জানা গেছে, সারাদেশে ওয়ালটন প্লাজা ও আউটলেটগুলোতে ক্রেতা সমাগম ব্যাপক বেড়েছে। গত বারের তুলনায় এবারের রমজানে ওয়ালটন হোম অ্যাপ্লায়েন্সের বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুণ। মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির ফলে জীবনযাত্রার মানোয়ন্নোয়ন এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নত হওয়ায় ব্যবহার বেড়েছে ইলেকট্রনিক্স হোম অ্যাপ্লায়েন্সের। উচ্চমানের পণ্য, দামে সাশ্রয়ী এবং হাতের কাছে সহজলভ্য বিক্রয়োত্তর সেবার কারণে খুব দ্রুত গ্রাহকপ্রিয় হয়ে উঠেছে ওয়ালটন হোম অ্যাপ্লায়েন্স।
ওয়ালটন সূত্র মতে, পণ্য গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের একদল দক্ষ, মেধাবী এবং অভিজ্ঞ প্রকৌশলী প্রতিনিয়ত গবেষণার মাধ্যমে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। ফলে প্রতিমাসেই চাহিদা ও বিক্রি বাড়ছে।
ওয়ালটন স্মল অ্যাপ্লায়েন্স বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের প্রধান মো. মুক্তাদির বিল্লাহ বলেন, ঈদ-উল-ফিতর উৎসবকে সামনে রেখে গ্রাহকদের চাহিদা ও রুচি অনুযায়ী সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমান সম্পন্ন প্রায় ৩১ ধরণের হোম অ্যাপ্লায়েন্সের শতাধিক মডেল বাজারে এনেছে ওয়ালটন। ফলে এ ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের ঝোঁক ব্যাপক বেড়েছে। এবারের রোজায় বিক্রিও গতবারের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি হচ্ছে।
জানা গেছে, দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল গৃহস্থালী সামগ্রীর চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে ওয়ালটন দেশেই নিজস্ব কারখানায় বেশ কিছু পণ্য উৎপাদন শুরু করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ব্লেন্ডার, ইন্ডাকশন কুকার, গ্যাস স্টোভ, সিলড লেড রিচার্জেবল ব্যাটারি, এলইডি লাইট, সুইচ-সকেট, রিমোট কন্ট্রোল ফ্যান রেগুলেটর, টেবিল ও সিলিং ফ্যান ইত্যাদি। এসকল পণ্য দেশে উৎপাদন করায় মান আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। দামও হয়েছে অনেক সাশ্রয়ী। ভবিষ্যতে, অন্যান্য হোম অ্যাপ্লায়েন্সও দেশেই নিজস্ব কারখানায় তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন।
পণ্য বিক্রয়ের পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে আইএসও সনদপ্রাপ্ত ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের আওতায় ২ হাজারের বেশি প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ান কাজ করছেন। তারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন।
/এসএনএইচ/