানিং কর্মকর্তা মো. বেদারুল ইসলাম, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া-টেকনাফ সার্কেল) শাকিল আহমদ ও সহকারী কমিশনার ভূমি এরফানুল হক চৌধুরী ও সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা রির্টানিং কর্মকর্তা ও রামু নির্বাচন অফিসার মাহফুজুল ইসলাম প্রমুখ।

এদিকে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় টেকনাফ উপজেলার চার ইউনিয়নের নির্বাচনে ২৫ চেয়ারম্যান প্রার্থী, সদস্য পদে ৩৩৭ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৬৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর ও সাবরাং ইউনিয়নে মোট ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৭৫৬ জন। এরমধ্যে নারী ৫৯ হাজার ২৬৫ ও ৫৮ হাজার ৪৫১ জন পুরুষ ভোটার রয়েছে। তবে বৈরি আবহাওয়ার কারণে সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

উখিয়া ও টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

উখিয়া ও টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

নাফ নদে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত

নাফ নদে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত

সৎমায়ের নির্যাতনের শিকার শিশুর হাসপাতালে মৃত্যু

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৩১

নির্যাতনের শিকার আড়াই বছরের শিশু মরিয়ম আক্তার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। সৎমায়ের মারাত্মক নির্যাতনের  শিকার হওয়ার পর শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, এক মাস শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

শিশু মরিয়ম ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার বাঁশিয়া গ্রামের মোস্তফা কামালের মেয়ে। মোস্তফা দুবাই প্রবাসী।

শিশুটির সৎমা আলিফা আক্তার রিপা (৩০) মাগুরা জেলার সদর উপজেলার ধনপাড়া গ্রামের রজব আলী বিশ্বাসের মেয়ে। গত ১৪ আগস্ট শিশুটির দাদা আফাজ উদ্দিন তাকে অভিযুক্ত করে শ্রীপুর থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। স্বামীর কাছ থেকে একটি বহুতল পাকা ভবন লিখে নিতে লোভের কারণে সৎমা শিশুটিকে নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

শিশুটির দাদা জানান, তার ছেলে মোস্তফা কামালকে গত ১৩ বছর যাবৎ দুবাই প্রবাস যাপন করছেন। প্রবাসের উপার্জিত অর্থ দিয়ে মোস্তফা কামাল গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা এলাকায় ১৪ শতক জমি কেনেন। সেখানে তিনি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করেন। আট বছর আগে সাবিনা ইয়াছমিন নামে এক নারীকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন মোস্তফা। তাদের সংসারে শিশু মরিয়ম আক্তারের জন্ম হয়। শিশুটি জন্মের পর দুবাই প্রবাসকালে অভিযুক্ত আলিফা আক্তার রিপার সঙ্গে মোস্তফা কামালের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রিপাও বেশ কয়েক বছর দুবাই প্রবাসী ছিলেন। ওই সম্পর্ক পরে বিয়েতে গড়ায়। তারা উভয়ে দেশে ফেরেন। সম্পর্কে হওয়ার পর রিপা মোস্তফার প্রথম স্ত্রী সাবিনাকে ত্যাগ করাসহ একাধিক শর্ত দেন। তার চাপে সব শর্তে মোস্তফা রাজী হয়ে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটান। ওই সময় শিশু মরিয়মের বয়স ছিল চার মাস। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর রিপাকে বিয়ে করেন মোস্তফা কামাল। বিয়ের পর ছয় মাস আগে আড়াই বছরের শিশুকে দ্বিতীয় স্ত্রীর কাছে রেখে আবার দুবাই চলে যান তিনি। এরপর শিশুটির পায়ুপথ ও যৌনাঙ্গে নানাভাবে নির্যাতন শুরু করেন রিপা। সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছিল।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘হাসপাতালে শিশুটির চিকিৎসা চলছিল। নির্যাতনে পায়ুপথ ও যৌনাঙ্গে সংক্রমণ তৈরি হয়ে তা ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো শরীরে। চিকিৎসকরা শিশুটির অস্ত্রোপচারও করেছিলেন। অভিযুক্ত সৎমা আলিফা আক্তার রিপা জেল হাজতে রয়েছেন। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে যত দ্রুত সম্ভব মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

৪ শিশুকে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে মামলা

৪ শিশুকে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে মামলা

গাজীপুরে মাদক বিক্রির সময় রোহিঙ্গাসহ গ্রেফতার ২

গাজীপুরে মাদক বিক্রির সময় রোহিঙ্গাসহ গ্রেফতার ২

বিনা নোটিশে কারখানার ১৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাইয়ের অভিযোগ

বিনা নোটিশে কারখানার ১৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাইয়ের অভিযোগ

