শুক্রবার রাজধানীতে বিজিএমইএ ভবনে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এ দাবি জানান।
বাজেটে, সব ধরনের পণ্য রফতানিতে উৎসে কর ১ দশমিক ৫ শতাংশ হারে আদায়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে তৈরি পোশাকে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হারে উৎসে কর আদায় করা হয়।
সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বিক্রয় মূল্যের ওপর উৎস কর আদায় করা হয়, লাভের ওপর নয়। এতে কোনও প্রতিষ্ঠান যদি ৩ শতাংশ হারে লাভ করে, সেক্ষেত্রে তার আয়ের ৫০ শতাংশ উৎসে কর হিসেবে দিতে হবে। এই হার ব্যাংক, বিমাসহ অন্যান্য সব শিল্প বা সেবা খাতের ওপর প্রযোজ্য করের তুলনায় বেশি।
তিনি আরও বলেন, গত ৩ বছরে তৈরি পোশাক শিল্পের ৬১৮টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আরও ৩১৯টি বন্ধ হওয়ার পথে। এমন ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে শিগগির আরও কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে।
সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, শিল্পের প্রতিযোগী সক্ষমতা ধরে রাখতে পোশাক শিল্পে উৎসে কর ২০১৪-১৫ সালের মতো শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ হারে ধার্য করা হোক।
প্রস্তাবিত বাজেটে তৈরি পোশাক শিল্পে করপোরেট কর ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ হারে নির্ধারণ করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান তিনি।
সিদ্দিকুর রহমান বলেন, রফতানি খাতে প্রণোদনার জন্য ৪ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। শুধু পোশাক শিল্পের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা দরকার বলেও জানান তিনি।
বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে আপিল বিভাগের রায় প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে আগামী ১০ জুন সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। এরপর ১১ বা ১২ জুন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।
/এসএনএইচ/