রবিবার বেলা দেড়টার দিকে নগরের পোর্টরোডস্থ কসাইখানা ট্রলারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত মুনিয়া (১৬) নগরের রসুলপুর কলোনীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হেলাল খলিফার মেয়ে এবং নিকটবর্তী এমইপি নামে এক বৈদ্যুতিক সামগ্রী তৈরীর কারখানার শ্রমিক।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ মো. আওলাদ হোসেন জানান, ‘ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশের তৎপরতায় ২ ঘণ্টার মধ্যেই হামলাকারী মনির আত্মসমর্পণ করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি।’
আহতের মা শাহানা বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘মুনিয়া নগরীর টাউন মমতাজ মজিদুন্নেছা বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সাত মাস আগে আর্থিক কারণে সে লেখাপড়া ছেড়ে এমইপি ফ্যাক্টরিতে কাজ নেয়।
স্থানীয় কলাপট্টি এলাকার ওয়াহেদ মিয়ার ছেলে মনির দীর্ঘদিন ধরে মুনিয়াকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু মনির বিবাহিত হওয়ায় মুনিয়া ও তার পরিবার সে প্রস্তাব প্রত্যাখান করে। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বেশ কয়েকবার বাক-বিতাণ্ডাও হয়েছে। ছয় মাস আগে একবার উত্যক্ত করবার জেরে সালিশ বিচারে মনির মুনিয়াকে আর উত্যক্ত করবে না বলে অঙ্গীকার করে। এই ঘটনার পরে কিছুদিন বন্ধ থাকার পরে বখাটে মনির আবার মুনিয়াকে উত্যক্ত করা শুরু করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো রবিবার দুপুরে খাওয়ার জন্য মুনিয়া এমইপি’র কারখানা থেকে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এ সময় পোর্টরোডস্থ কসাইখানা ট্রলারঘাট সংলগ্ন এলাকায় গতিরোধ করে বখাটে মনির তার ২ সহযোগীসহ ডাব কাটার দা দিয়ে মুনিয়াকে কুপিয়ে জখম করে। এতে মুনিয়ার ডান হাত ও দুই পায়ে গুরুত্বর জখম হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালের ভর্তি করে।’
/এসএনএইচ/