সপ্তম পঞ্চবার্ষিকীতে বলা এক কোটি ২৯ লাখ কর্মসংস্থান করা কঠিন উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এরপরও বাংলাদেশের পক্ষে তা সম্ভব। আমরা আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক লোককে অর্থনীতির মূল স্রোতে নিয়ে আসতে পারব।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের লক্ষ্য সুন্দর জীবনের নিশ্চয়তা দেওয়া। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী সুদৃঢ় করা হয়েছে। বয়স্কভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা, ভিজিএফ, টিআর, কাবিখা ও মুক্তিযোদ্ধা ভাতা প্রবর্তনসহ হতদরিদ্রদের জন্য নতুন-নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে শতভাগ দারিদ্র্যমুক্ত দেশ। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের ২০টি ধনী দেশের কাতারে সামিল হবে।’
আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে আমরা মূল্যস্ফীতি শতকরা নয় ভাগ থেকে কমিয়ে ৫ ভাগে উন্নীত করেছি। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য শতভাগ বেতন বৃদ্ধির পরও দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়েনি। আমাদের মুদ্রা বিনিয়োগ হার পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক ভালো।’
অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনৈতিক বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আরেফিন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জিল্লার রহমান, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমিয়াও ফান, পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বিআইডিএস চেয়ারম্যান রিসার্স ডিরেক্টর ড. রুশিদান ইসলাম বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।
/এসআই/এনএস/এমএনএইচ/