X
সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ব্রেক্সিট: কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৬, ১৭:২৪
image

আসছে ২৩ জুন যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকা না থাকার প্রশ্নে নিজেদের রায় দেবেন ব্রিটিশ জনগণ। ওইদিন অনুষ্ঠিত গণভোটেই নির্ধারিত হবে ব্রিটেনের পরিণতি। সুরাহা হবে আলোচিত ব্রেক্সিট ইস্যুর। কিন্তু এ ব্রেক্সিট আসলে কী? কিসের প্রেক্ষিতে এ সারসংক্ষেপের উৎপত্তি? কেন ব্রিটিশ নাগরিকদের কেউ কেউ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়তে চান? কেনইবা আবার সব ব্রিটিশ নাগরিক ইইউ ছাড়তে চান না? এ ব্যাপারে ব্রিটিশ অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মত কী? ব্রিটেনের গণভোটকে সামনে রেখে এমন সব প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক। এই প্রতিবেদনে সেইসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে।

ব্রেক্সিট

 

ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রসঙ্গ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিংবা ইইউ হলো ২৮টি সদস্য রাষ্ট্রবিশিষ্ট একটি অর্থনৈতিক জোট। কেবল জোটই নয়, বলা চলে এটি মুক্ত-বাণিজ্য অঞ্চলের চেয়েও বেশি কিছু। ইইউ’র জিডিপি ১৮ হাজার বিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশি। প্রতিষ্ঠার পর গত অর্ধ শতকেরও বেশি সময় ধরে ইইউ স্বাতন্ত্র্য বাড়িয়েছে। আলাদা করে গড়ে তুলেছে ইউরোপীয় কমিশন, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট, ইউরোপিয়ান কোর্ট অব জাস্টিস। ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটিতে যোগ দেয়। পরে এ কমিউনিটিই ইইউ নামে প্রতিষ্ঠা পায়।

আরও পড়ুন: ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে’ মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হলো শিশু

 

ব্রেক্সিট কী?

ব্রেক্সিট হলো ব্রিটিশ এক্সিটের সংক্ষেপিত রূপ। অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তথা এক্সিট বোঝাতে ব্রেক্সিট শব্দটি ব্যবহার করা হয়। শব্দটি অনেকটা গ্রেক্সিটের মতো। গ্রিস ইউরোজোন থেকে ছিটকে পড়তে পারে বলে কয়েক বছর ধরে যে সম্ভাবনার গুঞ্জন চলছিল তা থেকেই গ্রেক্সিট শব্দটি চালু হয়েছিল। সে ধারাবাহিতায় ব্রিটেনের এক্সিট অর্থাৎ ব্রিটেনের ইইউ থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রশ্নে চালু হয় ব্রেক্সিট শব্দটি।

ব্রিটেন ও ইইউ`র পতাকা

 ব্রেক্সিট ইস্যুর প্রেক্ষাপট

 যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের আধিক্য নিয়ে ব্রিটিশ নাগরিকদের মধ্যে এক ধরণের অস্বস্তি রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়ম অনুযায়ী ইইউভুক্ত ২৮টি দেশের নাগরিক ভিসা ছাড়াই এক দেশ থেকে আরেক দেশে প্রবেশ করতে পারে। আর সে কারণে গত মেয়াদে ডেভিড ক্যামেরন সরকার ইইউর বাইরের দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে সক্ষম হলেও ইইউভুক্ত নাগরিকদের প্রবেশ ঠেকাতে পারেনি। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এবারের মেয়াদে ইইউভুক্ত দেশের নাগরিকদের যুক্তরাজ্যে প্রবেশ নিরুৎসাহিত করতে চার বছরের জন্য সুবিধা ভাতা বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেন ক্যামেরন। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান ইইউভুক্ত দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। তাদের দাবি, সদস্য দেশের নাগরিকদের সুবিধা ভাতা প্রদানে বৈষম্য করা হলে তা হবে ইইউর প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্যের সাথে সাংঘর্ষিক।

আর তা নিয়ে যুক্তরাজ্যকে ইইউতে রাখা না রাখার ব্যাপারে প্রশ্ন তৈরি হয়।

আরও পড়ুন: মার্কিন জোটের বিমান হামলায় চারমাসে নিহত মাত্র ২০ বেসামরিক ব্যক্তি!

