প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৮ সালের ঘোষণার বিধিমালাগুলোকে মাথায় রেখে শ্রমিকের স্বার্থের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। না হলে এটি ভিন্ন স্বার্থে ব্যবহৃত হবে।’ তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দেশের জন্য তুলনামূলক যেসব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, সেগুলোতে কোনও প্রশ্নের সুযোগ রাখা যাবে না।’
শ্রম প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে আইএলও-এর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘বাণিজ্য চুক্তিগুলোকে শ্রমবান্ধব করার জন্য আমাদের যে উদ্যোগ, তা ফলপ্রসূ হচ্ছে কিনা, তার প্রভাব কী রকম, খতিয়ে দেখতে আইএলও একটি সমীক্ষা করেছে। শ্রম সম্পর্কিত বিধান সংবলিত বাণিজ্য চুক্তি এবং বিধান বহির্ভূত বাণিজ্য চুক্তিগুলোর তুলনামূলক সুবিধা-অসুবিধা আরও ভালোভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য আইএলও-এর প্রতি আহ্বান জানান।
শ্রম প্রতিমন্ত্রী আইএলও-এর গভর্নিং বডির শ্রম সম্পর্কিত চলমান সভায় ৬ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধি দলটি গত ১ নভেম্বর জেনেভায় পৌঁছেন।
আগামী ৮ নভেম্বর প্রতিনিধি দলটি দেশে ফিরবে।
/এসআই/এমএনএইচ/