পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘মানবসম্পদ উন্নয়নে বিদ্যমান ব্যবস্থা অব্যহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দেশ।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘গান্ধী ছিলেন একজন মহান দার্শনিক। তিনি নারীর ক্ষমতায়ন , শিক্ষাবিস্তার এবং দারিদ্র্যবিমোচনে সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত শ্রেণির মানুষদের সঙ্গে নিয়ে অহিংস সংগ্রাম করেছেন। তিনি প্রায় শত বছর আগে উপলব্ধি করেছিলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়।’
গান্ধি নিজের হাতে চরকা দিয়ে কাপড় বুনে কুমিল্লায় খাদি শিল্পের যে যাত্রা শুরু করেছিলেন তা মানব সম্পদ উন্নয়নে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের ২ কোটি ৯০ লাখ কর্মক্ষম মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সবচেয়ে বড় কাজ। সরকারের পরিকল্পনা হচ্ছে, দেশের প্রতিটি মানুষকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করা।’
গান্ধি আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি ড. দেবপ্রিয় ভট্রাচার্যের সঞ্চালনায় বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনা হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, বাংলাদেশে বৃটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশ অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর নিক বেরেসফোর্ড অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ।
/এসআই/ এমএনএইচ/