গণভোট প্রসঙ্গ

ব্রেক্সিট প্রশ্নে ইইউভুক্ত নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়ে অভিবাসীদের সুবিধা সীমিত করাসহ চারটি সংস্কার প্রস্তাব দেন ক্যামেরন। পরে সে প্রস্তাব নিয়ে ক্যামেরনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছান ইইউ নেতারা। ইইউ’র সঙ্গে সমঝোতার পর দেশে ফিরে গণভোটের তারিখ ঘোষণা করেন ক্যামেরন। ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী, গণভোটের ১৬ সপ্তাহ আগে তারিখ ঘোষণা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে হিসেবে ২৩ জুন তারিখটি নির্ধারণ করা হয়। ব্রিটেনের ইইউতে থাকা না থাকার প্রশ্নে দেশটির জনগণই ওই গণভোটে চূড়ান্ত রায় দেবেন। ব্রেক্সিট প্রশ্নে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তাই ওই গণভোটের রায় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আর তাই ২৩ জুন হয়ে উঠেছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

১৮ কিংবা তার চেয়ে বেশি বয়সী ব্রিটিশ, আইরিশ কিংবা কমনওয়েলথ নাগরিকেরা এ গণভোটে অংশ নিতে পারবেন।  ভোট দিতে পারবেন ১৫ বছরের কম সময় ধরে বিদেশে থাকা ব্রিটিশ নাগরিকরাও।

ইইউতে থাকার পক্ষে ক্যামেরনের উদ্যোগকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না খোদ রক্ষণশীলদের (কনজারভেটিভ) অনেকে। তবে লেবার পার্টি শুরু থেকেই ইইউ তে থাকার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে।  লিবারেল ডেমোক্র্যাটস (লিবডেম), এসএনপি এবং গ্রিন পার্টিও চায় যুক্তরাজ্য ইইউতে থাকুক। অপর পক্ষে ইউকেআইপি যুক্তরাজ্যের ইইউতে থাকার ঘোরতর বিরোধী।  

ব্রিটিশ এক্সিটের প্রতিকী ছবি

ব্রিটেন ইইউ থেকে বের হয়ে গেলে পরবর্তীতে কী হতে পারে


ইইউ থেকে বের হয়ে গেলে ব্রিটেনের পরিণতি কী হতে পারে তা নিয়ে দুই ধরনের মতামত রয়েছে।  ইইউবিরোধীদের কেউ কেউ বলছেন, এ জোট থেকে বের হয়ে আসলে ব্রিটেনের একক বাজার তৈরি হবে এবং জনগণ অবাধ চলাচলের সুযোগ পাবে। অন্যদিকে বিরোধীরা বলছেন, এ ধরনের ভাবনা অনেক বেশি কাল্পনিক। তাদের মতে, ইইউ থেকে বের হলে ব্রিটেনকে হয় নরওয়ের মতো ইইউ’র বাজেটে অর্থের যোগান দিয়ে যাওয়া এবং জোটের বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করে যেতে হবে কিংবা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিধিমালার আওতায় এসে ইইউ’র সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে হবে। ব্রেক্সিটের প্রভাব কী হতে পারে তা দুটো বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে। তার একটি হলো, ব্রেক্সিটের পর যুক্তরাজ্য ইইউ’র সঙ্গে কেমন ধরনের সম্পর্ক রাখতে চায় এবং অন্যটি হলো ইইউ আদৌ সে ধরনের সম্পর্কে রাজি হবে কিনা। তবে যতটুকু বোঝা যাচ্ছে তাতে ইইউ’র সঙ্গে যুক্তরাজ্যের নরওয়ে ধাঁচের সম্পর্ক রাখার সম্ভাবনা কম। সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে দূরবর্তী সম্পর্ক গড়ে ওঠার সম্ভাবনাই জোরালো হয়ে উঠেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বের হওয়া না হওয়া প্রশ্নে গণভোট ২৩ জুন

অর্থনীতি বিশ্লেষকরা কী মনে করেন

ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদদের অনেকেই বিশ্বাস করেন যে ইইউ থেকে বের হয়ে আসাটা যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির জন্য খারাপ হবে। ১শ জনেরও বেশি প্রভাবশালী চিন্তাবিদের ওপর ফিনান্সিয়্যাল টাইমসের চালানো জরিপে দেখা গেছে ব্রেক্সিট হলে ২০১৬ সালে যুক্তরাজ্যের প্রবৃদ্ধি বাড়বে না। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অর্থনীতিবিদ মনে করেন ইইউ থেকে বের হয়ে আসলে বহির্বিশ্বে ব্রিটেনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে। মাত্র ৮ শতাংশ মনে করেন ইইউ থেকে আলাদা হলে ব্রিটেন লাভবান হবে। ২০ শতাংশেরও কম অর্থনীতিবিদ মনে করছেন ইইউ ছাড়লে খুব সামান্যই পরিবর্তন ঘটবে।

আরও পড়ুনঃ বিয়ের পাত্রী হিসেবে চীনে পাচার হচ্ছেন ভিয়েতনামের নারী 

ইউরোপীয় ই্উনিয়নে যুক্তরাজ্যের থাকা না থাকার প্রশ্নে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটকে সামনে রেখে চলছে 'ভোট লিভ' এবং 'কনজারভেটিভস ফর ব্রিটেন' নামে আলাদা দুটি ক্যাম্পেইন। 'ভোট লিভ'ক্যাম্পেইনটি চালাচ্ছে যুক্তরাজ্যের স্বাধীন ধারার বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। আর 'কনজারভেটিভস ফর ব্রিটেন' ক্যাম্পেইনটি চালাচ্ছেন ইইউবিরোধী টোরি রক্ষণশীল নেতারা,যারা ক্যামেরনের দলেরই লোক। তবে ক্যামেরন সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে সম্মতি জানালেও অনেকেই আবার ক্যামেরনের বিপক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। লন্ডনের মেয়র বরিস জনসনও চান যুক্তরাজ্য ইইউ থেকে বেরিয়ে আসুক। শেষ পর্যন্ত কাদের জয় হয় তা দেখার জন্য ২৩ জুন পর্যন্ত অপেক্ষার পালা। সূত্র: ফিনান্সিয়াল টাইমস, গার্ডিয়ান, বিবিসি

/এফইউ/বিএ/

সম্পর্কিত

ইরানকেই দুষছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকেই দুষছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

কিউবার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

কিউবার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

মাদাগাস্কারে সেনা কর্মকর্তা আটক, প্রেসিডেন্ট হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০৭:৪৪
image

মাদাগাস্কারের প্রেসিডেন্টকে হত্যার ব্যর্থ চেষ্টার অভিযোগে দেশটির উচ্চ পদস্থ সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচ জন জেনারেল এবং বেশ কয়েক জন সক্রিয় পুলিশ কর্মকর্তা। এর মধ্য দিয়ে গত মাসের ব্যর্থ হত্যা চেষ্টার ঘটনায় ২১ জনকে তদন্তের আওতায় আনা হলো। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

মাদাগাস্কারে চলমান বিভিন্ন সংকটের মধ্যে একটি হলো প্রেসিডেন্ট আন্দ্রে রাজোয়েলিনাকে হত্যার চেষ্টা। গতস বছর করোনা মহামারি শুরুর পর থেকেই দেশটিতে লকডাউন চলছে। এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলে চলছে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি।

গত মাসে মাদাগাস্কার সরকারের এক ঘোষণায় বলা হয় প্রেসিডেন্টসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিতে হত্যার চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে। তারও প্রায় এক মাস আগে দেশটির পুলিশ প্রধানকে হত্যার ব্যর্থ চেষ্টা হয়।

প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টায় রবিবার যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে ১২ জন সেনা ও পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচ জন জেনারেল, দুই জন ক্যাপ্টেন এবং পাঁচজন নন-কমিশন অফিসার রয়েছেন। এছাড়া গতস সপ্তাহে বেশ কয়েকজন স্থানীয় ও বিদেশিকে গ্রেফতার করা হয়।

২০০৯ সালে সেনাবাহিনীর সমর্থনে মার্ক রাভালোমানার কাছ থেকে ক্ষমতা দখল করেন প্রেসিডেন্ট আন্দ্রে রাজোয়েলিনা (৪৭)। সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচনে রাভালোমানাকে পরাজিত করেন তিনি। তবে এই নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, সাবেক ফরাসি উপনিবেশ মাদাগাস্কার ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। তারপর থেকে দেশটিতে অভ্যুত্থান ও বিশৃঙ্খলার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

তিউনিসিয়ায় অস্থিরতার জন্য আমিরাতকে দুষলেন এন্নাহদা প্রধান

তিউনিসিয়ায় অস্থিরতার জন্য আমিরাতকে দুষলেন এন্নাহদা প্রধান

ইথিওপিয়ায় এক লাখ শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা

ইথিওপিয়ায় এক লাখ শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

ইরানকেই দুষছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০৫:৩৭
image

ইসরায়েলের পর ওমান উপকূলে তেলের ট্যাংকারে প্রাণঘাতী হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করেছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। দেশ দুইটির বিশ্বাস ওই হামলার নেপথ্যে রয়েছে ইরান। একে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন দাবি করে এর পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার ওমান উপকূলে হামলার শিকার হয় ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত ট্যাংকার এমভি মারসার স্ট্রিট। হামলায় এক ব্রিটিশ ও এক রোমানিয়ান নাগরিকের মৃত্যু হয়। হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেন্নেত। তার দাবি এই হামলায় আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বি ইরানের জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে তাদের কাছে। তবে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইরান।

রবিবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডোমিনিক রাব এক বিবৃতিতে বলেছেন, লন্ডন বিশ্বাস করে ইরান এক বা একাধিক ড্রোন এমভি মারসার স্ট্রিটের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছে। এই হামলাকে তিনি ইচ্ছাকৃত এবং স্পষ্টত আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ইরানকে অবশ্যই এই ধরনের হামলা থামাতে হবে আর জাহাজগুলোকে স্বাধীনভাবে চলাচল করতে দিতে হবে।’

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন ওয়াশিংটনও আত্মবিশ্বাসী যে ইরান এই হামলা পরিচালনা করেছে। এর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রতিক্রিয়া দেখানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

ইসরায়েল ও ইরানের পরিচালিত জাহাজে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। মার্চ থেকে শুরু হওয়া এসব ঘটনাকে পাল্টাপাল্টি হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অস্পষ্ট ছায়া যুদ্ধ আর পাল্টাপাল্টি অস্বীকার- ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। কিন্তু মারসার স্ট্রিট জাহাজে প্রাণঘাতী ঘটনা উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে এমন এক সময় এই উত্তেজনা বাড়ছে যখন ভিয়েনায় চলছে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক আলোচনা। ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে ছয় বিশ্বশক্তির স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তি আবারও সক্রিয় করার চেষ্টায় রয়েছেন কর্মকর্তারা। ওই চুক্তিতে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বাদ দেওয়ার বিনিময়ে ইরানের উপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় ওয়াশিংটন।

/জেজে/

সম্পর্কিত

লকডাউন কার্যকরে সেনা মোতায়েন চান ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

লকডাউন কার্যকরে সেনা মোতায়েন চান ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ট্যাংকারে হামলা নিয়ে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা

ট্যাংকারে হামলা নিয়ে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা

লকডাউন কার্যকরে সেনা মোতায়েন চান ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০৩:৪৫
image

ইরানে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকা করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে দুই সপ্তাহের লকডাউন কার্যকর করতে চেয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সায়িদ নামাকি। এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন চেয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনিকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। রবিবার এই চিঠির খবর ফলাও করে প্রকাশ করেছে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলো।

আগামী ৫ আগস্ট শপথ নিতে যাচ্ছেন ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। তিনি দায়িত্ব নিলে দায়িত্ব হারাতে পারেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সায়িদ নামাকি। তবে তার আগেই লকডাউন কার্যকরে সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনা চেয়েছেন তিনি।

