ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় ওরফে নিলয় নীল হত্যার অভিযোগের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ পিছিয়েছে। সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১২ অক্টোবর দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।
সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আলমগীর হোসেনের আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বেলাল হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আজ মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে আদালতের জারি করা পরোয়ানা সত্ত্বেও সাক্ষীরা হাজির হননি। কারাগারে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাদের আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, এ মামলায় মোট ১৫ জন সাক্ষী রয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীর মধ্যে রয়েছেন নিলয়ের স্ত্রী ও মামলার বাদী আশা মনি। আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের আগস্টে প্রথম সাক্ষ্য দেন আশা মনি।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট রাজধানীর খিলগাঁওয়ের গোড়ানের ১৬৭ নম্বর বাড়ির পঞ্চমতলায় ভাড়া বাসায় খুন হন ব্লগার নিলয়। বাসাভাড়া নেওয়ার কথা বলে চার যুবক নিলয়ের বাসায় ঢুকে তার স্ত্রী আশামণিকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নীলয়কে হত্যা করে। ওই ঘটনায় ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিলয়ের স্ত্রী অজ্ঞাত চার জনকে আসামি করে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
পাঁচ বছর তদন্তের পর ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন– সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব, কাওসার হোসেন খান, মাসুম রানা, সাদ আল নাহিন, মো. কামাল হোসেন সারদার, মাওলানা মুফতি আবদুল গাফফার, মো. মোর্তুজা ফয়সাল সাব্বির, মো. তারেকুল আলম ওরফে তারেক, খায়রুল ইসলাম ওরফে জামিল, মোজাম্মেল হোসেন সাইমন, মো. আরাফাত রহমান এবং মো. শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের।

পে-স্কেল নিয়ে ‘সুখবর’ দিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব







