ভারতের নয়াদিল্লির যন্তর-মন্তরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে ঢাকায় মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুরানা পল্টন থেকে মিছিলটি শুরু হয়। প্রেসক্লাব ঘুরে আবার পুরানা পল্টনে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ। এতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি রিনা মুর্মু।
মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকার ফ্যাসিবাদী কায়দায় যন্তর-মন্তরের আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে। ভারতের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং ছাত্র-যুব নেতাদের আটকের মধ্য দিয়ে দেশটির গণতন্ত্রকে বিপর্যস্ত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আন্দোলনকারীরা আন্দোলন আরও বেগবান করে বিজয় অর্জন করবেন বলে আশা প্রকাশ করে তাদের প্রতি সংহতি জানান তিনি।
রিনা মুর্মু বলেন, ভারতে নরেন্দ্র মোদি যেভাবে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করছেন, একই কায়দায় বাংলাদেশেও বন্দর রক্ষা ও দেশবিরোধী বাণিজ্যচুক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের দমন করছে তারেক রহমানের সরকার। এ দেশের মৌলবাদীরা ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এর বিরুদ্ধে তারা সংগ্রাম করছেন। ভারতের জনগণের আন্দোলনের প্রতিও সংহতি জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, ভারতের শীর্ষ রাজনৈতিক ও ছাত্র-যুব নেতাদের আটক করে নরেন্দ্র মোদি মনে করছেন, তিনি জিতে যাবেন। কিন্তু ইতোমধ্যে আন্দোলন সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মাসুম বলেন, তরুণ ও যুবকেরা ভারতকে শোষণ-বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। বাংলাদেশের প্রগতিশীল জনগণ ভারতের আন্দোলনকারীদের পাশে রয়েছে বলেও জানান তিনি।