আয়াতুল্লাহ খোমেনিকে লেখা চিঠিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘চাপ এতো বেশি যে, আমার আশঙ্কা এই পদক্ষেপও যথেষ্ট হবে না, যদি না আমরা দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে ক্রমবর্ধমান অসুস্থতা প্রতিহত করি।’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান করোনাভাইরাস সংক্রমণের পঞ্চম ঢেউ চলছে। আর এবার আধিপত্য বিস্তার করছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। ফলে পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আরও বেশি বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সায়িদ নামাকি বলেন, ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় না ঘুমিয়ে আর চাপের কারণে আমার সহকর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।’ তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। গত সপ্তাহে ইরানের ৬৫টি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও ফ্যাকাল্টির তরফ থেকে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিকে চিঠি দিয়ে লকডাউন কার্যকরের আহ্বান জানানো হয়।

ইরানের সরকারি হিসেব অনুযায়ী ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ৩৯ লাখের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর মারা গেছেন প্রায় ৯১ হাজার মানুষ। মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশি করোনা কবলিত দেশ বিবেচনা করা হয় ইরানকে।

ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে রবিবার দেশটিতে নতুন করে ৩৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় মৃত্যু বেড়েছে প্রায় ৩৮ শতাংশ।

/জেজে/

সম্পর্কিত

ইরানকেই দুষছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকেই দুষছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র

ট্যাংকারে হামলা নিয়ে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা

ট্যাংকারে হামলা নিয়ে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা

তালেবান অগ্রযাত্রা ঠেকাতে আফগান বাহিনীর বোমাবর্ষণ

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০২:৪৭
image

গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে তালেবান অগ্রযাত্রা ঠেকাতে রাজপথে তীব্র লড়াইয়ের পাশাপাশি গোষ্ঠীটির বিভিন্ন অবস্থানে বোমা হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত শহরে মোতায়েন করা হয়েছে সরকারি বাহিনীর হাজার হাজার কমান্ডো। এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলীয় লস্কর গাহে তালেবান প্রতিহত করতে অতিরিক্ত সেনা চেয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। রবিবার এই শহরে সরকারি বাহিনীর বোমা হামলায় রাজপথে মৃতদেহ পড়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

রবিবার পুলিশ জানিয়েছে, আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কান্দাহার প্রদেশে একটি ট্যাক্সিতে মর্টার শেল আঘাত হানায় পাঁচ বেসামরিক নিহত হয়েছে। কান্দাহার শহরের বাইরে দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। ওই শহর ঘিরে তালেবান ও আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে লড়াই চলছে। হামলার জন্য তালেবানকে দায়ী করেছেন পুলিশ মুখপাত্র জামাল নাসের।

মে মাসের শুরুতে মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরুর পর দেশটিতে তালেবান ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে তুমুল লড়াই শুরু হয়েছে। বিস্তৃত দুর্গম এলাকা এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ক্রসিং দখলের পর তালেবানরা প্রাদেশিক রাজধানীগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহারে এক সময় তালেবানদের শক্ত অবস্থান ছিলো। রবিবার ভোরে শহরটির বিমানবন্দরে তিনটি রকেট হামলা হয়। এই ঘটনার পর বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। বিমানবন্দরের প্রধান মাসুদ পাশতুন জানান দুইটি রকেট রানওয়ে আঘাত হানে আর সংস্কার কাজ চলছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

ফের হামাস প্রধান নির্বাচিত হলেন ইসমাইল হানিয়া

ফের হামাস প্রধান নির্বাচিত হলেন ইসমাইল হানিয়া

সংঘাত এড়াতে সিকিম সীমান্তে চীন-ভারতের হটলাইন

সংঘাত এড়াতে সিকিম সীমান্তে চীন-ভারতের হটলাইন

নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন মোদি!

নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন মোদি!

