বিভিন্ন হোম ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য দেশেই প্রস্তুত ও বাজারজাত করে মার্সেল সুনাম অর্জন করেছে। পণ্য বিক্রির দিক দিয়েও মার্সেল বাংলাদেশে শীর্ষস্থানীয়। রোজা ও ঈদ উপলক্ষে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাড়তি চাহিদার সিংহভাগ নিজেদের দখলে নিতে কারখানায় উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে পর্যাপ্ত মজুদ। বাজারে ছাড়া হচ্ছে নতুন নতুন মডেলের পণ্য।
নিয়মিতভাবে গবেষণা এবং নতুন নতুন মডেলের পণ্য সরবরাহ, উৎপাদনে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উচ্চ গুণগতমান বজায় রাখা, রুচিশীল ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় কালার, সাশ্রয়ী মূল্য, সহজ কিস্তি সুবিধা, আইএসও স্ট্যান্ডার্ড বিক্রয়োত্তর সেবা, দেশব্যাপী বিস্তৃত সেলস ও সার্ভিস নেটওয়ার্ক এবং সর্বোপরি স্থানীয় আবহাওয়া উপযোগী করে দেশেই তৈরি হয় বলে মার্সেল ব্র্যান্ড ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করেছে। ফলে রোজায় গত বছরের চেয়ে ৪০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কোম্পানিটি।
মার্সেল ফ্রিজে যুক্ত হয়েছে ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তি। ফলে ফ্রিজের বিদ্যুত খরচ কমবে বহুলাংশে। কম্প্রেসার হবে দীর্ঘস্থায়ী। ফ্রিজ চালু থাকলেও বাড়তি কোনও শব্দ হবে না। মার্সেল ফ্রিজে রয়েছে ন্যানো হেল্থকেয়ার টেকনোলজি। যা খাবারকে সতেজ ও প্রাকৃতিক গুণাগুন অক্ষুন্ন রাখে। সবমিলিয়ে মার্সেল রেফ্রিজারেটর এখন এশিয়ার মান ছাড়িয়ে সর্বশেষ ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ডে উন্নীত হয়েছে।
মার্সেলের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (উত্তর) মোশারফ হোসেন রাজীব বলেন, পণ্যের মান উন্নয়নের পাশাপাশি দামও এবার কমানো হয়েছে। ক্রেতাদের বাড়তি ভিড় সামাল দিতে বিপণন কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ধরনের দিক নির্দেশনা। সর্বোপরি, রমজানে দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক্স পণ্যের যে বাড়তি চাহিদা তৈরি হবে তার সিংহভাগই মার্সেল দখল করতে পারবে।
মার্সেলের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (দক্ষিণ) শামীম আল মামুন বলেন, ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্যে মার্সেল এখন অন্যতম জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। ক্রেতারা মার্সেল ব্রান্ডের পণ্য ব্যবহার করে মূল্যের চেয়েও বেশি উপযোগ পাচ্ছেন। ফলে দেশব্যাপী মার্সেল পণ্যের চাহিদা বেড়েই চলেছে।
/এসএনএইচ/