মার্সেল কর্তৃপক্ষের দাবি, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে বাংলাদেশেই তৈরি হচ্ছে মার্সেল পণ্য। ফলে তা মূল্য সাশ্রয়ী। রয়েছে অসংখ্য মডেল, কালার ও ডিজাইন। ক্রেতাদের সামর্থ বুঝে রয়েছে বিভিন্ন দামের পণ্য। আইএসও সনদপ্রাপ্ত আধুনিক সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে বিক্রয়োত্তর সেবা। আর সারা দেশেই রযেছে মার্সেলের সার্ভিস পয়েন্ট।
জানা গেছে, গতবারের তুলনায় এবারের রোজায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি পণ্য বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল মার্সেল। রোজা শেষ হওয়ার আগেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। গতবারের চেয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি পণ্য বিক্রি হয়েছে। এছাড়া গত মে মাসের তুলনায় চলতি জুন মাসে ১৫০ শতাংশ বেশি ফ্রিজ বিক্রি হয়েছে। এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির নো-ফ্রস্ট ফ্রিজ।
মার্সেলের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (উত্তর) মোশারফ হোসেন রাজীব বলেন, মার্সেল পণ্য কিনলে বিক্রয়োত্তর সেবা নেওয়ার খুব একটা প্রয়োজন পড়ে না। মিস্ত্রির কাছে যেতে হয় না। এছাড়াও, উৎপাদনে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, বিশ্বমান বজায় রাখা, সাশ্রয়ী মূল্য, সহজ কিস্তি সুবিধা, আইএসও স্ট্যান্ডার্ড দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা, দেশব্যাপী বিস্তৃত সেলস ও সার্ভিস নেটওয়ার্ক এবং সর্বোপরি স্থানীয় আবহাওয়া উপযোগী করে দেশেই তৈরি হয় বিধায় মার্সেল পণ্য এখন গ্রাহক পছন্দের শীর্ষে।
মার্সেলের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (দক্ষিণ) শামীম আল মামুন বলেন, ঈদে পণ্য বিক্রির যে টার্গেট ছিলো মার্সেল এরইমধ্যে তা অতিক্রম করে ফেলেছে। চাহিদা অনুযায়ী কারখানায় পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি সরবরাহ ও বিক্রয় কার্যক্রম জোরদার করার ফলেই এই সফলতা এসেছে।
/এসএনএইচ/