নৌ-যোগাযোগ সৃষ্টি হলে ভারত-বাংলাদেশ উভয়ই লাভবান হবে

PID3937

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নৌ-যোগাযোগ সৃষ্টি হলে দুই দেশই মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি হবে। এ থেকে দুই দেশই লাভবান হবে বলে মনে করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।

আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ইন্দো-বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাট্রিজ আয়োজিত ‘ইন্দো-বাংলা ওয়াটার ওয়েজ কানেক্টিভিটি’ শীর্ষক এক  সেমিনারে তারা এসব কথা বলেন।

সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত বাংলাদেশের ১ কোটি মানুষকে আশ্রয় ও খাবার দিয়েছে। অস্ত্র দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছে। ভারত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক উন্নয়নের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৭২ সালে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক চুক্তি করে। যা প্রতি ৫ বছর পরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হয়। এতে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন।’

PID3912

তিনি আরও বলেন, ‘এই বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিবিআইএন (বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল) বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর ফলে ভুটান ও নেপালের যানবাহন বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে সরাসরি যাতায়াত করতে পারবে। এক্ষেত্রে ওয়াটার ওয়ে কানেক্টিভিটি খুবই জরুরি। এতে করে উভয় দেশ বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্র উপকৃত হবে। বাংলাদেশে সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক ব্যবধান কমিয়ে আনতে অ্যালকোহল ও টোবাকো ছাড়া বাকি সব পণ্য ভারত ডিউটি ও কোটা ফ্রি সুবিধা দিচ্ছে। নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলে উভয় দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে।’

সেমিনারে হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন বলেন, ‘উভয় দেশের বাণিজ্য ও যোগাযোগের উন্নয়নের জন্য ওয়াটারওয়েজ কানেক্টিভিটি খুবই জরুরি। ভারত বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে খুবই আন্তরিক। ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের কোনও বিকল্প নেই।’     

ইন্দো-বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাট্রিজের সভাপতি তাসকিন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক সৈয়দ মুনীর খসরু।

/এসআই/এসটি/