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের শপথগ্রহণ ৫ আগস্ট

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের শপথগ্রহণ ৫ আগস্ট

ব্রাজিলের নির্বাচন ব্যবস্থা বদলের দাবি বলসোনারো সমর্থকদের

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০২:০০
image

ক্ষমতাসীন ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর সমর্থকেরা ব্রাজিলের নির্বাচন ব্যবস্থা বদলের দাবিতে মিছিল করেছেন। প্রেসিডেন্টের আহ্বানে সাড়া দিয়ে রিও ডি জেনিরোতে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা ইলেক্ট্রনিক নির্বাচনি ব্যবস্থা বদলের ডাক দিয়েছেন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট। কাতারিভত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ব্রাজিলে আগামী বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। আর এদিকে দুর্নীতি এবং করোনা মহামারি মোকাবিলার অভিযোগে নাকাল প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারো। তিনি এখন চাইছেন নির্বাচনি ব্যবস্থা বদল করে প্রত্যেক ভোটারকে ইলেক্ট্রনিক ব্যালট বক্সের প্রিন্টেড রিসিট প্রদান করা হোক। যাতে করে ভোটগুলো আলাদা করে গণনা করা যায়।

ধারণা করা হচ্ছে আগামী নির্বাচনে বলসোনারো কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছেন। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে বামপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা ডি সিলভা ২০২২ সালের নির্বাচনে বলসোনারোকে হারিয়ে দেবেন।

রিও ডি জেনিরোতে নির্বাচন ব্যবস্থা বদলের দাবিতে বিক্ষোভে যোগ দেয় প্রায় তিন হাজার বলসোনারো সমর্থক। ৪৬ বছর বয়সী রোনাল্ডো কালভালকান্তে বলেন, ‘আমরা চাইছি প্রকাশ্যে ভোট পুনর্গনণা হোক, আরও বেশি স্বচ্ছতার জন্য কারণ জালিয়াতির আশঙ্কা রয়েছে।’ এছাড়া রাজধানী ব্রাসিলিয়াতেও বিক্ষোভ হয়েছে।

ব্রাজিলের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বলছে, বর্তমানে প্রচলিত ভোটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ স্বচ্ছ আর এতে কখনও ব্যাপক অনিয়ম হয়নি। তবে কোনও প্রমাণ দেওয়া ছাড়াই বলসোনারোর অভিযোগ, ২০১৮ সালে যে নির্বাচনে তিনে জয় পান সেই নির্বাচনেও জালিয়াতি হয়েছে। তার দাবি এই জালিয়াতির কারণে তিনি প্রথম রাউন্ডে জয় পাননি। তবে এর কোনও প্রমাণ নেই।

/জেজে/

সম্পর্কিত

বিরল তুষারপাতে ঢেকে গেলো ব্রাজিল

বিরল তুষারপাতে ঢেকে গেলো ব্রাজিল

ব্রাজিলে করোনায় এক হাজার গর্ভবতী নারীর মৃত্যু

ব্রাজিলে করোনায় এক হাজার গর্ভবতী নারীর মৃত্যু

দেশে দেশে লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ

দেশে দেশে লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ

পেদ্রো কাস্তিলিও: গ্রামীণ স্কুলশিক্ষক থেকে পেরুর প্রেসিডেন্ট

পেদ্রো কাস্তিলিও: গ্রামীণ স্কুলশিক্ষক থেকে পেরুর প্রেসিডেন্ট

সর্বশেষ

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ২৩ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ২৩ মৃত্যু

যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া, পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া, পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে ৬ লাখ টাকা ছিনতাই

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে ৬ লাখ টাকা ছিনতাই

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১১ জনের মৃত্যু

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১১ জনের মৃত্যু

রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে রাজধানীর যে ৪ হাসপাতাল

রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে রাজধানীর যে ৪ হাসপাতাল

স্পারসোতে চাকরির সুযোগ

স্পারসোতে চাকরির সুযোগ

হেলেনা জাহাঙ্গীরের মামলা তদন্ত করবে ডিবি

হেলেনা জাহাঙ্গীরের মামলা তদন্ত করবে ডিবি

শের-ই-বাংলা মেডিক্যালে ২ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন

শের-ই-বাংলা মেডিক্যালে ২ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

মাদাগাস্কারে সেনা কর্মকর্তা আটক, প্রেসিডেন্ট হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

মাদাগাস্কারে সেনা কর্মকর্তা আটক, প্রেসিডেন্ট হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

ইরানকেই দুষছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকেই দুষছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র

সাঁওতালি উইকিপিডিয়ার তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

সাঁওতালি উইকিপিডিয়ার তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ইরানকেই দুষছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকেই দুষছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

কিউবার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

কিউবার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

কিউবায় আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

কিউবায় আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune