সোমবার দুপুরে বিজিএমইএ কার্যালয়ে আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ‘রফতানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের বতমান পরিস্থিতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সংগঠনটির সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান।
তিনি জানান, এ ঘটনায় দেশের তৈরি পোশাক রফতানিতে প্রাথমিকভাবে একটি ধাক্কা আসতে পারে। তবে এতে খুব বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। তবে এ ধরণের ঘটনা কাম্য নয়।
তিনি আরও বলেন, ঈদকে সামনে রেখে শ্রমিকদের বেতন বোনাস যথাসময়ে পরিশোধ করতে বিজিএমইএ ও সরকার এক সঙ্গে কাজ করছে। এরই মধ্যে ৯টি বিভাগে ভাগ করে আঞ্চলিক কমিটি ও ১৫টি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এক হাজার ৩১৯টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া ৪৪টি কারখানার সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। এছাড়াও ৯৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ তৈরি পোশাক কারখানায় উৎসব ভাতা দেওয়া হয়েছে।
বিজিএমইএ’র সভাপতি বলেন, গার্মেন্টস শিল্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে শিল্প এলাকায় ব্যাংক খোলা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেতনা পরিশোধে ২ থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন চালুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে এবার পোশাক খাতে তেমন কোনও উল্লেখযোগ্য সমস্যা তৈরি হয়নি। তাছাড়া যেকোনও সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানে একটি নিয়ন্ত্রক কক্ষ সার্বক্ষণিক খোলা রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বিজিএমইএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন ছাড়াও পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
/এসআই/এসএনএইচ/