জোহানেসবার্গ ও ডারবানে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেওয়ার একদিন পর আশ্রয়ের আবেদন গ্রহণের অনুমতি দেওয়া একটি নির্দেশনা প্রত্যাহার করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) মন্ত্রণালয় এ কথা জানায়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
৭ জুলাই সাংবিধানিক আদালতের একটি রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নির্দেশনাটি দেওয়া হয়েছিল। ওই রায়ে বলা হয়, অবৈধভাবে দেশে ঢোকার মতো শুধু প্রক্রিয়াগত কারণে আশ্রয়প্রার্থীদের দেশটির আশ্রয় ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নির্দেশনাটি কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে জারি করা হয়েছিল। তবে বাস্তবায়নের কয়েক দিনের মধ্যেই শরণার্থী অভ্যর্থনা কার্যালয়গুলোয় চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে, কর্মকর্তারা ঝুঁকিতে পড়েন এবং জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা হুমকির মুখে পড়ে।
আদালতের রায় নিয়ে অপতথ্য ছড়ানোর দায় দিয়েছে সরকার। সরকার বলেছে, রায়ে নথিবিহীন অভিবাসীদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে শরণার্থীর মর্যাদা, স্থায়ী বসবাসের অধিকার বা অন্য কোনও আইনি অধিকার দেওয়া হয়নি।
আফ্রিকার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভের ঢেউ সামলাচ্ছে, যা অন্যান্য আফ্রিকান দেশের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি করেছে এবং হাজার হাজার বিদেশিকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে। বেকারত্ব, অপরাধ ও সরকারি সেবার ওপর চাপের জন্য প্রায়ই অভিবাসীদের দায়ী করা হয়। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ নেই।
বৃহস্পতিবার উপকূলীয় শহর ডারবানে ১৪টি এবং জোহানেসবার্গের সোয়েতো এলাকায় ১০টি যানবাহনে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধরা। বিদেশিদের মালিকানাধীন দোকানেও লুটপাট চালানো হয়।
শুক্রবার সোয়েতোয় পুড়ে যাওয়া যানবাহনের অবশিষ্টাংশের কাছে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল পুলেং দিমপানে জানান, এলাকায় শান্ত পরিস্থিতি ফিরে এসেছে। ডারবানে পুলিশের মুখপাত্র রবার্ট নেটশিউন্দা বলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে। তিনি আরও জানান, পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপে অধিক ক্ষয়ক্ষতি ঠেকানো গেছে।
ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক ককরোচ জনতা পার্টির