বাংলাদেশ- ভারতের জনগণের মনের সীমারেখা ভিন্ন নয়: পরিকল্পনামন্ত্রী

PLANNING MINISTER
বাংলাদেশ ও ভারত ভৌগলিক সীমা রেখায় দু’টি ভিন্ন দেশ হলেও বন্ধুপ্রতিম দু’দেশের জনগণের মনের সীমারেখা ভিন্ন হওয়ার নয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

মঙ্গলবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা শেরে বাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় তারা দ্বি-পক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে মত বিনিময় করেন ।

বাংলাদেশের চলমান বিভিন্ন প্রকল্পসহ দেশের সার্বিক অর্থনীতির অগ্রগতির সূচক তুলে ধরে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন,‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন ভিশন এবং তার গতিশীল নেতৃত্বে গত আট বছরে বাংলাদেশের অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে ।’

সাক্ষাৎকালে পরিকল্পনামন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারত বন্ধুপ্রতিম দুই নিকট প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন,‘ঐতিহাসিকভাবেই দু’দেশের মানুষের মধ্যে রয়েছে কৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক অভিন্নতা।’

মন্ত্রী বলেন, ‘একাত্তরে বিশ্বে বীরের গৌরবোজ্জ্বল ভাবমূর্তি নিয়ে যে জাতির জন্ম হয়েছিল,সে জাতি বহু চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে যাচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দরিদ্রমুক্ত এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ১০টি ধনী দেশের কাতারে সামিল হওয়ার মিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতির ফলে বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় স্থান।’ তিনি বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ, বিদ্যুৎ এবং বিভিন্ন অবকাঠামো খাতে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসতে হাইকমিশনারের সহায়তা কামনা করেন ।

এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি আশা করেন,চলমান অগ্রগতি অব্যহত থাকলে বাংলাদেশ এ অঞ্চলের অগ্রগতির জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে ।’

/এসআই/ এপিএইচ/