বৈঠকে অর্থ, বাণিজ্য, স্বরাষ্ট্র, আইন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
যুবক কমিশনের সুপারিশ মতো যুবকে প্রশাসক নিয়োগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ‘প্রশাসক নিয়োগের সুপারিশ বাস্তবসম্মত কিনা, তা ভেবে দেখা হবে।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যুবকের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আমার সঙ্গে আলোচনা করতে বলেছিলেন। সেই আলোচনা আজ হয়েছে।’
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘যুবকের সম্পত্তি এলোমেলোভাবে আছে। এমন সংস্থায় বিনিয়োগের আগে গ্রাহকদের সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। এ ছাড়া তারা আদালতে যেতে পারতেন, মামলা করতে পারতেন। কিন্তু তাদের কোনও খোঁজ নেই।’
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে যুবক। উচ্চ সুদের বিনিময়ে আমানত সংগ্রহ ও ঋণদান কর্মসূচি চালু করে। ২০০৬ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক তদন্তে যুবকের প্রতারণামূলক কার্যক্রমসহ অবৈধ ব্যাংকিংয়ের চিত্র উঠে আসে। তখনই এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ২০১০ সালের ২৬ জানুয়ারি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির তালিকা তৈরি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়।
ফরাসউদ্দিন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ৫ মে সাবেক যুগ্ম সচিব রফিকুল ইসলামকে চেয়ারম্যান করে গঠন করা হয় দুই বছর মেয়াদি যুবক কমিশন। মেয়াদ শেষে ২০১৩ সালে কমিশন অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয় এবং প্রশাসক নিয়োগসহ ১৪টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করে।
/এসআই/এমএনএইচ/