সোমবার (৬ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসএম মনিরুজ্জামানসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে শুভংকর সাহা বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের চার্জ নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং পর্ষদ এ চার্জ কমানোর ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠকও করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি বিকাশসহ সেবা নিয়ে বেশ কিছু অনিয়মের খবর বেরিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেছে।’ তিনি বলেন, ‘মোবাইল ব্যাংকিং একটি সীমিত ব্যাংকিং সেবা। তবে এখন ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বেড়ে গেছে। এর মাধ্যমে অনিয়মও বেড়েছে।’
তিনি জানান,বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিং সেবার ৭৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।তাই অপরাধের খবরও তাদের বেশি। তবে সব কিছু বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেন মুখপাত্র।
মোবাইল ব্যাংকিং খাতে কাঙ্ক্ষিত শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে ডেপুটি গভর্নর এসএম মনিরুজ্জামান বলেন,‘সম্প্রতি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের লেনদেনের সীমা কমানো হয়েছে। এতে একজন গ্রাহক তার মোবাইল হিসাবে সর্বোচ্চ ২ বারে ১৫ হাজার টাকা নগদ জমা এবং ১০ হাজার টাকা নগদ উত্তোলন করতে পারবেন। এভাবে মাসে তিনি ২০ বারে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ জমা এবং ১০ বারে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ উত্তোলন করতে পারবেন।’
তিনি জানান,একটি মোবাইল হিসাবে নগদ অর্থ জমা হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫ হাজার টাকার বেশি উত্তোলন করা যাবে না। এই নির্দেশনা শুধু মোবাইল হিসাবে ক্যাশ ইন হলেই প্রযোজ্য হবে। এ নিয়ম প্রতিষ্ঠানের বেতন, পোশাক শ্রমিকদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল, মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
এই নির্দেশনা শুধু মোবাইল হিসাবে ক্যাশ ইন হলেই প্রযোজ্য হবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের বেতন, পোশাক শ্রমিকদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল, মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে পেমেন্ট সিস্টেমের বিভাগের মহাব্যবস্থাপক লীলা রশিদ, মহাব্যবস্থাপক জিএম আবুল কালাম আজাদসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/জিএম/এমএ/ এটিএইচ/
আরও পড়ুন:
ভবন নির্মাণে উত্তরায় জমি পাচ্ছে বিজিএমইএ