গত ২৫ এপ্রিল বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। পরে তা পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
বিলে আইন ভঙ্গে শাস্তির বিধান ন্যূনতম ৬ মাস এবং সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। জরিমানার ক্ষেত্রে ন্যূনতম দুই হাজার টাকা সর্বোচ্চ পাঁচলাখ টাকার বিধান রাখা হয়েছে।
বিলে বলা হয়েছে,এই আইনের ভিন্নরূপ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধগুলো যেক্ষেত্রে যতটুকু প্রযোজ্য, মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলভুক্ত করে বিচার করা যাবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে তোফয়েল আহমেদ বলেন, বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি করা জরুরি। চা বোর্ড কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম চায়ের মানোন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।
/ইএইচএস/এবি/
আরও পড়ুন
সরকারি পাট কলের আধুনিকায়নে চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি
গ্র্যাচুইটি ফান্ডের টাকা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা যাবে না