বৃহস্পতিবার ইউনূস সেন্টার থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির সম্ভাবনা বিষয়ে প্রকাশ্যে বা ব্যক্তিগতভাবে কখনও কারও কাছে কোনও বিবৃতি দেননি। আমরা প্রফেসর ইউনূসের বিরুদ্ধে এই ভিত্তিহীন অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, অপরপক্ষে প্রফেসর ইউনূস বরাবরই বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের স্বপ্ন পদ্মা সেতু প্রকল্পের একজন সমর্থক এবং এই স্বপ্নের বাস্তবায়নে তার (ইউনূসের) বাধা হয়ে দাঁড়ানোর প্রশ্নই আসে না। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে তাকে অভিযুক্ত করার পর গত ২৮ জানুয়ারিসহ বহুবার তিনি এ বিষয়ে তার বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেছেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ৬৯ লাখ টাকা কর দাবি সম্পর্কে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনি এ বিষয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। বিষয়টি এখনও আদালতে বিচারাধীন এবং এ বিষয়ে আদালতের যেকোনও সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আকস্মিকভাবে এবার অভিযোগ তোলা হয়েছে, বিদেশে গ্রামীণ ট্রাস্টের অর্থ প্রেরণ নিয়ে। গ্রামীণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করা হয় অন্যান্য দেশে ক্ষুদ্রঋণ পদ্ধতি রেপ্লিকেশনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে। শুধুমাত্র ওই সকল দেশে ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি গড়ে তোলার জন্য ডোনাররা গ্রামীণ ট্রাস্টকে অর্থ পাঠিয়েছিলেন । এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট অন্য সকল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন গ্রহণ করা হয়েছে।
/জিএম/ এপিএইচ/