সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বাংলাদেশ পাদুকা প্রস্তুতকারক সমিতির সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, ১২০ টাকা মূল্যসীমা পর্যন্ত প্লাস্টিক, রাবারের হাওয়াই চপ্পল ও প্লাস্টিকের জুতা একটি ভ্যাট অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য। কিন্তু চরম হতাশার বিষয়, মূসক অব্যাহতিপ্রাপ্ত পূর্ববর্তী সব ধরনের পণ্যকে ভ্যাটের আওতামুক্ত রেখে, শুধু প্লাস্টিক ও রাবারের হাওয়াই চপ্পল এবং প্লাস্টিকে জুতার ওপর মূল্যসংযোজন কর অব্যাহতি প্রত্যাহার করা হয়েছে। দেশের পরিবেশ রক্ষার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা প্লাস্টিক, রাবারের হাওয়াই চপ্পল ও জুতার কাঁচামাল হিসেবে এ সবেরই পুরাতন পণ্য রি-সাইক্লিন করে নতুন পণ্য উৎপাদন করি। এর ফলে আমরা দেশের পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখি।
মো. নাসির উদ্দিন আরও বলেন, গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষের বেকার সমস্যা সমাধানে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের মাধ্যমে অর্থনীতিতে আমরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাদের উৎপাদিত পণ্যের মৌলিক উৎপাদন প্রক্রিয়ার কারণে ভ্যাটের মূল বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই মূসক সমন্বয় ‘রেয়াত’ করার কোনও সুযোগ থাকে না। ফলে এসব উৎপাদনের ক্ষেত্রে পুরাটাই নিট ভ্যাট হিসেবে গণ্য হয়। যা ভ্যাটের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। এ সময় তিনি অর্থমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, কোনও রকমের কালক্ষেপণ না করে এই মরণঘাতী সিদ্ধান্ত বাতিল করুন। আর প্লাস্টিক, রাবারের হাওয়াই চপ্পল এবং জুতার ওপর ভ্যাটের অব্যাহতি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে সমতা ও ন্যায়ের বাজেট পাশ করুন।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, ‘বাংলাদেশ পাদুকা প্রস্তুতকারক সমিতি’র সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন বিলাল, ২৯ নং ওয়ার্ড এর কাউন্সিল হাজী মো. জাহাঙ্গীর আলম বাবুল প্রমুখ।
আরও পড়তে পারেন: যানজটে বাড়ছে মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুঝুঁকি
/এসআইএস/ এমএনএইচ/