মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বুধবার বিকাল পৌনে ছয়টার দিকে প্রাপ্তি নগরীর ১০৬ বঙ্গবন্ধু সড়কের হাজি মঞ্জিলের চার তালায় তৌহিদ টিটোরিয়েল কোচিং সেন্টারে পড়তে যায়। কোচিং শেষে সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে সে সিড়ি দিয়ে নেমে যাওয়ার সময় অজ্ঞাত এক লোক (আনুমানিক বয়স ৪৮-৫২) কৌশলে তাকে মিষ্টি খাওয়ানোর প্রস্তাব দেয়। খেতে না চাইলে প্রাপ্তিকে ওই লোক মিষ্টি খাওয়ার জন্য পিড়াপিড়ি শুরু করে এবং এক পর্যায়ে প্রাপ্তির মুখে জোর করে মিষ্টি ঢুকিয়ে দেয়। এতে প্রাপ্তি মিষ্টি গিলে ফেলতে বাধ্য হয়। পরে সে রিকশা নিয়ে বাসায় ফেরার পথে অনুভব করে, তার বুক, পেট ও গলা জ্বালাপোড়া করছে। প্রাপ্তি বিষয়টি তার বাবাকে জানায়। ওই সময় পেছন ফিরে সে দেখে, ওই লোক একটি সাদা প্রাইভেটকারে সামনের সিটে বসে আছে এবং তার পেছনের সিটে আরও দুইজন আছে। গলাচিপা মোড় থেকে রিকশা বালুর মাঠ আসলে প্রাপ্তিকে তার বাবা হাসপাতালে নিয়ে যান।
এদিকে, পিপি ওয়াজেদ আলী খোকনের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য তার বাড়িতে একজন গানম্যানকে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নেতৃত্বে চার জন কনস্টেবলকেও তার নিরাপত্তা দেখভালের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ওয়াজেদ আলী খোকন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ আমাকে আশ্বস্ত করেছে তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। আমি পুলিশের তদন্তের অপেক্ষায় আছি।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরিফুদ্দিন বলেন, ‘মামলাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও ক্লু উদঘাটন করা যায়নি। তদন্ত কাজের অগ্রগতি হলে জানানো হবে।’