দিল্লিতে সাম্প্রতিক আন্দোলনের সময় হাতে এসএফআইয়ের পতাকা নিয়ে দৌড়াচ্ছেন এক তরুণী, আর পেছনে তাদের আটকাতে পুলিশ, একটি মাত্র আলোকচিত্র রাতারাতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর মাধ্যমেই রাতারাতি লাইমলাইটে চলে আসেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত হাঁসরাজ কলেজের শিক্ষার্থী পুঝাক্কাল পবিত্রা।
কেরালার পালক্কাদ জেলার বাসিন্দা ২০ বছর বয়সী এই তরুণী হাঁসরাজ কলেজে নৃবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর তথ্য অনুযায়ী, তিনি গত প্রায় দুই বছর ধরে স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার (এসএফআই) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
দিল্লিতে এসএফআই আয়োজিত তিরঙ্গা উইমেন র্যালিকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটে। ১১ অক্টোবর র্যালিটি শুরু হওয়ার আগেই পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটক করতে শুরু করে। পবিত্রাও আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ছিলেন। সেই সময় হাতে পতাকা নিয়ে তার দৌড়ানোর ছবিটি ভাইরাল হলে আন্দোলনের প্রধান পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পবিত্রা জানান, পুলিশ যখন নারী পুলিশ সদস্যদের ডাকছিল, তখন বিক্ষোভকারীরা দৌড়াতে শুরু করেন। তিনি বলেন, দৌড়ানোর সময় তার হাতে যে তখনও পতাকাটি ছিল, তা তিনি নিজেও অনুধাবন করতে পারেননি। পুলিশি পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিবাদ করা নাগরিকের মৌলিক অধিকার এবং এখন এই ব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করার সময় এসেছে।
পবিত্রার রাজনৈতিক সক্রিয়তার পাশাপাশি তার পারিবারিক পটভূমিও সামনে এসেছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, তার মা পালক্কাদে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) বা সিপিআই(এম)-এর সদস্য এবং তার মাতামহ কেভি চন্দ্রন মানকারা এলাকার একজন প্রবীণ কমিউনিস্ট নেতা ও সাবেক পঞ্চায়েত প্রধান (সরপঞ্চ) ছিলেন।
হুথি হামলা বাড়ায় ইরান-সৌদিকে ভিন্ন বার্তা পাকিস্তানের