দ্বিতীয় ডোজ না নিয়েও সনদ গ্রহণের ঘটনা তদন্তে কমিটি

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০৫

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় করোনাভাইরাসের টিকার দ্বিতীয় ডোজ না নেওয়া ৮৫৮ জনের সনদ গ্রহণের ঘটনায় চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ জানান, এ ঘটনায় গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার চম্পক কিশোর সাহা সুমনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন– মেডিক্যাল অফিসার ইমরান আহমেদ চৌধুরী, প্রধান অফিস সহকারী সিরাজুল ইসলাম।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ আগস্ট গণটিকা কর্মসূচিতে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকাদান কেন্দ্রে এসে সাত হাজার ৭৯০ জন প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন। এর ঠিক এক মাস পর ৭ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেন ছয় হাজার ৯৩২ জন। ওইদিন টিকা নিতে আসেননি প্রথম ডোজ নেওয়া ৮৫৮ জন। সেদিন দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসা কিছু মানুষের কার্ডের কিউআর কোড স্ক্যান করা সম্ভব হয়নি। ফলে কারা টিকা নিয়েছেন তা শনাক্ত করা যায়নি। এর ফলে প্রথম ডোজ নেওয়া সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে মর্মে মেসেজ পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের দ্বিতীয় ডোজ না নেওয়া ৮৫৮ জনের কাছেও একই মেসেজ পৌঁছে। তারা অনেকেই দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ না করেই সনদ ডাউনলোড করে নিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

এ বিষয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, ‘দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ না করেই যাদের ফোনে মেসেজ গেছে তাদের আমরা চিহ্নিত করেছি। তাদের মধ্যে অধিকাংশই ইতোমধ্যে টিকা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া এ ঘটনা শুধুই ভুল নাকি অন্য কিছু সেটি জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে এক সপ্তাহের ভেতরে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।’

 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

মৌলভীবাজারে প্রথমদিন উপস্থিতি কম

মৌলভীবাজারে প্রথমদিন উপস্থিতি কম

দেশে দক্ষ জনশক্তির অভাব: পরিকল্পনামন্ত্রী

দেশে দক্ষ জনশক্তির অভাব: পরিকল্পনামন্ত্রী

ডাকাতি শেষে পালানোর সময় গণপিটুনিতে নিহত ১, গুলিবিদ্ধ ৫

ডাকাতি শেষে পালানোর সময় গণপিটুনিতে নিহত ১, গুলিবিদ্ধ ৫

ময়মনসিংহে ফের বেড়েছে শনাক্তের হার

ময়মনসিংহে ফের বেড়েছে শনাক্তের হার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

এক জেলায় নেই ৩৮৩ চিকিৎসক-নার্স, ভোগান্তিতে রোগীরা

এক জেলায় নেই ৩৮৩ চিকিৎসক-নার্স, ভোগান্তিতে রোগীরা

ছবি তুলতে বেরোনোর ২৬ দিন পর দুই কিশোরী উদ্ধার 

ছবি তুলতে বেরোনোর ২৬ দিন পর দুই কিশোরী উদ্ধার 

বাংলাবান্ধায় ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন, চালক দগ্ধ

বাংলাবান্ধায় ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন, চালক দগ্ধ

নদীতে গোসলে নেমে প্রাণ গেলো ২ শিশুর

নদীতে গোসলে নেমে প্রাণ গেলো ২ শিশুর

পেঁয়াজের কেজি ২৫ টাকা!

পেঁয়াজের কেজি ২৫ টাকা!

ভাঙা হা‌ত নিয়ে বিদ্যালয়ে হা‌জির জিহান

ভাঙা হা‌ত নিয়ে বিদ্যালয়ে হা‌জির জিহান

দেড় বছর পর ক্যাম্পাসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগা‌ন

দেড় বছর পর ক্যাম্পাসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগা‌ন

শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি গ্রেফতার

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি গ্রেফতার

চারবার ভাঙনের শিকার এক বিদ্যালয়

চারবার ভাঙনের শিকার এক বিদ্যালয়

টাকা চুরির অপবাদে মাকে পেটালেন ছেলে

টাকা চুরির অপবাদে মাকে পেটালেন ছেলে

সর্বশেষ

এক জেলায় নেই ৩৮৩ চিকিৎসক-নার্স, ভোগান্তিতে রোগীরা

এক জেলায় নেই ৩৮৩ চিকিৎসক-নার্স, ভোগান্তিতে রোগীরা

চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন শনাক্তের দিনে ৬ মৃত্যু

চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন শনাক্তের দিনে ৬ মৃত্যু

স্পেনে দাবানলে বাস্তুচ্যুত হাজারো মানুষ, আগুন নিয়ন্ত্রণে নেমেছে সেনা

দাবানলে পুড়ছে স্পেন

এলপিজির দাম নির্ধারণে গণশুনানি আজ

এলপিজির দাম নির্ধারণে গণশুনানি আজ

‘নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করা হচ্ছে’  

‘নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করা হচ্ছে’  

© 2021 Bangla Tribune